Thursday, January 4th, 2018
পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপন ১০ ও ১১ জানুয়ারি
January 4th, 2018 at 5:43 pm
পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপন ১০ ও ১১ জানুয়ারি

ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপন ১০ ও ১১ জানুয়ারি।

বৃহস্পতিবার ৭ম দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শেষে পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আদালত এ দিন ধার্য করেন।

রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে খালেদা জিয়া মামলায় হাজিরা দেন। এরপর বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে তার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। তার যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ার পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য নতুন করে আদালত এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে বুধবার ষষ্ঠ দিনের মতো খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী। যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

গত ১৯ ডিসেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ১৯ ডিসেম্বর তাদের যুক্তি উপস্থাপন শেষ করে খালেদার সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করেন। ২০ ডিসেম্বর খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন তার আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান। এ দিন শেষ না হওয়ায় ২১ ডিসেম্বর পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন আদালত। ২১ ডিসেম্বর খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থান শেষ না হওয়ায় ২৬, ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। ওই সময়ের মধ্যে যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় পরবর্তীতে জন্য ৩ ও ৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

এছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর সাবেক নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

প্রতিবেদক: এসআর, সম্পাদনা: জাই


সর্বশেষ

আরও খবর

দুর্নীতি করলে যে দলেরই হন রেহাই পাবেন না: শেখ হাসিনা

দুর্নীতি করলে যে দলেরই হন রেহাই পাবেন না: শেখ হাসিনা


ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরও ১১ মামলা

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরও ১১ মামলা


বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু


মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের ৭ বছর কারাদণ্ড

মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের ৭ বছর কারাদণ্ড


সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৩

সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৩


রংপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৬

রংপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৬


প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে


টঙ্গীতে আনসার সদস্যের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

টঙ্গীতে আনসার সদস্যের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার


১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে ১৪ দল

১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে ১৪ দল


আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬ মাস নিষিদ্ধ সাব্বির

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬ মাস নিষিদ্ধ সাব্বির