Monday, August 15th, 2016
তিনি চেতনার দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রতিচ্ছবি
August 15th, 2016 at 6:36 pm
তিনি চেতনার দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রতিচ্ছবি

শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ:

রক্তঝরা ১৫ আগষ্ট। সাবেক রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট প্রত্যুষে সেনাবাহিনীর একদল সদস্যের হাতে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর সড়কে নিজ বাসভবনে হত্যার শিকার হন তিনি। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা ছাড়া তার পরিবারের সব সদস্যকেই সেদিন হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা তখন বেলজিয়ামে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। এই দিনে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির মদদে কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্য সপরিবারে হত্যা করে এই মহান নেতাকে। ইতিহাসের বর্বরোচিত এই হত্যাকান্ডে দেশ ও জাতির যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। এই ঘটনায় গোটা জাতি গভীরভাবে মর্মাহত এবং শোকে মুহ্যমান। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণা মূলক আর্টিকেল লিখেছেন জন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সামাজিক বিজ্ঞানে অধ্যাপনা করেছেন পি থর্প। বাংলাদেশ ছিলো তার গবেষণার অন্যতম এলাকা। তার মূল লেখা  ‘শেখ মুজিবুর রহমান, এ সাইক্লোন অ্যান্ড দ্য ইমার্জেন্স অব বাংলাদেশ।’ সাউথ এশিয়া রিসার্চ-এর ১৯৮৭ সালের নভেম্বরের সংখ্যায় লেখাটি প্রকাশিত হয়। সেই লেখায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিত্ব ও আদর্শের একটি সঠিক চিত্র ফুঁটে উঠেছে। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, বঙ্গবন্ধুকে দেখিনি, তারা ধারণা করতে পারি, বঙ্গবন্ধু’র রাজনৈতিক চেতনার দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রতিচ্ছবি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির জাতীয় ইতিহাসে প্রবল এক ব্যক্তিত্ব। ১৯৬০-এ দশকের দ্বিতীয় ভাগে হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির স্বাধীনতার ব্যক্তি-প্রতীক। মানুষকে রাস্তায় বন্দুকের ধোঁয়া ওঠা নলের সামনে পাঠানোর জন্য শুধু ‘ঔপনিবেশিক শোষণ’, ‘নৃতাত্ত্বিক সীমাবদ্ধতা’ বা ‘শ্রেণিস্বার্থ’ যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশের অভ্যুদয় ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বহু গবেষক এসব ধারণা প্রয়োগ করে সমাজ-কাঠামোগত বিশ্লেষণ হাজির করেছেন। আর্থ-সামাজিক বৈষম্য দিয়েও। এই আন্দোলনে মানুষের এমন গণহারে অংশগ্রহণের বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করা যায় না। এমনকি পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী যখন তীব্র বলপ্রয়োগ করছে তখনো। এটা বোঝার জন্য বিশ্ববীক্ষা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি যে মানুষের মধ্যে অভিন্ন প্রতীকী মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে তাকে অনুপ্রাণিত করে, সেটা বোঝা দরকার। শেখ মুজিবুর রহমান একটি বিশেষ বিশ্ববীক্ষা ও মূল্যবোধ সঞ্চার করেছিলেন।

শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের মুখপাত্র হিসেবে বক্তৃতার মাধ্যমে শ্রোতাদের মধ্যে আত্মসত্তার বোধ এবং সামাজিক শ্রেণির অন্তর্গত মানুষ হিসেবে তারা কোথায় যাচ্ছেন, সেই বোধ সৃষ্টি করেছেন। আমেরিকান নৃবিজ্ঞানী ক্লিফোর্ড গিয়ার্টজের ভাষায়, ‘শেখ মুজিব মানুষকে ভাবাদর্শের সন্ধান দিয়েছেন। শেখ মুজিব নিজের ও তার শ্রোতৃমণ্ডলীর রাজনৈতিক মূল্যবোধ ও লক্ষ্যের উত্তরণ ঘটাতে ঘটাতে পরিশেষে পাকিস্তানি সেনাদের গর্জে ওঠা বন্দুকের নলের সামনে দাঁড়ানোর দৃঢ়তা ও সাহসে উজ্জীবিত করার জন্য জনগোষ্ঠীর প্রতীকী ঐতিহ্যের ওপর নির্ভর করেছিলেন। এই প্রতীকী আচরণের ব্যাখ্যা অন্যান্য সমাজব্যবস্থা বিশ্লেষণের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ নয়। বস্তুত, পাকিস্তানের সামাজিক ব্যবস্থার নানা ঐতিহাসিক ঘটনাচক্র ছাড়া শেখ মুজিবের পক্ষে বাংলাদেশের মুখপাত্র হওয়া সম্ভবপর ছিল না। বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে শেখ মুজিব বাংলাদেশের প্রতীকী মডেলকে আরও দানা বেঁধে উঠতে সহায়তা করেন।’

ইতিহাস পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ১৯৭০ সালের নির্বাচনকে ঘিরে জনপরিসরে রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা গড়ে উঠতে শুরু করে। ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী সরকারের পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে তা জনরোষে পরিণত হয়। নির্বাচনের পর সে আবেগ আনন্দময় এবং মার্চের শেষ দিকে তা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। এর প্রতিটি স্তরেই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে পেছন থেকে ছুরি মারার আশঙ্কা ছিল। নেতা হিসেবে শেখ মুজিব যেমন এই পরিস্থিতির একজন জাতক ছিলেন। তেমনি তিনি এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করতেও ভূমিকা রেখেছেন।

ঘূর্ণিঝড় (সাইক্লোন) পরবর্তী পরিস্থিতিকে শেখ মুজিব ব্যবহার করতে পেরেছিলেন দারুণভাবে। এই দুর্যোগের পর তিনি প্রচারণার মাধ্যমে বাঙালিদের কেন্দ্রীয় সরকারের মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করিয়ে দিলেন। বিশেষ করে স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে এই প্রচারণাকে তিনি অনন্য এক স্তরে নিয়ে গেলেন। পূর্ব বাংলার জীবনে ঘূর্ণিঝড় কোনো সংকট নয়। বরং এক স্বাভাবিক প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ। কিন্তু এই ঘূর্ণিঝড়ের পর শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানের জনমনে এমন ধারণা সৃষ্টি করতে সক্ষম হলেন যে তাদের জীবন এক প্রবল হুমকির মুখে। যতক্ষণ তারা দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার বৈপ্লবিক রূপান্তর ঘটাতে না পারছেন, ততক্ষণ এই হুমকি থেকে নিস্তার নেই।

১৯৭১ সালের মার্চ মাসের মধ্যে শেখ মুজিব এক ভাবাদর্শ সৃষ্টি করলেন, যা বাঙালির চেতনাকে একটা সামষ্টিক রূপ দিতে সক্ষম হলো। ব্যাপারটা এমন জায়গায় চলে গেল যে মানুষ তখন শুধু প্রতিবাদ নয়, দীর্ঘদিনের অধীনতাকে সক্রিয়ভাবে প্রতিরোধ করার অবস্থানে চলে গেল। শেখ মুজিব কিছু প্রতীক নির্মাণ করলেন, যা মানুষের আবেগকে রাজনৈতিক লক্ষ্যে ময়দানে নামতে অনুপ্রাণিত করে অবশেষে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের দিকে ধাবিত করে। অনেকেই মনে করতেন, শেখ মুজিব বাংলাদেশের যে প্রতীকী রূপ দিয়েছিলেন, তার জন্য লড়াই যেমন করা যায়, তেমনই জীবনও বিসর্জন দেয়া যায়।

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ১৫ আগষ্টকে জাতীয় শোকদিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে। আজ দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনে কালো পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। সরকারের নির্দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শোকদিবসের কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পরবর্তী টানা ২১ বছর তাঁর শাহাদাতবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়নি। ১৯৯৬ সালে তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ৬ বছর দিবসটি উদযাপিত হয়েছে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে। সরকারিভাবে ওই সময় ১৫ আগষ্ট ছুটিও কার্যকর করা হয়। তবে একতরফা সিদ্ধান্তের কারণে পরবর্তী সরকার তা আর কার্যকর রাখেনি। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। ফলে আবার সেই পুরনো ধারায় ফিরে যায় বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান। এবার আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতাসীন থাকায় ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ভোররাতে ঘাতকের বুলেট বঙ্গবন্ধু ছাড়াও তার স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব,পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল (খুকী) ও পারভীন জামাল (রোজী), বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ছোট ভাই শেখ নাসের, ভগ্নিপতি তৎকালীন মন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা সত্রী আরজু মনি এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা কর্নেল জামিলের প্রাণও কেড়ে নেয়। এই হত্যাকান্ডের বিচারকাজ দীর্ঘদিন রহিত ছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে এই হত্যার বিচারের বাধা অপসারণ করে। আওয়ামী লীগ আমলেই হত্যার জন্য অভিযুক্তদের বিচার শুরু হয় এবং আদালত ১৫ জনকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেন। হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স মামলায় প্রথমে বিভক্ত রায় দেন। পরে হাইকোর্টের তৃতীয় বিচারক ৩ জনকে খালাস দিয়ে ১২ জনের মৃত্যুদন্ড বহাল রাখেন। ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি রাত ১২ টা ১ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধু’র ৫ খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথিকৃৎ বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির এক অবিসংবাদিত নেতা। তিনি বাঙালির অধিকার এবং স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। শুধু স্বাধীনতা অর্জনই নয়, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা করতে তিনি নিরলস প্রচেষ্টা চালান। বাঙালি ও বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতির জনকের অবদান তাই চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির মদতে কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্য সপরিবারে হত্যা করে এই মহান নেতাকে। ইতিহাসের বর্বরোচিত এই হত্যাকান্ডে দেশ ও জাতির যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গতিশীল,সাহসী ও ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্বে এই ভূ-খন্ডের মানুষ হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিঁড়ে ছিনিয়ে এনেছিল স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য। আমরা পেয়েছি নিজস্ব জাতিরাষ্ট্র, গর্বিত আত্মপরিচয়। ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তার স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। ১৬ কোটি বাঙালির অন্তরে লালিত হচ্ছে তার ত্যাগ ও তিতীক্ষার সংগ্রামী জীবনাদর্শ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথিকৃৎ এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির এক অবিসংবাদিত নেতা। তিনি বাঙালির অধিকার এবং স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদান রাখেন। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৮ এর সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ’৬৬ এর ৬-দফা, ’৬৯ এর গণ-অভ্যূত্থান, ’৭০ এর নির্বাচনসহ এ দেশের সাধারণ মানুষের আকাঙ্খা পূরণে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি এই জাতিকে নেতৃত্ব দেন। এজন্য তাকে বার বার কারাবরণসহ অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়।

সকল প্রকার অত্যাচার, শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, সাহস,বাগ্মিতা এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এদেশের সাধারণ মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয় বহু কাক্ষিত স্বাধীনতা। জাতির জনক দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার সেই স্বপ্ন সার্থক রূপায়নে তারই যোগ্য উত্তরসূরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ভিশন-২০২১’ ঘোষণা করেছেন। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই দিনে আমরা জাতির জনকসহ তাঁর পরিবারের সকল শহীদ সদস্যের আত্মার শান্তি কামনা করি।

Shuvashish Benarjeeশুভাশিস ব্যানার্জি শুভ: সিনিয়র সাংবাদিক


সর্বশেষ

আরও খবর

আমি বাংলার, বাংলা আমার, ওতপ্রোত মেশামেশি…

আমি বাংলার, বাংলা আমার, ওতপ্রোত মেশামেশি…


শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্মদিন: ‘পুতুল’ খেলার আঙিনায় বেজে উঠুক ‘জয়’র বাঁশি

শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্মদিন: ‘পুতুল’ খেলার আঙিনায় বেজে উঠুক ‘জয়’র বাঁশি


বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই পাকিস্তান ক্ষমা চাইবে ?

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই পাকিস্তান ক্ষমা চাইবে ?


শেখ হাসিনা কতোখানি চ্যালেঞ্জিং এখনো?

শেখ হাসিনা কতোখানি চ্যালেঞ্জিং এখনো?


প্রণব মুখোপাধ্যায় : বিশ্ব-রাজনীতির মহাপ্রাণ

প্রণব মুখোপাধ্যায় : বিশ্ব-রাজনীতির মহাপ্রাণ


দয়া করে ক্রসফায়ারের স্ক্রিপ্টটি ছিঁড়ে ফেলুন

দয়া করে ক্রসফায়ারের স্ক্রিপ্টটি ছিঁড়ে ফেলুন


দক্ষিণ এশিয়াঃ সীমান্তবিহীন এক অবিভাজিত অচলায়তন

দক্ষিণ এশিয়াঃ সীমান্তবিহীন এক অবিভাজিত অচলায়তন


লুণ্ঠন ঢাকতে বারো মাসে তেরো পার্বণ

লুণ্ঠন ঢাকতে বারো মাসে তেরো পার্বণ


লেটস্ কল অ্যা স্পেড অ্যা স্পেড!

লেটস্ কল অ্যা স্পেড অ্যা স্পেড!


পররাষ্ট্রনীতিতে, ম্যারেজ ইজ দ্য এন্ড অফ লাভ

পররাষ্ট্রনীতিতে, ম্যারেজ ইজ দ্য এন্ড অফ লাভ