Saturday, October 27th, 2018
বাংলাদেশ কারও পৈত্রিক সম্পত্তি নয়: ড. কামাল
October 27th, 2018 at 9:12 pm
বাংলাদেশ কারও পৈত্রিক সম্পত্তি নয়: ড. কামাল

চট্টগ্রাম: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ কারও পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। এদেশের মালিক ১৬ কোটি জনগণ। দেশের মালিক দেশের জনগণ। অথচ এই জনগণকে আজ সভা-সমাবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না’।

শনিবার দুপুরে নগরের কাজির দেউড়িতে নাসিমন ভবনের সামনে নুর মোহাম্মদ সড়কের উপর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন।

সরকারের উদ্দেশ্যে ড. কামাল হোসেন আরো বলেন, ‘সাত দফা দাবি দিয়েছি, মেনে নিন। তা না হলে হলে আপনাদের আইনের কাঠগড়ায় উঠতে হবে।’

সিলেটে গণরায় হয়েছে উল্লেখ করে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আজকে আপনারা জানিয়ে দিন, যারা ক্ষমতা আকড়িয়ে বসে আছে তাদের। হাত উঁচু করে বলুন, আপনারা সাত দফার পক্ষে আছেন কি না। আপনার রায় দিয়েছেন, এখানেও গণরায় হয়ে গেছে। এরপর আমরা রাজশাহীতে যাবো, শেষে ঢাকায় এটাকে আমরা সম্পন্ন করবো। এবার জনগণ যখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। আপনারা জেনে রাখুন, এই চিটাগং থেকে জনসভা করে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। অর্থাৎ এটা অসম্ভব না। এটা সম্ভব।’

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, আপনারা সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন, আপনাদের শাস্তি পেতেই হবে। জনগণকে কষ্ট দিচ্ছে কারা, কারা লালদীঘি মাঠে সমাবেশের অনুমতি দিতে দেয় নাই তাদের খুঁজে বের করা হবে। তখন এই সব কিছুর কৈফিয়ত দিতে হবে। সংবিধানে করা শপথ যারা ভঙ্গ করেছে, সেই শপথ ভঙ্গের জবাব দিতে হবে। আমি বেঁচে থাকলে এর বিরুদ্ধে মামলা করে এর জবাব নেবো। স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার, ভোটের অধিকার সবাই চায়। তাই সাত দফা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করা হয়েছে। এ সাত দফা অমান্য করলে যে শাস্তি পাবেন তা কল্পনাও করতে পারবেন না। এই সাতদফা আদায় না হলে ঐক্যফ্রন্ট ঘরে ফিরবে না। এটা গণমানুষের দাবি।

সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ভৌতিক মামলা অনেক দিয়েছে। কিন্তু সাত দফা দাবি আদায় না করে আমরা আর ঘরে ফিরব না।

ফখরুল বলেন, সরকার নিজেরা নাশকতা-সহিংসতা করে। তারপর এর দোষ চাপায় বিরোধীদলের ওপর। আমরা অন্যায়ের কাছে মাথানত করব না।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও ঐক্যফ্রন্টের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না, আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর প্রমুখ।

গ্রন্থনা ও সম্পাদনা: এম কে রায়হান


সর্বশেষ

আরও খবর

অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চলার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন

অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চলার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন


আগুনে পুড়ল রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১২০০ ঘর

আগুনে পুড়ল রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১২০০ ঘর


এবারের বিজয় দিবসে দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

এবারের বিজয় দিবসে দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী


কমলো এলপিজির দাম

কমলো এলপিজির দাম


উন্নয়নশীল দেশ নিয়ে খুশি না হয়ে, উন্নত দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উন্নয়নশীল দেশ নিয়ে খুশি না হয়ে, উন্নত দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির


জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মারা গেছেন

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মারা গেছেন


ডিআরইউর নতুন সভাপতি মিঠু, সাধারণ সম্পাদক হাসিব

ডিআরইউর নতুন সভাপতি মিঠু, সাধারণ সম্পাদক হাসিব


ওমিক্রন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ; সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

ওমিক্রন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ; সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার


নির্বাচনী সহিংসতায় ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

নির্বাচনী সহিংসতায় ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু


আবার রক্তক্ষরণ হলে খালেদা জিয়ার মৃত্যুঝুঁকি বাড়বে

আবার রক্তক্ষরণ হলে খালেদা জিয়ার মৃত্যুঝুঁকি বাড়বে