Monday, July 4th, 2022
আজকের সম্পাদকীয়
October 19th, 2016 at 9:47 am
আজকের সম্পাদকীয়

ডেস্ক: দশ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণে অনিয়ম নিয়ে প্রথম আলো আজকের সম্পাদকীয়তে দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে গরিবের চাল ধনীদের পেটে? শিরোনামে লিখেছে, “অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে জনকল্যাণমুখী একটি উদ্যোগ যে কীভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে, তার জ্বলন্ত উদাহরণ সরকারের ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি কর্মসূচি। দেশের ৫০ লাখ লোককে মাসে ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। বছরের মার্চ, এপ্রিল, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর—এই পাঁচ মাস চালের দাম কিছুটা বেশি থাকে। গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করার পর আশা করা গিয়েছিল যে গরিব ও স্বল্প আয়ের মানুষেরা এর সুবিধা পাবে। কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই তার উল্টোটা ঘটেছে।

প্রথম আলোয় প্রকাশিত কয়েকটি খবরের শিরোনাম ‘ডিলারকে জরিমানা, অনিয়মের অভিযোগ’, ‘গরিবের চাল পাচ্ছেন ধনীরা’, ‘সুরম্য বাড়িতে যায় ১০ টাকার চাল’, ‘আ.লীগ নেতা-চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্বে চাল পাচ্ছেন না গরিবেরা’। সরকারের এই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রি নিয়ে এ রকম বহু খবর ছাপা হচ্ছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। বিষয়টি এতই গুরুতর যে জাতীয় সংসদেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিরোধী দলের সাংসদদের অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেত্রী দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। এ ব্যাপারে তিনি সাংসদদেরও সহযোগিতা চেয়েছেন। কিন্তু তারপরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলা যায় না। অভিযোগ আছে, স্বার্থান্বেষী মহল স্থানীয় অসাধু জনপ্রতিনিধি ও ডিলারদের যোগসাজশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল গরিবদের না দিয়ে মজুত করছে। ফলে বাজারে চালের দাম না কমে বেড়ে চলেছে। এতে যেমন গরিবেরা বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সব শ্রেণির ক্রেতা। গরিবের চাল নিয়ে এই জোচ্চুরি চলতে দেওয়া যায় না ”

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি তুলে ধরে উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় বিশ্বব্যাংক শিরোনামে কালের কণ্ঠ সম্পাদকীয়তে লিখেছে, “স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনালগ্ন থেকেই বিশ্বব্যাংক তার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। চার দশকে বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নকাজে প্রায় আড়াই হাজার কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে সংস্থাটি। মাঝখানে পদ্মা সেতু নিয়ে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি হলেও তা কেটে গেছে। আগের চেয়েও অধিক মাত্রায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। সফররত বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম ঘোষণা করেছেন, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তা আগামী দিনগুলোতে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। তদুপরি শিশু অপুষ্টি রোধে বাড়তি ১০০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা প্রদানেরও ঘোষণা দেন তিনি। সামাজিক-অর্থনৈতিক নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতির প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রায় আগের মতোই এক বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে থাকবে বিশ্বব্যাংক। আমরা বিশ্বব্যাংকপ্রধানের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানাই এবং বিশ্বব্যাংককে সব সময়ই আমরা আমাদের পাশে পেতে চাই।

বিশ্ব যখন অর্থনৈতিক মন্দায় আক্রান্ত, উন্নত দেশগুলোতেও জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে এসেছিল, তখনো বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ শতাংশের বেশি। সেই প্রবৃদ্ধি এখন ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে তা ৮ শতাংশ হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি রপ্তানি আয় ক্রমেই বাড়ছে। আমদানি ও রপ্তানির মধ্যে ভারসাম্য আসছে। তৈরি পোশাকের গণ্ডি ছাড়িয়ে রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন নতুন খাত যুক্ত হচ্ছে। অবকাঠামো উন্নয়ন গতি পেয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা গেছে। ফলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে কর্মসংস্থান। তাই দারিদ্র্য ক্রমেই বিদায় নিচ্ছে বাংলাদেশ থেকে। বিশ্বব্যাংকপ্রধানও আশা করছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে অতি দরিদ্র মানুষের হার শূন্যের কোঠায় নেমে যাবে। শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই নয়, সামাজিক অনেক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যেই মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু রোধে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। নারী-পুরুষের বৈষম্য কমেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা বিশ্ববাসীর কাছে রীতিমতো বিস্ময়কর মনে হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকপ্রধানও সে কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার অগ্রযাত্রার সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করে বলেন, বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ার জন্য যেসব শর্ত পূরণ করতে হয়, ১৯৫৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সে অবস্থাও ছিল না। অথচ আজ দক্ষিণ কোরিয়া এক সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ। অগ্রযাত্রার এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশও অচিরেই সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।”

তৈরি পোশাক শিল্পে শিশুশ্রমের বিষয়টি নজরে এনে বণিক বার্তা সম্পাদকীয়তে তৈরি পোশাক শিল্পে এখনো চলছে শিশুশ্রম শিরোনামে লিখেছে, “বাংলাদেশে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ। পোশাক কারখানাগুলোয় শিশুশ্রম নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি জানিয়ে আসছে। তবে পোশাক কারখানার মালিক ও সরকার দাবি করছে, এ খাতে শিশুশ্রম নেই; কিন্তু আন্তর্জাতিক সংস্থার সমীক্ষা বলছে, তৈরি পোশাক শিল্পে এখনো শিশু শ্রমিক রয়েছে। কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) পোশাক খাতের কমপ্লায়েন্স ইস্যু বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে শিশুশ্রম নেই বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ডিআইএফই মোট ১ হাজার ২৩৬টি কারখানা পরিদর্শন করেছে। এতে দেখা গেছে, শতভাগ কারখানায়ই কোনো শিশুশ্রমিক নিয়োজিত নেই। অন্যদিকে বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় এখনো শিশুশ্রম বিদ্যমান দাবি করে লেবারভয়েসেসের সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশুশ্রম আছে এমন কারখানার সিংহভাগই রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশে। কিছু কারখানার অবস্থান চট্টগ্রামে। সংগৃহীত তথ্যের আলোকে ৮৫টি কারখানায় শিশুশ্রমের উপস্থিতি আছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

শিশুশ্রম বন্ধে নানা ব্যবস্থা থাকলেও তা সহজেই বন্ধ হচ্ছে না। অধিকাংশ শিশু শ্রমিক বাধ্য হয়ে শ্রমের বিনিময়ে জীবিকা নির্বাহ করে। আবার তা জানা সত্ত্বেও নানাভাবে এদের নির্যাতন করা হয়। শিশু শ্রমিকদের নির্যাতনের পেছনে মূল কারণ মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি। মানসিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই নির্যাতন বন্ধের পথে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। প্রচলিত আইনে শিশুশ্রম বন্ধ না হওয়ার অন্যতম কারণ বৈষম্য। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জরিপে এ-বিষয়ক অনেক তথ্য উঠে এলেও দেখা যায় অবর্ণনীয় কষ্টে রয়েছে সমাজ থেকে ছিটকে পড়া শিশুশ্রেণী। তাদের দেখার কেউ নেই। আইন থাকলেও তার প্রয়োগ নেই। বেঁচে থাকার তাগিদে যেখানে তাদের বেছে নিতে হয় এ পথ, সেখানে আইন করে কতটা বন্ধ হবে শিশুশ্রম?”

অ্যাম্বুলেন্স সেবায় চাই বেসরকারি উদ্যোগ শিরোনামে ইত্তেফাক তাদের সম্পাদকীয়তে লিখেছে, “গুরুতর অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে আনয়ন করিতে অ্যাম্বুলেন্সের বিকল্প নাই। ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে ১১৫ জন রোগীর অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন হয়। অথচ প্রয়োজনের তুলনায় নামমাত্র কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স রহিয়াছে এই হাসপাতালটিতে। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদন হইতে জানা যায়, হাসপাতালের এই দুর্বলতাকে পুঁজি করিয়া একদল লোক রোগীদের জিম্মি করিয়া আসিতেছে। হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের কেউ কেউ অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসার সাথে জড়িত। অভিযোগ আছে, তাহারা ইচ্ছামতো রোগীদের নিকট হইতে ভাড়া আদায় করিয়া থাকেন। রোগীরা অ্যাম্বুলেন্স-মালিকদের সহিত দর-কষাকষি করিয়া কুলাইয়া উঠিতে পারেন না। ফলে অ্যাম্বুলেন্স না থাকিবার কারণে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগী আনা-নেওয়া করিতে দুর্ভোগের মধ্যে পড়িতে হয়। অটোরিকশাই তখন একমাত্র ভরসা হইয়া ওঠে। গত শনিবার হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স-চাপায় চারজনের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। অর্থাত্ অ্যাম্বুলেন্স-কেন্দ্রিক একটি বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতা সবসময়ই লাগিয়া থাকে। এখানে এমন একটি সিন্ডিকেট গড়িয়া উঠিয়াছে যে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকেন্দ্রিক অ্যাম্বুলেন্সচালকদের বাহিরে অন্য কোনো অ্যাম্বুলেন্স রোগী তুলিতে পারে না।

কেবল ঢাকা মেডিক্যাল নহে, রাজধানীতে অন্য সকল সরকারি হাসপাতাল ঘিরিয়াও গড়িয়া উঠিয়াছে রমরমা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা। অকেজো, ব্যবহার অযোগ্য-ফিটনেসবিহীন গাড়ি দিয়া অ্যাম্বুলেন্স সেবার নামে এক ধরনের প্রতারণা চালাইয়া আসিতেছে যেসব সিন্ডিকেট—তাহারা প্রভাবশালীদের ছত্রছায়াতেই বাড়িয়া উঠিয়াছে বলিয়া অভিযোগ রহিয়াছে। জানা যায়, বেশির ভাগেরই মালিক হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কতিপয় কর্মচারী, ওয়ার্ডবয় ও ওয়ার্ড মাস্টাররা। এই ব্যবসার সহিত জড়িত হওয়ার ফলে হাসপাতালে নিজের দায়িত্ব পালনের চাইতে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা নিয়ন্ত্রণেই তাহারা বেশি ব্যস্ত থাকে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইহাদের সমিতিও রহিয়াছে। সমিতিকে নগদ টাকা না দিয়া রোগী বা মৃতদেহ কেউ নিতে পারে না মর্মে গুরুতর অভিযোগ রহিয়াছে। আর, এই ধরনের কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরিয়া চলিলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাহাদের বিরুদ্ধে কেন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারেন না—তাহা এক রহস্যই বটে। সেই রহস্য আরো অনেক কিছুর ইঙ্গিত দেয়। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন হইতে জানা যায়, ঢাকায় চলাচলরত অ্যাম্বুলেন্সের অর্ধেকই ব্যবহারের অযোগ্য। অব্যবহূত মাইক্রোবাসসমূহই মেরামত করিয়া অ্যাম্বুলেন্স হিসাবে ব্যবহার করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই এসব অ্যাম্বুলেন্সের নাই কোনো ফিটনেস সার্টিফিকেট, নাই রুট পারমিটের স্টিকার, অক্সিজেন, ফার্স্ট এইড বক্স। তাহা ছাড়া স্যালাইন, প্রেসার মাপার যন্ত্র, অ্যান্টিসেপটিক, গজ, ব্যান্ডেজ ও লাইফ সেভিং ওষুধ রাখাটা অত্যাবশ্যকীয় হইলেও তাহার অভাব রহিয়াছে এইসব অ্যাম্বুলেন্সে।”

গ্রন্থনা: প্রণব


সর্বশেষ

আরও খবর

সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব


আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন

আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন


চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ

চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ


তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন

তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন


যে গল্প এক অদম্য যোদ্ধার

যে গল্প এক অদম্য যোদ্ধার


আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০

আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০


সীমান্ত কাঁটাতারে বিদ্যুৎ: আলোচনায় বিজিবি-বিজিপি

সীমান্ত কাঁটাতারে বিদ্যুৎ: আলোচনায় বিজিবি-বিজিপি


চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার


সাংবাদিকতা বিরোধী আইন হবে না: মন্ত্রী

সাংবাদিকতা বিরোধী আইন হবে না: মন্ত্রী


সেনাবাহিনীতে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন চান প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনীতে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন চান প্রধানমন্ত্রী