Wednesday, January 4th, 2017
বেকারত্বের লাগাম টেনে ধরবে কে?
January 4th, 2017 at 9:14 pm
বেকারত্বের লাগাম টেনে ধরবে কে?

শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ: বর্তমান বাংলাদেশে যে সমস্যাটি প্রকট আকার ধারন করছে, সেটি হচ্ছে বেকারত্ব। স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই বেকার সমস্যা সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশে নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ অনেক বেশি। সে কারণে লেখাপড়া শেষ করে চাকরির সন্ধানে বেড়িয়ে পড়তে হয় দ্রুত। চাহিদা অনুসারে কর্মক্ষেত্র কম হওয়ায় বেকার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন।

যুব মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে, দেশে বর্তমানে ১৮ থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত যুব পুরুষ ও মহিলার সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার কোটি। আগামী বছর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় পাঁচ কোটিতে। ইউএনডিপি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এদেরে মধ্যে বেকারের সংখ্যা সাড়ে তিন কোটি। তার মধ্যে শিক্ষিত বেকার হচ্ছে দুই কোটি ২০ লাখ। অপরদিকে দেশে পরিবারের সংখ্যা সোয়া পাঁচ কোটি। প্রত্যেক পরিবার থেকে একজনকে চাকরি দিতে হলে সোয়া পাঁচ কোটি লোককে চাকরি দিতে হয়, যেটা বাংলাদেশের বাস্তবতায় খুবই কঠিন।

দেশে বেকারের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। স্বল্প শিক্ষিতের পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষিত কর্মহীনের সংখ্যাও বাড়ছে। সেই সঙ্গে ছোট হয়ে আসছে কর্মসংস্থানের পরিধি। ইঞ্জিনিয়ারিং ও এমবিবিএস এর মতো সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে অনেক উচ্চ শিক্ষিত তরুণ-তরুণী ঘুরছেন বেকারত্ব নিয়ে। দেশে স্বল্প শিক্ষিত ও মধ্যম শিক্ষিতের কর্মসংস্থানে যে সংকট, প্রায় তার অনুরূপ সংকট উচ্চ শিক্ষিতের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও। কারণ একটাই। শিক্ষিতের সংখ্যা বাড়লেও চাকরির সুযোগ বাড়ছে না। জনসংখ্যা বৃদ্ধির অনুপাতে শিল্প-কারখানার সংখ্যা বৃদ্ধি বা সম্প্রসারণ ঘটছে না। কর্মসংস্থান সৃষ্টির সমন্বিত পরিকল্পনার অভাবের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি খাতে বরাদ্দের অভাব পরিস্থিতিকে আরো খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবে শিল্প ও বাণিজ্য খাতে বিনিয়োগের হিসেবের সাথে কর্মসংস্থান সৃষ্টির হিসেব সঙ্গতিপূর্ণ নয়। পক্ষান্তরে গার্মেন্টস খাতের কর্ম সংস্থান প্রকৃত প্রস্তাবে অর্ধ কর্ম সংস্থান বা অর্ধ বেকারত্ব।

উন্নত দেশ থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল, অনুন্নত, সবখানেই এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বেকারত্ব। আর এ কারণে বছরে ঝরে যাচ্ছে হাজার হাজার প্রাণ। অর্থনৈতিক মন্দায় মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের পরিচালিত এক গবেষণায় সম্প্রতি এ তথ্য উঠে এসেছে। ১১ বছর মেয়াদী ৬৩ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থান ও আত্মহত্যার হার বিশ্লেষণ করে এই তথ্য তুলে ধরেছেন তারা। ২০০৮ সালে তাদের এই গবেষণা শুরু হয়।

গবেষকরা বলছেন, প্রতি বছর যারা আত্মহত্যা করছেন তাদের ৪৫ হাজার মানুষ বেকারত্বের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে পাঁচ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষভাবে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আত্মহত্যা করছেন। মানুষের এই দুর্ভোগ মুহূর্তে বিশ্বব্যাপী সরকার প্রধানদেরকে তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকরা। তারা বলেছেন, সরকার প্রধানদের এই নেতিবাচক মানসিক অসুস্থতার প্রভাব কাটাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

গবেষকরা দাবি করেন, ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর গড়ে দুই লাখ ৩৩ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করেছেন। আর এর মধ্যে বেকারত্বের কারণে আত্মহত্যা করেছেন এ সংখ্যার পাঁচ ভাগের একভাগ অর্থাৎ প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ। প্রতি বছর বেকারত্বের কারণে আত্মহত্যার এই হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। গবেষণায় দেখা যায়, ২০০৭ সালে এ কারণে আত্মহত্যার সংখ্যা ছিল ৪১ হাজার ৯৮৩ জন। ২০০৯ সালে তা দাঁড়ায় ৪৬ হাজার ১৩১ জনে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তির সর্বশেষ জরিপ হয় ২০০৫-০৬ অর্থবছরে। এই জরিপে দেখানো হয়েছে, ১৫ বছর বয়সের উপর অর্থনৈতিকভাবে কর্মক্ষম শ্রমশক্তির সংখ্যা চার কোটি ৯৫ লাখ। এর মধ্যে চার কোটি ৭৪ লাখ শ্রমশক্তি বিভিন্ন পেশার সাথে জড়িত। সর্বাধিক শ্রমশক্তি কৃষিখাতে ৪৮ দশমিক ১০ শতাংশ। এর আগে ২০০৩-০৪ অর্থবছরে শ্রমশক্তি জরিপে দেখানো হয়েছিলো, ১৫ বছরের উপর চার কোটি ৪৩ লাখ শ্রমশক্তির মধ্যে ৫১ দশমিক ৬৯ শতাংশ কৃষি-শ্রমিক। এতে দেখা যায়, কৃষি খাতে উল্লেখিত সময়ে শ্রমশক্তির হার তিন দশমিক ৫৯ শতাংশ কমেছে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরের হিসাবে সর্বাধিক ৪১ দশমিক ৯৮ শতাংশ শ্রমশক্তি সকর্মে নিয়োজিত। ২০০২-০৩ অর্থবছরে এই হার ছিল ৪৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

আবার বিবিএস ২০০৯ সালে এমইএস রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশে ১৫ বছর বয়সের উপর অনৈতিকভাবে কর্মক্ষম জনশক্তির সংখ্যা পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ। এর মধ্যে পাঁচ কোটি ১০ লাখ শ্রমশক্তি বিভিন্ন পেশায় জড়িত। কৃষিকাজে সর্বাধিক ৪৩ দশমিক ৫৩, দিনমজুরিতে এবং পারিবারিক শ্রমে নিয়োজিত যথাক্রমে ২০ দশমিক ২০ ও ২০ দশমিক ১৮ শতাংশ যা ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিলো যথাক্রমে ১৮ দশমিক ১৪ ও ২১ দশমিক ৭০ শতাংশ।

২০১৬ সালে বাংলাদেশের বেকার সংখ্যা ৩৩ লাখে উন্নিত হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছিলো ‘উন্নয়ন অন্বেষণ’ নামক বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর রিপোর্ট অনুসারে দেশে ২০১০ সাল পর্যন্ত বেকার মানুষের সংখ্যা ছিলো ২৬ লাখ। ২০০০ সালে তা ছিল ১৭ লাখ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ হতে ২০১০ সাল পর্যন্ত বার্ষিক বেকারত্ব বৃদ্ধির গড় হার ছিলো পাঁচ দশমিক ২৯ শতাংশ।

বিশ্বে বেকারত্ব বাড়ছে এমন ২০টি দেশের তালিকায় ১২তম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের নাম। প্রতি বছর ২৭ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে ঢুকছে। অথচ সরকারি বা বেসরকারিভাবে কাজ পাচ্ছে মাত্র এক লাখ ৮৯ হাজার মানুষ। ফলে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মানুষ বেকার থাকছে। এতে উৎপাদন কমে যাচ্ছে। আর সার্বিকভাবে ভোগের মাত্রা বাড়ছে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে এক ধরনের অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে এই বেকার জনশক্তি।

এ দেশের তরুণ সমাজ সৃষ্টিসুখের উল্লাসে যতটা মাতে, তার চেয়ে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডেই যেন সাড়া দেয় বেশি। শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনে নয়, সমাজ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তরুণদের হতাশা ও ক্ষোভ প্রতিনিয়ত নানারকম ধ্বংসাত্মক ঘটনার জন্ম দিচ্ছে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সন্ত্রাস-সহিংসতা দীর্ঘকাল সংবাদপত্রে বড় খবর হয়ে উঠতো। দিন বদলের প্রতিশ্রুতি নিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই ধারা থেমে গেছে বলা যাবে না। লেখাপড়ার বদলে একদল ছাত্র-তরুণ দলীয় রাজনীতি ও আধিপত্য বজায়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মেতে উঠছে বেশি।

এ ধরনের নেতিবাচক ঘটনার বিপরীতে তারুণ্যের স্বপ্ন-সম্ভাবনায় উজ্জীবিত হবার মতো ঘটনা খুব বেশি ঘটছে না আমাদের উচ্চশিক্ষা কেন্দ্রে কিংবা সমাজের অন্যত্র। কিন্তু তারুণ্যের এই স্বপ্ন-সম্ভাবনা উচ্চশিক্ষাঙ্গন পেরিয়ে কর্মজীবনে ঢোকা পর্যন্ত কতটুকু টিকে থাকে, আর কতটা স্বপ্নভঙ্গের বেদনা ও হতাশায় বিলীন হয়, তার কোনো সঠিক তথ্য-পরিসংখ্যান আমাদের জানা নেই। তবে দেশের তরুণদের জন্য সৃষ্টিশীলতার পথ নয়, বরং আত্মবিনাশী ধ্বংসাত্মক পথটাই যেন রাজপথ হয়ে উঠছে। দেখেশুনে এমন নেতিবাচক ধারণা জন্মানো অস্বাভাবিক নয়। ব্যর্থতা ও হতাশা সব সমাজেই ব্যক্তির জীবনকে আক্রান্ত করতে পারে। কিন্তু তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা ও সংগ্রামের বদলে ব্যক্তি যখন নিজের ও অপরের জন্য ধ্বংসাত্মক ক্রিয়াকর্মে আত্মসমর্পণ করে, তখন সেটা কেবল তার নিজের বা পরিবারের জন্য নয়, গোটা সমাজের জন্য হয়ে ওঠে ভয়ঙ্কর।

একজন বেকার ও হতাশ তরুণ যখন সন্ত্রাসী বা অপরাধ জগতের সদস্য হয়ে ওঠে, তখন সে কেবল নিজের জীবনের জন্য অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা ডেকে আনে না, সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ধ্বংসের জন্যও কাজ করতে থাকে। হতাশ তরুণরা যে সকল অপরাধকর্মে সহজেই জড়িয়ে পড়ছে। প্রতি বছর হাজার হাজার মেধাবী উন্নত জীবনের আশায় বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে। অথচ তাদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব। অনেকে ভিটেমাটি পর্যন্ত বিক্রি করে বিদেশে যায়। কেউ যেতে পারে। আবার কেউ জালিয়াতদের খপ্পরে পড়ে সব হারায়। এইসব হারানোরা সহজেই অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। বাড়ছে সামাজিক বিশৃঙ্খলা, বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঈর্ষণীয়, এ বিষয়ে ভিন্নমতের অবকাশ নেই। তবে আলোর নিচে রয়েছে অন্ধকার। এই অন্ধকারে লুকিয়ে রয়েছে লাখ লাখ বেকার। বাতাসে মিশে আছে তাদের গুমোট দীর্ঘশ্বাস! বিবিএসের হিসাবে প্রতিবছর ২৭ লাখ কর্মক্ষম মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও সরকারি বা বেসরকারিভাবে কাজ পাচ্ছে মাত্র এক লাখ ৮৯ হাজার মানুষ। ফলে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ বেকার থাকছে। পরিণতিতে উৎপাদন কমে যাচ্ছে আর বাড়ছে ভোগের মাত্রা। অর্থনীতিতে সৃষ্টি হচ্ছে অনভিপ্রেত চাপ। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিলো প্রতিটি পরিবারে কমপক্ষে একটি কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

বর্তমানে সরকারি আধাসরকারি এবং স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ। এই ২৫ লাখের মধ্যে প্রায় সোয়া চার লাখ পদ শূন্য আছে। কারণ বাজেট ঘাটতি কমাতে ও ক্ষেত্র বিশেষে লোকসান কমাতে আবার কোথাও সরকারী ভর্তূকি কমাতে অনেক সরকারী, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে শূন্য পদ শূন্যই থাকছে। বেকারত্বের এই সমস্যা-সংকট দেশে একদিনে তৈরি হয়নি। এই মূহূর্তে বেকারত্ব নিরসন যেমন অপরিহার্য, তেমনি ভবিষ্যতে বেকারত্ব কোন পর্যায়ে পৌছতে পারে, তার নিরিখে আগাম ব্যবস্থা গ্রহণও সমভাবে প্রয়োজনীয়। বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার মতে, বর্তমানে দেশে জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই যুবা এবং তাদের মধ্যে ৪০ থেকে ৪২ ভাগই বেকার।

আমাদের অর্থনীতি, বেকারত্ব এবং আই এমএফ ও দাতাদের দ্বারা আমাদের ‘মুরগী’ বানানোর প্রক্রিয়া যদি আমরা বুঝি এবং আমরা যদি জেগে না ঘুমাই- তাহলে আমাদেরও উচিৎ কর্মসংস্থান ও সামাজিক খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়াগ নিশ্চিত করে অভ্যন্তরীণ বাজার শক্তিশালী করা।

বেকারত্ব শুধু একটি সরকারকে নয়, একটি দেশকেও বিপদে ফেলতে পারে। দেশের উন্নয়নে বেকারত্ব বিরাট বাধা। বেকারত্ব দূরীকরণকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে না নিতে পারলে, অদূর ভবিষ্যত ভয়াবহ অন্ধকারে নিমজ্জিত হওয়ার আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশের প্রকট এই সমস্যাটি নিরসনে সরকারের আরো মনোযোগী বাঞ্চনীয়।

 

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক
jsb.shuvo@gmail.com


সর্বশেষ

আরও খবর

‘খেলা- মেলা’ বনাম ‘জঙ্গি-মাদক’

‘খেলা- মেলা’ বনাম ‘জঙ্গি-মাদক’


সহনশীল হওয়ার জন্য সহনশীলতার চর্চা জরুরি

সহনশীল হওয়ার জন্য সহনশীলতার চর্চা জরুরি


কিশোর সাগরের নির্যাতনকারীদের রুখবে কে?

কিশোর সাগরের নির্যাতনকারীদের রুখবে কে?


শারদীয় দুর্গোৎসব: ধর্ম যার যার, উৎসব সবার

শারদীয় দুর্গোৎসব: ধর্ম যার যার, উৎসব সবার


এ সংকট থেকে বের হয়ে আসতেই হবে

এ সংকট থেকে বের হয়ে আসতেই হবে


পুঁজিবাদ ও নিকষ কালো অন্ধকারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী

পুঁজিবাদ ও নিকষ কালো অন্ধকারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী


‘বাপকা বেটা সিপাইকা ঘোড়া’

‘বাপকা বেটা সিপাইকা ঘোড়া’


গণহত্যার রক্তে হাত ভেজালেন সুচি

গণহত্যার রক্তে হাত ভেজালেন সুচি


শোক-শক্তি এবং মুক্তি

শোক-শক্তি এবং মুক্তি


ভারতের দার্জিলিং এবং শয়তানের বাদশা

ভারতের দার্জিলিং এবং শয়তানের বাদশা