Sunday, September 4th, 2016
দারুল ইহসানের শিক্ষার্থীরা ‘বিশেষ ব্যবস্থাপনা’ চান  
September 4th, 2016 at 9:41 pm
দারুল ইহসানের শিক্ষার্থীরা ‘বিশেষ ব্যবস্থাপনা’ চান  

ঢাকা: মালিকানা সংকট, অনিয়ম-দুর্নীতি ও সনদ বাণিজ্যের অভিযোগে বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল ইহসান থেকে ইতিমধ্যেই পাস করে যাওয়া শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনা থেকে বাঁচতে ‘বিশেষ ব্যবস্থাপনার’ দাবি করেছেন।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইন মানবাধিকার ও সংবিধান বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল’রিপোর্টার্স ফোরামের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল রেজা এসব দাবি তুলে ধরেন।

আব্দুল্লাহ আল রেজা লিখিত বক্তব্যে জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ইউজিসির ওয়েবসাইটে দারুল ইহসানের ঠিকানা ‘ধানমন্ডি ৯/এ, রোড ২১’ পাওয়া যেত। এটাই বৈধ ক্যাম্পাস। ইউজিসির ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রারের যে নাম ছিলো, তিনি মূলত এই ক্যাম্পাসের রেজিস্ট্রার ছিলেন। এই ঠিকানাতেই ইউজিসির চিঠি আসতো।

তিনি বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে এই সম্পর্কিত জটিলতা নিয়ে আমরা কিছু জানতাম না। এতদিন সরকার বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধও করেনি। এ কারণে অনেকে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। সময়, মেধা, শ্রম ব্যয় করে আমরা পাস করেছি। এখন সরকার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাতে সবকিছু বন্ধ হয়ে গেছে।’

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যারা সনদ তোলেনি, তারা তা তুলতে পারছে না। যাদের সনদ হারিয়ে গেছে, তারাও অথৈ সাগরে পড়েছে। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ সত্যায়নের জন্য পাঠালে সেটার জবাব দেয়ার কেউ নেই। সরকারের সিদ্ধান্তে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তাদের।

ধানমণ্ডির ওই ক্যাম্পাসের সকল সনদ গ্রহীতাদের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরবর্তী ডিগ্রি নেয়ার ক্ষেত্রে বিড়ম্বনা দূর করতে সরকারের কাছে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান রেজা।

সকল সরকারি বেসরকারি চাকরিতে প্রবেশের বাধা দূর করা, সনদ গ্রহীতাদের সকল একাডেমিক তথ্য ও দলিলাদি সরকার বা ইউজিসির কাছে সংরক্ষণ করা এবং বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের প্রয়োজনে শিক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সনদ সত্যায়নের সুযোগ দেয়ার দাবি করেন তিনি।

দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে ২০১০ সালের অক্টোবরে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হককে প্রধান করে এক সদস্যের বিচার বিভাগীয় কমিটি করে সরকার।

২০১৩ সালের মার্চ মাসে কমিটি তাদের প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধের সুপারিশ করে।বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)২০১৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর দারুল ইহসানসহ ১২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮টি ক্যাম্পাসে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করে দেয়।

দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পদক্ষেপ নিলেও উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল বিশ্ববিদ্যালয়টি।

সম্প্রতি হাই কোর্টের রায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষে যাওয়ায় বিতর্কিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয় বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান।

প্রতিবেদন:  ফজলুল হক, সম্পাদনা:  ফারহানা করিম

 


সর্বশেষ

আরও খবর

করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, ৭৮ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত

করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, ৭৮ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত


ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী


আনিসুল হত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার গ্রেপ্তার

আনিসুল হত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার গ্রেপ্তার


পাওয়ার গ্রিডের আগুনে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট, ব্যাপক ক্ষতি

পাওয়ার গ্রিডের আগুনে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট, ব্যাপক ক্ষতি


দুইদিনের বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

দুইদিনের বিক্ষোভের ডাক বিএনপির


বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ২৮ নেতাকর্মী রিমান্ডে

বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ২৮ নেতাকর্মী রিমান্ডে


অবশেষে পাঁচ বছর পর নেপালকে হারালো বাংলাদেশ

অবশেষে পাঁচ বছর পর নেপালকে হারালো বাংলাদেশ


মাইন্ড এইড হাসপাতালে তালা, মালিক গ্রেপ্তার

মাইন্ড এইড হাসপাতালে তালা, মালিক গ্রেপ্তার


অবশেষে গ্রেফতার হলো এসআই আকবর

অবশেষে গ্রেফতার হলো এসআই আকবর