Sunday, September 18th, 2016
টঙ্গী ট্র্যাজেডি: পলাতক মকবুলের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা
September 18th, 2016 at 3:56 pm
টঙ্গী ট্র্যাজেডি: পলাতক মকবুলের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা

গাজীপুর: টঙ্গীর টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেড কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ও ধ্বসের ঘটনায় কারখানাটির মালিক বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মকবুল হোসেনসহ ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। রোববার টঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফিরোজ তালুকদার নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’কে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘শনিবার রাতে টঙ্গী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অজয় কুমার চক্রবর্তী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর একই থানায় মালিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন নিহত জুয়েলের বাবা আব্দুল কাদের। এখন পর্যন্ত ওই মামলায় কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা যায়নি।

এর আগে শনিবার গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে শ্রমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। মকবুল হোসেন এই ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না।’

তিনি বলেন, ‘কারখানা মালিক মকবুলের বিরুদ্ধে পুলিশও মামলা করবে। তাকে অবশ্যই গ্রেফতার করা হবে। এ বিষয়ে টঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ তালুকদারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা হয়েছে।’

১০ সেপ্টেম্বর কারখানাটিতে আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৪ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এখনো নিখোঁজ আছেন অন্তত ১০ জন।

টাম্পাকোতে বিস্ফোরণের পরই সৈয়দ মকবুল হোসেন গা ঢাকা দেন। সেদিন থেকে বন্ধ রয়েছে তার মোবাইল ফোনও। বহু চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তার সঙ্গে কথা বলতে না পারায় ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসনের তদন্ত বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হকসহ বেশ কয়েকজন কারখানা মালিকের দায় পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেটের গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার আসনের সাবেক এমপি মকবুল হোসেন নিজ এলাকায় লেচু মিয়া নামেই বেশি পরিচিত। সাবেক সরকারি কর্মকর্তা হলেও এরশাদ আমলে তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পান। এক পর্যায়ে ধনকুবের বলে পরিচিত হয়ে উঠেন মকবুল।

১৯৮৬ সালে মকবুল হোসেন প্রথম স্বতন্ত্র হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে এক এগারোর পর রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন মকবুল হোসেন।

এলাকায় রাজনীতি করার সময় তিনি বেশ কিছু স্কুল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি স্থানীয় মসজিদে অনুদান দিতেন। তবে রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দেয়ার পর থেকে আর এলাকায় যান না।

প্রতিবেদন: প্রতিনিধি, সম্পাদনা: প্রীতম সাহা সুদীপ, তুসা


সর্বশেষ

আরও খবর

করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, ৭৮ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত

করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, ৭৮ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত


ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী


আনিসুল হত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার গ্রেপ্তার

আনিসুল হত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার গ্রেপ্তার


পাওয়ার গ্রিডের আগুনে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট, ব্যাপক ক্ষতি

পাওয়ার গ্রিডের আগুনে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট, ব্যাপক ক্ষতি


দুইদিনের বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

দুইদিনের বিক্ষোভের ডাক বিএনপির


বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ২৮ নেতাকর্মী রিমান্ডে

বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ২৮ নেতাকর্মী রিমান্ডে


অবশেষে পাঁচ বছর পর নেপালকে হারালো বাংলাদেশ

অবশেষে পাঁচ বছর পর নেপালকে হারালো বাংলাদেশ


মাইন্ড এইড হাসপাতালে তালা, মালিক গ্রেপ্তার

মাইন্ড এইড হাসপাতালে তালা, মালিক গ্রেপ্তার


অবশেষে গ্রেফতার হলো এসআই আকবর

অবশেষে গ্রেফতার হলো এসআই আকবর