Wednesday, October 26th, 2016
জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি’র ‘না’
October 26th, 2016 at 10:43 pm
জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি’র ‘না’

ঢাকা: ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। ‘গত কয়েক বছরে দেশে কোন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি, তাই নির্বাচন অর্থহীন’ এই ঊপলব্ধি থেকেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না দলটি।

স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এই নির্বাচনে ভোটার। আর তাদের ভোটেই আওয়ামী লীগ মনোনীতরাই নির্বাচিত হবেন। সেক্ষেত্রে  নির্দলীয় বা দলীয় ভিত্তিতেই নির্বাচন হোক না কেন?  

দলের সিনিয়র এক নেতা স্পষ্ট করেই বলেছেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না। অংশ নেয়ার কোন কারণও নেই।’

বিদ্যমান আইনের ১৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক জেলার অন্তর্ভুক্ত সিটি করপোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র ও সব কমিশনার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান,  পৌরসভার চেয়ারম্যান ও সব কমিশনার এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সব সদস্যের সমন্বয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচকমন্ডলী গঠিত হবে।’

আইনুযায়ী,  যে কোনো নাগরিক জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারলেও ভোট দিতে পারবেন না। আর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ভোটার হলেও প্রার্থী হতে পারবেন না। জানা গেছে, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের প্রায় ৬৭ হাজার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এই নির্বাচনে ভোট দেবেন। আইন অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ ও পাঁচ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হবেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে কয়েক মাস ধরে তোড়জোড় শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। আসছে ডিসেম্বরের মধ্যেই এ নির্বাচন চায় ক্ষমতাসীন দল। তবে এ নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে তা নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। বিদ্যমান আইনের আলোকে নির্বাচনটি নির্বাচকমন্ডলীর (ইলেক্টোরাল কলেজ পদ্ধতিতে) মাধ্যমে অনুষ্ঠানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলেও স্থানীয় সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো আইন সংশোধন করে দলীয় ভিত্তিতে হবে নাকি বিদ্যমান জেলা পরিষদের আইন অনুযায়ী নির্দলীয়ভাবে হবে, সে বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে।

বিএনপি মনে করছে, ২০১৪ সালের পর স্থানীয় সরকারের কোন স্তরেই সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। সব যায়গায় ভোট ডাকাতির মাধ্যমে দলের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করেছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচন ব্যবস্থাকে আওয়ামী লীগ ধ্বংস করে ফেলেছে। এমনকি স্বৈরাচার এরশাদের সময়ও নির্বাচন ব্যবস্থা এতটা ভেঙ্গে পড়েনি। এই অবস্থায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন হাস্যকর। বিএনপি মূলত: দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন আশা করছে এবং সেই লক্ষ্যে প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘বিএনপি জেলা পরিষদ নির্বাচন চায় না, বিএনপি চায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন। এসব নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার আসলে কালক্ষেপন করছে। জনগনের মূল দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর চেষ্টা করছে।’

প্রতিবেদন: খান, সম্পাদনা: সজিব ঘোষ


সর্বশেষ

আরও খবর

করোনায় দেশে একদিনে শতাধিক মৃত্যুর রেকর্ড

করোনায় দেশে একদিনে শতাধিক মৃত্যুর রেকর্ড


প্রধানমন্ত্রীপরিচয়ে তাজউদ্দীন ইন্দিরার সমর্থন আদায় করেন যেভাবে!

প্রধানমন্ত্রীপরিচয়ে তাজউদ্দীন ইন্দিরার সমর্থন আদায় করেন যেভাবে!


জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হলেই জরিমানা

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হলেই জরিমানা


লকডাউনের নামে সরকার ক্র্যাকডাউন চালাচ্ছে: ফখরুল

লকডাউনের নামে সরকার ক্র্যাকডাউন চালাচ্ছে: ফখরুল


আসামে বন্দী রোহিঙ্গা কিশোরীকে কক্সবাজারে চায় পরিবার

আসামে বন্দী রোহিঙ্গা কিশোরীকে কক্সবাজারে চায় পরিবার


ছয় দিনে নির্যাতিত অর্ধশত সাংবাদিক: মামলা নেই, কাটেনি আতঙ্ক

ছয় দিনে নির্যাতিত অর্ধশত সাংবাদিক: মামলা নেই, কাটেনি আতঙ্ক


ঢাকা-দিল্লি ৫ সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা-দিল্লি ৫ সমঝোতা স্মারক সই


নাশকতা ঠেকাতে র‍্যাব-পুলিশের কঠোর অবস্থান

নাশকতা ঠেকাতে র‍্যাব-পুলিশের কঠোর অবস্থান


ঈদের পর স্কুল-কলেজ খোলার ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

ঈদের পর স্কুল-কলেজ খোলার ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর


শবে বরাতের ছুটি ৩০ মার্চ

শবে বরাতের ছুটি ৩০ মার্চ