Wednesday, August 31st, 2016
ডিএপি’র দুই কর্মকর্তার শাস্তির সুপারিশ
August 31st, 2016 at 9:03 pm
ডিএপি’র দুই কর্মকর্তার শাস্তির সুপারিশ

চট্টগ্রাম: জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি আনোয়ারা উপজেলায় ডাই অ্যামেনিয়া ফসফেট (ডিএপি) কারখানায় গ্যাস দুর্ঘটনার তদন্ত নিয়ে করা প্রতিবেদন পেশ করেছে। বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই দুর্ঘটনাকে অবহেলাজনিত বলে উল্লেখ করা হয়। এ জন্য দুই কর্মকর্তাকে দায়ী করে তাদের শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে।

তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুমিনুর রশিদ। অপর দুই সদস্য হচ্ছেন, অনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গৌতম বাড়ৈ ও কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম।

প্রতিবেদন পাওয়ার পর বুধবার চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, এই রিপোর্ট শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে পাঠানো হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘দুর্ঘটনার দুই দিন আগে থেকে প্ল্যান্টটি বন্ধ ছিল। দুর্ঘটনার দিন ৫০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্যাংকে গাস মজুদ ছিল ৩৪০ মেট্রিক টন। এই অবস্থায় ট্যাংকটি বিস্ফোরিত হওয়ার কথা নয়। তবে দুর্ঘটনার সময় ট্যাংকের ৫টি নিরাপত্তা সিস্টেমের সবকটি অকেজো ছিল। বিষয়টি রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগকে জানানোর পরও তারা যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করে নাই।’

এতে উল্লেখ করা হয়, ‘উপ প্রধান প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) দিলীপ কুমার বড়ুয়া এবং জি এম নকিবুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে যে জবানবন্দী দিয়েছেন, তা রীতিমত তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব অস্বীকার করার শামিল। এই দুই কর্মকর্তা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে এই দুঘর্টনা থেকে প্ল্যান্টটি রক্ষা করা সম্ভব হতো। সাক্ষ্য, প্রমাণ, লিখিত জবানবন্দী ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা পর্যালোচনায় তদন্ত কমিটি মনে করে, এই দুই কর্মকর্তাই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। তদন্ত কমিটি তাদের প্রত্যাহার পূর্বক বিভাগীয় শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুপারিশ করছে।’

দুর্ঘটনার পর ১০জন কর্মকর্তা/কর্মচারীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়। এতে দেখা গেছে,  যারা কারখানা পরিচালনা করতেন এবং ট্যাংকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তারা প্রায় সকলেই অপারেটর। কারখানা পরিচালনা এবং নিরাপত্তা বিষয়ে তাদের প্রশিক্ষণ নেই।

২২ আগষ্ট রাত ১০টার সময় চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট কারখানা ১’র অ্যামোনিয়া ট্যাংক (R-903) বিস্ফোরিত হয়। ফলে ট্যাংকে রক্ষিত অ্যামোনিয়া গ্যাস বাতাস, মাটি এবং পানিতে ছড়িয়ে পড়ে মারাত্মক মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করে।

প্রতিবেদন: সালেহ নোমান, সম্পাদনা: ফারহানা করিম, সজিব ঘোষ


সর্বশেষ

আরও খবর

করোনায় সারাদেশে আরও ২৪ জনের মৃত্যু

করোনায় সারাদেশে আরও ২৪ জনের মৃত্যু


দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর

দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর


এ বছরই দেশে ফাইভ জি চালু হবে: জয়

এ বছরই দেশে ফাইভ জি চালু হবে: জয়


বিমানবন্দরে শুরু হলো করোনার পরীক্ষামূলক পরীক্ষা

বিমানবন্দরে শুরু হলো করোনার পরীক্ষামূলক পরীক্ষা


ই-কমার্স বন্ধ না করে প্রতারণা ঠেকাতে আইন করার মতামত ৪ মন্ত্রীর

ই-কমার্স বন্ধ না করে প্রতারণা ঠেকাতে আইন করার মতামত ৪ মন্ত্রীর


করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু, চার মসে সর্বনিম্ন

করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু, চার মসে সর্বনিম্ন


ভারতে দুই হাজার টন ইলিশ রফতানির অনুমতি

ভারতে দুই হাজার টন ইলিশ রফতানির অনুমতি


করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু

করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু


রবিবার থেকে প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সিএনজি স্টেশন

রবিবার থেকে প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সিএনজি স্টেশন


প্রতি মাসে ২ কোটি টিকা দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার

প্রতি মাসে ২ কোটি টিকা দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার