Saturday, December 10th, 2016
শীতের কাপড়টা হোক ফ্যাশনেবল
December 10th, 2016 at 7:35 pm
শীতের কাপড়টা হোক ফ্যাশনেবল

রিজাউল করিম, ঢাকা: 

বাড়ছে শীত। পড়ছে ঠান্ডা। দিনে যেমন তেমন, রাতেই তীব্রতা। হিম হাওয়ায় মুড়ে শীতের বুড়ি জেকে বসেছে দেশজুড়ে। সর্বত্রই হুশিয়ারী। প্রচণ্ড শীতে, ভুলো না নিতে, লেপ-চাদর আর কম্বল। যদিও বাজারে রয়েছে সুইটার-মাফলার, কানটুপিসহ বিভিন্ন কাড়প। আপনারটা হয় যেন আরাম প্রিয় ফ্যাশনেবল।

ঋতু চক্রের পালাবদলে দেশের সর্বত্রই ক্রমবর্ধমান শীতে কদর বাড়ছে গরম পোশাক বা একটু মোটা কাপড়ের। শীত সূরক্ষায় গরমের আবেশ পেতে মোটা কাপড়ের সন্ধানে ভীড় জমছে রাজধানীর দোকান গুলোতে। দোকানগুলোতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে গরম কাপড়ের পসরা। বড় বড় সফিং মল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানগুলোতেও এখন শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন ধরণের গরম কাপড়। স্বল্পমূল্যে, পছন্দসই পোশাক কিনতে ক্রেতারা ঝুঁকছেন এসব দোকানে।

রাজধানীতে শীতবস্ত্রের এই বেঁচাকেনার সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে। শীতকে সামনে রেখে নতুন নতুন ফ্যাশনের শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির হয়েছে ফ্যাশন হাউসগুলো। সাদাকালো, দেশি-দশ, আড়ংসহ নামকরা সব ব্যান্ড শীত উপলক্ষে বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন পোশাক। ফ্যাশন হাউসগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নতুন পোশাক তোলা হকার্স মার্কেটগুলোতেও। তবে হকার্স মার্কেটে ফ্যাশন হাউসগুলোর তুলনায় বেচা-বিক্রি একটু বেশি।

রাজধানীর ঢাকা কলেজের সামনের হকার্স মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতারা তাদের পছন্দমতো শীতবস্ত্র কিনছেন। আবার কেউবা হাতে কাপড় নিয়ে নেড়েচেড়ে দেখছেন। একইভাবে রাজধানীর মহাখালী, ফার্মগেট, আজমপুরসহ বিভিন্ন ফুটপাথে বিক্রেতারা শীতের কাপড়ের পসরা নিয়ে বসেছেন। বিক্রেতারা জানান, ক্রেতারা এসে কাপড়-চোপড় দেখছেন এবং দামে পছন্দ হলে কিনে নিচ্ছেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে আমাদের বেঁচা-বিক্রি একটু বেড়েছে।


কান টুপি

kan-tupi

দোকান গুলোতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ফ্যাশনেবল কান টুপি, হাত মোজা আর মাফলার। একটা সময় ছিল যখন মানুষ কান টুপি পরতো শুধুমাত্র শীত নিবারণের জন্য। কিন্তু এখন কেবল শীত না এটি আপনার ব্যক্তিত্ব কেউ ফুটিয়ে তোলে নানাভাবে। বিভিন্ন রকমের কান টুপি আছে বাজারে। মাস্কি টুপি, মাফলার টুপি, ক্যাপের মতো টুপি আর ঝোলা টুপি। শীত নিবারণের ক্ষেত্রে এগুলো হয়ে থাকে উলের তৈরি। এছাড়াও পুরানো ফ্যাশনের টুপির ভেতরে মোটা উলের টুপি, একসঙ্গে মুখ ও মাথা ঢাকার টুপিও আছে বাজারে। কোনো টুপিতে মানাবে বেশি, মুখের গড়ন ও ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে কোন টুপি পরলে দেখতে লাগবে ভালো, যাদের চুল ছোট তারা সম্পূর্ণ চুল টুপির ভেতর রাখতে পারেন। অল্প বড় চুল হলে পাশ দিয়েও চুল বের করে রাখা যায়। অনায়াসেই তা টুপির ভেতর গুজে রাখা যাবে।

রং নির্বাচন করা উচিত যা সব ধরনের পোশাকের সঙ্গেই হবে মানিয়ে। যেমন কালো, খয়েরি, নীল রংয়ের যে কোনো টুপি মানিয়ে যাবে যেকোনো পোশাকের সঙ্গে। উৎসবমুখর পরিবেশে লাল, সাদা অথবা সবুজ রংয়ের টুপি পরা যেতে পারে। কারো উজ্জ্বল রং পছন্দ হলে হলুদ বা নিওন টুপিও বেছে নিতে পারেন। সবসময় এমন টুপি বেছে নেওয়া উচিত যা একটু ঢিলে হবে। কারণ টুপিতে ব্যবহৃত ইলাস্টিক কপালের কাছে আঁটসাঁট হয়ে থাকলে তা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমনকি কপালে দাগও ফেলতে পারে।

হাত মোজা

অতিরিক্ত ঠান্ডায় হাত ব্যথা শুরু করে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে হাতে রক্ত চলাচল ও ঠিকমতো করে না। ফলে হাত অবশ থেকে শুরু করে নানা রকম চর্মোরোগ ও হতে পারে। তাই শীত থেকে নিজেকে বাঁচানোর আরেকটি অস্ত্র হচ্ছে হাত মোজা। যদিও গরম হোক বা শীত সব সময়ের সঙ্গী হয়ে থাকে পা মোজা। তবে এই শীতের আরেক সঙ্গী হচ্ছে হাত মোজা। উলের তৈরি হওয়ায় এর মাধ্যমে ঠাণ্ডা হাতের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে ঠাণ্ডা থেকে হাত রক্ষা পায়।

মাফলার

maflar

শীতের ফ্যাশনে আরেকটি সঙ্গী হচ্ছে মাফলার। তরুণ কিংবা তরুণী সবার পছন্দের তালিকায় আছে এটি। উলের নেট মাফলার থেকে শুরু করে এন্ডি কটন এবং পশমি মাফলারসহ নানা রঙের চেক মাফলার পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। এছাড়া মাফলারে আছে দুটি ধরন। শর্ট এবং লং। মেয়েদের মাফলারগুলো কিছুটা শর্ট হয়ে থাকে ছেলেদের তুলনায়। তাছাড়া উলের চেইল এর মাফলারো খুব গ্রহণযোগ্য বর্তমানে। এর সঙ্গে আছে সুতির মাফলারও। লতাপাতা, গাছপালার প্রজাপতি থেকে শুরু করে নানা রকমের কারুকাজ করা থাকে এই মাফলারগুলোতে।

দাম-দর

মাফলারের মধ্যে হাতে বোনা এবং চিকন উলের বিভিন্ন চেক মাফলার পাবেন ১০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে। দেশি মাফলারগুলো পাবেন ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া স্টাইলিশ মাফলার পাবেন ৪০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। ডিজাইন, কাপড় ও আকারভেদে ১০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন মাফলারগুলো। সিঙ্গেল পার্টের মাফলার পাবেন ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যেই। একটু চওড়া মাফলার শুরু হবে ২০০ টাকা মূল্য থেকে। টুপির মধ্যে পাবেন ফোল্ডিং ১০০ টাকা, মানকি ১৩০ টাকা, মাছি ১৫০ টাকা, চায়না টুপি ১৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা, খরগোশ টুপি ২০০ টাকা, মেকি ১৫০ টাকা, ক্যাপসিস্টেম কানটুপি ১৮০ টাকা। হাত মোজা পাওয়া যায় ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে।

জ্যাকেট

jacket

রাজধানীর যতোগুলো ফ্যাশন হাউজ রয়েছে সবগুলোতেই পাবেন জ্যাকেটের প্রদর্শন। তবে উন্নতমানের কিনতে হলে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের শো-রুমে যাওয়াই ভালো। যেমন যেতে পারেন- ক্যাটস্ আই, একস্ট্যাসি, আর্টিস্টি, ফ্রিল্যান্ড, ওটু, স্মার্টেক্স, প্লাস পয়েন্ট, তানজিম স্ট্রিট, ইনফিনিটি, কান্ট্রি বয়, রেক্স সহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজে। এছাড়াও পাবেন বড় বড় সব শপিং কমপ্লেক্স গুলোতে। নিউ মার্কেট, বঙ্গবাজার, ইসলামপুর, বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট, রাজধানী সুপার মার্কেট, প্রিন্স প্লাজাসহ বিভিন্ন মার্কেট গুলোতে পাবেন জ্যাকেটের শো-রুম।

তবে দেশের বাইরের স্টাইলিশ পোশাকের জন্য রাজধানীর শান্তিনগরের পলওয়েল সুপার মার্কেটের রয়েছে অনেক সুনাম। এখানে পাবেন জ্যাকেট, সোয়েটার, হুডি (টুপিসহ গরম গেঞ্জি,) শাল, ফুলহাতা গেঞ্জিসহ নানা রকমের গরম কাপড়, চীন থেকে আমদানি করা ব্লেজার। তবে এখানে ব্লেজারের তুলনায় সোয়েটারে বৈচিত্র্য পাবেন বেশি। কোরিয়া, চীন, থাইল্যান্ড ছাড়াও এখানে পাবেন কাশ্মীরি সোয়েটারও। এছাড়া এলিফেন্ট রোডে সব ধরনের শীতের কাপড়ই পাবেন। এখানে বেশি দামের কাপড় যেমন পাবেন তেমনি কমদামেও পাবেন শীতের বাহারি পোশাক।

দর-দাম

যেহেতু আপনি বাজার ঘুরে জ্যাকেটটি কিনতে চাচ্ছেন। দর দাম সম্পর্কে একটু অভিজ্ঞতা নিয়ে গেলে অবশ্যই আপনার সহযোগিতা হবে। বেশ কতোগুলো ফ্যাশন হাউজ ঘুরে আপনাদেরকে দরদামের একটি ধারনা দিচ্ছি রেকসিন জ্যাকেট পাবেন- এক হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে, চামড়ার জ্যাকেট দুই হাজার ২০০ থেকে ১২ হাজার টাকার মধ্যে। রেইন কোর্টের মতো পাতলা কাপড়ের জ্যাকেট পাবেন- এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে, মকমলের জ্যাকেট পাবেন- চার হাজার থেকে ছয় হাজার টাকার মধ্যে। সুতি কাপড়ের জ্যাকেট এক হজার ৮০০ থেকে পাঁচ হাজার টাকায় এবং খাদি কাপড়ের জ্যাকেট এক হাজার থেকে শুরু করে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে পাবেন।

বাংলাদেশি ক্রেতাদের রুচি যাচাই-বাছাই করে, বিদেশি কোম্পানিগুলো এবার তৈরী করেছে ফ্যাশনএ্যাবল জ্যাকেট। বাজারে চায়না জ্যাকেটে ছেয়ে গেছে। প্রায় প্রতি শো-রুমে দোকান গুলোতে পাবেন চায়না জ্যাকেট, যেমন কোয়ালিটি, তেমনি রং। সেলাইয়ের মানও ভাল। আজকের তরুণরা চায়না জ্যাকেট বেশ পছন্দ করে। দামের হিসাব করলে দেশি তৈরী জ্যাকেট ও চায়না জ্যাকেটের দাম প্রায় কাছাকাছি। বিদেশি জ্যাকেটের মধ্যে প্রসিদ্ধ হলো- ইরানী, অ্যারাবিক, বিলেতি ইত্যাদি। তবে দেশের তৈরী জ্যাকেটগুলো মফস্বল এলাকায় বেশ চলছে। নিম্ম আয়ের লোকজন দেশিয় তৈরী জ্যাকেটই বেশি পছন্দ করে।

হুডি ফুলহাতা শার্ট

handi

শীতে হুডি ফুলহাতা শার্টেও তরুণদের আগ্রহ রয়েছে। রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেটে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হুডি শার্ট বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায়। এছাড়া নিউমার্কেট ও বঙ্গবাজারে ৪৫০ থেকে এক হাজার টাকায় হুডি শার্ট বিক্রি হচ্ছে। তবে ফুটপাতে ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাবে হুডি শার্ট। ছেলেদের আগ্রহের তালিকায় থাকা বিভিন্ন ডিজাইনের এ পোশাকটি রাজধানীর অন্যমার্কেট গুলোতেও বেশ বিক্রি হচ্ছে।

চাদর

hat-moja

প্রচণ্ড শীতে গরমের আবেশ পেতে সব বয়েসী ক্রেতাদের আগ্রহের তালিকায় আছে চাদর। তবে এ ক্ষেত্রে তরুণী ও বয়স্কদের চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। নিউমার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট ও বঙ্গবাজারে ভাল মানের চাদর পাবেন ক্রেতারা। দামও পড়বে তুলনামূলক কম। এ সব মার্কেটে ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে চাদর পাওয়া যাবে। এছাড়া কাশ্মিরী শাল তিন হাজার ৫০০ থেকে চার হাজার ৫০০ টাকা ও রেশমী শাল ৮০০ টাকা থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে।

কম্বল

kombol

রাধানীর বঙ্গবাজার গেলে বোঝা যায় শীত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কেনাকাটার ধুম পড়ে গেছে। পুরো বঙ্গবাজারকে এখন কম্বলের বাজার বললে ভুল হবে না। এখানের বিভিন্ন পোশাকের দোকানগুলো পুরনো ব্যবসার পরিবর্তে কম্বলের পসরা সাজিয়ে বসেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেল বেশি ভাগ ক্রেতাই ভিড় করছেন কম্বল কেনার জন্য।

বুশরা ফ্যাশন হাউসের বিক্রয়কর্মীদের কাছ থেকে জানা গেল, এ মার্কেটে চায়না, কোরিয়ান ও স্পেন এই তিন দেশের কম্বলই পাওয়া যায়। দাম পড়বে ১৫০ টাকা থেকে আট হাজার টাকা। সেই সঙ্গে থাকছে রং আর বাহরি ডিজাইনের বৈচিত্র। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কম্বলের মধ্যে রয়্যাল স্পেন (১৫০০-২৫০০) টাকা। ক্যাঙ্গারু (১৮০০-৩০০০) টাকা, হোয়াইট বিয়ার (১৫০০-২৫০০)টাকা, রয়্যাল স্পেন (২৫০০-৪০০০) টাকা, সোলারন (৩৫০০-৫০০০) টাকা, কিংস্টার (২০০০-৫০০০) টাকা, জিনাক্স (৬০০০-৮০০০) টাকা।

বুশরা ফ্যাশন হাউসের মালিক হাফিজুর রশিদ বলেন, ‘বার্মিস কম্বল গুলো ভালো চলছে, এগুলোর পাওয়া যাবে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকার মধ্যে। তবে বঙ্গবাজার থেকে শীতের কাপড় কিনতে দাম যাচাই বাছাইয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে।  রাজধানীর অভিজাত বাজারগুলোতেও একই চিত্র। কম্বলের কমতি নেই কোন দোকানে। রাজধানীর মোস্তফা মার্ট ও ইউনিমার্টে পাওয়া যাবে মেষের লোমের ও সিনথেটিক কম্বল। বৈচিত্রপূর্ণ এসব কম্বলের সর্বনিম্ন দাম পড়বে এক হাজার ৪০০ টাকা।

চাইলে রাজধানীর সিঙ্গাপুর মার্কেটে যেতে পারেন। এখানে গেলে দেখা যাবে সারি সারি দোকান যেন কম্বলের সাজে সেজেছে। কম্বল গুলোতে বিভিন্ন আঁকা যেমন ফুল, জীবজন্তু, তারা, ডোরাকাটা দাগ মিলবে। এই বাজারের চায়না কম্বলের সর্বনিম্ন দাম দুই হাজার ২০০ টাকা, কোরিয়ান সর্বনিম্ন দাম তিন হাজার ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ  ছয় হাজার টাকা। বাজারগুলোতে শিশুদের পছন্দসই গোলাপি, লাল, সবুজ, নীল রংয়ের মাঝে অনেক ফুলের ছাপ দেয়া কম্বলও রয়েছে।

সম্পাদনা: সজিব ঘোষ 


সর্বশেষ

আরও খবর

প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে ‘দ্রুত’ প্রজ্ঞাপনের আশ্বাস নানকের

প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে ‘দ্রুত’ প্রজ্ঞাপনের আশ্বাস নানকের


গাজা বিক্ষোভ: ৩ ফিলিস্তিনি নিহত, আহত ৩৫০

গাজা বিক্ষোভ: ৩ ফিলিস্তিনি নিহত, আহত ৩৫০


গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


মিয়ানমারকে চাপে রাখতে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

মিয়ানমারকে চাপে রাখতে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান


শুক্রবার ঐতিহাসিক বৈঠকে কিমকে স্বাগত জানাবেন মুন    

শুক্রবার ঐতিহাসিক বৈঠকে কিমকে স্বাগত জানাবেন মুন    


ইসরায়েলি সেনার গুলিতে আহত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের মৃত্যু

ইসরায়েলি সেনার গুলিতে আহত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের মৃত্যু


রাজস্ব জালে সোয়া ৫ লাখ নতুন করদাতা

রাজস্ব জালে সোয়া ৫ লাখ নতুন করদাতা


মৌলভীবাজারে আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত মা-মেয়ের মৃত্যু

মৌলভীবাজারে আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত মা-মেয়ের মৃত্যু


স্ত্রী-সন্তানের পর চলে গেলেন বাবাও

স্ত্রী-সন্তানের পর চলে গেলেন বাবাও


এস কে সিনহার অ্যাকাউন্টে’ ৪ কোটি টাকা জমা দেয়া দু’জনকে দুদকে তলব

এস কে সিনহার অ্যাকাউন্টে’ ৪ কোটি টাকা জমা দেয়া দু’জনকে দুদকে তলব