Tuesday, January 7th, 2020
বাসুদেব ঘোষের স্মরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন
January 7th, 2020 at 1:50 pm
বাংলামোটরস্থ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে বাসুদেব ঘোষের স্মরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়
বাসুদেব ঘোষের স্মরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি,

ঢাকাঃ সঙ্গীতজ্ঞ, গীতিকবি, সুরকার, শিল্পী, প্রযোজক, পরিচালকদের গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসায় অসামান্য সুরস্রষ্টা বাসুদেব ঘোষের স্মরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সোমবার (০৭ জানুয়ারি, ২০২০ইং) রাজধানীর বাংলামোটরস্থ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে তার স্মরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

৬টা ১৫ মিনিটে অনূষ্ঠানের শুরুতেই প্রয়াত সঙ্গীত পরিচালক বাসুদেব ঘোষ স্মরণে প্রথমেই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে শুভেচ্ছা বক্ত্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান লেজার ভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাজহারুল ইসলাম।

তিনি বাসুদেব স্মরণে বলেন, ‘তিনি ছিলেন গান পাগল মানুষ- তার শুধু গান আর গান। তার চিন্তা চেতনায় শুধু গান।’

তিনি বাসুদেবের স্বর্গীয় আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাসুদেব ঘোষের সহধর্মিনী ডাঃ নবনিতা চক্রবর্তী এবং ছেলে কর্ণসহ বন্ধু-বান্ধব, পরিবার- পরিজন, শুভানুদ্ধায়ী এবং ভক্তবৃন্দ।

বাসুদেব ঘোষের সহধর্মিনী ডাঃ নবনিতা চক্রবর্তী এবং ছেলে কর্ণ

বাসুদেব স্মরণ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিটিভির সাবেক ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা এবং পানি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, সাবেক ডিআইজি মাহফুজুল ইসলাম, সঙ্গীত শিল্পী রুমানা ইসলাম, প্রথিতজশা সঙ্গীত শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের কন্যা বাঁধনসহ প্রমুখ।      

স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নব্বই দশকে এসে দেশের শুদ্ধ সঙ্গীত চর্চায় নতুন ধারার সূচনা করেন বাসুদেব ঘোষ। সেই থেকে তার হাত ধরে বহু শিল্পীর আবির্ভাব ঘটে সংগীত ভুবনে। তিনি একাধারে গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গায়ক ছিলেন।

বক্তারা জানান, বাসুদেব ঘোষের সুর-সংগীতে বেশ কিছু গান শ্রোতামহলে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘তোমার ওই মনটাকে একটা ধুলোমাখা পথ করে দাও’, ‘তুমি হারিয়ে যাওয়ার সময় আমায় সঙ্গে নিও’, ‘আমি খুঁজে বেড়াই আমার মা’, ‘এই করে কেটে গেল ১২টি বছর’, ‘দেহ মাদল’ ইত্যাদি। এছাড়া চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার গান নিয়েও বিশেষ প্রকল্প শুরু করেছিলেন বাসুদেব ঘোষ। কিন্তু কোনো কাজই সমাপ্ত করে যেতে পারলেন না তিনি। মাত্র ৫১ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এ সংগীত পরিচালক। ১৯৯৫ সাল থেকেই তার এ সাধনা শুরু করেন। বিশেষ করে শাশ্বত ধারার বাংলা গান ও দেশাত্মবোধক গান নিয়েই তার কাজ ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

প্রথিতজশা সঙ্গীত শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের কন্যা বাঁধন

বক্তারা বলেন, ২০১১ সাল থেকে তিনি অনেকটা নিভৃতে নিজ উদ্যোগে কাজ করছিলেন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দেশাত্মবোধক গানের অ্যালবাম নিয়ে। তিনি দেশত্বাবোধক গান ১০০০টি করার  ঘোষণা দেন। যার মধ্যে ৯০০টি গান রেকর্ড করেন। এই অ্যালবামে নাম রেখেছিলেন ‘সূর্যালোকে শাণিত প্রাণের গান’। যাতে এর মধ্যে কণ্ঠ দিয়েছেন অনেক শিল্পী। বাকি ১০০ গান হলেই তিনি গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডের দফতরে জমা দিতে চেয়েছিলেন।

সঙ্গীত শিল্পী রুমানা ইসলাম

এছাড়াও, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০টি গান নিয়ে কাজ করছিলেন বাসুদেব ঘোষ। জানা যায়, গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন সুমনা বর্ধন, সজল দাশ, পিন্টু ইসলাম, গোল্ডেন মন্ডল, আশিষ সরকার, রুবেল রহমানসহ আরও কয়েকজন।

এএমএন/


সর্বশেষ

আরও খবর

আগ্রহী বাংলাদেশিদের চীন থেকে  ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

আগ্রহী বাংলাদেশিদের চীন থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ


‘বন্ধু তুমি ছবিতেই সুন্দর’

‘বন্ধু তুমি ছবিতেই সুন্দর’


তাবিথের প্রার্থীতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

তাবিথের প্রার্থীতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট


“করোনাভাইরাস নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় বাংলাদেশ”

“করোনাভাইরাস নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় বাংলাদেশ”


পুরনো রেল লাইনগুলো দ্রুত মেরামতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পুরনো রেল লাইনগুলো দ্রুত মেরামতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


ইশরাকের বাসায় ব্রিটিশ হাই কমিশনার

ইশরাকের বাসায় ব্রিটিশ হাই কমিশনার


প্রধানমন্ত্রীর হাতে রান্না করা খাবার সাকিবের বাসায়

প্রধানমন্ত্রীর হাতে রান্না করা খাবার সাকিবের বাসায়


ডিসিসি নির্বাচনে আসছে অবৈধ অস্ত্র, আটক ১

ডিসিসি নির্বাচনে আসছে অবৈধ অস্ত্র, আটক ১


ইনজামাম- শোয়েবের সুরে বাংলাদেশের কোচ

ইনজামাম- শোয়েবের সুরে বাংলাদেশের কোচ


গোপীবাগে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মীদের সংঘর্ষ

গোপীবাগে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মীদের সংঘর্ষ