Monday, June 6th, 2016
কোন হিরক রাজার দেশে আছি?
June 6th, 2016 at 3:43 pm
কোন হিরক রাজার দেশে আছি?

এক।

জিতেন্দ্র – শ্রীদেবী অভিনীত ফিল্ম ‘বলিদান’ এবং সমসাময়িক একটি গল্প

আচ্ছা,  সিনেমার গল্পের সাথে বাস্তবের কোনো মিল হয়? কিংবা ধরুন, জীবনের গল্পগুলো কি কখনও সিনেমার মতো হয়?

আমার মনে আছে, অনেক ছোটবেলায় বোম্বের (এখনকার মুম্বাই) একটা সিনেমা দেখেছিলাম। তখন আমার বয়স সাত, আট কিংবা নয়। গল্পের নায়ক জিতেন্দ্র আর নায়িকা শ্রীদেবী। সিনেমার নাম ‘বলিদান’। একজন পুলিশ অফিসার জিতেন্দ্র ভালোবেসে বিয়ে করেন শ্রীদেবীকে। বিয়ের কিছুদিন পরে তাদের কোল জুড়ে আসে এক সন্তান। সুখী পরিবার। গুন্ডারা কেউই বাবার হাত থেকে নিস্তার পায়না। একের পর স্মাগলারদের ধরে ধরে আন্ডারওয়ার্ল্ডের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছিলেন জিতেন্দ্র। আর এতে ক্ষেপে ওঠে পুরো গুন্ডা সমাজ। কী করে আটকানো যায় এই পুলিশকে! মিটিং-সিটিং করে দারুন একটা বুদ্ধি বের করে গুন্ডাদের সিন্ডিকেট। তারা আলোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, অপ্রতিরোধ্য ও আইনের প্রতি কঠোর এই পুলিশ অফিসারের সবচেয়ে দুর্বল জায়গা হচ্ছে তার স্ত্রী ও আদরের সন্তান।

কাজে লেগে যায় আইডিয়াটা। একদিন ধরে আনা হয় পুলিশ অফিসারের স্ত্রী আর সন্তানকে। তাদের রেললাইনের সাথে শক্ত করে বেঁধে রাখে গুন্ডারা। কিছুক্ষণের মধ্যে দ্রুতগামী একটি এক্সপ্রেস ট্রেন এসে খণ্ড-বিখণ্ড করে দিয়ে যায় পুলিশ অফিসারের স্ত্রীকে। আমার ঠিকমতো মনে নেই ওই গল্পটিতে শিশুটিকে বাঁচানো গিয়েছিল কি না। গল্পের নায়ক জিতেন্দ্র স্ত্রীকে হারিয়ে শপথ নেন খুনীদের বের করে এক এক করে হত্যা করবেন। গল্প এগিয়ে যায়। সব গুন্ডা ধরা পড়ে। এক এক করে তাদের হত্যা করেন গল্পের নায়ক। সর্বশেষে আইনের হাতে নিজেকে সোপর্দ করেন। গল্প শেষ। আমি সিনেমাটি সেসময় কয়েকবার দেখেছিলাম। নায়কের অ্যাকশনগুলো খুব ভালো লাগতো।

দুই ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনো করেছিলাম। গল্প, উপন্যাস পড়েছি অনেক। এক সময় অনেক সিনেমা দেখেছি – হলিউড, বলিউড কিংবা টালিউড; আবার ঢালিউড, জার্মান কিংবা ফরাসি সিনেমাও দেখেছি। কিছু কিছু ইরানী ও রুশ সিনেমাও দেখা হয়েছে। বাস্তব ঘটনার উপরে ভিত্তি করে নির্মিত অনেক সিনেমা দেখেছি।

দিন দুই আগে আমাদের দেশে একটি ঘটনা ঘটে গেল সিনেমার কাহিনীর মতোই। সিনেমার মতো এই গল্পের নায়ক বাংলাদেশ পুলিশের এসপি বাবুল আক্তার। চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন কাজ করা এই অফিসার ঠিক বোম্বের ‘বলিদান’ সিনেমার নায়ক জিতেন্দ্র’র মতো। তিনি কতজন দাগী অপরাধীকে পাকড়াও করেছেন জানিনা, তবে দেশের অনেক দূর্ধর্ষ জঙ্গিকে ধরে ধরে আইনের হাতে তুলে দিয়েছেন যা পেপার-পত্রিকায় এসেছে। চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন চাকরি করা এই অফিসার সেখানকার আইন-শৃংখলা ঠিক রাখতে দিন-রাত কাজ করেছেন। জিতেন্দ্র’র মতো তারও স্ত্রী ‘ছিলেন’ – তার নাম মাহমুদা খাতুন। আর আছে দুই সন্তান। বড় সন্তানটির নাম মাহির। কতই বা বয়স হবে – সাত কিংবা আট। মাহির চট্টগ্রামের এক স্কুলে সেকেন্ড স্ট্যান্ডার্ডে পড়ছে। আর ছোট মেয়েটির বয়স মাত্র চার। স্কুলে যাওয়া শুরু হয়নি। বাবুল আক্তার ঢাকায় বদলী হয়ে গত বৃহস্পতিবার এসেছেন। সন্তানের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটবে ভেবে হয়ত তাদের চট্টগ্রামেই রেখে এসেছিলেন।

অন্য আর দশটা দিনের মতো বাবুলের স্ত্রী বড় ছেলে মাহিরকে নিয়ে স্কুলে যাচ্ছিলেন সেই দিন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় ছিলেন ছেলের স্কুলের গাড়ির জন্যে। এমন সময় মাহিরের জীবনে ঘটে গেল ভয়াবহ এক ঘটনা। মোটরসাইকেলে তিনজন গুন্ডা আচমকা এসে মা’কে এলোপাতারি চাকু দিয়ে আঘাত করলো। মাটিয়ে লুটিয়ে পড়লেন মা, রক্তে ভেসে গেলেন। এরপর মোরসাইকেলের ওই গুন্ডারা মায়ের কপালের পাশে একটি গুলি করলো। তারপর আর নেই।

পুরো ঘটনা ঘটতে সময় লাগলো মাত্র ৪০ – ৫০ সেকেন্ড। হতবিহ্বল মাহির সিনেমার গল্পের মতো এই ঘটনা তার চোখের সামনে দেখলো। রাস্তায় দাঁড়িয়ে হয়ত আরো অনেক মানুষও দেখেছেন। এটি সিনেমা হলে হয়ত কোনোভাবে মাহিরের মা বেঁচে যেতে পারতেন কারণ আজকালকার সিনেমায় বিয়োগান্তক কিছু দেখানো হয় না। এখনকার সিনেমায় নায়ক কিংবা নায়িকা মারাও যায় না। কিন্তু সিনেমার মতো ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী আর বাঁচেননি। তিনি সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হন। দেশের মানুষ যাতে ভালো থাকে, নিরাপদে থাকে, সেজন্য বারবার জীবন বাজি রাখা বাবুল আক্তার আজ কতটা অসহায়। স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার নাকি বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। বিভিন্ন খবরের কাগজ আর অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো এই খবরগুলো গুরুত্ব দিয়ে ছেপে যাচ্ছে দু’দিন ধরে।

বাবুল আক্তারের স্ত্রীর বয়স ছিল মাত্র ৩২ বছর। জীবনে কত কিছুই না দেখার বাকি ছিল বাবুল আক্তারের স্ত্রীর। হলো না, বাবুল আক্তারের গর্বিত স্ত্রী মাহমুদা খানমের জীবনের গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে গেল। আর এদিকে মাহির আর ছোট্ট তাবাসসুমের কী হবে? যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন মাহির কি তার বাবাকে ভালোবাসতে পারবে? বাবার দু:সাহসিকতা আর কর্তব্যপরায়নতার জন্যই তো আজ তার মা’কে এভাবে মরে যেতে হলো। মাহির তার বোন তাবাসসুম’কে কী বলবে? ছোট বোনের কাছে তার বাবা আর বড় ভাই তো সব সময় থাকে হিরোর মতো। তাবাসসুমের হিরো তার বাবা বাবুল আক্তার কেনো পারলো না গুন্ডাদের হাত থেকে মা’কে বাঁচাতে? এতই যখন শক্তিশালী পুলিশ অফিসার, তাহলে কেন বাবা সুপারম্যানের মতো উড়ে এসে মা’কে বাঁচাতে পারলো না? এসপি বাবুল আক্তার এখন তাবাসসুমকে কী করে বোঝাবে? তাবাসসুম একদিন বড় হবে, জানতে চাইবে তার মাকে কী করে গুন্ডারা মেরে ফেললো। কেনো অন্য পুলিশ আংকেলরা গুন্ডাদের ধরতে পারলো না! জানিনা এসব প্রশ্নের উত্তরে এসপি বাবুল আক্তার, মাহির ও তাবাসসুমকে কী বলবেন!

তিন।

অনেকদিন ধরেই দেশের শাসনভার এই দেশটির সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দলটির হাতে। এই দেশটি পাকিস্তানের কাছ থেকে ছিনিয়ে এনে নতুন একটি দেশ গড়তে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছিল পুরোনো এই রাজনৈতিক দলটি। এদের কাছে দেশের মানুষের চাইবার অনেক কিছু রয়েছে। সবচেয়ে বড় যে চাওয়া তা হচ্ছে সমৃদ্ধি। এই সমৃদ্ধি কেবল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নয়। এই সমৃদ্ধি প্রগতির, মুক্ত চিন্তার, প্রাণ খুলে হাসার আর গান গাইবার-এই সমৃদ্ধি একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মানের। দেশের মানুষগুলো খুব ভালোবেসে এই দলটিকে দেশ শাসনের ক্ষমতা দিয়েছে। এই দলটি সভা, সমিতি, মিটিং, মিছিল, কাগজ, কলম, চাল-চলন, চিন্তা-ভাবনায় বলেন – ‘আমরা দেশের জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছি। আমরা প্রগতির কথা বলি, উদার রাজনৈতিক সংস্কৃতির কথা বলি’। অথচ আশ্চর্য্যরে বিষয়, এই সরকারের আমলে ‘মুক্ত চিন্তা’র মানুষ (তথাকথিত) বা ‘ব্লগার’, বাংলাদেশে কাজ করতে আসা বেশ কয়েকজন বিদেশী এবং বেশ কিছু সংখ্যালঘু (আমার আপত্তি আছে এই শব্দটি নিয়ে) সম্প্রদায়ের মানুষ খুন হয়েছেন একের পর এক। আমাদের পুলিশ মন্ত্রী প্রত্যেকটা হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ‘মৌখিক তদন্ত প্রতিবেদন’ তুলে ধরেন। মনে হয়ে দেশের সব ধরনের আইন-শৃংখলা বিষয়ক ঘটনার তথ্য সরকারের কাছে আগে থেকেই বা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই এসে যায়। মনে হয় আমাদের সরকার অপরাধীদের ধরতে খুব পটু। অথচ দিনের পর দিন চলে যায় সাগর-রুনীর হত্যাকারীদের খুঁজে পাওয়া যায় না। অভিজিৎ কিংবা অন্যান্য ব্লগারদের হত্যাকারীরা থেকে যায় ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। কী আশ্চর্য্য! এ আমরা কোথায় আছি? কোন হিরক রাজার দেশে? ‘জনগণের বিপুল সমর্থন’ নিয়ে ক্ষমতায় আসা এই সরকারের কথায় কেন আস্থা রাখতে পারছি না আমরা ? এটি কী আমাদের ব্যর্থতা? আমরা কী তবে ভুল মানুষকে মসনদে পাঠালাম? একদিকে সরকার বলছে এই ধরনের হত্যাকাণ্ড উগ্রপন্থীদের কাজ, পুলিশের মনোবল দুর্বল করতে এই খুন করা হয়েছে, আবার বলছে দেশে কোনো ইসলামিক জঙ্গি (আইএস, হরকাতুল জিহাদ এবং অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠি) নেই। একদিকে সরকার জঙ্গিবাদের ব্যাপারে জিরো ট্রলারেন্সের কথা বলছে অন্যদিকে দেশে তথাকথিত অনেক ব্লগার, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ( যারা ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী নন তারাই অবিশ্বাসী হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছেন) একের পর এক খুন হচ্ছে। কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী রীতিমতো হিটলিস্ট প্রকাশ করছে , যেমন কাকে, কখন, কিভাবে ধোলাই করা হবে। এমনকি মুক্তমনাদের লেখা বই ছাপিয়েও অনেকে খুন বা আক্রান্ত হচ্ছেন ইসলামে বিশ্বাসী অনেক ধর্মীয় ভাইদের হাতে। বিচার তো দুরের কথা, বলার মতো কেউ ধরাই পড়ছে না ঘটনার পরে। ভয়ের বিষয় হচ্ছে হত্যাকাণ্ডগুলো বন্ধ করা হচ্ছে না। আমি কোনোভাবেই হিসেব মেলাতে পারি না। অবশ্য আমার হিসাব মেলাতে পারার কথাও না। আমি বরাবরই গণিতে খুব কাঁচা।

১৯৯৪ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে প্রাক-নির্বাচনীতে অংকে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে ০৪ পেয়েছিলাম। অতএব গণিতের হিসাব মেলানোর মতো দুঃসাহস বা ইচ্ছে আমার নেই। কিন্তু সরকারের লোকজনও কি আমার মতো অংকে কাঁচা? কোনো হিসেবই তো মিলছে না। কেবল এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ আর রাস্তাঘাটে এক সিনিয়র মন্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের অভিযান (?) । কেউ উল্টাপাল্টা গাড়ি চালালেই শেষ, একবারে মন্ত্রীর হাতে ধরা। এক্কেবারে সাইজ।

চার।

বাবুল আক্তার ভাই, আপনার জীবনের বলিদান তো হয়ে গেলো। জীবনকে বাজি রেখেছেন সেই দিন, যেদিন পুলিশে যোগ দিয়েছিলেন। অভিযান করেছেন শত শত যাতে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে। আমরা শান্তিতেই আছি । কিন্তু মাহির আর তাবাসসুমের কী হবে? মাহির এখন কার সঙ্গে স্কুলে যাবে। আপনি তো আছেন চোর-গুন্ডা আর জঙ্গিদের নিয়ে। দিন নেই, রাত নেই, আছেন তো শুধু রেডিও সেটের বিরক্তিকর কথোপকথন, ইউনিফর্ম, অস্ত্র আর অপরাধীদের ধরার অভিযান নিয়ে। মাহিরের কাছে কে থাকবে এখন? স্কুল থেকে আসার পথে মাহিরের হয়ত একটু আইসক্রিম বা চিপস খেতে ইচ্ছে হয়। মা-ই তো এসব কিনে দিতো। আপনি তো ব্যস্ত থাকেন, আপনার দেহরক্ষী আছে, আপনার কোমরে অস্ত্র থাকে। আপনার মারামারি করার ট্রেনিং আছে। কিন্তু তাবাসসুমের মায়ে’র তো এসব কিছু ছিল না। সে তো কখনও জঙ্গিদের সাথে ফাইট করেননি। গুন্ডাদের সাথে তার তো কোনো শত্রুতা নেই। মাহির বা তাবাসসুম তো কখনও কোনো ভুল করেনি আপনার সন্তান হয়ে। মাহমুদা দু’টি সন্তানকে মানুষ করার জন্যে দিন-রাত খেটেছেন। বড় পুলিশ অফিসারের বউ হয়েও পুলিশের কোনো বিশেষ নিরাপত্তা নেননি। অন্যান্য বড় অফিসারদের বউদের মতো সরকারী গাড়িতে ছেলেকে স্কুলে আনা-নেয়া করেননি। রাষ্ট্র আপনাকে এখন হয়ত অনেক বড় বড় কথা বলবে। সংবাদপত্রে আপনাকে নিয়ে অনেক লেখা বোরোবে। ‘অন্যায়ের সাথে আপোষহীন এক পুলিশ অফিসার বাবুল আক্তার’। আপনার স্ত্রী সিনেমার গল্পের মতো দিন-দুপুরে রাস্তায় অনেক মানুষের সামনে গুন্ডাদের গুলিতে মরে পড়ে রইলো। আপনি, আমি কিংবা আমাদের এই সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশের কেউ তাকে বাঁচাতে পারলাম না। আমরা মাহির আর তাবাসসুমকে কী বলবো? আজ এমনভাবে মা’কে হারিয়ে মাহির বা তাবাসসুম বাবার এই গৌরবমাখা পেশাগত জীবনকে কতটুকু শ্রদ্ধা করতে পারবে? পারবে কি তারা আমাদের প্রতি আস্থা রাখতে? অবশ্য সরকার কী, আর জঙ্গি কী, সেটা ওরা বোঝেনা। আজ থেকে মা আর ওদের কাছে আসবে না এটাই সত্যি। আজকের পর থেকে দুপুরে অথবা রাতে কিংবা সকালে ঘুম থেকে উঠে মায়ের হাতে আর খাওয়া হবে না। রাতে ঘুমুতে যাওয়ার সময় মায়ের মুখে গল্প শোনা বা গুনগুনিয়ে গান শোনা হবে না…

বাবা মাহির আর তাবাসসুম, জানি তোদের আজ অনেক কষ্ট, ঠিকমতো কথা বলতে শেখার আগেই তোরা মায়ের রক্তাক্ত লাশ দেখেছিস। তোদের কী করে স্বান্তনা দেবো জানি না। আমরা সবাই আজ তোদের ভাই বোনের কাছে অপরাধী। এই বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ তোদের দুই-ভাইবোনের কাছে অপরাধী হয়ে রইলাম। আমরা পারিনি একজন দেশপ্রেমিক মানুষের পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে। আমাদের ক্ষমা করিস প্রিয় মাহির আর ছোট্ট তাবাসসুম।

Zobaidur Rahman Soebলেখক: জোবায়দুর রহমান সোয়েব, কমিউনিকেশন স্পেশালিস্ট


সর্বশেষ

আরও খবর

সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস, সংবিধান এবং আশাজাগানিয়া মুরাদ হাসান

সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস, সংবিধান এবং আশাজাগানিয়া মুরাদ হাসান


গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ হিসাবে গণমাধ্যম ধারালো হাতিয়ার

গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ হিসাবে গণমাধ্যম ধারালো হাতিয়ার


মহামারী, পাকস্থলির লকডাউন ও সহমতযন্ত্রের নরভোজ

মহামারী, পাকস্থলির লকডাউন ও সহমতযন্ত্রের নরভোজ


ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করুন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করুন


নাচ ধারাপাত নাচ!

নাচ ধারাপাত নাচ!


মাতৃভাষা বাংলা’র প্রথম লড়াই ১৮৩৫ সালে হলেও নেই ইতিহাসে!

মাতৃভাষা বাংলা’র প্রথম লড়াই ১৮৩৫ সালে হলেও নেই ইতিহাসে!


তারুণ্যের ইচ্ছার স্বাধীনতা কোথায়!

তারুণ্যের ইচ্ছার স্বাধীনতা কোথায়!


সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?

সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?


যুদ্ধ এবং প্রার্থনায় যে এসেছিলো সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই আমাদের স্বাধীনতা থাকবে

যুদ্ধ এবং প্রার্থনায় যে এসেছিলো সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই আমাদের স্বাধীনতা থাকবে


বঙ্গবন্ধু কেন টার্গেট ?

বঙ্গবন্ধু কেন টার্গেট ?