Saturday, August 15th, 2020
বঙ্গবন্ধুকে হত্যা, কথা বলছে ইতিহাস!
August 15th, 2020 at 4:32 am
২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি পাঁচ আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করে জাতিকে আংশিক দায়মুক্ত করা হয়, এখনও পাঁচ আসামি পলাতক রয়েছে।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যা, কথা বলছে ইতিহাস!

১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করার কথা ছিলো। যে কাজটি বঙ্গবন্ধু করে যেতে পারেননি। ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনটি বিকট বোমা বিস্ফোরিত হয়েছিল – তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আনোয়ার হোসেন। এ বিষয়টি চ্যান্সেলর শেখ মৃুজিবকে পরদিন ক্যাম্পাসে আসতে না দেওয়ার বিষয় নয়, বরং বিষয়টির সাথে খুনিদের সংযোগ ঘটে। এই বোমা নিরাপত্তা বিঘ্ন করবে এই অজুহাতে রাতে আর্মি মুভ করার সুযোগ হয়। ( তথ্য সূত্রঃ জাফর ওয়াজেদ, মহাপরিচালক, পিআইবি, ফেইসবুক টাইমলাইন )।

আর্মি মুভমেন্ট, ছবিঃ জাফর ওয়াজেদ, মহাপরিচালক, পিআইবি, ফেইসবুক টাইমলাইন

মুজিবের জীবদ্দশায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের এই কাজটিই ছিলো বৃহৎ কোনো শেষ কাজ। এ উপলক্ষে তৎকালীন বেশ কয়েকটি বাংলা পত্রিকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ১৫ আগষ্ট সকালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। এসব পত্রিকাগুলোর প্রধান শিরোনাম হয় “বঙ্গবন্ধু আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করিবেন।” এসব পত্রিকাগুলোর মধ‍্যে দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক বাংলা ছিলো অন‍্যতম।

১৫ আগষ্ট, ১৯৭৫, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের সংবাদ।

পত্রিকাগুলো ১৪ আগষ্ট রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এই বিশেষ ক্রোড়পত্র ছাপাখানায় ছাপিয়ে ফেলে। ১৫ আগষ্ট সকালেই পাঠকদের হাতে হাতে পৌঁছে যায় পত্রিকা। কিন্তু দুঃখজনক, ওইদিন রাতেই বঙ্গবন্ধু ঘাতকদের নির্মম গুলিতে সপরিবারে প্রাণ বিসর্জন দেন।

১৬ আগষ্ট সকালে কোনো পত্রিকাই সাহস করে বঙ্গবন্ধুকে হত‍্যার খবরটি প্রধান সংবাদ (লিড নিউজ) করে ছাপাতে পারেনি। ওইদিন প্রধান সংবাদ হয়, ঘাতক কর্তৃক ক্ষমতা দখলের নতুন রাষ্ট্রপতি! যখন পথে পথে চলছিল কারফিউ এবং জলপাই রংয়ের কনভয়ের মিছিল। কি অদ্ভূত এই জাতি, কত বড় বেঈমান, কি নির্মম, কি নিদারুন নিয়তির খেলা!

১৬ আগষ্ট, ১৯৭৫, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় খন্দকার মোস্তাকের শাষনক্ষমতা গ্রহণের সংবাদ

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার একদিন পর অর্থাৎ ১৬ আগস্ট, ১৯৭৫ Bangladesh Observer পত্রিকার সম্পাদকীয় কলামে লেখা হয়েছিল— “The killing of Sheikh Mujibur Rahman was a historical necessity”. একইদিন দৈনিক ইত্তেফাক এর সম্পাদকীয় কলামে ‘ঐতিহাসিক নবযাত্রা’ শিরোনামে লেখায় এই হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে কুখ্যাত খন্দকার মোস্তাকের স্তুতি গাওয়া হয়েছিল। আসলে আমরা কেউ-ই ইতিহাসের এ জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের দায় এড়াতে পারিনা!

আজ ১৫ আগষ্ট, সেই নৃশংসতম দিন। পৃথিবীর ইতিহাসে যে কটি নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা আমি জানি, পড়েছি, জেনেছি বা শুনেছি, পৈশাচিকতা এবং নিষ্ঠুরতার দিক থেকে পৃথিবীর কোনটিই এই হত্যাকাণ্ডের কাছাকাছিও নয়। ১৫ আগস্ট কোন যুদ্ধ ছিল ন। ছিলোনা কোন রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যার বিষয়। এটা ছিলো এক পৈশাচিক উন্মাদনা। দেশের বাইরের মদদে কিছু হিংস্র পশুর হত্যা তান্ডব। কেবল রাষ্ট্র প্রধান, বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নয়, বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ পরিবারের সকল সদস্য, কাছাকাছি থাকা আত্মীয়, এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু এবং গর্ভবতী নারীকেও হত্যা করেছে এই নরপশুর দল।

এর আগে, ১লা আগষ্ট, ১৯৭৫, দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন। যখন বাকশাল-এর কার্যক্রম পূর্ণরুপে শুরু হয়েছে। বাকশাল কার্যনির্বাহী কমিটির সম্পাদকদের সাথে যোগাযোগ করে প্রতিদিনই যোগদান করছিলেন বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা। প্রভাবশালী এবং বলিষ্ঠ ব‍্যক্তিদের যোগদানের মাধ‍্যমে ক্রমেই বাকশাল দিন দিন শক্তিশালী হয়ে উঠছিল। বাকশাল দিন দিন শক্তিশালী হয়ে ওঠার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, তা অনেকেরই ঈর্ষার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এক দেশ-এক নীতি, তা মনে মনে মেনে নিতে পারেনি অনেকেই। যারা মেনে নিতে পারেনি, তারাই নৃশংশ ঘাতক হয়ে উঠেছিল। তারা বঙ্গবন্ধুর সহচর্যে থেকেও বঙ্গবন্ধুর পতনের পরিকল্পনায়, হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনায় মত্ত হয়ে উঠেছিলো।

১ লা আগষ্ট, দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত বাকশাল সম্পাদকদের ছবি

যুদ্ধে অগণিত মানুষের মৃত্যু হয়। এক পক্ষ অন্যপক্ষের মানুষদের হত্যা করে। প্রথম বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, বাংলাদেশের বা ভিয়েতনামের স্বাধীনতা যুদ্ধে, রাশিয়া, চীন, আলজেরিয়ার কমিউনিস্ট যুদ্ধসহ বিভিন্ন দেশে স্বাধীনতা কিংবা গোত্রীয় যুদ্ধে অগণিত মৃত্যু হয়েছে। সরকার বদলের কারণেও ঘটেছে অনেক হত্যাকাণ্ড। কিন্তু এ কেমন হত্যাকাণ্ড? একটি ঘুমন্ত পরিবার, একটি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের জনক, একটি জাতি গঠনের নির্ভীক সাহসী যোদ্ধাকে হত্যা?

১৯৭৫ সাল, ১৬ আগষ্ট সকাল বেলা প্রতিটি পত্রিকার প্রধান শিরোনাম হয় ‘খন্দকার মোস্তাক কর্তৃক সশস্ত্র বাহিনীর শাষনক্ষমতা গ্রহণ’ নতুবা ‘খন্দকার মোস্তাক নতুন রাষ্ট্রপতি, অথবা ‘খন্দকার মোস্তাকের নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনীর শাষন ক্ষমতা গ্রহণ’-এমনই সব শিরোনামে প্রকাশিত হয় প্রতিটি পত্রিকা। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিষয়টি কিংবা ৩২ নম্বরের বাড়ির কোনো ছবি, গুলা-বারুদের কোনো ছবি কিংবা কামান-বন্ধুক বা ট্যাংকের কোনো ছবি কোনো পত্রিকায় প্রকাশ হয়নি। বাকশাল সম্পাদকবৃন্দ, যারা বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যাদের রাজনীতির নীতি সৃষ্টি হয়েছিল, তারা দলে দলে গ্রেপ্তার হতে থাকেন।

১৫ আগষ্ট, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রোড়পত্র

অপরপক্ষে, বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য যে নেতারা অপেক্ষমান ছিলেন, তারা দলে দলে খুনি, ঘাতকদের সাথে হাত মেলাতে শুরু করেন। এমনকি বঙ্গবন্ধুর সময়ে যারা ক্ষমতাসীন নেতা, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় অধিষ্ঠিত ছিলেন, তাদেরও অনেকেই হাত মেলাতে থাকেন খুনি, ঘাতক, দালারদের সঙ্গে। নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলো বঙ্গবন্ধুর পরিবার! আহা!

স্বাধীন দেশে কোনো বাঙালি তাঁর নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে না—এমন দৃঢ়বিশ্বাস ছিল বঙ্গবন্ধুর। সে জন্যই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের পরিবর্তে থাকতেন তাঁর প্রিয় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে। যে মানুষটি ভাবতেন স্বাধীন দেশে কোনো মানুষ তার জন্য নিরাপত্তা হুমকি হতে পারে না, সেই মানুষটির জীবনই হুমকিতে?

আমি আমার লেখায় আবারও বলছি, আমার জানামতে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড পৃথিবীতে কখনো ঘটেনি। আমরা কেবল বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেই হারাইনি, হারিয়ে ছিলাম তাঁর আদর্শ, স্বপ্ন আর স্বাধীনতার মুল মন্ত্র। হারিয়েছিলাম, একটি জাতির উন্নত ভবিষ্যৎ, একটি উন্নত রাষ্ট্র।

এর আগে, বঙ্গবন্ধুর ক্ষমতাকালে বাংলাদেশের জন্য যা কিছু অর্জিত হয়, তার মধ্যে, ১ আগষ্ট, ঐতিহাসিক হেলসিংকি চুক্তি স্বাক্ষর, ২ আগষ্ট, বেসরকারি খাতে নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠা ও পুঁজি বিনিয়োগের নিশ্চয়তা, ৩ আগষ্ট, জেলা বাকশাল সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকদের নাম ঘোষণা, ৪ আগষ্ট, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পাট শীর্ষস্থান অর্জন, ৬ আগষ্ট, ক্রিড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের জন্য তহবিল সংগ্রহ, ৭ আগষ্ট, বঙ্গবন্ধুর বিশেষ তহবিলের মঞ্জুরি, ৮ আগষ্ট, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চালনা সমুদ্র বন্দর শ্রমিকদের মজুরি শতকরা ৮৫ ভাগ বৃদ্ধি, ৯ আগষ্ট, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চালনা বন্দর শ্রমিকদের কল্যাণ তহবিল গঠন, ১৩ আগষ্ট, নতুন পরিস্থিতির আলোকে শ্রমনীতি প্রণয়ন ইত্যাদি ইত্যাদি আরও অনেক অর্জন।

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ভাঙ্গাচূরা দেশটাকে ঢেলে সাজাতে বঙ্গবন্ধু আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এর মধ্যে আবার চোর, দূর্নীতিবাজ আমলা রাজনীতিবিদরাও ছিলেন। যারা বঙ্গবন্ধুর নৈতিকতার কারনে তাদের নিজস্ব স্বার্থ চরিতার্থ করতে পারছিলেন না, তারাই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং সূত্রপাত করেন। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারের নিঃশেষ করেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পরবর্তী সময়ে সরকার গঠন করে এসব চোর, দূর্নীতিবাজ নেতা, আমলারা পুরো দেশজুড়ে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করে।

এদিকে, পত্রিকাগুলোতে ফলাও করে ছাপানো হতো, ‘দেশ সঠিক নিয়মেই চলিতেছে’, দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন হইতেছে, সততা ও নিষ্ঠার সাথে সকলেই কাজ করিতেছেন ইত্যাদি ইত্যাদি। পত্রিকাগুলো কামান, বন্দুক, ট্যাংকের গুলির ভয়ে সাহসীকতার নিকুচি করে ছাপিয়ে যাচ্ছিল ঘাতকদের মিথ্যাচারের বানী।

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর দীর্ঘদিন বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশ ছিল তিমিরাচ্ছন্ন। সামরিক স্বৈরশাসন, ক্যু–পাল্টা ক্যু—এভাবে কাটে ১৫ বছর। এ সময় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে হত্যাকারীদের বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়। এমনকি খুনিদের দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। এভাবেই স্বাধীনতা বিরোধী চক্র বাংলা এবং বাঙালির স্বাধীনতার সূর্য পুণরায় গ্রাস করে দেশটাকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে দেয়। বঙ্গবন্ধুর সাহস এবং অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত, স্বাধীনতা অর্জনকারী সাহসী বাঙালি জাতিকে একটি ভয়ার্ত জাতিতে পরিণত করে তারা।

১৯৭৫ এর পর, খন্দকার মোস্তাক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সর্বময় ক্ষমতা গ্রহণ করেন। কিন্তু, খন্দকার মোস্তাকের এই আগ্রাসী শাষন এবং একনায়কত্ববাদ প্রতিষ্ঠার শুরুতেই মীড় জাফর আলী খা’র হাতে অপর মীড় জাফর আলী খা নিহত হন। ইতিহাস কথা বলে!

লেখকঃ আল মাসুদ নয়ন, সাংবাদিক।
E-mail: [email protected]

আল মাসুদ নয়ন

সর্বশেষ

আরও খবর

গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২ মামলা

গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২ মামলা


করোনায় সারাদেশে আরও ২৪ জনের মৃত্যু

করোনায় সারাদেশে আরও ২৪ জনের মৃত্যু


দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর

দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর


এ বছরই দেশে ফাইভ জি চালু হবে: জয়

এ বছরই দেশে ফাইভ জি চালু হবে: জয়


বিমানবন্দরে শুরু হলো করোনার পরীক্ষামূলক পরীক্ষা

বিমানবন্দরে শুরু হলো করোনার পরীক্ষামূলক পরীক্ষা


ই-কমার্স বন্ধ না করে প্রতারণা ঠেকাতে আইন করার মতামত ৪ মন্ত্রীর

ই-কমার্স বন্ধ না করে প্রতারণা ঠেকাতে আইন করার মতামত ৪ মন্ত্রীর


করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু, চার মসে সর্বনিম্ন

করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু, চার মসে সর্বনিম্ন


ভারতে দুই হাজার টন ইলিশ রফতানির অনুমতি

ভারতে দুই হাজার টন ইলিশ রফতানির অনুমতি


করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু

করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু


রবিবার থেকে প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সিএনজি স্টেশন

রবিবার থেকে প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সিএনজি স্টেশন