Sunday, January 1st, 2017
ট্যানারি স্থানান্তর: সময় আরো ৩ মাস
January 1st, 2017 at 9:11 pm
ট্যানারি স্থানান্তর: সময় আরো ৩ মাস

ঢাকা: হাজারিবাগের ট্যানারি শিল্প সাভারে স্থানান্তরে বিদায়ী বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিল সরকার। ব্যবসায়ীদের কাঙ্খিত সাড়া না পাওয়ায় সরকার এখন আগের সে আল্টিমেটামে দেয়া সময়সীমা পিছিয়ে নতুন ২০১৭ সালের মার্চ পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তবে ট্যানারি স্থানান্তরে সময় বেশি পেলেও ব্যবসায়ীরা হাজারিবাগে কাঁচা চামড়া প্রবেশের সুযোগ পাবেন চলতি ৩১ জানুয়ারী পর্যন্ত। এ সময়ের পর হাজারীবাগে আর কোনো কাঁচা চামড়া প্রবেশ করতে দেয়া হবে না বলে শিল্পমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

ট্যানারি স্থানান্তরে রোববার শিল্পমন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, বিসিকের পরিচালক, চামড়া শিল্পনগরী প্রকল্পের পরিচালক, বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন (বিটিএ) এবং বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস এন্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিএফএলএলএফইএ) সভাপতিসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয়, চামড়া শিল্পনগরীর ১৫৪টি প্লটের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৮৬টি প্লটে ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আরো ৩৫টি প্লটে ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ৩৭টি ট্যানারি কারখানা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি আরো ৫২টি ট্যানারি কারখানা ট্যানির ড্রাম ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপন করেছে। ৩৫টি ট্যানারি স্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে এবং ৬১টি ট্যানারি শিল্প প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ সংযোজনের জন্য ডিমান্ড নোটের টাকা জমা দিয়েছে।

সভায় আরো জানানো হয়, সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইটিপি) দু’টি মডিউল পূর্ণ চালু রয়েছে। এ দু’টি মডিউলে পরিশোধন কাজের জন্য প্রতিদিন ১০ হাজার ঘনফুট বর্জ্য প্রয়োজন হলেও বর্তমানে ৩৭টি ট্যানারি থেকে মাত্র ৩ হাজার ঘনফুট বর্জ্য পাওয়া যাচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যে বাকি দু’টি মডিউলও চালু হবে। এর ফলে সকল ট্যানারি সাভারে গেলেও বর্জ্য শোধনে কোনো সমস্যা হবে না বলে বৈঠকে তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশন প্রতিদিন এগুলো তুলে নেবে। এছাড়া, বর্জ্য পরিশোধনের সঠিক মাত্রা যাচাইয়ে বুয়েট, ট্যানারি মালিক প্রতিনিধি, বিসিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পাশাপাশি সাভার চামড়া শিল্পনগরী পরিচালনার জন্য আগামী এক মাসের মধ্যে একটি কোম্পানি গঠনের সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়।

সিনিয়র শিল্পসচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এর পর হাজারিবাগে কোনো কাঁচা চামড়া প্রবেশের চেষ্টা করা হলে, তা প্রতিহত করা হবে। একই সাথে হাজারিবাগ থেকে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সম্পূর্ণ ট্যানারি সাভারে স্থানান্তর সম্পন্ন হবে।

তিনি আরো বলেন, ট্যানারি স্থানান্তর সম্পন্ন করতে চামড়া শিল্প উদ্যোক্তা সংগঠন ও সরকার যৌথভাবে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালকে ‘চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে চামড়া শিল্পের উন্নয়নে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। অথচ পরিবেশবান্ধব চামড়া উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ইতোমধ্যে ট্যানারি মালিকদের কেউ কেউ রপ্তানির আদেশ হাতছাড়া করছেন। তিনি ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে হাজারিবাগের ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরে সংশ্লিষ্ট সকলের সহায়তা কামনা করেন।

সিনিয়র শিল্পসচিব বলেন, ট্যানারি স্থানান্তরের জন্য নতুন এ সময়সীমা বেধে দেয়া হলেও যারা ইতোমধ্যে ট্যানারি স্থানান্তরে ব্যর্থ হয়েছেন, তাদেরকে হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক প্রতিদিন ১০ হাজার করে জরিমানা গুণতে হবে। জরিমানা বাবদ প্রাপ্ত অর্থ সম্পর্কে বিসিক সময় আদালতে অবহিত করবে বলে তিনি জানান।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে ৩৬টি ট্যানারি কারখানা স্থানান্তরিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ কারখানা চামড়া উৎপাদন কাজ শুরু করেছে। আর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইটিপি) দু’টি মডিউল চালু রয়েছে। তবে শোধনাগার চালু করার জন্য যে পরিমাণ বর্জ্য প্রয়োজন তা পাওয়া যাচ্ছে না। ওই ৩৬টি কারখানা থেকে বর্তমানে মাত্র তিন হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা দিয়ে দুটি মডিউল সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। দুটি মডিউল চালু রাখতে কমপক্ষে ১০ হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য প্রয়োজন। আরও ৩০ থেকে ৪০টি ট্যানারি কারখানা চালু হলে ওই পরিমান বর্জ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে বলে মনে করে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।

ইতোমধ্যে ৫০টি ট্যানারি শিল্প প্রতিষ্ঠান সাভারে ট্যানিং ড্রাম স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। কারখানা চালুর জন্য প্রায় ৩০টি ট্যানারি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছে। এ পর্যন্ত পানির জন্য আবেদন করেছে ৫০টি প্রতিষ্ঠান। আর গ্যাসের জন্য আবেদন করেছে শতাধিক প্রতিষ্ঠান। তবে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ট্যানারিগুলো বর্জ্য ও ঝিল্লি প্রকল্পের আওতায় ডাম্পিং স্টেশনে ফেলছে, যা এখনো খোলা অবস্থায় রয়েছে। ফলে রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় বর্জ্যর স্তুপ থাকায় মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএটি) মহাসচিব শাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, সরকারের নির্দশনা অনুযায়ী নতুন বছরের ১ জানুয়ারি থেকে হাজারিবাগে আমরা কাঁচা চামড়া প্রবেশ করাব না। আর সাভারে স্থানান্তরিত না হওয়া পর্যন্ত কানখানাগুলোতে চামড়া প্রক্রিয়ার প্রথম পর্যায়ে ধাপ ওয়েট ব্লু প্রক্রিয়ার সকল কাজ বন্ধ থাকবে। সভারে ইতোমধ্যে ৩৫ ট্যানারি কারখানা উৎপাদন শুরু করেছে। ৪০টি কারখানা উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু করতে প্রস্তুতি নিয়েছে। তারা অতিদ্রুত উৎপাদন করবে। বাকিগুলা কারখানা চালুর কাজ করছে। সরকারের আদেশ অনুযায়ী আমরা সকল কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, চামড়া প্রক্রিয়ার ফলে পরিবেশের যে দূষণ হয় তার ৭০ থেকে ৮০ ভাগই হয় প্রথম ধাপ ওয়েট ব্লু পর্যায় থেকে। তাই আমরা চামড়া প্রক্রিয়ার প্রথম পর্যায়ে ধাপ ওয়েট ব্লু হাজারিবাগ থেকে সরিয়ে নিচ্ছি। আর চামড়া প্রক্রিয়ার ক্রাস্ট ও ফিনিশড এখনেই সাভারে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গ্যাসের লাইনের সংযোগ দিলেই তা সরিয়ে নেওয়া হবে। এর জন্য আমাদের সকল প্রস্তুতি রয়েছে। আর ক্রাস্ট ও ফিনিশড প্রক্রিয়ায় পরিবেশ দূষণেরমাত্রা খুবই কম।

জানা গেছে, রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে দুই শতাধিক ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০০২ সালে। ২০০৩ সালে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের মাধ্যমে ৭০ ভাগ কাজ হয়। এর পর বারবার তাগাদা দিয়েও স্থানান্তর করা যায়নি ট্যানারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে। পরবর্তীতে বিসিক ও ট্যানারি মালিকদের দুই সংগঠনের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতাস্মারক অনুযায়ী, ট্যানারি মালিকদের ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে হাজারীবাগের সব ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরের কথা ছিল। পরে আরও দুই দফা সময় বাড়িয়ে ট্যানারি স্থানান্তরের জন্য ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়। এর পর ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে তিন দিনের মধ্যে ট্যানারি সরানোর কথা বললেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। কারখানা স্থানান্তরে গড়িমসি করায় পরিবেশ দূষণ অব্যাহত থাকায় চলতি বছরের ১৬ই জুন হাজারীবাগের ১৫৪টি ট্যানারি কারখানাকে প্রতিদিন ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন হাইকোর্ট। পরে কারখানা মালিকদের আপিল আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৮ জুলাই কারখানা প্রতি দৈনিক ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন আদালত। সর্বশেষ নভেম্বর মাসে শিল্পমন্ত্রী ট্যানারি স্থানান্তরের জন্য ৩১ ডিসেম্বর ডেটলাইন দেন। এমনকি তা না হলে হাজারীবাগের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আবদুল কাইয়ুম বলেন, ‘হাজারীবাগের সকল ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। সকল ট্যানারি কারখানা এলেই আমরা পূর্ণোদ্যমে কাজ শুরু করতে পারি। কিন্তু এখনও হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি কারখানা আসছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে বর্জ্য শোধনাগারের দুটি মডিউল চালু করা হয়েছে। কিন্তু শোধনাগার চালু করার জন্য যে পরিমাণ বর্জ্য প্রয়োজন তা পাচ্ছি না। এখন মাত্র তিন হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য পাচ্ছি। দুটি মডিউল সচল রাখতে কমপক্ষে ১০ হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য প্রয়োজন। আরও ৩০ থেকে ৪০টি ট্যানারি উৎপাদনে গেলে সেখান থেকে ওই পরিমাণ সংগ্রহ করা হবে।’

এদিকে শনিবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘ট্যানারি স্থানান্তরে ব্যর্থ হলো সরকারি ডেডলাইন ২০১৬! বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে বুড়িগঙ্গা ও ধলেস্বরীসহ একাধিক নদী- করণীয় কি?’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ‘বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার’ নামের একটি সংগঠন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও ‘বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার’ এর যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ট্যানারি স্থানান্তরের ডেডলাইন ছিল ৩১ ডিসেম্বর। এর মধ্যে মাত্র ৩৬টি কারখানা স্থানান্তর করা হয়েছে। আজ (শনিবার) সন্ধ্যার মধ্যে বাকি সব কারখানা স্থানান্তর অকল্পনীয়। এমতাবস্থায় সরকারের কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, সরকার আদৌ নিজেদের করা ঘোষণা ও কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল কি না তা স্পষ্ট করার আহ্বান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারের পরিবেশবান্ধব স্থানে ট্যানারি স্থানান্তরের লক্ষ্যে মোট এক হাজার ৭৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চামড়া শিল্পনগরী, ঢাকা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। ২০০৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের জুন মেয়াদে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় বিসিক ইতিমধ্যে ২০০ একর জমি অধিগ্রহণ করে চামড়া শিল্প সংশ্লিষ্ট দু’টি উদ্যোক্তা সমিতির (বিটিএ) এবং (বিএফএলএলএফইএ) সদস্যভুক্ত ১৫৫টি ট্যানারি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদক: রিজাউল করিম, সম্পাদনা: ইয়াসিন


সর্বশেষ

আরও খবর

কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরের জামিন মঞ্জুর

কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরের জামিন মঞ্জুর


একদিনেই সড়কে ঝড়ল ১৯ প্রাণ

একদিনেই সড়কে ঝড়ল ১৯ প্রাণ


শাহবাগে মশাল মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আটক ৩

শাহবাগে মশাল মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আটক ৩


গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মারা যাওয়ার ৬০ ঘন্টা পরে পরিবারের মামলা

গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মারা যাওয়ার ৬০ ঘন্টা পরে পরিবারের মামলা


করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩২৭

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩২৭


নামাজ পড়ানোর সময় সিজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু

নামাজ পড়ানোর সময় সিজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু


ভাষার বৈচিত্র্য ধরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভাষার বৈচিত্র্য ধরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


করোনায় আরও জনের ১৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯১

করোনায় আরও জনের ১৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯১


৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেকেআরে সাকিব

৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেকেআরে সাকিব


খাদ্যে ভেজাল রোধে কঠোর আইন প্রয়োগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

খাদ্যে ভেজাল রোধে কঠোর আইন প্রয়োগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর