Monday, March 13th, 2017
যেভাবে হয়েছিল বিশ্বের প্রথম পারমানবিক বোমার পরীক্ষা
March 13th, 2017 at 10:27 am
যেভাবে হয়েছিল বিশ্বের প্রথম পারমানবিক বোমার পরীক্ষা

ডেস্ক: পরমানু শক্তি এবং পারমানবিক বোমা, নিঃন্দেহে উনবিংশ শতাব্দীর উল্ল্যেখযোগ্য আবিস্কার। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন তার বিখ্যাত সমীকরন E=MC2 থেকে প্রমাণ করেন যে বিপুল পরিমান শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব ।

১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বরে হিটলারের নাৎসি আর্মির পোল্যান্ড আক্রমনের মধ্য দিয়ে যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় তা মুলতঃ শেষ হয় ১৯৪৫ সালের ৬ এবং ৯ আগস্ট জাপানের ওপর আমেরিকার পারমানবিক বোমা নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে। হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমানবিক বোমার ধ্বংসলীলা দেখে চমকে উঠেছিল পুরো বিশ্ব। আইনস্টাইনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার হতে পারে? আইনস্টাইন উত্তর দিয়েছিলেন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কে জানি না, তবে চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ যে লাঠি এবং পাথর দিয়ে হবে তা বলতে পারি। (I know not with what weapons World War III will be fought, but World War IV will be fought with sticks and stones.)

ম্যানহাটন প্রজেক্ট: বিশ্বের প্রথম পারমানবিক বোমার পরীক্ষা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন যুদ্ধরত সমস্ত দেশই পারমানবিক শক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে ব্রিটেনের তখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। জার্মানী ইউরেনিয়াম ফিউশন গবেষণায় এগিয়ে থাকলেও যুদ্ধের সময়ে এ দিকে তার নজর ছিল না। রাশিয়াকে পারমানবিক বোমার জন্য অপেক্ষা করতে হয় ১৯৪৯ সাল অবধি। যুদ্ধের কারণে জাপানে তখন ঘাটতি চলছে। তাদেরও পারমানবিক গবেষণার টাকা তখন নেই। শুধুমাত্র অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিগ্রস্থ দেশ যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে গেল পারমানবিক বোমার দিকে। ১৯৩৯ সাল থেকে শুরু করে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ছয় বছর ২০০ কোটি ডলারের বেশী খরচ করে প্রথম সাফল্যজনক ভাবে যে প্রকল্প তৈরী করল পরমানু বোমা, তার নাম ছিল “মানহাটন প্রজেক্ট” এবং এর প্রধান ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।

মানহাটন প্রজেক্টে কর্মরত উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানীরা ছিলেন- রবার্ট ওপেনহাইমার, ডেভিড বম, লিও শিলার্ড, ইউজিন উয়িগনার, অটো ফ্রিশ, রুডলফ পিয়ারলস, ফেলিক্স ব্লক, নীলস বোর, এমিলিও সেগর, জেমস ফ্রাঙ্ক, এনিরকো ফারমি, ক্লাউস ফুক্স এবং এডোয়ার্ড টেলার।

পারমাণবিক বোমা নির্মাণের উদ্দেশ্যে ব্রিটেনের “টিউব এলয়েজ” সংস্থা গঠিত হয় ১৯৪১ খৃষ্টাব্দে। একই উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ম্যানহাটর্ন প্রকল্প প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে। এই যে এক বছরের ব্যবধান তার মধ্যে বিশ্ব পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র মিত্র শক্তির অন্যতম শরিক হিসাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আসরে অবতীর্ণ হয়। যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আগে পরমাণু অস্ত্র সম্বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এবং অধিকাংশ আমেরিকান বিজ্ঞানীদের মনোভাব ছিল ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’। কিন্তু পার্ল হারবারে জাপানীদের হঠাৎ আক্রমন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মনোভাবে আমূল পরিবর্তন ঘটে। তারা পারমানবিক অস্ত্র তৈরির প্রকল্পকে সামরিক ভিত্তিতে গ্রহণ করে এবং এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ নিয়োগ করে।

পারমানবিক বোমা হামলার পর বিধ্বস্ত হিরোশিমা

যে তত্ত্বীয় ও প্রায়োগিক জটিলতার কারণে কয়েক বছর আগও পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনায় অনেক শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীও ছিলেন আস্থাহীন ইতিমধ্যে সেই পরিস্থিতির দ্রুত রূপান্তর ঘটেছিল। যে সব বাধা বিপত্তির কারণে এই সব প্রাথমিক দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছিল ম্যানহাটর্ন প্রকল্প শুরুর আগেই সেই সব বাধা বিপত্তির নিরসন হয়েছিল। পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে সাফল্য লাভের জন্য তখন যে দুটি প্রয়োজন মুখ্য হয়ে উঠেছিল সেগুলো হল, দৃঢ় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পর্যাপ্ত সম্পদ সরবরাহের নিশ্চয়তা। ব্রিটিশ সরকার এই দুটি প্রয়োজন মেটাতে ব্যর্থ হয়। ব্রিটেন যা পারেনি যুক্তরাষ্ট্র সরকার উৎসাহের সাথেই সেই কাজটি সম্পন্ন করলেন। এ উদ্দেশ্যেই সৃষ্টি হল বিখ্যাত প্রকল্প যার নাম ‘ম্যানহাটন প্রকল্প’।

অনেক কাঠ খড় পোড়ানোর পর অবশেষে ১৯৪৫ খ্রীষ্টাব্দে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রস্ততিপর্ব শেষ হয়। এখন প্রয়োজন শুধু সরেজমিনে পরীক্ষার। প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার প্রকল্পর নাম দেয়া হল ট্রিনিটি। এই নামকরণ থেকেই বোঝা যায় যে ম্যানহাটন প্রকল্পের কর্ণধার জেনারেল গ্রোভস ও তার উপদেষ্টাদের মানবিক অন্য যে সব গুণের ঘাটতি থাক, কিন্তু রসবোধের অভাব ছিল না। খ্রীষ্ট ধর্ম মতে ট্রিনিটি শব্দের অর্থ পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মার তিন রূপ সমন্বিত ঈশ্বর। লস আলামাস থেকে ১২০ মাইল দুরে অবস্থিত আলামোগোরজে বিমান বেসকে এই পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত স্থান হিসাবে অনুমোদন করলেন জেনারেল গ্রোভস। যদিও নিরাপত্তার কারণে এই স্থানটি ছিল যথেষ্ট দুরবর্তী এবং বিচ্ছিন্ন, তবু বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য একটি বানোয়াট কাহিনী প্রচার করা হল যে, এই বিমান বেসে সংরক্ষিত জিনিসপত্রে এক অপ্রত্যাশিত বিষ্ফোরণ ঘটে গেছে।

মানহাটন প্রজেক্ট” এর প্রধান রবার্ট ওপেনহাইমার

প্রথম পারমাণবিক বোমার জন্য প্রয়োজনীয় প্লুটোনিয়াম জুলাই মাসের প্রথমেই লস এলামসে পৌঁছেছিল। ১২ জুলাই দুপুরে মহামুল্যবান এই বস্তুটিকে আলামোগোরডোতে স্থানান্তর করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পরই অপারমাণবিক অংশসমুহকে বহন করে গাড়ির মিছিল গন্তব্য স্থলের দিকে রওনা হল। গন্তব্য স্থানটি হল সেই জনমানবশূন্য মরু অঞ্চল যেখানে এই উদ্দেশ্যে একটি ১০০ ফুট ধাতব টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছিল। এই টাওয়ারের গোড়ায় স্থাপিত একটি তাঁবুর মধ্যে পরদিন বিচ্ছিন্ন অংশসমুহকে যথাযথভাবে সংযুক্ত করে সন্ধ্যার মধ্যেই সব কিছুর প্রস্ততি সম্পূর্ণ হল, বাকি রইল শুধু বিষ্ফোরক সলতেটি ঢোকানো। পরের দিন সকালে বোমাটিকে টাওয়ারের উপর একটি প্ল্যাটফর্মে উত্তোলন করা হল। বিকাল ৫টার মধ্যে সব প্রস্ততি সমাপ্ত করা হল। পরীক্ষার সময় নির্ধারিত হল ১৬ জুলাই সূর্যোদয়ের সাড়ে চার ঘণ্টা পূর্বে অর্থাৎ রাত আড়াইটার সময়। ১৫ জুলাই মধ্য রাতে সময় পরিবর্তন করা হয়। রাত তিনটার সময় গ্রোভস এবং ওপেনহাইমার লক্ষ্য করলেন যে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। যার কারণে সময় আবারও পিছিয়ে দিলেন। সময় চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হল সকাল সাড়ে পাঁচটা অর্থাৎ সূর্যোদয়ের এক ঘণ্টা আগে। যে পাঁচজন লোক টাওয়ারে বসে শেষ মুহূর্তের কাজগুলি সমাধা করছিলেন তাদের সকাল পাঁচটায় স্থান ত্যাগ করার জন্য আদেশ দেওয়া হল। টাওয়ার এবং তার উপরে অবস্থিত বস্তুটি আলোকিত করার জন্য বিরাট ফ্লাডলাইট জ্বালানো হল। টাওয়ার থেকে সতের হাজার গজ দূরে অবস্থিত মূল শিবির। জেনারেল গ্রোভস এই শিবিরে ফিরে আসার দশ মিনিট পর চূড়ান্ত গণনা শুরু হল। সময়ের ব্যবধান যতই কমতে লাগল মিনিট থেকে এসে সেকেন্ডে ঠেকল, আশঙ্কা-উদ্বেগের পরিমাণ সেই তালে লাফিয়ে লাফিয়ে দ্রুত লয়ে বাড়তে লাগল। নিমিষের মধ্যে যা ঘটতে যাচ্ছে তার প্রলঙ্করের সম্ভাবনা সম্বন্ধে এই শিবিরের সকলেই সচেতন ছিলেন। বিজ্ঞানীরা অনুভব করছিলেন যে তাঁদের হিসাব নিকাশ সঠিক, আর বোমাটির বিস্ফোরণ তাই অবধারিত। কিন্তু একই সাথে প্রত্যেকের মনের গহনে বেশ জোরালো সন্দেহও লুকিয়ে ছিল। রেডিওতে গণনা যখন ১০, ৯, ৮ এ ভাবে শূনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল…। নিস্তব্ধ ঘরটিতে “এখন” শব্দটি উচ্চারিত হওয়ার সাথে সাথেই কয়েকটি সূর্যের আলোর সমান দিপ্তিতে বিদ্যুৎ চমকের মত উদ্ভাসিত হয়ে উঠলো গোটা মরুভূমি, প্রায় দু’শ মাইল পর্যন্ত দেখা গেল জলন্ত বহ্নিশিখার আলো। পৃথিবীর বুকে প্রথম বিষ্ফোরিত হলো পারমানবিক বোমা- মানুষের সৃষ্টি প্রলয়। ওপেনহাইমার স্মৃতিচারণ করেছেন, “উপস্থিত ব্যক্তিদের কেউ কেউ হেসেছিলেন, কয়েকজন কেঁদে ফেলেছিলেন, তবে বেশীরভাগ ছিলেন স্তব্ধ।” পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় সংগৃহীত উপাত্ত থেকে জানা গেল যে রকমটি আশা করা হয়েছিল তার চেয়ে অনেক বেশী জোড়ালো হয়েছে বিষ্ফোরণ। গ্রোভস সমরমন্ত্রী স্টিমসনকে জানালেন যে, ১৫০০০ থেকে ২০০০০ টন টি.এন.টি.–র সমতুল্য বিষ্ফোরণ ঘটেছে। যে ইস্পাতের টাওয়ারটির সাথে বোমাটি বেঁধে দেওয়া হয়েছিল সেটি প্রচন্ড উত্তাপে বাষ্পীভূত হয়ে গেছে ।

পারমানবিক বোমার শীর্ষে রাশিয়া

পৃথিবীতে এ পর্যন্ত নয়টি দেশ পারমানবিক বোমা অর্জনে সমর্থ হয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে সাত হাজার বোমার ভান্ডার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে সাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন বা রাশিয়া।

রাশিয়ার কাছে সবচেয়ে বেশি: স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইন্সটিটিউট সিপ্রি-র তথ্য অনুসারে রাশিয়ার কাছে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আনবিক বোমা রয়েছে৷ দেশটিতে এ ধরনের বোমার সংখ্যা সাড়ে সাত হাজারের বেশি৷ ১৯৪৯ সালে সেদেশ প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা করেছিল৷

দ্বিতীয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথম পারমাণবিক বোমা বানিয়েছে এবং একমাত্র দেশ যারা এটা যুদ্ধে ব্যবহারও করেছে৷ দেশটির এখন সাত হাজারের বেশি পারমাণবিক বোমা রয়েছে৷

তৃতীয় স্থানে ফ্রান্স: ফ্রান্সের কাছে পারমাণবিক ওয়ারহেড আছে তিনশ’র মতো৷ এগুলোর অধিকাংশই রয়েছে সাবমেরিনে৷ দেশটির অন্তত একটি সাবমেরিন সবসময় পারমাণবিক বোমা নিয়ে টহল দেয়৷

পিছিয়ে নেই চীন: আড়াইশ’র মতো পারমাণবিক বোমা আছে চীনের৷ রাশিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় সংখ্যাটা কম হলেও দেশটি ধীরে ধীরে এই সংখ্যা বাড়াচ্ছে৷ স্থল, আকাশ বা সমুদ্রপথে এসব বোমা ছোঁড়া সম্ভব৷

যুক্তরাজ্যে আছে ৫ নম্বরে: দুইশ’র বেশি পারমাণবিক বোমা রয়েছে যুক্তরাজ্যের কাছে৷ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এই দেশটি ১৯৫২ সালে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়৷

দক্ষিণ এশিয়ায় এগিয়ে পাকিস্তান: ইতোমধ্যে তিনবার প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছে পাকিস্তান৷ দেশটির আছে শতাধিক আণবিক বোমা৷ সাম্প্রতিক সময়ে পারমাণবিক বোমার সংখ্যা বাড়িয়েছে দেশটি৷ অনেকে আশঙ্কা করেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে দেশটির লড়াই কোন এক সময় পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে৷

থেমে নেই ভারত: ভারত প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ১৯৭৪ সালে৷ দেশটির কাছে নব্বইটির বেশি আণবিক বোমা রয়েছে৷ ভারত অবশ্য জানিয়েছে, তারা আগে কোনো দেশকে আঘাত করবে না, আর যেসব দেশের পারমাণবিক বোমা নেই, সেসব দেশের বিরুদ্ধে তারা এ ধরনের বোমা ব্যবহার করবে না কোনোদিন৷

ইসরায়েল সম্পর্কে তথ্য কম: ইসরায়েল অবশ্য নিজের দেশের পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে তেমন কিছু জনসমক্ষে প্রকাশ করে না৷ দেশটির আশিটির মতো পারমাণবিক ‘ওয়ারহেড’ আছে বলে ধারণা করা হয়৷

উত্তর কোরিয়া: এখন পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার কাছে দশটির কম পারমাণবিক বোমা রয়েছে৷ তবে দেশটির নিজেদের এ ধরনের বোমা তৈরির সক্ষমতা রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত নয়৷

গ্রন্থনা ও সম্পাদনা: প্রণব


সর্বশেষ

আরও খবর

রবিদাস জনগোষ্ঠীর জীবনধারা

রবিদাস জনগোষ্ঠীর জীবনধারা


ড্যান্ডির নেশায় নষ্ট হচ্ছে হাজারো পথশিশুর জীবন

ড্যান্ডির নেশায় নষ্ট হচ্ছে হাজারো পথশিশুর জীবন


দুস্থদের মাঝে ইফতার বিতরণ করবে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন

দুস্থদের মাঝে ইফতার বিতরণ করবে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন


নারীদের জন্য বিপদজনক বিশ্বের সাতটি শহর

নারীদের জন্য বিপদজনক বিশ্বের সাতটি শহর


দেখে আসুন মিরপুরের টাকার গাছ

দেখে আসুন মিরপুরের টাকার গাছ


ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন কী?

ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন কী?


জেনে নিন বিশ্বের দামী ১০টি গাড়ির নাম ও তার দাম

জেনে নিন বিশ্বের দামী ১০টি গাড়ির নাম ও তার দাম


সুখী হতে চাইলে মানুন এই ২০টি জিনিস

সুখী হতে চাইলে মানুন এই ২০টি জিনিস


রাজধানীতে সবজি চাষ

রাজধানীতে সবজি চাষ


সেলফি তুলছেন? সাবধান!

সেলফি তুলছেন? সাবধান!