Sunday, September 13th, 2020
বরিসের ব্রেক্সিট বিড়ম্বনা
September 13th, 2020 at 2:16 pm
বরিস তাঁর অবস্থান না বদলালে কনসারভেটিভ দলের সম্ভাব্য বিদ্রোহী এমপিরা সাবেক প্রধানমন্ত্রি তেরিসা মে-কে তাঁদের নেতৃত্বে পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
বরিসের ব্রেক্সিট বিড়ম্বনা

মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার লন্ডন, যুক্তরাজ্য:
২০১৯-এর ডিসেম্বরে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে বেশ কয়েক মাস ধরে ব্রেক্সিট ইস্যুতে ব্রিটেনেরশুধু রাজনৈতিক অঙ্গণ নয়, পার্লামেন্ট, বিচারালয়সহ গোটা দেশ আন্দোলিত হয়েছে উত্তাল তরঙ্গ-মালায়। মনে হচ্ছিলো ব্রেক্সিট ইস্যুর শেষ নেই,সুরাহাও নেই কোন।

কিন্তু ওই ডিসেম্বরের নির্বাচনে ব্রেক্সিটের পতাকাবাহী বরিস জনসনের নেতৃত্বে কনসারভেটিভ পার্টি ৮০ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পার্লামেন্টে ফিরে আসার পর ব্রেক্সিটপর্বের মসৃণ ইতি টানবার পথ সুগম হয়ে গেলো বলেই মনে হয়েছে। তবে ডিসেম্বরের পর ফেব্রুয়ারী নাগাদ করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও দ্রুত বিস্তৃতি এবং তার পরের মাস মার্চেই করোনার কারণে গোটা দেশ লকডাউনে চলে যেতে বাধ্য হওয়ায় সব বেক্সিট-তৎপরতাসহ সকল কিছু স্বাভাবিক কারণেই স্তব্ধ হয়ে যায়।লকডাউন এখন উঠে গেছে, করোনার সংক্রমণ যদিও এখন আবার বাড়তির দিকে, তবে প্রাণহানির সংখ্যা কমেছে অনেক।এ রকম পরিস্থিতিতে দেশ জুড়ে পুরোপুরি না হলেও কিছু মাত্রায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসছে। ব্রেক্সিট বিষয়ক তৎপরতা আবার শুরু হয়েছে। ব্রেক্সিটের শেষ পর্ব সেরে নেয়ার তাগিদ রয়েছে, আইন-কানুনের অবশিষ্ট অংশগুলো চুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্রেক্সিট নেতাদের ভাষায়, সব কিছু ঠিকঠাক মতো চললে ব্রিটেন সত্যি সত্যি আগামি পয়লা জানুয়ারি ‘স্বাধীন‘ হবে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ‘যাঁতাকলে‘ ব্রিটেন আর থাকবে না।

সাজ সাজ রব তুলে বরিস জনসন সরকার ব্রেক্সিট পর্বের শেষাংশ মঞ্চায়নের কাজে নেমে পড়েছিলো। কিন্তু শুরুতেই হোঁচট খেতে হলো। কম সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি এমন হয়ে উঠেছে যে, তা নিয়ে পার্লামেন্ট, সরকার, সরকারী দল, বিরোধী দল এবং শীর্ষস্থানীয় আইনজীবিদের মধ্যেতীব্র ক্ষোভের সঞ্চার এবং বিতন্ডার সূচনা হয়েছে।

বিতর্কের শুরু ইউকে ইন্টারনাল মার্কেট বিল নিয়ে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রি বরিস জনসনের স্বাক্ষর করা এবং পার্লামেন্টে পাশ হওয়া ইইউ উইথড্রয়াল এগ্রিমেন্টের বিধিবিধান সংশোধন বা তার প্রয়োগ স্থগিত করার ক্ষমতা এখন মন্ত্রীদের দেয়ার প্রস্তাব এই বিলে করা হয়েছে।

বিলটি এখন পার্লামেন্ট সেকেন্ড রিডিং ডিবেট পর্যায়ে আছে। বিলের যে বিধান নিয়ে বিতর্কের শুরু সেটি হলো বিলে স্পষ্ট করে বলা আছে: আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না হলেও মন্ত্রীরা প্রস্তাবিত বিলে দেয়া তাঁদের এ সম্পর্কিত ক্ষমতা প্রয়োজনে প্রয়োগ করতে পারবেন। ইইউ উইথড্রয়াল এগ্রিমেন্টে ইউকে এবং ইইউ-দু পক্ষই স্বাক্ষর করেছিলো। এতে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড প্রটোকল নামে একটি চ্যাপ্টার রয়েছে, যার লক্ষ্য, ব্রিটেনের অন্তর্ভুক্ত নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ও স্বাধীন আয়ারল্যান্ডের মধ্যে শিথিল সীমান্ত ব্যবস্থা চালু রাখা। এর উদ্দেশ্য ছিলো,আয়ারল্যান্ড দ্বীপটি রাজনৈতিক কারণে বিভক্ত থাকলেও ব্রিটেন ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে দ্বীপের দুই অংশের মাঝখানে যেন কড়া সীমান্ত ব্যবস্থা চালু না হয়। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড আর স্বাধীন আয়ারল্যান্ড- দুই দেশের জনগণের আকাংখাও তাই।

কেন বিলটি আনা হলো?

বিলে এ প্রশ্নের যে ব্যাখ্যা আছে, তা হলো: ইউকে এবং ইইউ যদি নিজেদের মধ্যে ব্রেক্সিট পরবর্তীকালের জন্যে বর্তমানে চলমানআলোচনার ধারাবাহিকতায় একটি বাণিজ্য চুক্তিতে উপনীত হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ও ব্রিটেনের মধ্যে পণ্য চলাচল সম্পর্কিতবিষয়ে মন্ত্রীরা বিলেতাঁদের যেক্ষমতা থাকার কথা বলা হয়েছে, তাপ্রয়োগ করতে পারবেন। এই বাণিজ্য চুক্তি করার জন্যে বরিস জনসন সময়সীসীমা বেঁধে দিয়েছেন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত। সেই সঙ্গে বলে দিয়েছেন যে, ১৫ অক্টোবরের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি না হলে তিনি ওই আলোচনা আর চালিয়ে যাবেন না। মনে করা হচ্ছে, ব্রিটেনের জন্যে সুবিধাজনক একটি বাণিজ্য চুক্তিতে উপনীত হতে ইইউকে বাধ্য করার জন্যে বরিস এই বিলের মাধ্যমে বার্তা দিচ্ছেন। নো ডিল যেন না হয়, সেজন্যে এটি একটি আগাম বার্তা। সে কারণে তিনি ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ডিল না হলে আর আলোচনা চালাবেন না বলেও আগাম হুমকি দিয়ে রেখেছেন। আর যদি নো ডিল ঘটেই যায়, তাহলে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড থেকেদেশের অন্যত্র পণ্য পরিবহনে যেন কোন সমস্যা না হয়, সেজন্যে তিনি এটিকে বিকল্প একটি পথ হিসেবে আগে থেকেই খোলা রাখতে চাইছেন।

সমস্যা হলো, দুই আয়ারল্যান্ডের সীমান্তে কড়াকড়ি না থাকলে স্বাধীন আয়ারল্যান্ড থেকে অনেক প্রকারের পণ্য সামগ্রী অনেকটা সহজ শর্তে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে পৌঁছুবে। আর নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড যেহেতু ব্রিটেনের অন্তর্ভুক্ত সেহেতু অন্য পণ্যগুলো বিনা বাধায় দেশের অন্যত্র পরিবহন করতে আইনত কোন বাধা থাকার কথা নয়। কিন্তু তেমনটা হলে ইইউয়ের পণ্য সামগ্রী তো বিনা বাধায় ব্রিটেনের মার্কেটে ঢুকে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে ব্রেক্সিট হয়ে যাচ্ছে অনেকটাই অকেজো।

এই অবাধ্য পণ্য চলাচলের আশঙ্কা ঠেকাতে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড আর ব্রিটেনের মাঝে সীমান্ত বসানো যেতে পারে,কিন্তু সেটা মোটেও সম্ভব না, কারণ, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ব্রিটেনেরই অংশ। একই দেশের দুই অংশের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বসানো যায় না।

সমস্যাটির সুরাহা সহজ নয়। এ কারণে বরিসের সরকার দরকার মতো আন্তর্জাতিক আইন ভাঙ্গতে হলে সেটাও করবে বলে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এদিকে, ইইউ বলেছে, ব্রিটিশ সরকার যদি তাদের ইন্টারনাল মার্কেট বিলটি আইনে পরিণত করে, তাহলে তারা এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থ নেবে। তারা দাবি জানিয়েছে, ব্রিটিশ সরকার বিলটি বাতিল করুক। সেটা না হলে ইউকে-র সাথে ইইউয়ের বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাবে। ওদিকে, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট বলে দিয়েছে, ব্রিটিশ সরকার যদি উইথড্রয়াল এগ্রিমেন্ট ভঙ্গ করে বা ভঙ্গের হুমকি দেয়, তাহলে বাণিজ্য আলোচনায় কোন ডিল হয়ে গেলেও সেটা তারা অনুমোদন করবে না।

আন্তর্জাতিক আইন ভাঙ্গবার এ রকম কসরতের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন বিরোধী লেবার ও লিবারেল ডেমোক্র্যাট দল তো বটেই, ক্ষমতাসীন কনসারভেটিভ পার্টির মন্ত্রি ও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কনসারভেটিভ এমপিও মুখর এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে।এঁদেরমধ্যে কয়েকজন সিনিয়র কনসারভেটিভ এমপিও রয়েছেন।

নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড বিষয়ক মন্ত্রী ব্রানডন লুইস রাখঢাক না করেই বলেছেন, বিলটি খুব‘ সুনির্দিষ্টভাবে এবং সীমিত পন্থায়‘ আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করবে। হাউস অব কমন্সের ডিফেন্স সিলেক্ট কমিটির চেয়ার, যিনি কনসারভেটিভ পার্টির এমপি, তিনি বলেছেন, এই বিলটি এরই মধ্যে ব্র্যান্ড ইউকে-র ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত করেচলেছে, ক্ষুন্ন করছে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড-এর রোল মডেল হিসেবে আমাদের অবস্থান ।

শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ছিলো ব্রিটিশ বার কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভা। সেখানে এটর্নী জেনারেল স্যুলা ব্র্যাভারম্যান শীর্ষ স্থানীয় ব্রিটিশ আইনজীবিদের প্রশ্নবাণে জেরবার হন। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, এই বিলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চুক্তি ভঙ্গের ইচ্ছা প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গণে ব্রিটেনের কণামাত্র সুনাম কি আর অবশিষ্ট থাকে? অন্য কোন দেশকে আন্তর্জাতিক আইন-বিধি মেনে চলার আহবান জানানোর মতো মুখও আর ব্রিটেনের থাকবে কি-না, আইনজীবিরা তাঁকে সে প্রশ্নও করেন।

লেবার পার্টির সাবেক প্রধানমন্ত্রি টনি ব্লেয়ার এবং কনসারভেটিভ পার্টির সাবেক প্রধানমন্ত্রি জন মেজর সানডে টাইমসে যৌথভাবে লেখা এক নিবন্ধে এই পদক্ষেপের নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, বরিস জনসন সরকারের এ রকম ‘আচরণ নীতিগত দিকে থেকে ভুল‘ এবং ‘প্রয়োগের দিক থেকে বিপদজনক‘।

বরিস জনসন এবং তাঁর ব্রেক্সিট সহযাত্রিরা যে ‘নীতিগত দিকে থেকে ভুল‘ এবং ‘প্রয়োগের দিক থেকে বিপদজনক‘ কাজ এর আগে করেননি, তা নয়। ২০১৬ সালে ব্রেক্সিটের ওপর গণভোটের সময় তাঁরা ব্রেক্সিটের পক্ষে সারা দেশ চষে বেড়িয়ে নানা যুক্তি মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন, ফ্যাক্ট চেকের ধোপে যার অনেকগুলোই টেকেনি। এর মধ্যে তাঁদের সবচেয়ে সাড়া তোলা বক্তব্য ছিলো: ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে থাকার কারণে ব্রিটেনকে প্রতি সপ্তাহে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কাছে পৌঁছে দিতে হচ্ছে ৩৫০ মিলিয়ন পাউন্ড। আমরা এখান থেকে বেরিয়ে গেলে এই অর্থ বাঁচবে এবং তা আমাদের স্বাস্থ্যখাতের (এনএইচএস) আরও উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারবো।

বক্তব্যটি অনেককেই আকৃষ্ট করার মতো এবং আকৃষ্ট করেছেও। কিন্তু কথাটি সত্য ছিলো না। বরিস তাঁর সহযোগিদের নিয়ে এই কাজটি করলেন এবং এরকম অনেক কাজ তিনি প্রধানমন্ত্রি হবার পরেও করেছেন। কিন্তু সত্যি হলো যে, এত করে তাঁকে বা তাঁর সরকারকে এ পর্যন্ত বিপাকে পড়তে হয়নি। তাঁরা উৎরে যাচ্ছেন।

তাঁরা উৎরে যাচ্ছেন, ঠিক। কিন্তু ব্রেক্সিটের বিড়ম্বনা তাঁদের পিছু ছাড়ছে না। হাউস অব কমন্সে ৮০ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বরিস ঘাবড়াচ্ছেন না, এটা ঠিক, কিন্তু দলের এমপিদের সাথে তাঁকে ভার্চুয়াল মিটিংয়ে বসতে হয়েছে এবং মিটিং শেষে তিনি যে আশ্বস্ত, তা বলা যাচ্ছে না। শোনা যাচ্ছে, বরিস তাঁর অবস্থান না বদলালে কনসারভেটিভ দলের সম্ভাব্য বিদ্রোহী এমপিরা সাবেক প্রধানমন্ত্রি তেরিসা মে-কে তাঁদের নেতৃত্বে পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর বিলের সেকেন্ড রিডিং শেষে নির্ধারিত ভোটে কনসারভেটিভ দলের কিছু এমপি বিপক্ষে ভোট দেবেন, আবার অনেকে ভোটদানে অনুপস্থিত থাকবেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। বিলটি হাউস অব লর্ডসে যাওয়ার পর সেখানে যদি তা অনুমোদন না পায় এবং তারপরও বরিস সরকার যদি একটা সমঝোতায় না আসে তাহলে পরবর্তীতে হাউস অব কমন্সে বিলটি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলেই ধারাণা করা হচ্ছে।

শুরু থেকেই ব্রেক্সিট-বিড়ম্বনা বরিসের পিছু লেগে আছে। এবারের বিড়ম্বনা থেকে কোন্ পথে তাঁরমুক্তি সেটি দেখবার বিষয়।


সর্বশেষ

আরও খবর

ভূরাজনৈতিক বিরোধে জাতিসংঘকে দুর্বল না করার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

ভূরাজনৈতিক বিরোধে জাতিসংঘকে দুর্বল না করার আহবান প্রধানমন্ত্রীর


বিশ্বজুড়ে করোনা শনাক্ত রোগী ৩ কোটি ছাড়াল

বিশ্বজুড়ে করোনা শনাক্ত রোগী ৩ কোটি ছাড়াল


ভেঙে ফেলা হবে ভারতের সংসদ ভবন

ভেঙে ফেলা হবে ভারতের সংসদ ভবন


ভারতে এক দিনে রেকর্ড প্রায় ১ লাখ রোগী শনাক্ত

ভারতে এক দিনে রেকর্ড প্রায় ১ লাখ রোগী শনাক্ত


খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ল

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ল


যুক্তরাষ্ট্রে দাবানলে নিহত অন্তত ২৩, নিখোঁজ বহু

যুক্তরাষ্ট্রে দাবানলে নিহত অন্তত ২৩, নিখোঁজ বহু


বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৯ লাখ; আক্রান্ত প্রায় ৩ কোটি

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৯ লাখ; আক্রান্ত প্রায় ৩ কোটি


করোনায় বিশ্ব রেকর্ড ভারতের

করোনায় বিশ্ব রেকর্ড ভারতের


অ্যাসাঞ্জকে সতর্ক করল ব্রিটিশ আদালত

অ্যাসাঞ্জকে সতর্ক করল ব্রিটিশ আদালত


অস্ট্রিয়ায় চালু হলো করোনাভাইরাস ট্রাফিক লাইট ব্যবস্থা

অস্ট্রিয়ায় চালু হলো করোনাভাইরাস ট্রাফিক লাইট ব্যবস্থা