Friday, November 18th, 2016
মানুষের সামনে আর কোনো পথ নেই
November 18th, 2016 at 7:52 pm
মানুষের সামনে আর কোনো পথ নেই

আবু তাহের সরফরাজ, ঢাকা:

ঋষি ছিলেন নানক। শিখ ধর্মাবলম্বীদের গুরু তিনি। নানক ছিলেন ক্ষ্যাপাটে। নানা জায়গায় ঘুরেটুরে বেড়াতেন। সঙ্গে জুটেছিল কিছু চ্যালা। আর এমন যে, নানক মুখে মুখে কবিতাও বানিয়ে ফেলতেন। আর এসব কবিতা গভীরতর দর্শনের কথা প্রকাশ করত। নানা ধর্মের লোকজনকে তিনি রীতিমতো জেরবার করে ফেলতেন। তিনি বলতেন, পৃথিবীতে কোনো মুসলমান নেই। হিন্দু নেই। খ্রিস্টান নেই। বৌদ্ধ নেই।

নানক লোকজনকে বলতেন, সব ধর্মের সত্যি, একটাই সত্যি। নিজেকে শূন্যবৎ করে ফেলা। ইন্দিয়কে সংযত করে জীতেন্দ্রিয় হওয়া। কিন্তু আমাদের চারপাশে যত যত মানুষ, কেউ কী এরকম? তা তো নয়। প্রত্যেকেই ছুটছে লোভের পেছনে। স্বার্থের পেছনে। অথচ এক সেকেন্ড পরই ওই মানুষটার জীবনে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা সে জানে না।

অথচ এ ধর্ম নিয়েই চলছে বিদ্বেষ। মানুষ হত্যা। ধর্মীয় সংঘাত যারা ঘটায়, তারা কেউ ধার্মিক নয়। ধর্ম বিষয়ে ধর্মীয় বই পড়ে জানা যায়, কিন্তু ধার্মিক হতে গেলে প্রয়োজন সাধনা। জীতেন্দ্রিয় হওয়ার সাধনা। যে কথা জীবদ্দশায় বারবার বলে গেছেন ক্ষ্যাপাটে নানক।

কিন্তু বর্তমান বিশ্বে ধর্মীয় সংঘাত আরো বাড়ছে। সভ্যতার চূড়ান্ত আয়োজনে বসবাস করেও কেন মানুষ আজও সভ্য হতে পারল না? এসব কথা বাতুলতা। যে খুন করে সে জানে, এজন্য তার কী দণ্ড হতে পারে। এরপরও সে খুন করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামের জগন্নাথ দাসের ছেলে রসরাজ দাসের ফেসবুক পাতায় ২৮ অক্টোবর ‘ইসলাম অবমাননাকর’ একটি পোস্ট পাওয়া যায়। এ খবর জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নাসিরনগরে ১৫টি মন্দিরসহ হিন্দুদের শতাধিক বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এর পাঁচ দিন পর গভীর রাতে কয়েকটি হিন্দু বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এদিকে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামগুলো। সেখানে রাত হলেই শোনা যাচ্ছে গুলির শব্দ ও মানুষের চিৎকার। দেখা যাচ্ছে ধোঁয়া ও আগুনের লেলিহান শিখা। মিয়ানমারের কোনো নাগরিক যেন বাংলাদেশে ঢুকতে না পারে, এজন্য নজরদারি বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিয়ানমার সীমান্তে বসবাসরত বাংলাদেশিরা গণমাধ্যমকে জানায়, মিয়ানমারের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সোমবার বিকেলে হেলিকপ্টার থেকে বোমা বা মর্টার সেল নিক্ষেপের মতো হামলার দৃশ্য তারা দেখেছে।

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বেশ কয়েককটি নিরাপত্তা চৌকিতে ৯ অক্টোবর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সীমান্ত পুলিশের ৯ সদস্য নিহত হয়। এজন্য রোহিঙ্গা মুসলমানদের দায়ী করছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী। এরপর থেকে ওই অঞ্চলে ত্রাণ ও সংবাদকর্মী প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দিনে দেখা যায় ভয়াবহ আগুনের ধোঁয়ার কুণ্ডলি। রাতে শোনা যায় গুলি ও বোমার শব্দ। গভীর রাতে ভেসে আসে মানুষের আর্তনাত। এতেই বোঝা যায়, মিয়ানমারের আরকান রাজ্যে চলছে ভয়াবহ নির্যাতন। হোয়ইক্যং ও হ্নীলা ইউনিয়নের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এ তাণ্ডব যারা দেখেছে, তারা জানায়, হামলা এখনো চলছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী সেখানে বেসামরিক অধিবাসীদের হত্যার পাশাপাশি ধর্ষণও করছে। জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম।

সূত্র আরো জানায়, সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঢেকিবনিয়া, কুমিরখালী, শিলখালী, বলিবাজার, নাকপুরা এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া দুটি সামরিক হেলিকপ্টার কেয়ারি প্রাং, নাইচাপ্রু, বলি বাজার, নাকপুরা, কুমিরখালী এলাকার আকাশে হেলিকপ্টার টহল নিয়মিত টহল দিচ্ছে।

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার লালু গণমাধ্যমকে বলেন, “মিয়ানমারের ভয়াবহ হামলার দৃশ্য দেখে চোখের পানি আটকে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। জ্বলছে আগুনের লেলিহান শিখা। এভাবেই জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে একের পর এক গ্রাম।”

টেকনাফস্থ বিজিবির-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ গণমাধ্যমকে বলেন, “বাংলাদেশে কেউ যাতে ঢুকতে না পারে, এজন্য সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আমাদের আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে।”

এদিকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা করছে মিয়ানমারের মুসলমানরা। প্রত্যক্ষদর্শী ও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, পালিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টাকালে রোহিঙ্গাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে গুলি করে হত্যা করতে দেখা গেছে। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন প্রদেশের গ্রামগুলোতে কয়েকে দিনে অন্তত ৬৯ জনকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছে দেশটি সেনাবাহিনী। নিহতদের তারা সহিংস হামলাকারী বলে উল্লেখ করছে। রাখাইন প্রদেশে সম্প্রতি শুরু হওয়া বিদ্রোহ দমনের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয় বলে দাবি সেনাবাহিনীর।

রাখাইন প্রদেশে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার বসবাস। তার ধর্মীও বিশ্বাসে মুসলমান। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে তাদের বসবাস থাকলেও মিয়ানমার সরকার এই জাতিটিকে নিজেদের নাগরিক হিসেবে মনে করে না। ওই দেশের মানুষজন এই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অধিবাসী বলে দাবি করে।

মিয়ানমার থেকে বিবিসির সংবাদদাতা বলছে, সেনাবাহিনীর হাতে নিহতের সংখ্যা আরো অনেক বেশি। এছাড়া সহিংসতা বিষয়ে কর্মকর্তা যে তথ্য দিচ্ছে, তা ধাঁধায় পূর্ণ। ৯ অক্টোবর রাখাইনে সীমান্ত চৌকিতে হামলার জের ধরে এ অভিযান শুরু হয়।

এদিকে সিরিয়ার উপকূলবর্তী শহর আলেপ্পোর আকাশে পাখির চেয়েও বেশি যুদ্ধবিমান দেখা যাচ্ছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে স্থানীয় লোকজন। সেখানে বৃষ্টির মতো ক্রমাগত বোমা হামলা চালানো হচ্ছে। সিরিয়ার বিদ্রোহী অধ্যুষিত আলেপ্পো শহরে বিমান হামলা ও ব্যারেল বোমার আঘাতে কমপক্ষে ৪৫ জন নিহত হয়। আহত হয় বহু মানুষ। বৃহস্পতিবার সারা রাত ধরেই এ হামলা চালানো হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এসব হামলায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনগুলো জানায়, বিদ্রোহী অধ্যুষিত ওই এলাকায় ৪০ বারের বেশি বিমান হামলা চালানো হয়।

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে বসবাসকারী আদিবাসী রোহিঙ্গা মুসলমানরা কয়েক দশক ধরে জাতিগত নিধনের শিকার হচ্ছে। নাগরিক হিসেবে তাদেরকে স্বীকৃতি দিতেও অস্বীকার করে আসছে দেশটির সরকার।

মানবতাবিরোধী এসব কর্মকাণ্ডের কারণে লাখ লাখ মানুষ হচ্ছে উদ্বাস্তু। শরণার্থী হয়ে তারা কোনো দেশেও ঢুকতে পারছে না। সে চেষ্টা করলেই গুলি করে দেহ ঝাঁঝরা করে দেয়া হচ্ছে। সামনে মৃত্যু-পেছনেও মৃত্যু। জীবন যেন বিভীষিকা। পশ্চিমা দেশগুলোও শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার ব্যাপারে অপারগতা প্রকাশ করেছে। ২০১৫ সালে সারা বিশ্বে আনুমানিক ১৮ লাখ মানুষ শরণার্থী হয়। প্রতিদিনের ভিত্তিতে ২০০৫ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত জোর করে লোকজনের বাস্তুচ্যুত হওয়ার পরিমাণ বেড়েছে প্রায় তিনশো শতাংশ।

বিপুল সংখ্যার এ মানুষগুলো কোথায় যাবে? পথ তো জানা নাই। কিন্তু কবির ভাষায় কিছু সান্ত্বনা পাওয়া যায়, মেঘ দেখে তুই করিস নে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে। ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল-জাজিরাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘শরণার্থীদের আমাদের দেশে পাঠিয়ে দাও, আমরা তাদের গ্রহণ করব।’

ফিলিপাইন একশো মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ। এদেশে দ্রুত দরিদ্র লোকের সংখ্যা বাড়ে। এরপরও দেশটিতে শরণার্থীদের স্বাগত জানিয়ে রদ্রিগো দুতার্তে বলেন, ‘শরণার্থীদের আমাদের দেশে পাঠিয়ে দাও, আমরা তাদের গ্রহণ করব। সবসময়েই তারা আমার দেশে আসতে পারে। যতক্ষণ না আমার দেশ কানায়-কানায় পূর্ণ হবে, ততক্ষণ আমি তাদের স্বাগত জানাব।’

তিনি আরো বলেন, “শরণার্থীদের সাহায্য করতে পশ্চিমা দেশগুলো এখন ব্যর্থ। তাই ফিলিপাইনে তাদের প্রবেশে আমরা স্বাগত জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি বলছি, শরণার্থীদের আমাদের দেশে পাঠান। আমরা তাদের গ্রহণ করব। আমরা সব শরণার্থীকে গ্রহণ করব। তারা মানুষ।”

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট আল-জাজিরাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা মানবাধিকারের ব্যাপারে খুব অমায়িক হতে পারেন, কিন্তু হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়াই আবার আপনারা এ অবস্থান পরিবর্তন করেন। শরণার্থীরা যেন ঢুকতে না পারে, এজন্য আপনারা কাঁটাতারের প্রাচীর বা বেড়া নির্মাণ করেন। আমরা তাদের মতো ভণ্ড নই, আমরা যা করি সবার সামনেই করি।’

এদিকে মিয়ানমারে মুসলমানদের ওপর চলমান নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শুক্রবার বিকেলে তারা এ বিক্ষোভ করে।

বিক্ষোভের আগে সমাবেশ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মিয়ানমারে মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হচ্ছে। তাদের ওপর অমানবিক যে নির্যাতন চলছে, মুসলমান হিসেবে আমরা তা দেখে চুপ থাকতে পারি না। এ বিষয়ে আমরা জাতিসংঘের পদক্ষেপ চাই।

উল্লেখ্য যে, বক্তারা কিন্তু বলেননি মানুষ হিসেবে। তারা বলেন, মুসলমান হিসেবে তারা নির্যাতন দেখে চুপ থাকতে পারছেন না। হে আদম সন্তান, মানুষের প্রথম পরিচয় সে মানুষ। এরপর তার ধর্মীয় ও সামাজিক পরিচয়। মিয়ানমারে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন দেখে যারা চুপ থাকতে পারছেন বলে ঘোষণা দিচ্ছেন, তারাও নিজেদের মুসলমান পরিচয় দিতে সাম্প্রদায়িতার বীজই ছড়াচ্ছে। যে কোনো হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধ।

মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রান্ড ইমাম ড. আহমেদ আল তাইয়েব বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যা ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটছে। এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। তাদের ওপর ব্যাপকহারে নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এসব নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ড সকল ধর্মের শিক্ষার বিরোধী।’

মিসরের আলেমদের সর্বোচ্চ কমিটি অভিভাবক পরিষদের শীর্ষ এ কর্মকর্তা বিবৃতিতে আরো বলেন, ‘মিয়ানমারে মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের এ ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্পষ্টতই অপরাধ। সুতরাং এসব হামলা বন্ধ করা হোক।’

মানুষ মানুষের জন্য। এক মানুষের জন্য আরেক মানুষের রক্ত হারাম। বর্তমান সময়ে প্রতিটি মানুষের জীবনযাপন হয়ে উঠেছে গতিশীল। জীবন-জীবিকার তাগিদেই প্রত্যেককে ছুটতে হচ্ছে। প্রত্যেকের ছোটার গতিপধ আলাদা আলাদা। মানুষ এখন আর ধর্মের নীতিকে ধারণ করে না। সামাজিক শৃঙ্খলার দেয়ালও ভেঙে গেছে। ফলে ব্যক্তিমানুষ ভুগছে বিভ্রান্তিতে। কেউ ধর্মীয় বিভ্রান্তিতে। কেউ রাজনীতির বিভ্রান্তি। আজকের পৃথিবীর দিকে যখন তাকাই, বুকের গহন থেকে উঠে আসে দীর্ঘশ্বাস। আর মনে পড়ে যায় আমার লেখা একটি কবিতা:

পৃথিবীর বয়েস বেড়ে গেছে হে
একদা তারও যৌবন ছিল এই মহাবিশ্বে…

একটা বয়েস ছিল এই পৃথিবীরও
যখন মানুষ ধ্যানী ছিল
কথাটথা খুব একটা বলত না
নিজের যা কাজ, মনটন দিয়ে তা-ই করে যেত

মানুষ এখন ননস্টপ কথা বলে যায়
কাজ করে, যা না করলেই নয়, ততটুকু
মানুষ এখন অহংকারী
মানুষের তৈরি সভ্যতার জৌলুশে
জ্বলজ্বল জ্বলছে মানুষেরই অহংকার

মানুষ অহংকারী
তাই মানুষ এখন আত্মতৃপ্ত
তাই মানুষের সামনে আর কোনো পথ নেই

তাই
বয়েস বেড়ে গেছে ঢের
পৃথিবীর নর-নারীদের।

taher

লেখক: কথাসাহিত্যিক ও সংবাদকর্মী


সর্বশেষ

আরও খবর

গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


মুক্তি পাচ্ছে শাকিব খান অভিনীত ছবি ‘চালবাজ’

মুক্তি পাচ্ছে শাকিব খান অভিনীত ছবি ‘চালবাজ’


মিয়ানমারকে চাপে রাখতে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

মিয়ানমারকে চাপে রাখতে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান


শামসুল ইসলামের জানাজা সম্পন্ন

শামসুল ইসলামের জানাজা সম্পন্ন


ইতিহাস তৈরি করে দক্ষিণ কোরিয়ায় গেলেন কিম জং-উন

ইতিহাস তৈরি করে দক্ষিণ কোরিয়ায় গেলেন কিম জং-উন


শুক্রবার ঐতিহাসিক বৈঠকে কিমকে স্বাগত জানাবেন মুন    

শুক্রবার ঐতিহাসিক বৈঠকে কিমকে স্বাগত জানাবেন মুন    


ইসরায়েলি সেনার গুলিতে আহত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের মৃত্যু

ইসরায়েলি সেনার গুলিতে আহত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের মৃত্যু


যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে মুসলিম দেশগুলির প্রতি আহ্বান  

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে মুসলিম দেশগুলির প্রতি আহ্বান  


রাজস্ব জালে সোয়া ৫ লাখ নতুন করদাতা

রাজস্ব জালে সোয়া ৫ লাখ নতুন করদাতা


মোবাইলে মৃত্যু

মোবাইলে মৃত্যু