Tuesday, July 21st, 2020
গাইবান্ধায় এখনও পানিবন্দি ১ লাখ ২২ হাজার মানুষ
July 21st, 2020 at 2:53 pm
গত ২৪ ঘণ্টায় গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদের পানিও আরও ১০ সেন্টিমিটার করে কমেছে
গাইবান্ধায় এখনও পানিবন্দি ১ লাখ ২২ হাজার মানুষ

নিজস্ব প্রতিনিধি,

ঢাকাঃ ব্রহ্মপুত্র নদ ও ঘাঘট নদের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

প্লাবিত হয়ে আছে নদের তীরবর্তী গাইবান্ধার চারটি উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নের প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দী।

গত ২৪ ঘণ্টায় গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদের পানিও আরও ১০ সেন্টিমিটার করে কমেছে। পানি কমলেও মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়িঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদের পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে ভোর ছয়টায় করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার এবং তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যায় গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের মধ্য উড়িয়া গ্রাম প্লাবিত হয়েছে

মঙ্গলবার সকালে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, জেলার সব কটি নদীর পানি কমে যাচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

এদিকে বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিনে নদীভাঙনে ফুলছড়ি উপজেলার চর কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝানঝাইড় কমিউনিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম কালাসোনা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়য়ের স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিদ্যালয় চারটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে ফুলছড়ি উপজেলার জিগাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চৌমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

পাউবোর গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরিভাবে বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘরে এখনো হাঁটু থেকে কোমরপানি থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করছে সেখানকার বাসিন্দারা। বন্যার পানি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ও ফজলুপুর ইউনিয়নের চরগুলোর পানিবন্দী মানুষেরা চরম দুর্ভোগে রয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকাগুলোর অগভীর নলকূপ ডুবে গেছে। এতে এ এলাকাগুলোতে বিশুদ্ধ পানির সংকট চলছে। এ কারণে অনেক এলাকায় পেটের পীড়া ও আমাশয় দেখা দিয়েছে। অনেকের হাতে ও পায়ে চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধার সিভিল সার্জন এ বি এম আবু হানিফ জানান, বন্যা-পরবর্তী রোগব্যাধি নিয়ন্ত্রণে জেলার বন্যাদুর্গত এলাকায় ৬১টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। কোনো সমস্যা হবে না।


সর্বশেষ

আরও খবর

সাম্প্রদায়িক নৈরাজ্যে আক্রান্ত ২৩ জেলা

সাম্প্রদায়িক নৈরাজ্যে আক্রান্ত ২৩ জেলা


ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ

ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ


ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু


পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড


মিরপুরে খালে পড়ে নিখোঁজ ব্যক্তিকে ৬ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার

মিরপুরে খালে পড়ে নিখোঁজ ব্যক্তিকে ৬ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার


কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী


ফেসবুকে কিডনি বেচাকেনা, চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

ফেসবুকে কিডনি বেচাকেনা, চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার


সেই ভুয়া অতিরিক্ত সচিবের বিরুদ্ধে মামলা করবেন মুসা বিন শমসের

সেই ভুয়া অতিরিক্ত সচিবের বিরুদ্ধে মামলা করবেন মুসা বিন শমসের


হাসপাতালে ভর্তি হলেন খালেদা জিয়া

হাসপাতালে ভর্তি হলেন খালেদা জিয়া


শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক

শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক