Tuesday, July 23rd, 2019
জি এম কাদেরকে চেয়ারম্যান মানেন না রওশন এরশাদ
July 23rd, 2019 at 11:06 am
জি এম কাদেরকে চেয়ারম্যান মানেন না রওশন এরশাদ

ঢাকা: জিএম কাদেরকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে মানেন না দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ। সোমবার দিবাগত রাতে রওশনসহ জাপার নয়জন নেতার নামে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জিএম কাদের দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকবেন। সম্প্রতি জিএম কাদের নিজেকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন, তা আদৌ দলের যথাযথ ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।

বিবৃতিতে রওশনের স্বাক্ষর থাকলেও বাকিদের নামের পাশে স্বাক্ষর নেই। অন্য যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, দেলোয়ার হোসেন খান, ফখরুল ইমাম, সেলিম ওসমান, লিয়াকত হোসেন খোকা, রওশন আরা মান্নান, রত্না আমিন হাওলাদার, মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী ও মীর আবদুস সবুর আসুদ।

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৪ জুলাই মারা যান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এর আগে গত জুনে শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরকে  দায়িত্বভার অর্পন করেন তিনি। বিষয়টি তাৎক্ষণিক মেনে নিলেও এরশাদের মৃত্যুর চার দিনের মাথায় গত ১৮ জুলাই জাতীয় পার্টির মহাসচিব জি এম কাদেরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে চেয়ারম্যান হিসেবে গণমাধ্যমের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন। আর এর পাঁচ দিন পরেই তাকে চেয়ারম্যান পদে মানতে আপত্তি জানালেন রওশন এরশাদ ও তার অনুসারীরা।

এরও আগে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া-না নেওয়া নিয়ে রওশন ও জি এম কাদেরের পারস্পরিক মত পার্থক্য ভীষণ দোটানায় ফেলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদকে। সরকারি দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে মধ্যস্থতা করে তাদের সঙ্গে জোট গড়ার লবি করেন রওশন এরশাদ। এরশাদ তার চাপে মহাজোটে থাকার ঘোষণা দেন। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের মন্ত্রী থাকার পরেও বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় জাতীয় পার্টিকেও নির্বাচনের বাইরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালান জি এম কাদের ও তার অনুসারীরা। ফলে দোটানায় পড়ে এরশাদ একবার নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দেন, আবার পর মুহূর্তে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাজনৈতিক তামাশার সৃষ্টি করেন। এ অবস্থায় ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি থাকতে হয় তাকে। নির্বাচনে না গিয়ে টানা পাঁচ বছর সংসদের বাইরে ছিলেন জি এম কাদের। আর সংসদে বিরাধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেন রওশন এরশাদ। আর হাসপাতালের শয্যায় থেকেও নির্বাচিত হয়ে পাঁচ বছর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ছিলেন এরশাদ।

গ্রন্থনা ও সম্পাদনা: এম কে আর


সর্বশেষ

আরও খবর

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড


মিরপুরে খালে পড়ে নিখোঁজ ব্যক্তিকে ৬ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার

মিরপুরে খালে পড়ে নিখোঁজ ব্যক্তিকে ৬ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার


কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী


ফেসবুকে কিডনি বেচাকেনা, চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

ফেসবুকে কিডনি বেচাকেনা, চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার


সেই ভুয়া অতিরিক্ত সচিবের বিরুদ্ধে মামলা করবেন মুসা বিন শমসের

সেই ভুয়া অতিরিক্ত সচিবের বিরুদ্ধে মামলা করবেন মুসা বিন শমসের


হাসপাতালে ভর্তি হলেন খালেদা জিয়া

হাসপাতালে ভর্তি হলেন খালেদা জিয়া


শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক

শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক


কিউকমের প্রতারণায় গ্রেপ্তার আরজে নীরব ১ দিনের রিমান্ডে

কিউকমের প্রতারণায় গ্রেপ্তার আরজে নীরব ১ দিনের রিমান্ডে


আফগানিস্তানে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে আহত শতাধিক

আফগানিস্তানে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে আহত শতাধিক


পাকিস্তানে ভূমিকম্পে কমপক্ষে ২০ জন নিহত

পাকিস্তানে ভূমিকম্পে কমপক্ষে ২০ জন নিহত