Monday, September 21st, 2020
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই পাকিস্তান ক্ষমা চাইবে ?
September 21st, 2020 at 10:15 am
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই পাকিস্তান ক্ষমা চাইবে ?

মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার লন্ডন, যুক্তরাজ্য;
ঢাকার পশ্চিমে নয়াদিল্লী, ইসলামাবাদ ও আঙ্কারা এবং আরও দূরে আটলান্টিক পেরিয়ে ওয়াশিংটন; আর উত্তর-পূর্বে বেইজিং এবং দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমারের রাজধানী নেপিওডো-এই রাজধানীগুলো এখন ব্যতিব্যস্ত সর্বসাম্প্রতিক টালমাটাল পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টায়।

স্পষ্ট কোন পদচিহ্ন না রেখেই এশিয়ান শক্তি চীন অনেকটা আকস্মিকভাবে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে চলেছে, এটা স্পষ্ট হবার সাথে সাথে সাড়া পড়ে গেছে নানা দেশে। চীনকে ঠেকিয়ে দিতে জোট তৈরী হয়েছে, আবার চীনও জোট বাঁধছে তার সহযোগি দেশগুলোকে সাথে নিয়ে। পালাবদল হচ্ছে নানাভাবে। গতকালের মিত্র আজ বদলে যাচ্ছে। ক‘দিন আগে প্রতিপক্ষে ছিলো এমন কেউ এখন বনে যাচ্ছে বন্ধু।

এ অবস্থায় দেশে এবং বিদেশে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা এক উত্তেজনামুখর কর্মযজ্ঞের মধ্যেই এখন রয়েছেন ধারণা করা যায়। প্রত্যাশিত এই উত্তেজনার মূল কারণ, চীন-ভারত সীমান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ভারতকে একঘরে ফেলার লক্ষ্যে চীনের ‘নিশ্ছিদ্র‘ আয়োজনে বাংলাদেশকেও শামিল করার চেষ্টা। আবার অন্যদিকে, ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের অথৈ জলে চীনের নৌ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা খর্ব করতে মার্কিনী উদ্যোগে সক্রিয় হতে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জোর তাগাদা।

পাকিস্তান-ভারতের বৈরিতার কথা সবারই জানা। নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপ চীনা অর্থনৈতিক সহায়তায় দেশে উন্নয়নের কাজ চালাচ্ছে। এক অর্থে এখন তারা চীনা বলয়েরই অন্তর্ভুক্ত। হিমালয়ের কোলে ক্ষুদ্র পাহাড়ি রাজ্য ভূটানের সাথে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। রইলো বাকি বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে তার বিপুল জনসংখ্যা, সস্তা শ্রম, শক্তিশালী শিক্ষা আর স্বাস্থ্য খাত আর ক্রমশ শক্তিশালী হতে থাকা ভোক্তা-বাজারের কারণে। সুতরাং এখন এই বাংলাদেশকে প্রয়োজন চীনের, ভারতকে ঘায়েল করার লক্ষ্যে। আবার এই বাংলাদেশকেই প্রয়োজন ভারত-যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের, প্রতিপক্ষ চীনকে ঘায়েল করতে।

এ নিয়ে আলোচনা বিস্তৃতির আগে চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বর, এই মাসগুলোতে শুধুমাত্র ঢাকা-কেন্দ্রিক ঘটনাপঞ্জির দিকে একবার চোখ বোলানো যাক।

১ জুলাই: বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রি ড. এ, কে, মোমেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানী রাষ্ট্রদূত ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীর সাথে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকটি নিয়ে কোন তরফেই প্রকাশ্যে তেমন কিছু বলাবলি হয়নি।
২১ জুলাই: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি ইমরান খান ফোনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার সাথে কথা বলেন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা দিল্লী সফরে যাবার আগের দিন ২০১৯-এর ২ অক্টোবরে তাঁর সাথে প্রথম দফা ফোনে কথা বলেছিলেন। ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি হওয়ার পর সেটিই ছিলো দুজনের মধ্যে সরাসরি প্রথম কথোকথন।
১৮ আগস্ট: ঢাকায় এক ঝটিকা সফরে আসেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হংস বর্ধন শ্রীংলা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রির কাছে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রি নরেন্দ্র মোদীর বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন। ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব নেয়ার পর এটাই ছিলো তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। প্রধানমন্ত্রি নরেন্দ্র মোদীর বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিতে তাঁকেই ঢাকা আসতে হবে কেন- পর্যবেক্ষক মহলে সে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। রোহিঙ্গা ইস্যু, তিস্তার পানি বন্টন, সীমান্তে শান্তিকালীন সময়েও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীদের গুলিতে বাংলাদেশের নাগরিকদের হত্যা- ইত্যাদি নানা বিষয়ে ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশ সদুত্তর পায়নি। সে নিয়ে নিজেদের ক্ষোভ ভারতের কাছে বাংলাদেশ গোপনও রাখেনি। এদিকে, চীন অকাতরে বাংলাদেশকে মিলিয়ন এবং বিলিয়ন ডলারের সাহায্য দিয়ে চলেছে। চীন-ভারতের সীমান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে চীন ভারতকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার যে উদ্যোগ নিয়েছে, ভারত তা জানে না, সে রকম নয়। তাই দিল্লী থেকে শ্রিংলাকে ঢাকায় ছুটে আসতে হয়েছে। বোঝাতে হয়েছে, সব সমস্যার অবশ্যই সুরাহা হবে।
১১ সেপ্টেম্বর: মার্কিন ডিফেন্স সেক্রেটারি (প্রতিরক্ষা মন্ত্রি) ড. মার্ক টি, এস্পার ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার সাথে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের খবর অনুযায়ি, তিনি বাংলাদেশে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। আলোচনায় আরও ছিলো, ফ্রি এন্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি) নিয়ে দু‘ দেশের ‘একই রকম‘ অঙ্গীকার, সামুদ্রিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ সুনির্দিষ্টভাবে দ্বিপক্ষীয় অগ্রাধিকারমূলক বিষয়, বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা আধুনিকায়ন, বৈশ্বিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ইত্যাদি।


১৬ সেপ্টেম্বর: তুরষ্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান আঙ্কারা সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রি ড. মোমেনকে জানিয়েছেন, ২০২১-এর প্রথমার্ধে ঢাকায় ডি-৮ গ্রুপের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তাঁর ঢাকা আসার ইচ্ছে রয়েছে। ডি-এইট গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান এরদোয়ান। ঢাকা সম্মেলনের মাধ্যমে ডি-এইটের চেয়ারপারসন হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাপরাধের দায়ে আদালতে দোষি সাব্যস্তদের প্রাণদন্ড কার্যকর করা নিয়ে তুরষ্ক বাংলাদেশের সাথে প্রকাশ্য বিরোধে জড়িয়েছিলো। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সে সময় এমনকি ঢাকা থেকে তুরষ্কের রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়েও নিয়ে গিয়েছিলেন। শেখ হাসিনার সরকার অবশ্য সে বিষয়ে তখন এক ইঞ্চিও ছাড় দেয়নি। এরপর খুব শীতল সম্পর্ক বিরাজমান ছিলো দু‘ দেশের মধ্যে বেশ কয়েক বছর। এখন পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন ঘটেছে, হয়েছে উন্নতি।

চীনা মধ্যস্থতা: পাকিস্তান ক্ষমা চাইবে বাংলাদেশের কাছে
বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে চেষ্টা চলছে বেশ কিছু দিন থেকেই। শোনা যাচ্ছে, এর নেপথ্য কারিগর হচ্ছে চীন। এই প্রেক্ষাপটেই ঢাকায় পাকিস্তানী রাষ্ট্রদূতের সক্রিয় তৎপরতা আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রির কাছে পাকিস্তানী প্রধানমন্ত্রির ফোনকল।

এ বিষয়ে চীনের হিসেব হচ্ছে, একাত্তরে বাংলাদেশে পাকিস্তানের দখলদার সামরিক বাহিনী যে গণহত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, সে কারণে পাকিস্তান নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যেকার বিরোধের মূল কারণটির দূর হবে। এটি পাকিস্তানী দখলদারদের বর্বরতার ফলে বাংলাদেশের গণ-মনোজগতে সৃষ্ট ক্ষতের উপশম করার প্রধান শর্ত- চীন সেটি উপলব্ধি করছে। চীন চাইছে, পাকিস্তান নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করুক, বাংলাদেশের সাথে তার বিরোধের অবসান হোক। তখন পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক ভালো না করার কোন কারণ বাংলাদেশ দেখাতে পারবে না। আর পাকিস্তানের কাছাকাছি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হলে বাংলাদেশকে আস্তে-ধীরে ভারতের কাছছাড়া করার সুযোগও মিলবে।

চীনের সাথে পাকিস্তানের সুসম্পর্কের বয়স কয়েক দশকের। ভারতের সাথে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক বৈরিতার প্রায় সকল পর্যায়েই চীনের নি:শর্ত সহায়তা-সমর্থন পেয়ে এসেছে পাকিস্তান। চীনের সুপরিকল্পিত বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) স্কিমের আওতায় পাকিস্তান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্যে বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছে চীনের কাছ থেকে। সুতরাং, এতো বড় সমর্থকের কথা পাকিস্তান শুনবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

একটি সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২০২১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবের আগেই বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তান নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করবে- এরকম একটি পরিকল্পনা নিয়ে এখন কাজ চলছে বেইজিং আর ইসলামাবাদে। বাংলাদেশের একটি শীর্ষ পর্যায়ে এ খবরের সত্যতা জানতে যোগাযোগ করা হয়েছে, কিন্তু এর সত্যতা স্বীকার অথবা অস্বীকার কোনটিই তারা করেননি।

শেখ হাসিনাকে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রির ফোন
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রি ড. এস্পার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রিকে আচমকা কেন ফোন করলেন? কি এমন জরুরী বিষয় ছিলো যে, ফোনেই কথা বলার জরুরী তাগিদ দেখা দিয়েছিলো? একটি সূত্র বলছে, তিনি মূলত বাংলাদেশকে ফ্রি এন্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি)-এ সক্রিয় ভূমিকা রাখার জোর তাগিদ দিয়েছেন। এফওআইপি-র উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরে আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে নেভিগেশন ও ওভারফ্লাইট চালু রাখা,বিঘ্নহীন বাণিজ্য ও জ্বালানী সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা ইত্যাদি। এর নেতৃত্বে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সাউথ চায়না সী-তে চীনের সীমানা বাড়ানোর চেষ্টা, ইস্ট চায়না সী-তে তার আগ্রাসী আচরণ এবং দ্রত ভারত মহাসাগরের দিকে তার হাত প্রসারিত হতে থাকার প্রেক্ষাপটে এফওআইপিভুক্ত যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়াসহ কিছু দেশ শঙ্কিত। বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে চীন সাগর-মহাসাগরে আন্তর্জাতিক আইন ও বিধি-বিধানকে চ্যালেঞ্জ করছে বলেও এরা মনে করছে। এজন্যেই চীন ঠেকাতে এফওআইপি আরও শক্তিশালী করতে চায় তারা। পাকিস্তানের সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটিয়ে বাংলাদেশকে চীনা বলয়ে নেয়ার জন্যে বেইজিংয়ের চেষ্টা ঠেকিয়ে দিতে একটা বাধা তৈরী এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত দুই দেশের জন্যেই জরুরী। ধারণা করা হচ্ছে এস্পারের ফোনকল ছিলো সেই প্রেক্ষাপটে।

চীনা বলয়ে তুরষ্কের প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সম্পর্ক এখন ভালো যাচ্ছে না। অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে বরং চীনের সাথে তুরষ্কের এখন অনেক ভালো সম্পর্ক বিদ্যমান। সৌদী আরবের প্রচ্ছন্ন মদদে আমিরাত ও বাহরাইন এই সেদিন ইজরায়েলের সাথে ‘বন্ধুত্বের‘ চুক্তি করলো। এরদোয়ান বেশ আগেই ইসলামি বিশ্বে নেতৃত্বের আসন নিতে আগ্রহী ছিলেন। এখন তাঁর সেই আকাংখা আরও প্রবল হওয়ার কথা। ভারতে মোদী সরকার গত বছরের আগস্টে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর এরদোয়ান প্রকাশ্যে তার প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। শোনা যায়, চীন ও ইরান এখন চায় সৌদী আরবের বদলে তুরষ্ক ইসলামি বিশ্বের নেতৃত্বে আসুক। সুতরাং, মধ্যপ্রাচ্যে পালাবদলের যে পালা চলছে, সেখানে চীনা বলয়ে তুরষ্ককে দেখতে পেলে বিস্ময়ের কিছু থাকবে না।

সেই এরদোয়ান ঢাকা আসার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রিকে তুরষ্কের ওই চীনা বলয়ে যুক্ত হতে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালালে দোষ দেয়া যাবে না। এই বলয়ে পাকিস্তান থাকবে, চীনও থাকবে। অর্থাৎ, সেই ভারত বিরোধী বলয়।

এরকম একটি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের কূটনীতিকদের এখন স্বস্তিতে থাকার কোন সুযোগ নেই। আর শুধু কূটনীতিক কেন, সরকারের কোন মহলেরই এখন বিশ্রামের অবকাশ নেই। এখন নিশ্চিতভাবেই বিজনেস ইজ নট এজ ইউজ্যুয়াল।

মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার


সর্বশেষ

আরও খবর

গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ হিসাবে গণমাধ্যম ধারালো হাতিয়ার

গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ হিসাবে গণমাধ্যম ধারালো হাতিয়ার


মহামারী, পাকস্থলির লকডাউন ও সহমতযন্ত্রের নরভোজ

মহামারী, পাকস্থলির লকডাউন ও সহমতযন্ত্রের নরভোজ


ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করুন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করুন


নাচ ধারাপাত নাচ!

নাচ ধারাপাত নাচ!


ক্রোকোডাইল ফার্ম

ক্রোকোডাইল ফার্ম


মাতৃভাষা বাংলা’র প্রথম লড়াই ১৮৩৫ সালে হলেও নেই ইতিহাসে!

মাতৃভাষা বাংলা’র প্রথম লড়াই ১৮৩৫ সালে হলেও নেই ইতিহাসে!


তারুণ্যের ইচ্ছার স্বাধীনতা কোথায়!

তারুণ্যের ইচ্ছার স্বাধীনতা কোথায়!


সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?

সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?


যুদ্ধ এবং প্রার্থনায় যে এসেছিলো সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই আমাদের স্বাধীনতা থাকবে

যুদ্ধ এবং প্রার্থনায় যে এসেছিলো সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই আমাদের স্বাধীনতা থাকবে


বঙ্গবন্ধু কেন টার্গেট ?

বঙ্গবন্ধু কেন টার্গেট ?