Friday, July 16th, 2021
দ. আফ্রিকা: গুলিতে নিহত বাংলাদেশি দোকানি, সর্বহারা দেড় শতাধিক
July 16th, 2021 at 12:49 pm
সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমাকে কারাবন্দী করার প্রতিবাদে দেশটিতে গত সপ্তাহে লুটপাট-সহিংসতা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত বাহারই সেখানে খুন হওয়া একমাত্র বাংলাদেশি।
দ. আফ্রিকা: গুলিতে নিহত বাংলাদেশি দোকানি, সর্বহারা দেড় শতাধিক

শরীফ খিয়াম, ঢাকা:

নোয়াখালীর সদর উপজেলাটি মূলত মাইজদি নামেই সমধিক পরিচিত। সেখানকার নেয়াজপুর ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেবের তিন ছেলের মধ্যে সবার বড় আব্দুল জাহের বাহার (৫৪)। স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে সুখের সংসার ছিল তাঁর। তাদের আরেকটু ভালো রাখার আশায় স্থানীয় বাজারে নিজের যে দর্জির ব্যবসা ছিল তা গুটিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়েছিলেন সাত-আট বছর আগে। পাশের গ্রাম দেবীপুরের ওমর ফারুকের সাথে সেখানে যৌথ-মালিকানায় মুদি ব্যবসায় নেমে বেশ উন্নতিও করছিলেন। পূর্ব কেপ প্রদেশের উত্তর আলিওয়াল শহরে দোকান ছিল তাদের। সেই দোকানের মধ্যেই বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটার দিকে গুলি করে হত্যা করা হয় তাঁকে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমাকে কারাবন্দী করার প্রতিবাদে দেশটিতে গত সপ্তাহে (৮ জুলাই) লুটপাট-সহিংসতা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত বাহারই সেখানে খুন হওয়া একমাত্র বাংলাদেশি। তাঁর অনুজ আব্দুল জহির সোহাগ বৃহস্পতিবার বিকেলে মুঠোফোনে নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন, “শুনেছি ওই দেশে এখন চরম বিশৃঙ্খলা চলছে। প্রবাসীদের দোকানপাট লুট করছে স্থানীয়রা। তারাই আমার ভাইকে দোকানের মধ্যে ঢুকে গুলি করে মেরে ফেলেছে।”

তিনি জানান, বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত নয়টার (দক্ষিণ আফ্রিকার বিকেল পাঁচটা) দিকে পরিবারের সদস্যদের সাথে সর্বশেষ কথা হয়েছিল নিহত বাহারের। রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পায় তারা।

নেয়াজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমির হোসেন বাহাদুর নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন, “ওই দেশে বসবাসকারী আমাদের এলাকার অনেকেরই দোকানপাট লুট হয়েছে। বাহারকেও দাঙ্গাকারীরাই হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে তারা।”

তবে দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্রি এস্টেট প্রদেশের ব্লোমফন্টেইন শহর থেকে বাহারের ভাস্তি জামাই মাঈন উদ্দিন নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন, “চলমান লুটপাটের সাথে এই হত্যাকাণ্ডের সম্পর্ক নেই সম্ভবত। কারণ যেখানে তিনি থাকতেন সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”

“পরিবারের সদস্যরা শেষবারের মতো বাহারকে দেখার জন্য তাঁর লাশের অপেক্ষায় আছে এখন,” নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম হোসেন। তারা আশা করছে ঈদের আগেই লাশটি দেশে এসে পৌঁছাবে।

বাহারের ব্যবসায়িক অংশীদার ফারুক এবং উত্তর আলিওয়াল শহরে অবস্থানকারী তাঁর অন্যান্য স্বজনদের সহায়তায় তাঁর লাশটি ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সোহাগ। সেখানকার দোকানটিতে বাহার বাংলাদেশি মুদ্রার হিসাবে ১৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলেও এক প্রশ্নের জবাবে জানান তাঁর এই সহোদর।  

অনিশ্চয়তায় আতঙ্ক: ভাগ্য অন্বেষণে মাত্র ১৯ বছর বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছিলেন মাদারীপুরের রাজৈরের নাইম আলিফ (২৬)। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ‘অ্যাসাইলাম সিকার’ হিসেবে সেদেশে পৌঁছানোর পর বহু ঘাত-প্রতিঘাত সইতে হয়েছে তাঁকে। স্থানীয়দের হামলায় আহতও হয়েছিলেন ২০১৭ সালে। তবু মাটি কাঁমড়ে টিকে ছিলেন। অদম্য ইচ্ছা আর পরিশ্রমের জোরেই ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। গুয়াটেং প্রদেশে দেশটির বাণিজ্যিক রাজধানী জোহানেসবার্গের শহরতলী সোয়েটো-তে এখন পাশাপাশি তিনটি মুদি দোকার রয়েছে তাঁর। থাকতেন সেগুলোর পিছনেই। সব মিলিয়ে জীবনে যখন কিছুটা শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করেছে ঠিক তখনই ফের অনিশ্চয়তায় দুলে উঠেছে তাঁর ভবিষ্যত। 

লুটপাট শুরু হওয়ার পরপরই নাইম তাঁর দোকানগুলোর জিনিসপত্র পূর্ব পরিচিত ব্রাজিলের বংশোদ্ভূত এক স্থানীয় নাগরিকের বাসায় সরাতে শুরু করেন। সেখানে অধিকাংশ মালামাল স্থানান্তরের পর সোমবার নিজেও পালিয়ে চলে যান সোয়েটোর দক্ষিণে ভারতীয় বংশদ্ভুত মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা লেনিসিয়ায়।

সেখান থেকেই বুধবার এই প্রতিবেদককে তিনি জানান, তাঁর মতো আরো ১৫-১৬ জন বাংলাদেশি জোহানেসবার্গের আক্রান্ত এলাকাগুলো থেকে লেনিসিয়া এসে এক স্বদেশীর কাছে আশ্রয় নিয়েছে। কোথাও রাখার জায়গা না পেয়ে অনেকে সাথে করে তাদের দোকানের মূল্যবান মালামালও নিয়ে এসেছে। “সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হচ্ছে- এটা সম্পূর্ণ ‘আউট অব কন্ট্রোল’-এ চলে গেছে। লুটপাট পুরোপুরি এখনও থামেনি। আদৌ থামবে কী-না তা এখন শুধু ‘উপরওয়ালাই’ জানেন,” বলেন নাইম।

তিনি আরো বলেন, “দোকান বন্ধ থাকার পাশাপাশি গত কয়দিনে বাংলাদেশি টাকার হিসেবে আমার তিন-চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়ে গেছে। সড়ানোর সময়ও কিছু মালামাল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাছাড়া যেসব জিনিস দোকানের মধ্যে রেখে এসেছি সেগুলো গিয়ে পাবো কী-না বা ওখানে সোয়েটোতে কিছু হয়েছে কিনা তার কিছুই বলতে পারছি না।”

গুয়াটেং প্রদেশের শহর জোহানেসবার্গে পাঁচ বছর ধরে বসবাসকারী বাংলাদেশি নোমান মাহমুদ (৩৬) নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন, “এখানকার সোয়েটোতে অনেকগুলো বাংলাদেশি পাইকারের দোকান ছিল। সেগুলো লুটপাট করে জ্বালিয়ে দেওয়া গয়েছে। এছাড়া ডেবিটনে বাংলাদেশি একটি পরিবারেরই ১০-১২টি দোকান ছিল। সবগুলো একইভাবে ধ্বংস হয়েছে।”

একই প্রদেশেরই রোডিপোর্ট শহরে তিন বছর ধরে অবস্থানকারী মো. নূর হোসেন পিয়াস (২৪) নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন, “পুরো দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশিরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছে। আগেও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এতটা ভয়াবহ পরিস্থিতি কখনো তৈরী হয়নি। এখন ভারতীয়, পাকিস্তানী, বাংলাদেশি সবাই মিলে রাত জেগে পাহাড়া দিতে হচ্ছে। স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীগলোও তাদের সহায়তা করার চেষ্টা করছে।”

সর্বহারা দেড় শতাধিক: দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসীদের পরিচালিত ‘সাউথ বাংলা’ এবং ‘শাপলা টিভি’ নামের দুটি ‘কমিউনিটি মিডিয়া’ জানিয়েছে, এবারের লুটপাটে দেড় শতাধিক বাংলাদেশি আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েছেন তারা। দেশটি অবস্থানকারী ১৫ জনের বেশি বাংলাদেশি নিউজনেক্সটবিডিকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শাপলা টিভির উদ্যোক্তা নোমান ‘সেইভ বাংলাদেশি ইন সাউথ আফ্রিকা’ নামের একটি দাতব্য গোষ্ঠীর সাথেও জড়িত। গুয়াটেং প্রদেশের এলাকাগুলোর চেয়ে কাওয়াজুলু নাতাল প্রদেশের পিটারমেরিটজবার্গ, ডারবান ও পাইন টাউনে বাংলাদেশিরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “সেখানেঅকল্পনীয় লুটপাট হয়েছে। পুরো প্রদেশটা তারা তছনছ করে দিয়েছে। সেখানে এখন পানি আর খাদ্যেরও সঙ্কট দেখা দিয়েছে। কারণ যে চেইনশপ বা সাধারণ দোকানগুলোয় ভাংচুর বা লুটপাট হয়নি, সেগুলোও বন্ধ রয়েছে।”

পুমালাঙ্গা প্রদেশেও বাংলাদেশিরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রবাসীরা। সামাজিক মাধ্যমে সোচ্চার থাকা উল্লেখিত ‘কমিউনিটি মিডিয়া’ দুটির কারণে অন্যান্য সময়ের তূলণায় এবার বাংলাদেশিরা কিছুটা কম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে তারা। দুই বছর আগের এক দাঙ্গায় চারশ বাংলাদেশি সর্বস্ব হারিয়েছিল উল্লেখ করে নোমান বলেন “এবার লুটপাট শুরুর পরপরই খবর পেয়ে দোকানের মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নিতে পেরেছে অনেকে।”

“তবে যাদের লুট হয়েছে, তারা একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছ। কারণ কিছুই বাদ রাখে না এখানকার লুটপাটকারীরা,” জানিয়ে পিয়াস বলেন, “এখানে সাউথ আফ্রিয়া ছোটখাট বিজনেস শুরু করতে হলেও ২০-২৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। যে কারণে যার একটি দোকান লুট হয়ে যায় তাঁর বিশাল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়।”

প্রবাসীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখানে ভারী অস্ত্রও সহজ লভ্য। আর লুটপাট স্থানীয়দের কাছে একটি উৎসবের মতো। সরকারি হিসাবে চলমান অরাজকতায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে ১১৭ জন নিহত হয়েছে এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই সহস্রাধিক।

“একজন ভূক্তভোগী হিসেবে দেখছি- গণমাধ্যমে এখানকার ঘটনার ভয়াবহতার আসল চিত্রটা আসছে না। শুধু বড় মল বা প্রতিষ্ঠানগুলো লুটপাটের খবর দেখাচ্ছে তারা। সাথে যে আরো অজস্র প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে, অসংখ্য মানুষ সব হারিয়েছে- তা কিন্তু দেখাচ্ছে না,” এমনটাই ভাষ্য নাইমের। 

“ডারবানে আবাসিক বাসা-বাড়িতেও হামলা হয়েছে,” উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এমনটা চলতে থাকলে এক সময় কেউই অপরকে সহায়তা করার বা আশ্রয় দেওয়ার সুযোগ পাবে না।”

গত ১৩ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের ‘ফেসবুক পেইজে’ এক বার্তায় বাংলাদেশিদের সাবধানতা অবলম্বন ও সংঘাতপ্রবণ এলাকা এড়িয়ে চলার আহবান জানানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

“তাদের এই দায়সাড়া কর্মকাণ্ডে আমরা সবাই ক্ষুদ্ধ। ক্ষতিগ্রস্থ অনেকেরই এখন থাকার মতো জায়গা নেই। তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থাটা অন্তত দূতাবাসের পক্ষ থেকে করা হলে সেটা অনেক বড় উপকার হতো,” বলেন নাইম।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় মোট ৪৫২জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে বলে তখন এজেন্সি ফ্রান্স-প্রেস (এএফপি)-কে জানিয়েছিল সেখানকার দূতাবাস, যাদের শতকরা ৯৫ শতাংশই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে।

জুমা নয় ক্ষুধাই কারণ: কাওয়াজুলু নাতাল সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমার নিজ প্রদেশ আর তিনি দেশটির সবচেয়ে বড় জাতিগোষ্ঠী ‘জুলু’-দের নেতা, যাদের অধিকাংশের বসবাস ওই রাজ্যে।১৫ মাসের দণ্ডাদেশ নিয়ে এসটকোর্ট কারেকশনাল সেন্টারে জুমা কারাজীবন পরই মূলত তারা ফুঁসে উঠেছে।

সেখান থেকেই আন্দোলনের সূত্রপাত হলেও লুটপাটের মূল কারণ স্থানীয়দের অভাব বলে জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। “তারা কিন্তু বলছে এটা জুমার জন্য কোনো আন্দোলন নয়। আমরা ক্ষুধার্ত, ক্ষুধা নিবারণের জন্যই লুটপাট করছি,” বলেন নোমান।  

“করোনার মধ্যে এখানকার হাজার হাজার স্থানীয় মানুষ কাজ হারিয়েছে। তাদের ঘরে খাবার ছিল না বলেই এবার রকেটের বেগে লুটপাটের এই ভয়াবহতা ছড়িয়ে পরেছিল,” উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, “সরকারি-বেসরকারি সশস্ত্র নিরাপত্তা রক্ষী বা পুলিশ-সেনাবাহিনী- সবাই অসহায় ছিল।”

“একটি মল বা ওয়্যারহাউজ লুট করতে হাজার হাজার লোক গিয়েছে। সেখানে কয়জনকে গুলি করা হবে? গুলি করলে দেখা যাবে শত শত লোক মারা যাবে। সরকার না পারছে গুলি করতে না পারছে ঠেকাতে। আর মানুষগুলোও গুলির মুখে গিয়েও লুটপাট করেছে। কারণ তাদের জীবনের বোঝাটা মৃত্যু ভয়ের চেয়ে বড় হয়ে গেছে,” যোগ করেন নোমান।

নাইম বলেন, “গ্রাম থেকে গাড়িতে দলে দলে লোকজন এসেছে লুটপাটের জন্য। কিছুই বাদ রাখেনি তারা। ‘এ-টু-জেড’ সব লুট করেছে।”   

নিউজনেক্সটবিডি/এসকে [নিহত বাহারের ছবি শাপলা টিভির সৌজন্যে পাওয়া]


সর্বশেষ

আরও খবর

রিজভী-দুলুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

রিজভী-দুলুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি


অপারেশনের পর সুস্থ আছেন খালেদা জিয়া: ফখরুল

অপারেশনের পর সুস্থ আছেন খালেদা জিয়া: ফখরুল


বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে জড়িতদের খোঁজার নির্দেশনা চেয়ে রিট

বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে জড়িতদের খোঁজার নির্দেশনা চেয়ে রিট


সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস: প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ, আশ্বাস আইনমন্ত্রীর

সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস: প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ, আশ্বাস আইনমন্ত্রীর


বিএফইউজের নতুন সভাপতি ফারুক, মহাসচিব দীপ

বিএফইউজের নতুন সভাপতি ফারুক, মহাসচিব দীপ


কালীপূজায় হবে না দীপাবলি!

কালীপূজায় হবে না দীপাবলি!


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যা: পুলিশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যা: পুলিশ


সহিংসতায় নিহত ৬ রোহিঙ্গা, ইউএন বলছে ৭

সহিংসতায় নিহত ৬ রোহিঙ্গা, ইউএন বলছে ৭


ইকবালকে জেরা করছে পুলিশ, সারাদেশে গ্রেফতার ৫৮৪

ইকবালকে জেরা করছে পুলিশ, সারাদেশে গ্রেফতার ৫৮৪


সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস, সংবিধান এবং আশাজাগানিয়া মুরাদ হাসান

সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস, সংবিধান এবং আশাজাগানিয়া মুরাদ হাসান