Wednesday, November 2nd, 2016
ভ্যানগঘের যে কথাগুলা আপনি জানেন না
November 2nd, 2016 at 10:50 am
ভ্যানগঘের যে কথাগুলা আপনি জানেন না

দীপান্বিতা দত্ত: বিশ্ব চিত্রকলার ইতিহাসে এক কিংবদন্তি নাম ভিনসেন্ট ভ্যানগঘ। ভিনসেন্ট ভ্যানগঘের জন্ম ১৮৫৩ সালের ৩০ মার্চ হল্যান্ডে। মৃত্যু ১৮৯০ সালের ২৯ জুলাই ফ্রান্সে। আসুন জেনে নিই গঘ সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য।

১. ভ্যানগঘের আগে তার আরেক ভাইয়ের নামও ছিল ভ্যানগঘ। জন্মের সময় তিনি মারা যান।

২. ভ্যানঘগের কাটা কান নিয়েও বিতর্কের শেষ নেই। কারো মতে এটা ভ্যানগঘের নিজেরই কাটা। এক গণিকা, যাকে গঘ ভালোবাসতেন, তার কান বাদে কিছুই সুন্দর না বলাতে তিনি কান কেটে ফেলেন তাকে উপহার পাঠাবেন বলে। কারো মতে তা স্রেফ অসুস্থতাজনিত কারণে কাটা। উল্লেখ্য, গঘ সিজোফ্রেনিয়া, সিফিলিস, বায়েপোলার ডিসর্ডার ইত্যাদিতে আক্রান্ত ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক এক তথ্য মতে, গঘের বন্ধু বিখ্যাত শিল্পী গগ্যাঁই তার কান কেটে দেন। অবশ্য মাতাল অবস্থায়। তবে, পুরো কান কাটেননি। কানের একটা অংশমাত্র।

৩. ভ্যানগঘের অনেকগুলো বিখ্যাত ছবিই মানসিক হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় আঁকা। তার খুব বিখ্যাত ছবি স্টারি নাইটও। এটা ফ্রান্সের সেন্ট রেমি দে প্রভিন্সে নামের এসাইলামে ভর্তি অবস্থায় আঁকা।

index

৪.ভ্যানগঘ সবচে বিখ্যাত নিজের আত্মপ্রতিকৃতির জন্য। তার ৩০টার বেশি আত্মপ্রতিকৃতি আছে, যেগুলো ১৮৮৬ থেকে ১৮৮৯ সময় কালে আঁকা। তার আত্মপ্রতিকৃতি আঁকার একটা অন্যতম কারণ দারিদ্রও। টাকার কারণে তিনি মডেল ভাড়া করতে পারতেন না। তাই আত্মপ্রতিকৃতি, স্টিল লাইফ, ল্যান্ডস্কেপ এসব আকঁতেন।

৫. ভ্যানগঘের প্রায় সব মাস্টারপিস মারা যাবার মাত্র ১০ বছরের মধ্যে আঁকা। এসময়ে তিনি প্রায় ৯০০ পেইন্টিং আঁকেন। বিষয়টা সহজ ছিল না তেমন। জীবনের শেষের দিকে অসুস্থও থাকতেন অনেক।

৬. পুরো জীবৎকালে তার ছবি বিক্রি হয় মাত্র ১টা। ছবিটার নাম রেড ভাইনইয়ার্ড।

৭. ভ্যানগঘের মৃত্যু আজও রহস্যাবৃত। আত্মহত্যা বলা হলেও সাম্প্রতিক এক তথ্য মতে, সেখানকার লোকাল এক টিনেজার গঘকে গুলি করার কথাও উঠে এসেছে।

৮.ভ্যানগঘ ছবি আঁকা শুরু করেন ২৭ বছর বয়সে। ১৮৯০ সালে মারা যাবার আগ পর্যন্ত তিনি প্রায় ২০০০ এর মতো ছবি আঁকেন। এর মধ্যে ৯০০টা মতো পেইন্টিং এবং ১১০০র মতো ড্রয়িং, স্কেচ।

unnamed

৯. ভ্যানগঘ ৮০০ মতো চিঠি লিখেছেন ভাই থিওকে। তার এ ভাইই তার সবচে ঘনিষ্ট বন্ধু এবং ছবি আঁকার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। আর্থিক-মানসিক সব ভাবেই।

১০। ভ্যানগঘের প্রথম জীবনের ইচ্ছে ছিল পাদ্রি হবার। পারিবারিক ভাবেই। ছবি বেচার কাজেও গিয়েছিলেন। কিন্তু ক্রেতা যে ছবি কিনতে চাইতেন, তার বদলে অন্য ছবি সাজেস্ট করতেন গঘ। যেগুলো চোখের দেখায় আদতে সুন্দর ছিল না। বা অন্যধরণের ছিল। এভাবে পরে নিজেই ছবি আঁকার দিকে ঝুঁকে পড়েন। ভ্যানগঘের জীবনে সেভাবে কোন প্রেম আসেনি। নারীরা কেউই তাকে ভালোবাসতেন না।

সম্পাদনা: শিপন আলী


সর্বশেষ

আরও খবর

পাথর সময় ও অচেনা বৈশাখ

পাথর সময় ও অচেনা বৈশাখ


৭২-এর ঝর্ণাধারা

৭২-এর ঝর্ণাধারা


আসামে বন্দী রোহিঙ্গা কিশোরীকে কক্সবাজারে চায় পরিবার

আসামে বন্দী রোহিঙ্গা কিশোরীকে কক্সবাজারে চায় পরিবার


ছয় দিনে নির্যাতিত অর্ধশত সাংবাদিক: মামলা নেই, কাটেনি আতঙ্ক

ছয় দিনে নির্যাতিত অর্ধশত সাংবাদিক: মামলা নেই, কাটেনি আতঙ্ক


দক্ষ লেখক, রাজনীতিক; ক্ষমতার দাবা খেলোয়াড়ের মৃত্যু

দক্ষ লেখক, রাজনীতিক; ক্ষমতার দাবা খেলোয়াড়ের মৃত্যু


বইমেলায় আলতামিশ নাবিলের ‘লেট দেয়ার বি লাইট’

বইমেলায় আলতামিশ নাবিলের ‘লেট দেয়ার বি লাইট’


নাচ ধারাপাত নাচ!

নাচ ধারাপাত নাচ!


ক্রোকোডাইল ফার্ম

ক্রোকোডাইল ফার্ম


সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?

সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?


সামার অফ সানশাইন

সামার অফ সানশাইন