Monday, March 13th, 2017
অপারেশন সার্চলাইট: ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞ
March 13th, 2017 at 12:29 pm
অপারেশন সার্চলাইট: ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞ

ডেস্ক: শনিবার (১১) মার্চ জাতীয় সংসদে একাত্তরের ২৫ মার্চের কালরাতে মুক্তিকামী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য সর্বসম্মতভাবে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের জন্য ১৪৭ বিধিতে প্রস্তাব উত্থাপন করেন জাসদের সাংসদ শিরীন আখতার। তিনি প্রস্তাব করেন—১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে বর্বর পাকিস্তানি সেনাবহিনীর গণহত্যাকে স্মরণ করে দিনটিকে ‘গণহত্যা দিবস’ ঘোষণা করা হোক এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

সংসদের গণহত্যা দিবসের প্রস্তাবটি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করলে কলঙ্ক থেকে বাঙালকে মুক্তি দেওয়া হবে। গণহত্যার বীভৎস রূপ যারা দেখেছে তারা কখনো ভুলতে পারবে না। যারা দেখেনি তারা ভয়াবহতা বুঝতে পারবে না।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ১ ডিসেম্বরকে মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, শহীদের সংখ্যা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। এমনকি মাওলানা মওদুদীর ছেলেও জামায়াতের অফিশিয়াল প্রকাশনার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা ৩৫ লাখ। এই সংখ্যা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলে তাদের ধিক্কার জানাই।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী একাত্তরে বেলুচিস্তানেও গণহত্যা চালিয়েছিল।

জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, বাংলাদেশে আর কখনো যাতে স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায় আসতে না পারে, সে জন্য এই দিবস পালন করতে হবে।

ইতিহাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ড: অপারেশন সার্চলাইট

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী বাহিনী মুক্তিকামী বাঙালি ওপর ইতিহাসের যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল তার অফিসিয়াল নাম ছিল, “অপারেশন সার্চলাইট”। এ অপারেশনের উদ্দেশ্য ছিল ঢাকাসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও ছাত্র নেতৃবৃন্দ এবং বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের গ্রেপ্তার ও প্রয়োজনে হত্যা, সামরিক আধা সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর বাঙালি সদস্যদের নিরস্ত্রীকরণ, অস্ত্রাগার, রেডিও ও টেলিফোন এক্সচেঞ্জ দখলসহ প্রদেশের সামগ্রিক কর্তৃত্ব গ্রহণ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলন কঠোর হস্তে দমন করে প্রদেশে পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।

অপারেশন সার্চলাইট অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা। কিন্তু ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে তার বৈঠকে কোনো ইতিবাচক ফলাফল না পেয়ে সবাইকে সর্বাত্মক সংগ্রামের জন্য তৈরি হওয়ার আহবান জানান। সে রাতেই ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মুক্তিকামী বাঙালি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান ও এ.এ.কে নিয়াজীর জনসংযোগ কর্মকর্তা মেজর সিদ্দিক সালেক মন্তব্য করেছেন যে, বাঙালি বিদ্রোহীদের প্রবল প্রতিরোধ সৃষ্টির আগেই পাকিস্তান বাহিনী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পৌঁছার লক্ষ্যে অভিযান এগিয়ে ২৫ মার্চ রাত ১১-৩০ মিনিটে শুরু হয়। অবশ্য ৫ আগস্ট প্রকাশিত পাকিস্তান সরকারের শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগ ২৬ মার্চ ভোরে একটি সশস্ত্র বিদ্রোহ করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। শ্বেতপত্রে উল্লেখিত এ তথ্যকেও অভিযান এগিয়ে আনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

ঢাকার এই অপারেশনে বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলো:

  • ১৩ ফ্রন্টিয়ার ফোর্স: ঢাকা সেনানিবাস আক্রান্ত হলে সেটা সামাল দিতে রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছিলো তাদের।
  • ৪৩ লাইট অ্যান্টি এয়ারক্রাফট রেজিমেন্ট: তেজগাঁ বিমানবন্দরের দায়িত্বে
  • ২২ বেলুচ: পিলখানায় ইপিআরদের নিরস্ত্রিকরণ ও তাদের ওয়ারলেস এক্সচেঞ্জ দখলের দায়িত্বে।
  • ৩২ পাঞ্জাব: রাজারবাগ পুলিশ লাইনের দায়িত্বে
  • ১৮ পাঞ্জাব: নবাবপুরসহ পুরান ঢাকার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাগুলোর দায়িত্বে
  • ১৮ পাঞ্জাব, ২২ বেলুচ ও ৩২ পাঞ্জাবের একটি করে কোম্পানির সমন্বয়ে যৌথ ইউনিট ইকবাল হল ও জগন্নাথ হলসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিল

স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ একদল কমান্ডোর দায়িত্ব ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে জীবিত গ্রেপ্তার করা। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারের অপারেশনটির নাম ছিল “অপারেশন বিগ বার্ড”। এক স্কোয়াড্রন এম-২৪ ট্যাঙ্ক ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে যোগ দেওয়ার অপেক্ষায় ছিলো।

মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলির নির্দেশে ২৫ মার্চ সকালে পিলখানার নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়ে নেয় পাকিস্তানি সেনারা। তখন বাঙালি ইপিআর অফিসারদের পাকিস্তানী অফিসাররা পিলখানায় ব্যস্ত রেখেছিলো এবং সৈন্যদের প্রায় সবাইকেই কাজ বন্ধ রেখে বিশ্রামে পাঠানো হলো। সন্ধ্যার পরপরই সারা শহরে গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হলো ‘ইয়াহিয়া খান ঢাকা ছেড়ে চলে গেছে’। তখন আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবকরা রাস্তায় রাস্তায় হালকা ব্যারিকেড বসানো শুরু করলো। কিন্তু এই সব প্রতিবন্ধকতা পাকিস্তানি সৈন্যদের ভারি ভারি অস্ত্র-শস্ত্র ও সাঁজোয়া যানের কাছে পাত্তাই পেলো না। যেসব স্বেচ্ছাসেবকরা রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করছিলো উল্টো তারাই প্রথম সৈন্যদের আক্রমণের শিকার হয় এবং পাকিস্তানি জান্তারা তাদের হত্যা করে। অপারেশন রাত ১১টায় শুরু হবার কথা, পাকিস্তানী সৈন্যরা সাড়ে ১১টায় ঢাকা সেনানিবাস থেকে বের হয়। কারণ পাকিস্তানি ফিল্ড কমান্ডার চাইছিলেন যে বাঙালি সৈন্যরা যাতে কোন বাধা দিতে না পারে। সেনাবাহিনীকে পুরো অপারেশনের জন্য ৬ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিলো। পাকিস্তানী সৈনরা আক্রমণ শুরু করার আগে আগেই দ্রুততার সঙ্গে ঢাকা শহরের সকল যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

১০ম বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সেনানিবাসে পাকিস্তানিরা সহজেই নিরস্ত্র করে এবং হত্যা করে। ৩১তম ফিল্ড রেজিমেন্টকে ঢাকার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এবং শহরের উত্তরাংশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। মেজর বেলাল এবং লে. কর্নেল জেড এ খানের সঙ্গে নিযুক্ত কমান্ডো বাহিনী অপারেশনের শুরুতেই শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে। কিন্তু আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতাই পাকবাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

বালুচ রেজিমেন্টটি ইপিআর সদর দফতরে অবস্থিত নিরস্ত্র আর অসংগঠিত ইপিআর সৈন্যদের আক্রমণ করে। সেখানে বাঙালি অসীম সাহসী যোদ্ধারা সারা রাত যুদ্ধ করে সুসজ্জিত পাকবাহিনীকে আটকে রাখে। কিন্তু শেষপর্যন্ত সকালের দিকে তারা হেরে যায়। তাদের বেশিরভাগই সেখানে মারা যান, বাকিরা পালিয়ে যান। পাকিস্তানি বাহিনী কোন রকম বাধা ছাড়াই মিরপুরে অবস্থানরত ইপিআর বাহিনীকে গ্রেফতার এবং রাষ্ট্রপতি ভবন ও গভর্নর হাউস দখল করে নেয়। এখানেও কিছু বাঙালি পালাতে পারলেও বেশিরভাগই মারা যান।

পাঞ্জাব রেজিমেন্টের দুইটি অনিয়মিত বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা আক্রমণ করে। ছাত্ররা আর আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা পাকবাহিনীর হাতে মারা যান। ছাত্রদের প্রত্যেকটি হলে ঢুকে ঢুকে নিরস্ত্র ছাত্রদের খুঁজে বের করে করে হত্যা করে সেনা সদস্যরা। একই সঙ্গে হত্যা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু অগ্রগণ্য শিক্ষককেও।

তারপর ২৬ মার্চ সকালে সেনা সদস্যরা হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা এবং পুরান ঢাকা আক্রমণ করে। ওদিকে রাজারবাগে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবী ও স্থানীয় মানুষের সহায়তায় পাক জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু পাকিস্তানিদের ভারি অস্ত্রসস্ত্রের কাছে তারাও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়। যারা বেঁচে যায় তাদের বেশিরভাগই ধরা পরেন অথবা এদিক সেদিকে পালিয়ে যান।

ভোরের মধ্যে ঢাকা শহর আক্রমণকারীদের দখলে চলে যায়। এরপর খুনিরা শহর জুড়ে দিয়ে দেয় কারফিউ। বেঁচে যাওয়া পুলিশ এবং ইপিআর সেনারা শহর ছেড়ে পালিয়ে যায়, কেউ কেউ বুড়িগঙ্গা নদী পার হয়ে জিঞ্জিরায় গিয়ে সংগঠিত হতে থাকেন।

এই অপারেশন চলতে থাকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত। শুধু হত্যা আর গ্রেফতারই নয়, হায়েনারা শহীদ মিনার, দৈনিক ইত্তেফাকের কার্যালয়, ডেইলি পিপলস এর কার্যালয় আর রমনার কালী মন্দিরও ধ্বংস করে দেয়। ধরা পরা বাঙালি সৈন্য এবং ইপিআর ও পুলিশ কর্মকর্তাদের হয় মেরে ফেলা হয় নয়তো কোনো বিচার ছাড়াই জেলখানায় বন্দী করা হয়।

অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাতের অভিযানে প্রকৃত হতাহতের হিসাব পাওয়া যায় না। বিদেশি সাংবাদিকদের ২৫ মার্চ অভিযানের আগেই দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। দেশি সংবাদপত্রের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এ সম্পর্কে তেমন বিশেষ কিছু জানা যায় না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লুকিয়ে থাকা তিন বিদেশি সাংবাদিক আর্নল্ড জেটলিন, মাইকেল লরেন্ট, সাইমন ড্রিং-এর লেখনী থেকে সে রাতের ভয়াবহ নৃশংসতা সম্পর্কে জানা যায়। সাইমন ড্রিং ‘ডেটলাইন ঢাকা’ শিরোনামে ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় ২১ মার্চ যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তাতে ইকবাল হলের ২০০ ছাত্র, বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় শিক্ষক ও তাদের পরিবারের ১২ জন নিহত হওয়ার সংবাদ পরিবেশিত হয়। পুরনো ঢাকায় পুড়িয়ে মারা হয় ৭০০ লোককে। দেশি বিদেশি বিভিন্ন সূত্র থেকে যে বিবরণ পাওয়া যায় তাতে ওই রাতে শুধু ঢাকায় ৭ হাজার বাঙালি নিহত হয়।

২৫ মার্চ গণহত্যা শুরুর প্রাক্কালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান করাচির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আলোচনার জন্য আসা পাকিস্তান পিপলস পার্টির সভাপতি জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে থেকে অভিযান প্রত্যক্ষ করেন। পরদিন ঢাকা ত্যাগের প্রাক্কালে ভূট্রো সেনাবাহিনীর পূর্ব রাতের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে মন্তব্য করেন, ‘আল্লাহকে অশেষ ধন্যবাদ যে পাকিস্তানকে রক্ষা করা গেছে।’ ইয়াহিয়া খানসহ সামরিক কর্মকর্তাদের সকলে অভিযানের প্রশংসা করেন। এমনকি পরবর্তী ৫ আগস্ট পাকিস্তান সরকার যে ‘শ্বেতপত্র’ প্রকাশ করে তাতে ২৫ মার্চ সামরিক অভিযানকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

তথ্যসূত্র ও ছবি: মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বিভিন্ন ওয়েবসাইট, গ্রন্থনা: প্রণব


সর্বশেষ

আরও খবর

চীন ও ভারতের গহনার দাপটে অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহি ভাকুর্তার গহনা শিল্প

চীন ও ভারতের গহনার দাপটে অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহি ভাকুর্তার গহনা শিল্প


‘স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও দেশের এ করুণ অবস্থা দেখে ঘৃণা হয়’

‘স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও দেশের এ করুণ অবস্থা দেখে ঘৃণা হয়’


নতুন প্রজন্মের কাছে চাওয়া তারা যাতে ক্ষমতার লড়াই না করে প্রকৃত দেশপ্রেমী হয়: রওশন আরা বাচ্চু

নতুন প্রজন্মের কাছে চাওয়া তারা যাতে ক্ষমতার লড়াই না করে প্রকৃত দেশপ্রেমী হয়: রওশন আরা বাচ্চু


রাজনৈতিক স্বার্থে নষ্ট হচ্ছে একুশের চেতনা

রাজনৈতিক স্বার্থে নষ্ট হচ্ছে একুশের চেতনা


ডিজিটাল যুগে রাজধানীতে ঘোড়ার বাহন

ডিজিটাল যুগে রাজধানীতে ঘোড়ার বাহন


লাল-সবুজের ফেরিওয়ালাদের গল্প

লাল-সবুজের ফেরিওয়ালাদের গল্প


রাজধানীতে বাড়ি ভাড়ায় নৈরাজ্য 

রাজধানীতে বাড়ি ভাড়ায় নৈরাজ্য 


শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সদরঘাট

শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সদরঘাট


‘ছেলেরা পারলে আমরা পারবো না কেন?’

‘ছেলেরা পারলে আমরা পারবো না কেন?’


কঠিন মনের নারী সুমি বেগম!

কঠিন মনের নারী সুমি বেগম!