Thursday, January 12th, 2017
অগ্রযাত্রার তিন বছর
January 12th, 2017 at 11:41 am
অগ্রযাত্রার তিন বছর

ঢাকা: আজ ১২ জানুয়ারি। এই দিনে  বাংলাদেশকে ‘সমৃদ্ধির মহাসড়কে’ তোলার স্লোগান নিয়ে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসে আওয়ামী লীগ। আজ ৩ বছরপূর্ণ হলো বর্তমান সরকারের।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দেশের সাধারণ নির্বাচনে দলটি জোটগত ভাবে বিজয়ী হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩৪টি, শরিক জাতীয় পার্টি ৩৪টি, ওয়াকার্স পার্টি ৬ এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ ৫টি আসন লাভ করে। এই জোট সরকার গঠন করে ১২ জানুয়ারি। এই নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি। এতে দেশব্যাপী অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। নাশকতা, ধ্বংসযজ্ঞ, নৃশংসভাবে মানুষ হত্যা ও লাগাতার অবরোধ-হরতালে পুরো দেশে চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে। যা মোকাবেলা করে শান্তি ফিরিয়ে আনা ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নানা কারণেই সরকারের গত ৩ বছর ছিল ঘটনাবহুল।

দেশীয়-আন্তর্জাতিক রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এই ৩ বছরে শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় ঘোষিত এবং কার্যকর হয়েছে।

সরকারের ৩ বছরের অন্যতম বড় অর্জন হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্লোবাল সাউথ সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো-২০১৪ এর ভিশনারী এ্যাওয়ার্ড পুরস্কৃত অর্জন। এ ছাড়াও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) ও ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিও) নির্বাচনে বাংলাদেশের দুই প্রার্থী স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর বিজয়। ১৮৮টি দেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন।

ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল স্যাটেলাইট অর্গানাইজেশন-এর মহাপরিচালক এবং হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল ও ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন-এর নির্বাচনেও বিজয়ী হয় বাংলাদেশ।

জঙ্গি দমন:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নানা পদক্ষেপে জঙ্গি দমন ছিল ২০১৬ সালের শ্রেষ্ঠ অর্জন। এ সালেই দেশের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দমন করা হয়েছে।’

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু:-

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের আশা আকাঙ্খা আর স্বপ্ন পদ্মা সেতু। যা বার বার দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার। কিন্তু সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিজস্ব অর্থায়নে শুরু হয়েছে ৬.১৫ কিলোমিটারের দীর্ঘ পদ্মা সেতু। যার প্রায় ৩৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, পদ্মা সেতু চালু হলে দেশের প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

বিদ্যুৎ খাতে সফলতা:

২০০৯ সালে বিদ্যুৎ প্ল্যান্টগুলোর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪৯৩১ মেগাওয়াট। বর্তমান সরকারের পদক্ষেপে ২০১৬ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৮৫ ভাগ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে প্রায় ৯ হাজার মেগাওয়াট। সরকার প্রায় নতুন ৩৫ লাখ সংযোগ দিতে সক্ষম হয়েছে। ৬৫টি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়েছে। বেশ কিছু নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প অচিরেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এবং বিদ্যুৎ সমস্যা থাববে না আশা করা যায়।

শিক্ষাক্ষেত্রে সফলতা:

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় নজিরবিহীন সাফল্য এনেছে। বছরের প্রথম দিনে সকল প্রাইমারি, মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় বিনামূল্যে বই বিতরণ সারা বিশ্বে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। সরকার দেশের প্রায় সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করেছে। পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা পদ্ধতি প্রণয়নের মাধ্যমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। সবার মতামতের ভিত্তিতে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের ব্যবস্থা করে সরকার হচ্ছে শিক্ষা আইন। ২৪ হাজার স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম তৈরি করে দেয়া হয়েছে। সব শিক্ষাস্তরে তথ্যপ্রযুক্তিকে আলাদা বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ছাত্রীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা তহবিল গঠন করে স্নাতক পর্যন্ত উপবৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এসেছে পরিবর্তন। বর্তমানে দেশে ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন প্রত্যেক জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।

যোগাযোগ খাতে সফলতা:

সড়ক যোগাযোগ সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ঢাকা যানবাহন সমন্বয় বোর্ড, বিআরটিসি, বিআরটিএ এবং সেতু বিভাগের মাধ্যমে দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিস্তা সেতু, বরিশালে আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু, শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর সুলতানা কামাল সেতু, শাহ আমানত শাহ সেতু, শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু, বান্দরবানে রুমা ও থানচি সেতু, রংপুরে যমুনেশ্বরী সেতুসহ আরো বেশ কয়েকটি সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

মিরপুর থেকে সেনানিবাসের ওপর দিয়ে বিমানবন্দর সড়কে ফ্লাইওভার, কুড়িল ফ্লাইওভার, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার, মগবাজার ফ্লাইওভার ও বনানী রেলক্রসিংয়ের ওভারপাস নির্মাণ এই সরকারের একটি বড় সাফল্য।

জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর হয়ে ঢাকা বাইপাস সড়ক নির্মিত হয়েছে। সাভার-নবীনগর মহাসড়ক, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ, ঢাকা-ময়মনসিংহ, রংপুর বিভাগীয় শহরের সড়ক, চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়ক, নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক এবং নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম বন্দর সংযোগ উড়ালসেতু নির্মাণ করা হয়েছে। সংযুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে।

সড়কের ক্ষয়ক্ষতি এবং দুর্ঘটনা হ্রাসে ৬টি ওভারলোড কন্ট্রোল স্টেশন কার্যকর করাসহ ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ১১টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানে সড়ক বাক প্রশস্তকরণ ও সরলীকরণসহ ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-কক্সবাজার সড়কের আরো ৬টি স্পট সরলীকরণের কাজ চলমান রয়েছে। কাঁচপুর-আমিন বাজার ব্রিজের নিচে সার্কুলার ডাইভার্সন সড়ক নির্মিত হয়েছে। যা যানজট নিরসনে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

স্বাস্থ্য খাতে সফলতা:

স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এর মান উন্নয়নেও জোর দিয়েছে সরকার। সংবিধানের মাধ্যমে এ দেশের মানুষের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। শেখ হাসিনার নির্দেশে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তারদের কমপক্ষে দুই বছর নিজ এলাকায় চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে হবে। মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুহার অনেক হ্রাস পেয়েছে। গড় আয়ু ৭০.৭ বছর হয়েছে। মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়িয়ে ৬ মাস করা হয়েছে। ১২৭৭৯ কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। হাসপাতালের সংখ্যা ১৬৮৩টি থেকে বেড়ে হয়েছে ২৫০১টি। ১৫টি শিশু বিকাশ কেন্দ্র স্থাাপন করা হয়েছে। শিশুমৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করার কারণে এমডিজি পুরস্কার লাভ করে বাংলাদেশ।

সাবমেরিন:

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও বিরাট পরিবর্তনের বছর ২০১৬। থ্রি- ডাইমেনশনাল (থ্রি-ডি) সমন্বিত প্রতিরক্ষা কৌশলে বলীয়ান হওয়ার পথে বাংলাদেশ নৌবাহিনী’কে সরকার দুটি সাব-মেরিন উপহার দিয়েছে। গত ২২ ডিসেম্বর সাবমেরিন দুটি চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে এসে পৌছায়।

দেশে তৈরি বড়মাপের যুদ্ধজাহাজ:

খুলনা শিপইয়ার্ড কর্তৃক নির্মিত প্রথমবারের মত বড়মাপের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ হয়েছে। ৮ শতাধিক কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা শিপইয়ার্ড বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর জন্য যে দুটি ‘লার্জ পেট্রোল ক্রাফট-এলপিসি’ নির্মাণ করছে তার প্রথমটি গত ২৯ ডিসেম্বর সকালে লঞ্চিং করেন নৌ বাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ-ওএসপি, এনডিসি, পিএসসি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতবছর  ৬ সেপ্টেম্বর ‘কিল-লে’র মাধ্যমে এ দুটি এলপিসি’র নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন।এছাড়াও যুদ্ধজাহাজ দুটিতে ১টি করে ট্রাকিং রাডার, দুটি করে নেভিগেশন রাডারস ও ১টি হাল মাউন্টড সোনারসহ বিভিন্ন অত্যাধুনিক সরঞ্জাম সংযোজন করা হচ্ছে।

গরীবের সংখ্যা কমেছে:

অক্টোবর মাসে বিশ্বব্যাংক সুসংবাদ দেয় যে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা অব?্যাহত থাকায় বাংলাদেশে ‘অতিদরিদ্র’ মানুষের সংখ্যা মোট জনগোষ্ঠীর ১২ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে অতিদারিদ্র্যের হার ছিল ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ। বিশ্বব্যাংক জানায় দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের অর্জন প্রশংসনীয়, এমনিক ভারত, পাকিস্তান ও ভুটানের চেয়েও ভালো।

নারায়ণগঞ্জের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন:

২০১৬ সালের শুধু নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসেরই বড় ইতিবাচক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াত খানকে পরাজিত করে মেয়র পদে নির্বাচিত হলেও দেশের রাজনীতি বিশ্লেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলেছেন, প্রার্থী নয়, আসলে বিজয়ী হয়েছে বাংলাদেশ! নির্বাচনী কেন্দ্রের একটায়ও সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। ভোট কারচুপির অভিযোগও কেউ উত্থাপন করতে পারেনি। ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সে নির্বাচনে ৬৩ শতাংশেরও বেশী ভোট পড়েছিল।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক সমুদ্র আদালতে আবেদনের মাধ্যমে ভারত ও মায়ানমারের কাছ থেকে প্রাপ্য বিরাট জলরাশির ওপর কর্তৃত্ব স্থাপিত হয়েছে। ফলে ব্লু-ইকোনোমিতে নতুন দিগন্ত সূচিত হয়েছে। ভারতের সঙ্গে ছিটমহল সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে নতুন ৪৭ বর্গ কি.মি. এলাকা মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

আইসিটি পার্ক গঠন হয়েছে গাজীপুরে। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬.৩০ কোটি ছাড়িয়েছে। আইসিটি খাত থেকে অচিরেই ডলার আয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জাতীয় তথ্য বাতায়ন প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এই সরকারের আমলে প্রায় ৭৫ লাখের অধিক বেকার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো করা হয়েছে।

নারীর ক্ষমতায়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং সংসদের স্পিকার নারী। নিয়োগ দেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম নারী ভিসি। পুলিশ, সেনাবাহিনী বর্ডার গার্ড নারী সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের ব্যাংক রিজার্ভ ২৯ কোটি বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। যা রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। সরকারি ব্যাংকসমূহে চাকরি আবেদন বিনামূল্যে করে দিয়েছে সরকার। এসব উন্নয়নের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ ‘সাউথ-সাউথ এওয়ার্ড’ ইত্যাদি পুরস্কার লাভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরষ্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১৫ সালে ভারতের সাথে স্থল সীমানাচুক্তি বাস্তবায়ন ছিল এই সরকারের অন্যতম অর্জন। এর আগে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত মামলায়ও বিজয়ী হয় বাংলাদেশ ।

 


সর্বশেষ

আরও খবর

নির্বাচনে বিজয়ী হতে আগেই পরিকল্পনা করছে আ.লীগ

নির্বাচনে বিজয়ী হতে আগেই পরিকল্পনা করছে আ.লীগ


নৌকার টিকেট পেলেন সেনবাবুর স্ত্রী

নৌকার টিকেট পেলেন সেনবাবুর স্ত্রী


সন্ত্রাসী দলের সঙ্গে কিসের আলোচনা

সন্ত্রাসী দলের সঙ্গে কিসের আলোচনা


বিনোদন যোগাযোগ একসঙ্গে

বিনোদন যোগাযোগ একসঙ্গে


ওভেনের ট্রান্সফরমারে সাড়ে ৩ কেজি সোনা

ওভেনের ট্রান্সফরমারে সাড়ে ৩ কেজি সোনা


একি ‘ডুব’র ‘নোংরা’ প্রচারণা?

একি ‘ডুব’র ‘নোংরা’ প্রচারণা?


ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করতে জাদুমন্ত্র  

ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করতে জাদুমন্ত্র  


‘ভাবের ঘরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চুরি’

‘ভাবের ঘরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চুরি’


‘সরকারের মদদেই ধারাবাহিক ব্লগার হত্যা’

‘সরকারের মদদেই ধারাবাহিক ব্লগার হত্যা’


মসুলের যুদ্ধক্ষেত্রে নারী সাংবাদিক নিহত

মসুলের যুদ্ধক্ষেত্রে নারী সাংবাদিক নিহত