Friday, July 1st, 2016
কমছে না ইন্টারনেট ও মোবাইল কলরেট
July 1st, 2016 at 4:44 pm
কমছে না ইন্টারনেট ও মোবাইল কলরেট

ঢাকা: মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের প্রস্তাব আপাতত বিবেচনায় না নেয়ায় কমছে না ইন্টারনেট ও মোবাইল কল রেট।

সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, এনবিআর ও বিটিআরসির সঙ্গে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ কথা বলেন।

২ জুন ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর সম্পূরক শুল্ক ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার ঘোষণা দেয়ার দিন থেকেই ভয়েস কল ও ইন্টারনেট খরচ বেড়ে যায়। গত ২ জুন ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী মোবাইল ফোনের সিমভিত্তিক সব সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন। পরদিনই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা ও সরকারি আদেশনামা অনুসারে বর্ধিত সম্পূরক শুল্ক আদায় শুরু হয়।

এ পরিস্থিতিতে তারানা হালিম গত ৫ জুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘মোবাইল ফোন সেবার ওপর কোনো কর বা সারচার্জ আরোপ না করার জন্য আমি বাজেটের আগেই অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু বাজেট প্রস্তাবে তার প্রতিফলন দেখতে পাইনি। আরেকটি চিঠি আজই অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি, মোবাইলে কথা বলার ওপর এ হারে সারচার্জ আরোপ করা হলে ইন্ডাস্ট্রি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

এদিকে এনবিআরের মূল্যায়ন—এবার মোবাইল ফোন খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় কম হবে। আগের বছরগুলোর তুলনায় ১০ শতাংশ বা ৩০০ কোটি টাকা কম হবে। প্রথম ৯ মাসের রাজস্বের গড় থেকে তারা এ ধারণায় পৌঁছায়। বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন, এয়ারটেল ও রবির একীভূত হওয়ার কারণে তরঙ্গ নিলাম না হওয়া, এক মাস ভাইবার, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ বন্ধ থাকা প্রভৃতি কারণে রাজস্ব আয় কম হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কিভাবে মোবাইল ফোন খাত থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানো যায় তার উপায় খুঁজতে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে এনবিআর।

বৈঠকের বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহ্জাহান মাহমুদ বলেন, মোবাইল সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে। বলা হয়েছে, এখন শুল্ক প্রত্যাহার করা যাবে না। বাজেট পাসের ৩ মাস পর এ নিয়ে চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের কাজ হচ্ছে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকেও এ ব্যাপারে আপত্তি করা হয়। আগে থেকে মোবাইল ফোনে কথা বলা, এসএমএস সার্ভিস, মোবাইল ব্যাংকিং পরিচালনা, ডেটা ট্রান্সফার ও অন্যান্য সুবিধা নেয়ার ক্ষেত্রে মোট খরচের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) ও ৩ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ১ শতাংশ হারে সারচার্জ আরোপ ছিল। এসব মিলে মোট করের পরিমাণ ছিল ১৯ শতাংশ। অর্থাৎ মোবাইল ফোনে ১০০ টাকা খরচ করলে ১৯ টাকা কর দিতে হতো সরকারকে। প্রস্তাবিত বাজেটে অন্য করগুলো অপরিবর্তিত রেখে সম্পূরক শুল্ক ২ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। ফলে এই খাতে করের পরিমাণ দাঁড়ালো ২১ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকা খরচ করলে ২১ টাকা কর দিতে হবে।

নিউজনেক্সটবিডি ডটকম/আরকে/জাই


সর্বশেষ

আরও খবর

মডার্নার ভ্যাকসিন পরীক্ষা বানরের উপর সফল

মডার্নার ভ্যাকসিন পরীক্ষা বানরের উপর সফল


‘সজীব ওয়াজেদ জয় অনলাইন র‌্যাপিড দাবা টুর্নামেন্ট-২০২০’ শুরু

‘সজীব ওয়াজেদ জয় অনলাইন র‌্যাপিড দাবা টুর্নামেন্ট-২০২০’ শুরু


বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১০টি ইঞ্জিন উপহার দিলো ভারত

বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১০টি ইঞ্জিন উপহার দিলো ভারত


হার্ড ইমিউনিটি এখনও অর্জিত হয়নিঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

হার্ড ইমিউনিটি এখনও অর্জিত হয়নিঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা


ফেসবুক পেজের নতুন নকশা নিয়ে পরীক্ষা

ফেসবুক পেজের নতুন নকশা নিয়ে পরীক্ষা


ঘুড়ি, ড্রোন, খেলনা ওড়াতে অনুমতি লাগবে

ঘুড়ি, ড্রোন, খেলনা ওড়াতে অনুমতি লাগবে


অদৃশ্য আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন

অদৃশ্য আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন


মঙ্গলের পথে আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশযান

মঙ্গলের পথে আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশযান


ইভিএম ছিনতাই হলেও সমস্যা নেইঃ এনআইডি মহাপরিচালক

ইভিএম ছিনতাই হলেও সমস্যা নেইঃ এনআইডি মহাপরিচালক


কতদিনে পাওয়া যাবে ই-পাসপোর্ট?

কতদিনে পাওয়া যাবে ই-পাসপোর্ট?