Friday, November 20th, 2020
একজন মোহাম্মদ বেলাল চৌধুরী ও অদম্য সাহসিকতার গল্প
November 20th, 2020 at 10:56 am
একজন মোহাম্মদ বেলাল চৌধুরী ও অদম্য সাহসিকতার গল্প

লেখক: রুদ্রো সাইফুল – ঢাকা ২০ নভেম্বর ২০২০।

বর্তমান সময়কালে তিনি একজন কর্মমূখর চৌকস-নিরলস মেধাবী সরকারি কর্মকর্তা, শুধুমাত্র সরকারি চাকুরির রুটিন বৃত্তে বন্দি হয়ে থাকেননি তিনি। বরং দক্ষতা, মেধা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে তিনি প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রস্তুত করেছেন লাল-সবুজের এই জাতিরাষ্ট্রের মানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে উঠতে। তিনি মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরী কমিশনার অব কাস্টমস অ্যাট কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লা। কুমিল্লার আগে তিনি ছিলেন বেনাপোল স্থল বন্দরের কমিশনার অব অ্যাট কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট। সাহসীকতার সঙ্গেই তিনি বেনাপোলে বন্দরকে সামলে নিয়ে আধুনিক ও তড়িৎ গতির কাস্টমস্ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন সম্পূর্ণ নিজের প্রচেষ্টায়।


বিগত বছরগুলোতে তারুণ্যদীপ্ত উদ্যোগ, বহুল কাঙ্ক্ষিত সংস্কার, সকলের জন্য তড়িৎ গতিতে সেবার দ্বার উন্মোচনের সাথে রাজস্ব সংগ্রহসহ বহুমুখী সফলতার শিরোনাম হয়েছেন বেলাল চৌধুরী। অর্জন করেছেন বিশ্বব্যাংক স্বীকৃত দেশসেরা কাস্টমস কমিশনার এবং ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন কতৃক পুরস্কার। মানবিকতা ও দেশপ্রেমকে সঙ্গে নিয়ে চলেছেন তিনি। কখনোই আপস করেননি কালোবাজারি আর দেশবিরোধীদের সাথে।


তিনি যেমন বেনাপোলে আড়াই টন ওজনের ভায়াগ্রা পাউডার আটক করে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন, অন্যদিকে ভয়ঙ্কর মাদকসন্ত্রাসী প্রভাবশালী মাফিয়া চক্রের চক্ষুশূলও হয়েছেন। তবুও দমে যাননি তিনি, লড়েছেন নব উদ্যমে। দেশের সবচেয়ে বড় স্থল বন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউজ সমৃদ্ধ হয়েছে তার সময়ানুগ সংস্কারে, তার নেতৃত্বে অসংখ্য সেবাধর্মী উদ্যোগে বেনাপোল হয়ে উঠেছে বিশ্বমানের কাস্টমস হাউজ। বেড়েছে সেবার সক্ষমতা। মাত্র একজন বেলাল চৌধুরী বদলে দিয়েছেন বেনাপোল স্থল বন্দরকে।

বেলাল চৌধুরী বদলে যাওয়া বেনাপোলের সফলতার গল্পের শিরোনাম হয়েছেন অসংখ্যবার। এরপর যখন তিনি বদলির সূত্রে কুমিল্লা কাস্টমস্ এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের দায়িত্ব নিলেন সেখানেও তিনি বদলে দিলেন, আমুল পরিবর্তন আনলেন। বেনাপোল থেকে কুমিল্লা, আরো বেশি কর্মদীপ্ত হয়ে উঠলেন প্রজাতন্ত্রের এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা। করোনাকালীন এই সময়ে ব্যতিক্রমী শুধু কুমিল্লা কাস্টমস্এ ক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট। বেলাল চৌধুরীর নেতৃত্বে রাজস্ব আহরণে যথারীতি দেশসেরা আজ কুমিল্লা। বলা চলে কর্মজীবনে সফলতার অনন্য উদাহরণ মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরী। আর তার সাহসীকতার দুয়েকটি ঘটনা উল্লেখ না করলে অসম্পূর্ণ থেকে যাবে এই নিবন্ধ।


এশিয়ার সর্ববৃহত ভায়াগ্রার চালান বেনাপোলে আটক:

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে আমদানিকৃত ১২ কোটি টাকা মূল্যের আড়াই টন (২,৫০০ কেজি) ওজনের ‘ভায়াগ্রা’র একটি চালান আটক করেছে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ২০১৯ সালের আগস্ট দুপুরে বেনাপোল কাস্টমস ক্লাবে এক অতিব জরুরি প্রেস কনফারেন্সে কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।


কাস্টমস সুত্র জানায়, ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মিডফোর্ডের বায়েজিদ এন্টারপ্রাইজ মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে আড়াই হাজার কেজি ‘সোডিয়াম স্টার্চ গ্লাইকোলেট’ আমদানি করেন। যার এলসি নং-৯৪৬১৯০১০৩৪২ তারিখ: ২১/০৫/২০১৯। কাস্টমস মেনিফেস্ট নাম্বার- ১৯১৯৩ তারিখ:২৬/০৫/২০১৯, যার বিল অব এন্ট্রি নম্বার -সি-৩৬৪৯৬, তারিখ: ২৯/০৫/২০১৯।


রাজস্ব পরিশোধ করে বন্দর থেকে খালাস নেবার সময় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০১৯ সালের ৩ জুলাই বিকালে কাস্টমস কর্মকর্তারা পণ্য চালানটি আটক করে। পরে কাস্টম হাউসের নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবে পরীক্ষা শেষে ভায়াগ্রার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। 


পরবর্তীতে অধিকতর নিশ্চিত হওয়ার জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর পণ্য বিবেচনায় পণ্যের নমুনা বুয়েট, বিসিএসআইআর, খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ও ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে পাঠানো হয়। দীর্ঘ ২ মাস পর বুয়েট ও বিসিএসআইআর পরীক্ষা শেষে পণ্য চালানটি ‘সোডিয়াম স্টার্চ গ্লাইকোলেট’ বলে প্রতিবেদন দায়ের করে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আবারও ঢাকার ওষুধ প্রশাসন ও কুয়েটে পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রেরণ করে। সেখানে পরীক্ষা করে ৯৯.০৮% ভায়াগ্রা পাওয়া গেছে বলে পরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদন প্রাপ্তির পরেই অপ-ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।


বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার ১৮২ সদস্য দেশকে মাদক, বিস্ফোরক ও এ ধরনের ক্ষতিকর পণ্য
চোরাচালানের বিষয়ে দীর্ঘদিন সর্তকবার্তা দিলেও বাংলাদেশেই বিশ্বের প্রথম এ ধরনের বড় চালান বোনাপোলের কাস্টমস্ কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে আটক করা হল। বিষয়টি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে জানানো হলে তারা ভবিষ্যতে আরও সতকর্তার সাথে কাজ করার নির্দেশনা দেন বেনাপোল কাস্টমস হাউস কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরীকে।


ওই পণ্য চালানটি টেস্টে পাঠানোর আগেই ছেড়ে দেয়ার জন্য বিভিন্ন প্রভাভশালী মহল থেকে কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরীকে জীবননাশেরও হুমকি দেয়া হয়। এত ভয় ও জীবন হারানোর আশংকা থাকার পরেও মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরী দমে যাবার পাত্র নন। নতুন উদ্যোমে নতুন তিনি যাত্রা শুরু করেন। তারুণ্য নির্ভর কাস্টমস্ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি।


কুমিল্লায় বিপুল পরিমান ফেনসিডিল আটক:
২০১১ সালে কুমিল্লা কাস্টমস্ এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম ফেনসিডিলের বড় একটি চালান আটক করলো কুমিল্লা কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট টিম। এ বছরের ১০ নভেম্বর গভীর রাতে ৫৮১ বোতল ফেনসিডিল বোতলসহ একটি কাভার্ড ভ্যান (লক্ষ্মীপুর ট-১১-০০০৭) আটক করা হয়েছে। কুমিল্লা কাস্টমস্ এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরী জানান, “রাত আনুমানিক ১১টায় ফেনী থেকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে মেসার্স শুকতারা ট্রান্সপোর্টের এই কাভার্ড ভ্যানটি কুমিল্লা শহরের দিকে আসে। এ সময় ট্রাকটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় নিবারক টিম এটি থামানোর সংকেত দেয়। সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ছালাউদ্দিন রিপন সঙ্গে সঙ্গে কমিশনারকে অবগত করলে আটককৃত গাড়িটি তল্লাশি করার অনুমতি দেয়। গাড়িটি তল্লাশি করে ফেনসিডিল পাওয়া যায়। কাস্টমস আইন লঙ্ঘন করায় তা আটক করা হয়। মূলত ভ্যাট ফাঁকির পণ্য ধরতে গিয়ে ফেনসিডিলের এই চালানটি ধরা পড়ে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের চোরাচালান রোধে কঠোর নির্দেশনার ফলে মহাসড়কে অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়।”


বেলাল চৌধুরী আরও জানান, “করোনাকালেও এ দপ্তরের প্রিভেন্টিভ টিমের কর্মকর্তারা মহাসড়কে নিয়মিত টহল প্রদান করে আসছেন। গত দুই মাস ধরে মহাসড়ক দিয়ে ফেনসিডিল পাচারের গোপন সংবাদ পাওয়া গেলেও এভাবে হাতনাতে ধরা পড়ে এবারই প্রথম। গত দুই মাসে প্রায় ৩০টির অধিক ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মূসক ও শুল্ক ফাঁকিসহ চোরাচালানকৃত পণ্য বহনের অভিযোগে আটক এবং ১৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটকের পর ট্রাকের পণ্য ইনভেন্ট্রির উদ্দেশ্যে খোলা হয়। কাভার্ড ভ্যানটির সম্মুখে শাহ আমানত লেখা থাকলেও এর গায়ে লেখা মেসার্স শুকতারা ট্রান্সপোর্ট। কাভার্ড ভ্যানের দরজা খোলার পর ছয়টি কাগজের কার্টুন পাওয়া যায়। কার্টুনের গায়ে ‘ফ্রেশ পিয়ার্স’ লেখা রয়েছে। কার্টুনগুলো খোলার পর প্রতিটিতে ৯৭টি এবং মোট ৫৮১ বোতল পাওয়া যায়। এর আনুমানিক মূল্য দুই লাখ টাকা। সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ছালাউদ্দিন রিপনের তত্ত্বাবধানে ও রাজস্ব কর্মকর্তা আহমদ সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে কুমিল্লা কাস্টমসের প্রিভেন্টিভ টিম মহাসড়কে ভ্যাট ফাঁকি দেয়া পণ্যের গাড়ি যাচাই করার সময় মাদকদ্রব্য বহনকৃত এই গাড়িটি ধরা পড়ে।”


কুমিল্লায় রেকর্ড পরিমাণ ভ্যাট রিটার্ন দাখিল:
সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের অঙ্গীকার বাস্তায়নে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(এনবিআর)। ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে এসাইকুডা সিস্টেম চালু করে বড় ধরণের ডিজিটাল কর্মযজ্ঞ শুরু করে এনবিআর। আর এ মাসে প্রায় ৩২ শতাংশ ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে জমা হয়েছে। কুমিল্লা কমিশনারেটের কর্মকর্তারা এনবিআরের এ অগ্রাধিকার এজেন্ডা বাস্তবায়নে অহর্ণিশ কাজ করে ১২টি কমিশনারেটের মধ্যে টানা তিন বার প্রথম স্থান অর্জন করেছে। অভিনন্দন এনবিআর ৩২% অনলাইন রিটার্ন অনলাইন করার জন্য। ২০১৬ সালেও যে হার ছিল মাত্র ৪.৫%! মোহাম্মদ বেলাল চৌধুরীর গতিশীল নেতৃত্বে কুমিল্লা কাস্টমস্ এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এগিয়ে চলছে কাঙ্খিত অগ্রগতির লক্ষ্যে।


রাজস্ব আদায়ে গত বছরের চেয়ে সেপ্টেম্বর মাসে ১৫৩ শতাংশ, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ৭৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে কুমিল্লা কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট। করোনাকালে বৈশ্বিক অর্থনীতি যখন নাজুক অবস্থায়; জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি অর্জন যখন চ্যালেঞ্জের পথে;তখন ব্যতিক্রমী প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে কুমিল্লা কমিশনারেট। ব্যতিক্রমী অগ্রগতির পেছনের পরিশ্রমী কর্মীদের পুরস্কৃত করার জন্য গত ২৭ অক্টোবর এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কুমিল্লা কমিশনারেট। কাস্টমস্ কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল চৌধুরীর তত্ত্ববধানে অনুষ্ঠানে মোট ৫৫ জন কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত
করা হয়। ২৩ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে তাঁদের বিশেষ অবদানের জন্য সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি ও পুরস্কার দেয়া হয়। এ সবের মধ্যে রয়েছে রিটার্ন যাচাই, নিবারক কার্যক্রম, বকেয়া আদায়, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, নিরীক্ষা ও তদন্ত, রাজস্বের নতুন ক্ষেত্র বৃদ্ধিকরণ, নিবন্ধন ও মূসক জরিপ, সিগারেট ও বিড়ির নকল ব্যান্ডরোল সনাক্তকরণ। 


বঙ্গবন্ধুর জন্ম-শতবর্ষে মোহাম্মদ বেলাল চৌধুরী কর্মপরিকল্পনা:
কিছুদিন পূর্বে এক আলাপচারিতায় মোহাম্মদ বেলাল চৌধুরী জানান, “বঙ্গবন্ধুর জন্ম-শতবর্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান জানানো তখনই হবে যখন বঙ্গবন্ধু সেই সোনার বাংলা আমরা বাস্তবায়ন করতে পারবো। আমি আমার অবস্থান থেকে কাজ করে যাচ্ছি। গণমুখী ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই আমার সহকর্মীদের নিয়ে এই করোনাকালে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার কর্ম সবসময়ই যেন বঙ্গবন্ধুর দর্শন থেকে বিচ্যুত না হয় সে দিকেও সতর্ক থাকছি সর্বদা। আমি এবং আমার সহকর্মীরা কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করতে শিখিনি বলেই আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোনো অপরাধী মাদক পরিবহন করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাঁর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকারের অর্থনীতি আমরা সচল রাখতে বদ্ধপরিকর। বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষে আমাদের কর্মই হবে তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।”

রুদ্রো সাইফুল : রাজনীতিবিদ ও গবেষক


সর্বশেষ

আরও খবর

ট্রানজিট পণ্য বোঝাই ‘এমভি সেঁজুতি’  চট্টগ্রাম বন্দরে

ট্রানজিট পণ্য বোঝাই ‘এমভি সেঁজুতি’ চট্টগ্রাম বন্দরে


পাল্টে যাচ্ছে যমুনা চরের অর্থনীতি

পাল্টে যাচ্ছে যমুনা চরের অর্থনীতি


চলতি বছর যোগ হবে ১ হাজার ৮৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

চলতি বছর যোগ হবে ১ হাজার ৮৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ


ওমানে ভিড় বাড়ছে বাংলাদেশিদের, বাড়ছে না রেমিটেন্স

ওমানে ভিড় বাড়ছে বাংলাদেশিদের, বাড়ছে না রেমিটেন্স


লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল এনবিআর

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল এনবিআর


ইউটার্নে বিশ্বব্যাংক

ইউটার্নে বিশ্বব্যাংক