Thursday, September 29th, 2022
ফিদেল বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল
November 29th, 2016 at 3:23 pm
ফিদেল বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল

প্রিয় বন্ধু,

কেমন আছো তুমি? আশা করি ভালই যাচ্ছে তোমার দিন। আমি ভাল নেই; কেন ভাল নেই তা বলতে গেলেই কান্না পাচ্ছে। গত সপ্তাহে আমার ছোট ভাই পনির ফোন করে বলল, আমার চাচাত ভাই ইলিয়াস রোড এক্সিডেন্ট করে মারাত্মক আহত হয়ে হসপিটালে ভর্তি আছে। ইলিয়াসকে আমি অনেক স্নেহ করতাম। ও ছিল বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, বয়স ১৭ কিন্তু চিন্তা ভাবনায় ৪ বছরের শিশুর উপরে যায়নি। সেই কবে থেকে ও আমাকে ফজি বলে ডাকত, আপা ডাকার বুদ্ধি ছিলো না তার। সেই অবুঝটাকে মোটর সাইকেল চাপা দিয়ে চলে গেছে। গত সাত দিন ধরে লাইফ সাপোর্ট দেয়া ছিল; অবশেষে বুধবার রাতে সাপোর্ট খুলে নেওয়া হলে সে মারা যায়। ইলিয়াস এর মা, মানে আমার চাচি দুই বছর আগে ক্যান্সারে ভুগে মারা যায়। তাই তাকে পুত্রশোক দেখতে হল না। আমি ইলিয়াসের বোন হলেও সন্তানের মত স্নেহ করতাম, তাই আমার মনে সন্তান হারানোর ব্যথা।

সকালে উঠে দেখি আরও বড় শোক আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আমাদের কোটি কোটি মানুষের স্বপ্নের মানুষ ফিদেল কাস্ত্রো বেঁচে নেই। মনে হল আমার জীবনে রাত নেমে এলো, আর বোধহয় সকাল হবে না। আমার জানামতে তিনি সর্বশেষ জীবিত নেতা, যাকে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত চেনে-জানে-ভালোবাসে।

6

পাঁচ বছর আগের একটি ঘটনা মনে পরল; ড্রামের মেম্বারশীপ মিটিংয়ের শুরুতেই পরিচালক প্রশ্ন করল, যদি তোমাদের কাগজপত্র হয় বা অন্য দেশে যাওয়ার সুযোগ হয় কোথায় যাবে? কেউ বলল মক্কা, কেউ নিজ নিজ দেশ কেউ বা ইউরোপ যাবে। সর্বশেষ আমার পালা—বললাম কিউবা! সবাই অবাক হয়ে জানতে চাইল—কেন? আমি বললাম, সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ নিতে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে ও ফিদেল আছে উপলব্ধি করতে। পরিচালক বলল, সে তুমি আমেরিকার নাগরিক না হলে যেতে পারবে না, গেলে ফিরতে পারবে না। আর কোনো দিন যাব বা যেতে চাইব কিনা জানি না।

ফিদেল কাস্ত্রো আর নেই মানে হল, এক বিপ্লবী মহানায়কের মৃত্যু হলো। সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের প্রাণপুরুষ ফিদেল কাস্ত্রো চলে গেলেন—রেখে গেলেন মানুষে মানুষে সাম্যের গৌরবময় সংগ্রামের এক মহাইতিহাস। বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদী আগ্রাসনের বিপরীতে ১৯৫৯ সালে সমাজতান্ত্রিক কিউবার গোড়াপত্তনের মধ্য দিয়ে মহানায়কের আসনে চলে আসেন ফিদেল কাস্ত্রো। যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট কিউবার একনায়ক ফুলগেন্সিও বাতিস্তাকে সরিয়ে সমাজতান্ত্রিক শাসনকাঠামো গড়ে তোলেন কাস্ত্রো। স্নায়ুযুদ্ধ এবং বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদের আগ্রাসী বিস্তারের বিপরীতে সমাজতান্ত্রিক কিউবাকে অটল রাখেন ফিদেল। কিউবায় মহান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব কখনো মেনে নিতে পারেনি বিশ্বের শীর্ষ পরাশক্তির দেশ যুক্তরাষ্ট্র। কিউবাবিরোধী নানা অপতৎপরতায় জড়িত ছিল মার্কিন মুলুকের নেতারা। সব ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে টিকেছিলেন কাস্ত্রো। কিউবায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পর থেকে অর্ধশতাব্দী কাস্ত্রোর নেতৃত্বাধীন দেশটির বিরুদ্ধে বহু অপপ্রয়াস চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রগোষ্ঠী। ফিদেলকে ৬০০ বার মারার উদ্যোগ নেয় সিআইএ। সব ষড়যন্ত্র বিফল করে ফিদেল বেঁচে ছিলেন ৯০ বছর।

ফিদেল কাস্ত্রো ১৯২৬ সালের ১৩ আগস্ট কিউবার পূর্বাঞ্চলে বিরান জেলায় স্পেনীয় বংশোদ্ভূত এক অভিবাসী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম ফিদেল আলসান্দ্রো কাস্ত্রো রুজ। তবে তিনি ফিদেল কাস্ত্রো বা শুধু কাস্ত্রো নামেই বেশি পরিচিত। কাস্ত্রোর বাবা ছিলেন আখ খামারের মালিক। তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় মাত্র ১৩ বছর বয়সে। নিজের বাবার আখ খামারে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সংগঠিত করেন এবং একটি ধর্মঘটের ব্যবস্থা করেন।

fidel_castro

১৯৪৭ সালে নবগঠিত কিউবান পিপলস পার্টিতে যোগ দেন ফিদেল। মার্কিন ব্যবসায়ী শ্রেণি ও সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবিচার, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও নিম্ন মজুরির অভিযোগ নিয়ে লড়াইয়ের আহ্বান জানিয়ে তুখোড় বক্তা ফিদেল দলের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। বিপ্লবের মাধ্যমেই রাষ্ট্রক্ষমতা অর্জন সম্ভব—এ সিদ্ধান্ত নেয়ার পর মাত্র ১২৩ জন নারী-পুরুষের একটি সশস্ত্র দল গঠন করেন।

১৯৫৩ সালে মনকাডা আর্মি ব্যারাকে হামলা করেন ফিদেল। সংঘর্ষে আটজন নিহত হলেও ফিদেলের দল পরাস্ত হয় এবং তার প্রায় ৮০ জন সহযোদ্ধাকে হত্যা করা হয় বাতিস্তার নির্দেশে। ফিদেলকে আটককারী লেফটেন্যান্ট ‘বিদ্রোহীদের আটক করামাত্র হত্যা করার নির্দেশ’ উপেক্ষা করে তাকে বেসামরিক কারাগারে পাঠিয়ে দিলে প্রাণে বেঁচে যান তিনি। কিন্তু কারাগারে তাকে বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। এবার দায়িত্ব ছিল ক্যাপ্টেন পেলেতিয়ারের ওপর। তিনি দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করে দেন। কোর্ট মার্শালে ফাঁসি দেওয়া হয় ক্যাপ্টেন পেলেতিয়ারকে। কিন্তু বিশ্ব জনমতের কথা বিবেচনা করে ফিদেলকে হত্যা না করে বিচারের মুখোমুখি করেন বাতিস্তা। মনকাডা হামলায় অভিযুক্ত হিসেবে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ফিদেল যে জবানবন্দি দিয়েছিলেন তা পরে ‘হিস্ট্রি উইল অ্যাবসল্ভ মি’ বা ‘ইতিহাস আমার পাপমোচন করবে’ নামে একটি বই আকারে বের হয়। এতে রাতারাতি দেশব্যপী বিখ্যাত হয়ে ওঠেন এবং জননায়কে পরিণত হন ফিদেল। সে বার বিচারে তার ১৫ বছরের কারাদণ্ড হলেও প্রবল জনমতের কাছে মাথা নত করে দুই বছরের মাথায় তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন বাতিস্তা।

জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বিপ্লবী দল গড়ার লক্ষ্যে মেক্সিকোয় পাড়ি জমান ফিদেল। সেখানে তার পরিচয় হয় আরেক কিংবদন্তী মহানায়ক চে গুয়েভারার সাথে। মেক্সিকোতেই একটি গেরিলা দল গঠন এবং পর্যাপ্ত অস্ত্রশস্ত্র জোগাড়ের পর চে গুয়েভারা, জুয়ান আলমেইডা এবং অন্যদের মিলিয়ে প্রায় ৮০ জনের একটি বিপ্লবী দল নিয়ে ১৯৫৬ সালে কিউবায় ফিরে আসেন ফিদেল। গ্রানমা নামের একটি ছোট নৌকায় করে ফিদেলের বিপ্লবী দল কিউবায় এসে ভেড়ে। ফিদেলের ওই দলের বিপ্লবী কর্মকাণ্ড ‘জুলাই টোয়েন্টি সিক্স মুভমেন্ট’ নামে পরিচিতি লাভ করে। স্থানীয় দরিদ্র জনগণের আশ্রয় নিয়ে ধীরে ধীরে দল বাড়াতে থাকে আর সেনা চৌকিগুলোতে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে অস্ত্রশস্ত্র জোগাড় করতে থাকে জুলাই টোয়েন্টি সিক্স মুভমেন্ট।

5

বিপ্লবী কর্মকাণ্ড ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণ-যুবা-ছাত্র এ আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে। অন্যদিকে গেরিলাদের ধরতে বাতিস্তার অভিযানে নিপীড়নের শিকার হয় অগণিত সাধারণ মানুষ, এমনকি নারী ও শিশুরাও। লক্ষ লক্ষ জনগণের সমর্থনে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৫৯ সালের ৯ জানুয়ারি রাজধানী হাভানায় ঢুকে দেশের নিয়ন্ত্রণভার নিয়ে নেয় ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলারা বাহিনী। হাভানা জয়ের পরপরই কিউবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেন ফিদেল। ১৯৬৫ সালে কমিউনিস্ট পার্টি অব কিউবার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং কিউবাকে একটি সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরের কাজ শুরু করেন। দীর্ঘদিন কিউবার নেতৃত্ব দিয়ে ২০০৮ সালে ছোট ভাই রাউল কাস্ত্রোর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন ফিদেল। ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১০টায় কিউবায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

আমেরিকার নাকের ডগায় থেকেও পুঁজিবাদকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছেন তিনি। ফিদেল যেমন কোটি কোটি ভক্ত অনুরাগী পেয়েছেন সারা দুনিয়ায়, যেমন চলছে ভক্তদের মাতম আবার তার মৃত্যুতে আনন্দ করার মানুষও কম নয়। কিউবার বাইরে সবচে বড় কিউবান সমাজ থাকে আমেরিকার ফ্লোরিডায়—যারা আনন্দে নাচ গান করছে। এই কিউবান সমাজের আমেরিকান নাগরিকরাই ট্রাম্পকে ফ্লোরিডা থেকে পাশ করিয়ে সমস্ত আমেরিকার নির্বাচনী হিসাব পাল্টে দিয়েছে। আমি জানি ফিদেল একচেটিয়া ভালোবাসা পাবে না, বিশেষ করে ফিদেল ক্ষমতায় আসার পর যাদের স্বার্থে আঘাত লেগেছিল, তারা তো আনন্দ করবেই। ফিদেল আসলে মরে নাই—আমাদের চিন্তায় চেতনায় ফিদেল বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল, যেমন বেঁচে আছেন চে।

কয়েকটি বিষয় ফিদেল সম্পর্কে না বললেই নয়—ফিদেল পুরো কিউবার স্বাস্থ্য সেবা ফ্রী করেছেন, কিউবায় শিক্ষার হার ৯৯.৭% যা পৃথিবীর সর্বোচ্চ ও আমেরিকার থেকে বেশী, আমেরিকায় শিক্ষার হার ৮৬%। তার আমলে কিউবায় অনেক ডাক্তার তৈরি হয়েছে যার কারণে সারা দুনিয়ায় আপৎকালিন সময় সবচে বেশী ডাক্তার পাঠায় কিউবা। গত ৫০ বছরের উপরে তিনি কিউবার শাসন ক্ষমতায় ছিলেন, দাপটের সাথে দেশ চালিয়েছেন, কাউকে জমা খরচ দেয়নি। যাইহোক, ফিদেল এর কথা এক চিঠিতে বলে শেষ করা যাবে না। অনেকেই বলছে তার ভক্তরা ব্যক্তিপুজা করছে, সমাজবাদ নয়। কি জানি বুঝি না, ফিদেলকে ভালোবাসতাম অন্তর থেকে—এটাই জানি। এ বিষয়ে আমাদের এক সাংবাদিক বন্ধু সোহেল মাহমুদ এর ফেসবুক পোস্ট খুব ভাল লেগেছে। সে লিখেছে পুঁজিবাদ মাথা কিনে নেয়, সমাজবাদ মন।

বন্ধু, আজ আমি ট্রাম্প নিয়ে লিখব না। সামনের ৪ বছর এ খারাপ লোকটিকে নিয়ে বেশী লিখতে হবে। আজ আমেরিকার আরেকটি সরকারি ছুটি নিয়ে কথা বলব। নভেম্বর মাসের শেষ বৃহস্পতিবার এ দেশে পালিত হয় ‘থ্যাঙ্কস গিভিং ডে’। এ দিবস নিয়ে নানা মিথ আছে। বলা হয় এটা নাকি আদিবাসীদের ধন্যবাদ জানানোর দিন! এ দিনে লোকজন টার্কি মুরগি পুড়িয়ে আরও বিভিন্ন রকম খাবার বানিয়ে পার্টি করে। আমি যেদিন এ দেশে আসি, তার দুদিন পর ছিল এই দিবস। আমি তো অবাক, এ আবার কেমন দিবস। পরে অনুসন্ধান করে বের করলাম কী আসল ইতিহাস। আদিবাসীদের নিধনের পর এক জেনারেল কিছু সৈন্যসামন্ত নিয়ে আদিবাসী গ্রামে গিয়ে বলল, “আর যুদ্ধ না, আজ আমি তোমাদের ধন্যবাদ দিতে এলাম। আমাদের তোমাদের মাটিতে জায়গা দেওয়ার জন্য।” এবার একজন আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে ও লেখক রক্সানে ডানভার ডেমোক্রেসি নাও টিভি নিউজে সাক্ষাতকার দিতে গিয়ে বলেছে, “এই দিন কখনোই আমাদের সম্মান জানাতে নয় বরং এ দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের সাথে কত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড হয়েছে, আমাদের কি নির্মম ভাবে স্থানচ্যুত করা হয়েছে। আমরা এ দিনটি পরিবারের সাথে কাটাই উপলব্ধি করতে যে, কত হারানোর ব্যথা আমাদের অন্তরে। তোমাদের কি মনে হয় আমরা এমন দুঃখের দিনে পার্টি করি—টার্কি বা মিষ্টিকুমড়া দিয়ে মজার খাবার বানিয়ে খাই?”

হ্যাঁ, আমারও প্রশ্ন হত্যাকারীর ধন্যবাদ কি গ্রহণযোগ্য? এ দিবস পালন করে আমারাও কি একটি ভয়াবহ ইতিহাসকে সাধারণ বানাতে সাহায্য করছি না? ভাবনাটুকু ছেড়ে দিলাম বন্ধু, তোমার ওপর। ভাল থাকো বন্ধু, ভালো থাকুক দেশ আর দেশের মানুষ।

ইতি
তোমার বন্ধু, যাকে তুমি কোনো নামেই ডাকো না

Kazi Fouzia

লেখক: মানবাধিকারকর্মী


সর্বশেষ

আরও খবর

নিউ ইয়র্কের চিঠি- ৩৭

নিউ ইয়র্কের চিঠি- ৩৭


মানবিক হও!

মানবিক হও!


সহমর্মিতার জয় হোক

সহমর্মিতার জয় হোক


মহামারীর এই সময়ে মানুষের পাশে থাকুন

মহামারীর এই সময়ে মানুষের পাশে থাকুন


আসছে শুভদিন!

আসছে শুভদিন!


আমাদের ঝালমুড়ি দাদা ও গরীবের শ্রেণী সংগ্রাম

আমাদের ঝালমুড়ি দাদা ও গরীবের শ্রেণী সংগ্রাম


জন্মভূমির টান মানসিক কষ্টে ফেলে দেয়

জন্মভূমির টান মানসিক কষ্টে ফেলে দেয়


‘মুসলিম সমাজের বিভাজন বন্ধ করুন’

‘মুসলিম সমাজের বিভাজন বন্ধ করুন’


আজ জুইস-মুসলিম এক কাতারে দাঁড়িয়েছে

আজ জুইস-মুসলিম এক কাতারে দাঁড়িয়েছে


সর্ব পর্যায়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

সর্ব পর্যায়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে