Sunday, August 26th, 2018
ঘুরে আসুন টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী ৪ জমিদার বাড়ি থেকে
August 26th, 2018 at 1:54 pm
ঘুরে আসুন টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী ৪ জমিদার বাড়ি থেকে

এম কে রায়হান

বাংলাদেশে যে কয়টি জমিদার বাড়ী সমৃদ্ধ ইতিহাসের সাথে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে তাদের মধ্যে টাঙ্গাইল জেলায় বেশ কয়েকটি জমিদার বাড়ী রয়েছে। যার মধ্যে করটিয়া জমিদার বাড়ি, মহেরা জমিদার বাড়ি, দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি, নাগরপুর জমিদার বাড়ি,  প্রভৃতি অন্যতম। আজকে নিউজনেক্সট এর পাঠকদের জন্য এই ৪ টি জমিদার বাড়ি নিয়ে রয়েছে চমৎকার একটি ফিচার।

করটিয়া জমিদার বাড়ী 

বাংলাদেশে যে কয়টি জমিদার বাড়ী সমৃদ্ধ ইতিহাসের সাথে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে, করটিয়া জমিদার বাড়ী তার মধ্যে অন্যতম। ইতিহাস আর ঐতিহ্যে করটিয়া জমিদার বাড়ী আলাদা স্থান করে নিয়েছে।

টাঙ্গাইল শহর হতে ১০ কি.মি. দূরে পুটিয়া’র তীর ঘেঁষে আতিয়ারচাঁদ খ্যাত জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর জমিদার বাড়ি। প্রাকৃতিক এবং নিরিবিলি পরিবেশের এই জমিদার বাড়ীটি প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ০.৫ কিলোমিটার প্রস্থ বিশিষ্ট প্রাচীরঘেরা যেখানে রয়েছে লোহার ঘর, রোকেয়া মহল, রাণীর পুকুরঘাট, ছোট তরফ দাউদ মহল এবং বাড়িসংলগ্ন মোগল স্থাপত্যের আদলে গড়া মসজিদ একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য। মোগল ও চৈনিক স্থাপত্যের মিশেলে নির্মিত জমিদার বাড়ীটি প্রথম দর্শনেই আপনার মন কেড়ে নেবে।

করটিয়া জমিদার বাড়ির দক্ষিণে রয়েছে প্রায় ১৪০ বছরের পুরনো একটি মসজিদ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন সময়ে সমপ্রসারিত এই মসজিদটি ৩টি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশ ৩ গুম্বজ বিশিস্ট ছিল। দ্বিতীয় অংশে রয়েছে ৫টি গুম্বজ | তৃতীয় অংশে কোন গুম্বজ নেই। মসজিদের উপরে উত্তরে এবং দক্ষিণে রয়েছে ৪টি করে ছোট গুম্বজ । ১৮৭১ সালে হাফেজ মাহমুদ আলী খান পন্নী মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। মসজিদের সমানে রয়েছে ত্রিকোণ বিশিষ্ট মিনার। মিনারের দু’পাশে সিড়ি। মসজিদের মূল অংশে ৫টি দরজা। দ্বিতীয় অংশে উত্তর ও দক্ষিণে ১টি করে দরজা এবং তৃতীয় অংশের পূর্ব দিকে রয়েছে ৫টি দরজা। ভেতরে প্রাচীন আমলের ৩টি ঝুলন্ত ঝাড় এবং ১টি সিন্ধুক। প্রবেশ পথ বরাবর দেয়ালে ৩টি মেহরাব যেগুলোর কারুজাকগুলি সকলেরই দৃষ্টি কাড়ে।

জেভাবে যাবেন:

ঢাকার মহাখালী থেকে বেশ কয়েকটি পরিবহনের বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সেগুলোতে চড়ে আপনি করটিয়া বাইপাস এর কাছে নেমে গিয়ে একটি রিকশা নিয়ে চলে যান করটিয়া জমিদার বাড়ি। বাস ভাড়া ১৫০-১৭০ টাকা, আর রিকশা ভাড়াটা ১৫-২০ টাকা পরবে। একদিনের ট্যুরে গেলে এই জমিদার বাড়ী ছাড়াও শুরুতে উল্লেখ করা যে কোন জমিদার বাড়ী ঢুঁ মারতে পারেন। অথবা চলে যেতে পারেন ঐতিহ্যবাহী আতিয়া মসজিদ দেখতে, একই পথে রয়েছে দেলদুয়ার জমিদার বাড়ী। দেখে আসতে পারেন মওলানা ভাসানীর সমাধি এবং জাদুঘর, সাথে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসটি।

মহেরা জমিদার বাড়ি

১ হাজার ১৭৪ শতাংশ জমির ওপর এই মহেড়া জমিদার বাড়ি অবস্থিত। এটি তিনটি স্থাপনা নিয়ে তৈরি। তিনটি স্থাপনার প্রতিটাতে অসাধারণ কারুকার্য করা। এসব কারুকার্য দেখলেই মন ভরে যাবে। জমিদার বাড়ির সামনেই রয়েছে ‘বিশাখা সাগর’ নামে বিশাল এক দীঘি। বাড়িতে প্রবেশের জন্য রয়েছে ২টি সুরম্য গেট। ভবনের পেছনে রয়েছে পাসরা এবং রানী পুকুর। শোভাবর্ধনে রয়েছে সুন্দর ফুলের বাগান। বিশাখা সাগর সংলগ্ন দক্ষিণ পার্শ্বে বিশাল আম্রকানন রয়েছে। আর বাড়ির ভেতরের দিকে বিশাল খাঁচায় বিভিন্ন রকম পাখি পালিত হয়।

১৮৯০ দশকের পূর্বে স্পেনের করডোভা নগরীর আদলে জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকবাহিনী মহেড়া জমিদার বাড়িতে হামলা করে এবং জমিদার বাড়ির কূলবধূসহ পাঁচজন গ্রামবাসীকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। পরবর্তীতে তারা লৌহজং নদীর নৌপথে এ দেশ ত্যাগ করেন। এখানেই তখন মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। ১৯৭২ সালে এ জমিদার বাড়িটি পুলিশ ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এবং ১৯৯০ সালে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলকে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে উন্নীত করা হয়।

জায়গাটা পিকনিকের জন্য একটা আদর্শ স্থান। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এমনিতেও বেড়াতে যেতে পারেন। ছোটবড় সবারই ভালো লাগবে। আর বেড়াতে গেলে যেকোনো সময়েই যেতে পারেন, পিকনিক সিজনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

যেভাবে যাবেন:

মহাখালী থেকে ‘ঝটিকা সার্ভিস’ নামে বাস ছাড়ে। এছাড়া টাঙ্গাইল যাওয়ার আরো বেশ কিছু ভালো বাস আছে। মহেরা জমিদার বাড়ির বর্তমান নাম মহেরা পুলিশ ট্রেইনিং সেন্টার। ওখানে যেতে হলে নামতে হবে ‘নাটিয়া পাড়া’ বাসস্ট্যান্ড এ। সময় লাগবে ২-২.৩০ ঘণ্টার মতো। নেমে একটা অটো রিকশা নিয়ে যেতে হবে। তবে রিকশায় করে সরাসরি মহেরা জমিদার বাড়িতে যাওয়া যাবে। ভাড়া ২০-৩০ টাকা।

আপনি চাইলে নিজেস্ব বাহনে করেও যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে রাস্তা ভালো চিনে এমন চালক সাথে নিতে হবে। তাছাড়া নিজস্ব বাহন নিয়ে গেলে আপনি টাঙ্গাইলের অন্য সকল দর্শনীয় স্থানগুলোও দেখে আস্তে পারবেন।

জমিদার বাড়ি প্রবেশ করতে টিকিট কিনতে হবে, জনপ্রতি ২০টাকা। গাড়ি পার্কিং চার্জ আলাদা।

দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি জামে মসজিদ

এ মসজিদ ঠিক কবে নির্মিত হয়েছে বা কে নির্মাণ করেছিলেন তা সঠিকভাবে জানা যায় না। তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই- জমিদার বাড়ি ঘেঁষে অবস্থিত মসজিদটি দেলদুয়ারের জমিদারদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। জনশ্রুতি থেকে ধারণা করা হয় দেলদুয়ারের জমিদার আবদুল হাকিম খান গজনবী এই স্থানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীতে তার ছেলে স্যার আবদুল করিম গজনবী বর্তমান মসজিদ ভবনটি নির্মাণ করেন। সে হিসাব করলে মসজিদটি ১৮ শতকের শেষের দিকে নির্মিত (১৮৯৫-১৮৯৯ সালের মধ্যে)।

এ মসজিদটি দেখতে দেশের পুরানো মসজিদগুলো থেকে একটু আলাদা। মসজিদটিতে ৩টি গম্বুজ, মাঝেরটি অপেক্ষাকৃত বড়। ৪ কর্নারে ৮ কোনা ৪টি দৃষ্টিনন্দন মিনার রয়েছে। এছাড়াও পশ্চিম দিকে ৮টা ও উত্তর ও দক্ষিণ দিকে মোট ৮টা ছোট মিনারসহ সর্বমোট মিনারের সংখ্যা ২০টি। পূর্বদিকে মসজিদের ছাদযুক্ত ও অর্ধ ডিম্বাকৃতির একটিই বারান্দা। বারান্দার ছাদের ভার নিয়েছে ক্লাসিক্যাল গ্রীক স্থাপত্য শৈলীর ডোরিক অর্ডারে নির্মিত ৬ টি থাম।

বারান্দার ছাদে এবং থাম ও ছাদের সংযোগস্থলে কাঠের বীম ব্যবহার করা হয়েছে। মসজিদের পশ্চিমদিক বাদে বাকি ৩ পাশে খোলা বারান্দার ফ্লোর প্রায় ১.৫ফিট উঁচু করে পাকা করে দেওয়া হয়েছে। এতে নামাজি বেশি হলে ভেতরের চেয়ে বাইরে অধিক নামাজি নামাজ পড়তে পারবে।

ভেতরের দেওয়ালে ৪ দিকেই প্রায় ৭ফুট পর্যন্ত লাল মোজাইক করা। ফ্লোর ও মিম্বরে (منبر) শ্বেত পাথরের টালি ব্যবহৃত হয়েছে। মেহরাবে শ্বেত পাথরের উপর কারুকাজ দারুণ নান্দনিক।

মেহরাব ও ৩টি দরজার উপরাংশে শ্বেত পাথরের উপর কোরআনের আয়াত ও আয়াতের ক্যালিওগ্রাফি খোদাই করা আছে। মসজিদের পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ দিকে মোট ৩টি দরজা, কোনো জানালা নেই। ভেতরে ৪ কাতারে নামাজ পরার ব্যবস্থা

নাগরপুর জমিদার বাড়ি

 

ইতিহাস থেকে যতদুর জানা যায় – সুবিদ্ধা-খাঁ-র সূত্র ধরেই চৌধুরী বংশু নাগরপুরে জমিদারী শুরু করেন। চৌধুরী বংশের প্রথম পুরুষ যদুনাথ চৌধুরী। প্রায় ৫৪ একর জমির উপর জমিদারী প্রতিষ্ঠা করেন। তাদের বংশক্রমে দেখা যায় – এমন তার তিন ছেলেঃউপেন্দ্র মোহন চৌধুরী, জগদীন্দ্র মোহন চৌধুরী, শশাঙ্ক মোহন চৌধুরী.

বৃটিশ সরকার উপেন্দ্র মোহন চৌধুরীর বড় ছেলে সতীশ চন্দ্র রায় চৌধুরীকে সাধারণ জনগোষ্ঠীর জন্যে বিভিন্ন মুখীন সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ রায় বাহাদুর খেতাবে ভূষিত করে। ছোট ছেলে সুরেশ চন্দ্র রায় চৌধুরী অপেক্ষাকৃত পাশ্চাত্য সংস্কৃতিঘেষা। তিনি ছিলেন অনেকের চেয়ে সৌখিন প্রকৃতির মানুষ।তিনি ছিলেন খুব ক্রীড়ামোদী। উপ-মহাদেশের বিখ্যাত ফুটবল দল ইষ্ট বেঙ্গল ক্লাবের তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী।

পাশ্চত্য এবং মোঘল সংস্কৃতির মিশ্রনে এক অপূর্ব নান্দনিক সৌন্দর্যে নির্মিত এই বৈঠকখানা বিল্ডিং এর উপরে ছিল নহবতখানা।সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রতিদিন ভোর সকালে সানাই-এর ভৈরবী ধ্বনীতে চৌধুরী বংশের তথা এলাকার প্রজাবৃন্দের ঘুম ভাঙ্গত। শোনা যায় রায় বাহাদুরের ছোট ভাই সুরেশ চৌধুরীকে নাগরপুরে রেখে সম্পূর্ণ রাজধানী কলকাতার আদলে নাগরপুরকে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। চৌধুরী বাড়ীর রঙ্গমহলের পাশে এক সুদৃশ্য চিড়িয়াখানা ছিল। সেখানে শোভা পেত- ময়ূর, কাকাতোয়া, হরিণ, ময়না আর শেষ দিকে সৌখিন সুরেশ চৌধুরীর ইচ্ছায় চিড়িয়াখানায় স্থান করে নিল বাঘ (কেতকী) এবং সিংহ(দ্যুতি)।

১৯৪৭ এর দেশ বিভক্তির পর একসময় তদানিন্তন সরকার চৌধুরী বাড়ীর সকল সম্পদ অধিগ্রহণ করে। অট্টালিকাটির অভ্যন্তরের পুরো কাজটি সুদৃশ্য শ্বেত পাথরে গড়া। বর্তমানে চৌধুরী বাড়ীর এই মুল ভবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নাগরপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজ।

চৌধূরীবাড়ীর অন্যান্য স্থাপনা

ঝুলন দালান: প্রাচীন ভারতে বিভিন্ন শিল্প কর্মে মন্ডিত চৌধুরী বংশের নিত্যদিনের পূজা অনুষ্ঠান হত এই ঝুলন দালানে। বিশেষ করে বছরে শ্রাবনের জ্যোৎস্না তিথিতে সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের নাটক, যাত্রা মঞ্চায়িত হত। এখানেই চৌধুরী বংশের শেষ প্রতিনিধি মিলন দেবী (মিলন কর্ত্রী) স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে চৌধুরীদের উপাসনা বিগ্রহ ‘‘বৃন্দাবন বিগ্রহ’’ -এর নিরাপত্তা দিতে গিয়ে দুষ্কৃতকারীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন।

ঘোড়ার দালান

জমিদারী পরিচালনা এবং বাবসায়িক প্রয়োজনে চৌধুরীবাড়ীতে সুঠাম সুদৃশ্য ঘোড়া পোষা হত। আর এই ঘোড়া এবং তার তদারকীতে নিয়োজিতদের থাকার জন্য নির্মাণ করা হয় শৈল্পিক কারুকাজ খচিত এই স্থাপনা। যা জমিদারদের ঘোড়ার দালান হিসাবে পরিচিত।

যেভাবে যাবেন

টাংগাইল শহর হতে সিএনজি যোগে সরাসরি নাগরপুর চৌধুরী বাড়ী।

সম্পাদনা: এম কে আর


সর্বশেষ

আরও খবর

আকাশবীণা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আকাশবীণা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


জেনে নিন কলার গুণাগুণ

জেনে নিন কলার গুণাগুণ


দুর্নীতি করলে যে দলেরই হন রেহাই পাবেন না: শেখ হাসিনা

দুর্নীতি করলে যে দলেরই হন রেহাই পাবেন না: শেখ হাসিনা


যা ইচ্ছে সাজা দেন, বারবার আদালতে আসতে পারব না: খালেদা জিয়া

যা ইচ্ছে সাজা দেন, বারবার আদালতে আসতে পারব না: খালেদা জিয়া


পাকিস্তানের ১৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন আরিফুর রেহমান আলভি

পাকিস্তানের ১৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন আরিফুর রেহমান আলভি


ভুটানকে হারিয়ে উড়ন্ত সূচনা বাংলাদেশের

ভুটানকে হারিয়ে উড়ন্ত সূচনা বাংলাদেশের


ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরও ১১ মামলা

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরও ১১ মামলা


ওয়েডিং ফটোগ্রাফার এলেন খান, যার শিডিউল পাবার পর ঠিক হয় বিয়ের তারিখ

ওয়েডিং ফটোগ্রাফার এলেন খান, যার শিডিউল পাবার পর ঠিক হয় বিয়ের তারিখ


বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু


কারাগারেই হবে খালেদার দুর্নীতি মামলার শুনানি

কারাগারেই হবে খালেদার দুর্নীতি মামলার শুনানি