Thursday, November 30th, 2017
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
November 30th, 2017 at 4:29 pm
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত।

রাজধানীর বকশিবাজারে উমেশ দত্ত রোডের কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামানের আদালত বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, হরতালের কারণ দেখিয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে আজ সময় চান তার আইনজীবীরা। আসামিপক্ষের এ আবেদন নামঞ্জুর করে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। একই সঙ্গে আগামী ৫, ৬ ও ৭ ডিসেম্বর এ মামলার যুক্তিতর্কের জন্য দিনও ধার্য করে আদেশ দিয়েছে আদালত।

মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, মামলা দুইটিতে খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে অসমাপ্ত বক্তব্যের তারিখ আজ ধার্য ছিল। তারা খালেদা জিয়ার পক্ষে হাজিরা দিয়েছেন। আমরা তার জন্য অপেক্ষা করি।

বিচারক বলেন, খালেদা জিয়া উপস্থিত নাই। হাজিরা দিলেন কীভাবে? এটা দেয়া যায়। আর হরতালের প্রভাব তো দেখলাম না। আমি যানজটে আটকে ছিলাম। আমার আসতে এক ঘণ্টা সময় লেগেছে। আপনারা আসতে পারছেন, আমি আসতে পারছি, তাহলে খালেদা জিয়া আসতে পারবেন না। বেলা সোয়া ১১টায় আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জন্য অপেক্ষা করা হয়। এরপর খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। একই সঙ্গে আদালত খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের কার্যক্রম শেষ করে আগামী ৫, ৬ ও ৭ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করে আদেশ দেয়।

গত ২৩ নভেম্বর মামলায় ৬ষ্ঠ দিনের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য পেশ করেন বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে গত ১৯ অক্টোবর, ২৬ অক্টোবর, ২, ৯ ও ১৬ নভেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য পেশ করেন খালেদা জিয়া। এ আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত দুই দুর্নীতি মামলার বিচার চলছে।

এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এ মামলাটি করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই দুই মামলায় বেগম খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠন করা হয়।

গ্রন্থনা ও সম্পাদনা: জাই


সর্বশেষ

আরও খবর

খালেদা জিয়ার কোনো ক্ষতি হলে দায় সরকারের

খালেদা জিয়ার কোনো ক্ষতি হলে দায় সরকারের


মানববন্ধন-অবস্থান ও অনশন করবে বিএনপি

মানববন্ধন-অবস্থান ও অনশন করবে বিএনপি


বরিশালে নগর বিএনপির বিক্ষোভ

বরিশালে নগর বিএনপির বিক্ষোভ


কারাগারে যেসব সুবিধা পাবেন বেগম খালেদা জিয়া

কারাগারে যেসব সুবিধা পাবেন বেগম খালেদা জিয়া


খালেদার ৫, তারেকের ১০ বছর কারাদণ্ড

খালেদার ৫, তারেকের ১০ বছর কারাদণ্ড


শুক্রবার সারা দেশে বিক্ষোভ, শনিবার প্রতিবাদ

শুক্রবার সারা দেশে বিক্ষোভ, শনিবার প্রতিবাদ


কাঁদলেন রিজভী ও আলাল

কাঁদলেন রিজভী ও আলাল


হেঁটেই আদালতে গেলেন মহাসচিবসহ তিন নেতা

হেঁটেই আদালতে গেলেন মহাসচিবসহ তিন নেতা


সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন খালেদা জিয়া

সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন খালেদা জিয়া


যেকোনো পরিস্থিতির জন্য আমি প্রস্তুত: খালেদা জিয়া

যেকোনো পরিস্থিতির জন্য আমি প্রস্তুত: খালেদা জিয়া