Thursday, June 30th, 2022
এখনো প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে হিলারির
November 10th, 2016 at 10:52 pm
এখনো প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে হিলারির

ডেস্ক: ডেমোক্রেটিক পার্টির কট্টর সমর্থকরা নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মেনে নিতে নারাজ। হিলারি ক্লিনটনকে হোয়াইট হাউজে দেখার সামান্যতম আশাও তারা পরিত্যাগ করতে পারছেন না। বিষয়টি অবিশ্বাস্য হলেও এখনো হিলারি ক্লিনটনের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার কিছুটা হলেও আশা আছে। মূলত ইলেকটোরাল কলেজের মধ্যেই এই সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে।

আট নভেম্বরে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের চেয়ে বেশি পপুলার ভোট পান হিলারি। তিনি রিপাবলিকান প্রার্থীর চেয়ে দুই লাখ ভোট বেশি পেয়েও পর্যাপ্ত ইলেকটোরাল কলেজ ভোট সংগ্রহ করতে না পারায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেননি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে  মোট ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে ৫৩৮টি, যেখানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে হলে অন্তত ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেতে হয়। অথচ এক্ষেত্রে হিলারি পেয়েছেন মাত্র ২২৮টি কিন্তু তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেতে সক্ষম হন। এক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত তার ভোটের সংখ্যা ২৯০টি।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, ইলেকটোরাল কলেজের মনোনীত ইলেকটররা প্রেসিডেন্টের জন্য ভোট দেবেন। ফলে ১৯ ডিসেম্বর নিজ নিজ রাজ্যের রাজধানীতে ইলেকটররা প্রেসিডেন্টের জন্য ভোট প্রদান করবেন। ইলেকটররা জনমতের বিপক্ষে যেতে পারেন কিংবা ভোট প্রদান করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। এই ধরণের ইলেকটোরাল কলেজ ভোটিংয়ের নাম ‘ফেইথলেস ইলেকটর’।

তবে ২০০০ সালের আগে বিষয়টি সেভাবে সামনে আসেনি। সেসময় জর্জ ডাব্লিউ বুশ ডেমোক্রেট প্রার্থী আল গোরকে সামান্য ব্যবধানে হারানোর পর বিষয়টি সবার সামনে চলে আসে। ব্যাপক জনপ্রিয় আল গোরও হিলারির মতই তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে বেশি পপুলার ভোট পেয়েছিলেন।

তবে ইলেকটররা জনমতের বাইরে যান বলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোন নজির নেই। কেবলমাত্র ২০০৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এধরনের ঘটনা ঘটে। তখন মিনেসোটা রাজ্যের একজন ইলেকটর ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জন কেরির পরিবর্তে তার রানিং মেট জন এডওয়ার্ডসকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভোট দেন। অবশ্য পুনর্নির্বাচনে জর্জ বুশ ২৮৬ ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে যাওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ফেইথলেস ভোটাররা কখনো জনমতের বিরুদ্ধে যাননি। দেশটির প্রতিষ্ঠাতারা অযোগ্য ব্যক্তির হাতে যাতে প্রেসিডেন্সি না যায় সেজন্য ইলেকটোরাল কলেজ ভোট গঠন করেছিলেন। বর্তমানে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হয়তো কোন কোন ইলেকটর অযোগ্য প্রার্থী মনে করে ভোট নাও দিতে পারেন। এক্ষেত্রে যদি বেশিরভাগ ইলেকটর হিলারিকে ভোট দেন তাহলে হয়তো তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারেন। সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

গ্রন্থনা: ফারহানা করিম, সম্পাদনা: সজিব ঘোষ

 


সর্বশেষ

আরও খবর

সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব


আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন

আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন


চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ

চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ


ভোজ্যতেল ও খাদ্য নিয়ে যা ভাবছে সরকার

ভোজ্যতেল ও খাদ্য নিয়ে যা ভাবছে সরকার


তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন

তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন


অত আগুন, এত মৃত্যু, দায় কার?

অত আগুন, এত মৃত্যু, দায় কার?


যে গল্প এক অদম্য যোদ্ধার

যে গল্প এক অদম্য যোদ্ধার


আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০

আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০


সীমান্ত কাঁটাতারে বিদ্যুৎ: আলোচনায় বিজিবি-বিজিপি

সীমান্ত কাঁটাতারে বিদ্যুৎ: আলোচনায় বিজিবি-বিজিপি


চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার