Saturday, September 10th, 2016
টঙ্গী ট্রাজেডি: দায় কার?
September 10th, 2016 at 8:42 pm
টঙ্গী ট্রাজেডি: দায় কার?

সানাউল কবির সিদ্দিকী, ঢাকা:

এই রিপোর্টের শুরুতেই চলুন চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক বিগত তিন বছরে বাংলাদেশে সংগঠিত বয়লার বিস্ফোরণ সংক্রান্ত খবরের শিরোনামে।

ঠাকুরগাঁওয়ে বয়লার বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত, আহত: ৩ (২৯ অক্টোবর, ২০১৩)

সোনারগাঁওয়ে বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৮ (০৩ জুন, ২০১৫)

ভাঙ্গুড়ায় রাইস মিলের বয়লার বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২ (২২ অক্টোবর, ২০১৫)

কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ, দেয়াল ধসে আহত ৪ (১৯ ডিসেম্বর, ২০১৫)

গাজীপুরে কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ, নিহত ৫ (২৩ জানুয়ারি,  ২০১৬)

ওয়ার্কশপে বয়লার বিস্ফোরণে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু (০৩ এপ্রিল, ২০১৬)

চালকলে মানহীন বয়লার প্রাণ যাচ্ছে শ্রমিকের (এপ্রিল ১৯, ২০১৬)

নওগাঁয় বয়লার বিস্ফোরণ, দুই শ্রমিক নিহত (১৬ জুলাই, ২০১৬)

লালমনিরহাটে বয়লার বিস্ফোরণ, নারীসহ ৬ শ্রমিক দগ্ধ (১৮ আগস্ট, ২০১৬)

নেত্রকোনায় চালকলে বয়লার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩  (২১ আগস্ট, ২০১৬)

এ সবই বিগত দুই বা তিন বছরের গণমাধ্যম ঘেঁটে বের করা বয়লার বিস্ফোরণের সংবাদ। একজন, দুইজন বা তিনজন সস্তা দরের শ্রমিকের মৃত্যুবরণ এতদিন পর্যন্ত নড়াতে পারেনি কারো টনক। তবে এই দফা, টঙ্গী ট্র্যাজেডি’র পর কর্তৃপক্ষের টনক না নড়লেও আপামর কৌতুহলী জনতার টনক নিশ্চই নড়েছে, অন্তত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ঢুঁ মেরে তাই মনে হচ্ছে।

‘উত্তপ্ত পানি জলীয় বাষ্পে রূপান্তরিত হয়ে পরিচালিত করে ইঞ্জিন, আর ইঞ্জিনের যে অংশে পানিকে উত্তপ্ত করে বাষ্প তৈরি করা হয়, তাকে বলা হয় বয়লার।’

বয়লার ভিত্তিক শিল্প কারখানায় বয়লার একটি প্রধান যন্ত্র বা প্রাণ স্বরূপ। বড়, মাঝারি বা ছোট— প্রায় সব কারখানাতেই বয়লার থাকা আবশ্যক। তাপ-বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কেমিক্যাল কোম্পানি, সার কারখানা, কাগজকল, চিনিকল, ঔষধ প্রস্তুত কারখানা, জুটমিল, কটন মিলস, টেক্সটাইল মিল, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী ছাড়াও পাঁচ ও তিন তারকা হোটেল, পোলট্রি ফার্ম, ফিডমিল, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড), প্রিন্টিং ও প্যাকেজিং এবং অটো রাইস মিলে বয়লার থাকা আবশ্যক।

কৌতুহলী পাঠকের জেনে রাখা ভালো, বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়’ নামক একটি কারিগরী দপ্তর আছে, প্রধান বয়লার পরিদর্শক এই অধিদপ্তর পরিচালনা করেন। বয়লারের নিবন্ধন দেওয়ার পাশাপাশি শিল্প কারখানার বয়লারের নিরাপদ চালনা ও সংশ্লিষ্ট জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত:করণ এই অধিদপ্তরের কাজ।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বয়লার নিবন্ধন জনিত কার্যালয় থাকবে কিন্তু বয়লার চালনার ব্যাপারে দেশের আইনে কোন বিধি-নিষেধ থাকবে না, তা তো হয় না। তাই, ১৯২৩ সালের সেই পুরোনো আইন দিয়ে চালানো হচ্ছে বয়লার খাত। বয়লার আইনের পর ‘বয়লার রেগুলেশন’ তৈরি হয় ১৯৫১ সালে (সংশোধিত ২০০৭)। এরপর ১৯৫৩ সালের বয়লার অ্যাটেনডেন্টস রুলস (সংশোধিত ১৯৮৬), ১৯৬১ সালের বয়লার রুলস; তারপর থেকে সেই অনুযায়ী চলছে বাংলাদেশের বয়লার খাত।

টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীর ট্যাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় ভয়াবহ আগুন। নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’র ফটো সাংবাদিক জীবন আহাম্মেদের তোলা ছবি।

টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীর ট্যাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় ভয়াবহ আগুন। নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’র ফটো সাংবাদিক জীবন আহাম্মেদের তোলা ছবি।

বয়লার চালানোর দায়িত্বে যিনি থাকেন তাকে বয়লার অ্যাটেনডেন্ট বা বয়লার পরিচালক বলা হয়। সম্পূর্ণ বিজ্ঞাণ সম্পৃক্ত কারিগরী কাজ হলেও আইন অনুযায়ী তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা মোটেও বাধ্যতামূলক নয়। বুয়েটের সহযোগিতায় প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয় প্রতিবছরই একটি পরীক্ষা নিয়ে থাকে। তাতে বছরে ৭০০-৮০০ জন পরিচালক এ সনদ নেন।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, দেশের শিল্প কারখানাগুলোতে ব্যবহৃত বিপুল সংখ্যক বয়লারের বিপরীতে সমগ্র দেশে মাত্র ছয় জন পরিদর্শক রয়েছেন। এরা হচ্ছেন— মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান (প্রধান বয়লার পরিদর্শক), মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম (উপ-প্রধান বয়লার পরিদর্শক, রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়), মোঃ জিয়াউল হক (উপ-প্রধান বয়লার পরিদর্শক, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়), মোঃ শরাফত আলী (বয়লার পরিদর্শক, ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়), মোঃ হুমায়ুন কবীর (বয়লার পরিদর্শক, ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়) এবং নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা যার নাম এখনো জানা যায়নি।

দেশের মাটিতে অযত্নে প্রস্তুতকৃত অসংখ্য ত্রুটিপূর্ণ বয়লার, অগণিত নিবন্ধন বিহীন বয়লার এবং অশিক্ষিত-অনভিজ্ঞ বয়লার অ্যাটেনডেন্টদের জন্য এই ছয় জন পরিদর্শকসহ অধিদপ্তরের মোট ৩২ জন কর্মকর্তা কর্মচারী কি যথেষ্ট?

নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’র এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের বয়লার পরিদর্শক মোঃ শরাফত আলী প্রথমেই ‘অনেক পুরনো আইন’র জটিলতা সংক্রান্ত অভিযোগ উত্তোলন করেন, যার জন্য বয়লার পরিচালক পদে নিয়োগ দিতে হচ্ছে অপারদর্শী লোকজনকে। সমগ্র দেশের জন্য নিজেদের যথেষ্ট মনে করেন না জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন সরকারের কাছে অধিদপ্তর ‘অনেক বড়’ করার উত্থাপিত প্রস্তাবনা’র কথা। তিনি বলেন, ‘জনবল সংকট আছে অবশ্যই, কিন্তু আমরা আমাদের ডিপার্টমেন্ট বড় করতে চাচ্ছি। সরকারের কাছে অলরেডি প্রস্তাবনা দেয়াও হয়ে গেছে। খুব শীঘ্রই আপনারা জানতে পারবেন এ ব্যাপারে।’

টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীর ট্যাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় ভয়াবহ আগুন। নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’র ফটো সাংবাদিক জীবন আহাম্মেদের তোলা ছবি।

টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীর ট্যাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় ভয়াবহ আগুন। নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’র ফটো সাংবাদিক জীবন আহাম্মেদের তোলা ছবি।

বয়লার রেগুলেশন ১৯৫১ এর ২০০৭ সালের সংশোধনের পর আসলে কতটা পরিবর্তন এসেছে এ খাতে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আপনার সাথে পরে কথা বলবো, একদিন অফিসে আসবেন।’

শনিবার ঘটে যাওয়া টঙ্গী ট্র্যাজেডি সম্পর্কে কিছু জানতে না চাওয়া সত্যেও তিনি নিজ দায়িত্বে জানান, ‘ট্যাম্পাকো কারখানায় বিস্ফোরণে বয়লারের কোন সম্পৃক্ততা নেই, এমনকি বয়লার রুম অক্ষতই আছে। তার ভাষায় ‘ঝামেলা হয়েছিল পাশের গ্যাস রেগুলেশন রুমে।’ তবে আইন সংশোধন না করলে বয়লারগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় এনে দূর্ঘটনা এড়ানো যাবে না বলে তিনি মনে করেন।’

সমগ্র ভারত উপমহাদেশে ১৯২৩ সালে সর্বপ্রথম বয়লার আইন প্রচলিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯২৪ সালে কলকাতায় বয়লার  অধিদপ্তর স্থাপিত হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর বয়লার অধিদপ্তর পূর্ব পাকিস্তানে স্থানান্তরিত হয়। তারপর ১৯৬১ সালে বয়লার অধিদপ্তর শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ শুরু করে। বর্তমান সময় পর্যন্ত বয়লার অধিদপ্তর শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

ট্যাম্পাকো গ্রুপের চেয়ারম্যান ড: সৈয়দ মকবুল হোসেনের সাথে এক কথোপকথনে জানা যায়, বয়লার যন্ত্র ত্রুটিপূর্ণ ছিল কি না বা আদৌ তা নিবন্ধিত ছিল কি না, তা গ্রুপের চেয়ারম্যানের জানা নেই। এছাড়াও গত রাতে নৈশকালীন ডিউটিতে মোট কতজন কর্মচারীর কাজ করার কথা ছিলো, সে ব্যাপারেও তিনি অজ্ঞ।

বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্থ ট্যাম্পাকো গ্রুপের সেবা নিয়ে থাকে নামী-দামী অনেকগুলো বহুজাতিক কোম্পানি; এগুলোর মধ্যে রয়েছে, ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ লিমিটেড, নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড, আবুল খায়ের গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ, প্রাণ গ্রুপ, ইস্পাহানি, কোকোলা ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, বিডি ফুডস লিমিটেড, এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড, মেরিডীয়ান ফুডস লিমিটেড, ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেড, ইউনিভার্সাল ফুডস লিমিটেড, আব্দুল মোনেম লিমিটেড, বাংলা- জার্মান ল্যাটেক্স কো. লিমিটেড, শাহ ডেইরি ফুডস লিমিটেড, মোল্লা সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ভিটাল্যাক ডেইরি এন্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রিন্স ফুডস লিমিটেড, হক বিস্কুটস এন্ড ব্রেড ফ্যাক্টরি লিমিটেড, জনতা বিস্কুটস এন্ড ব্রেড ফ্যাক্টরি লিমিটেড, এ টি এন ফুড এন্ড কনজ্যুমার প্রোডাক্টস লিমিটেড, প্রমি কনজ্যুমার্স প্রোডাক্টশ প্রাইভেট লিমিটেড, আল-কাদ ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, নিউট্রন ফুডস লিমিটেড, নূর ফুডস লিমিটেড, গ্লোব বিস্কুটস এন্ড ডেইরি মিল্ক লিমিটেড, নাবিস্কো বিস্কুট এন্ড ব্রেড ফ্যাক্টরি লিমিটেড, সিদ্দিকী ফুড এন্ড এগ্রোবেইস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আফতাব ফুডস লিমিটেড, দি লালমাই লিমিটেড, আল-আমিন সুইটস এন্ড ক্র্যাকার্স লিমিটেড।

কৌতুহলী মনে প্রশ্ন জাগে, এসব কোম্পানী থেকে কখনো কোন প্রতিনিধি কি ট্যাম্পাকো’র কারখানা পরিদর্শনে গিয়েছিল কখনো? যদি গিয়ে থাকে, তবে বেহাল দশার এমন একটি ত্রুটিপূর্ণ কারখানা প্রদত্ত সেবার ওপর তারা আস্থা রাখে কি করে?

আর যদি তারা ট্যাম্পাকো’র অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি কখনোই না দেখে থাকে, তাহলে গত রাতে যে ৭৫ জন কর্মীর নৈশকালীন কর্তব্য ছিলো কারখানায়, তাদের মৃত্যু ও ফেলে যাওয়া পরিবারের দায় কি নেবে এই গ্রুপ অফ কোম্পানিজ লিমিটেড? এসব প্রশ্ন নিছকই দু’জন ব্যক্তির আলাপচারিতা এগিয়ে নেয়ার জন্য নয়, এসব প্রশ্ন আপামর কৌতুহলী জনতার।

এ ব্যাপারে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের মিডিয়া-কমিউনিকেশন-মার্কেটিং বিভাগের ম্যানেজার কে. এম. জিয়াউল হককে প্রশ্ন করা হলে প্রথমে তিনি বুঝতেই পারছিলেন না, এখানে তাদের দায় কোথায়। সাংবাদিকতার ভাষায় ব্যাপারটি তার কাছে ব্যাখ্যা করতেই তিনি জানান কার্যালয়ের বাইরে থাকায় তিনি ব্যাপারটি সম্পর্কে অবগত নন। তার কোম্পানি ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে কি না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে আরো কয়েকদিন সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের ক্লায়েন্ট, চুক্তিবদ্ধ হওয়ার আগে নিশ্চই আমরা তাদের কারখানা পরিদর্শন করেছি।’ পরিদর্শনের সময়কাল জানতে চাইলে তিনি নির্দিষ্ট কোন দিন তারিখ বলতে পারেন নি, বলতে পারেন নি সে পরিদর্শন কত বছর আগের ঘটনা। আজ বিস্ফোরণ হওয়ার পর প্রাণ আর এফ এল গ্রুপের কেউ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলো কি না, তাও তার অজানা।

(চলবে)

সম্পাদনা: তুসা


সর্বশেষ

আরও খবর

করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, ৭৮ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত

করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, ৭৮ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত


ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী


আনিসুল হত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার গ্রেপ্তার

আনিসুল হত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার গ্রেপ্তার


পাওয়ার গ্রিডের আগুনে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট, ব্যাপক ক্ষতি

পাওয়ার গ্রিডের আগুনে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট, ব্যাপক ক্ষতি


দুইদিনের বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

দুইদিনের বিক্ষোভের ডাক বিএনপির


বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ২৮ নেতাকর্মী রিমান্ডে

বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ২৮ নেতাকর্মী রিমান্ডে


অবশেষে পাঁচ বছর পর নেপালকে হারালো বাংলাদেশ

অবশেষে পাঁচ বছর পর নেপালকে হারালো বাংলাদেশ


মাইন্ড এইড হাসপাতালে তালা, মালিক গ্রেপ্তার

মাইন্ড এইড হাসপাতালে তালা, মালিক গ্রেপ্তার


অবশেষে গ্রেফতার হলো এসআই আকবর

অবশেষে গ্রেফতার হলো এসআই আকবর