Tuesday, June 21st, 2016
দুই আসামির বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের
June 21st, 2016 at 1:47 pm
দুই আসামির বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

ঢাকা: একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী এবং কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামের আমিনুল ইসলাম ওরফে রজব আলীর বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একইসঙ্গে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২১ আগষ্ট পূর্ণ:নির্ধারণ করেছেন আদালত। এসময় আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার বিষয়ে দেশের বহুল প্রচারিত(ইংরেজি এবং বাংলা)দুটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার নির্দেশ দেন।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ  দেন। আদালতের শুনানিতে  রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, প্রসিকিউটর রানা দাশ গুপ্ত এবং রেজিয়া সুলতানা চমন।

এর আগে গত ১৮ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। তবে মামলার দুই আসামি পলাতক থাকায় প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরেও আসামেদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি, তাই আসামিদের হাজির হওযার জন্য তাদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

হবিগঞ্জের লিয়াকত আলী ও কিশোরগঞ্জের রজব আলীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, লুটপাট ও আটক করে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।

একাত্তরে লাখাই থানার ফান্দাউক ইউনিয়ন রাজাকার কমান্ডার সে সময়কার মুসলিম লীগ নেতা মো. লিয়াকত আলী ও অষ্টগ্রাম থানার আলবদর কমান্ডার রজব আলীর বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর মামলার তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা থেকে। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন ও লুটপাটের সাতটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তারা দুজনে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাশাপাশি তিন থানা হবিগঞ্জ জেলার লাখাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর ও কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে এসব মানবতাবিরোধী অপরাধ  করেছেন।

৩১৩ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে ১৭৯ পৃষ্ঠার দালিলিক প্রমাণ, ৭২ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদন এবং ৬২ পৃষ্ঠার সাক্ষীদের জবানবন্দি রয়েছে। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. নূর হোসেন ২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তদন্তকাজ সম্পন্ন করেন। ঘটনার ২৭ জন ও জব্দ তালিকার ২ জনসহ মোট ২৯ জন সাক্ষী ২ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন।

নিউজনেক্সটবিডি ডটকম/এফএইচ/এসআই

 

 


সর্বশেষ

আরও খবর

অপারেশনের পর সুস্থ আছেন খালেদা জিয়া: ফখরুল

অপারেশনের পর সুস্থ আছেন খালেদা জিয়া: ফখরুল


বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে জড়িতদের খোঁজার নির্দেশনা চেয়ে রিট

বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে জড়িতদের খোঁজার নির্দেশনা চেয়ে রিট


সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস: প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ, আশ্বাস আইনমন্ত্রীর

সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস: প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ, আশ্বাস আইনমন্ত্রীর


বিএফইউজের নতুন সভাপতি ফারুক, মহাসচিব দীপ

বিএফইউজের নতুন সভাপতি ফারুক, মহাসচিব দীপ


কালীপূজায় হবে না দীপাবলি!

কালীপূজায় হবে না দীপাবলি!


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যা: পুলিশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যা: পুলিশ


সহিংসতায় নিহত ৬ রোহিঙ্গা, ইউএন বলছে ৭

সহিংসতায় নিহত ৬ রোহিঙ্গা, ইউএন বলছে ৭


ইকবালকে জেরা করছে পুলিশ, সারাদেশে গ্রেফতার ৫৮৪

ইকবালকে জেরা করছে পুলিশ, সারাদেশে গ্রেফতার ৫৮৪


কুমিল্লার মণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তি শনাক্ত

কুমিল্লার মণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তি শনাক্ত


কুমিল্লার মূল অভিযুক্ত পালিয়ে বেড়াচ্ছে, দ্রুতই গ্রেপ্তার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুমিল্লার মূল অভিযুক্ত পালিয়ে বেড়াচ্ছে, দ্রুতই গ্রেপ্তার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী