Tuesday, January 14th, 2020
মানবতাবিরোধী অপরাধ: সর্বোচ্চ আদালতেও কায়সারের ফাঁসি বহাল
January 14th, 2020 at 10:42 am
পাঁচ বছর আগে ট্রাইব্যুনাল তার রায়ে বলেছিল, “কায়সার এতোটাই নগ্নভাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পক্ষ নিয়েছিলেন যে নিজের গ্রামের নারীদের ভোগের জন্য পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিতেও কুণ্ঠিত হননি।”
মানবতাবিরোধী অপরাধ: সর্বোচ্চ আদালতেও কায়সারের ফাঁসি বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণের মতো যুদ্ধাপরাধের দায়ে জাতীয় পার্টি নেতা ও সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের মৃত্যুদণ্ডের যে রায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দিয়েছিল, সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়েও তা বহাল রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই সিদ্ধান্তের ফলে জাতীয় পার্টির সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে ফাঁসিকাষ্ঠেই যেতে হবে।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার মাত্র এক মিনিটে রায়ের সংক্ষিপ্তসার জানিয়ে দেয়। কায়সারের আপিল আংশিক মঞ্জুর হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সাজা বহাল থাকে। এই বেঞ্চের অন্য তিন সদস্য হলেন- বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি জিনাত আরা এবং বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান।

একাত্তরের মুসলিম লীগ নেতা কায়সার ছিলেন পাকিস্তানি বাহিনীর একজন বিশ্বস্ত সহযোগী। ‘কায়সার বাহিনী’ নামে দল গড়ে তিনি যেসব যুদ্ধাপরাধ ঘটিয়েছেন, সেজন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জের মানুষ তাকে একজন কুখ্যাত ব্যক্তি হিসাবেই চেনে।

সেই কায়সারই স্বাধীন বাংলাদেশে জিয়াউর রহমানের আমলে হয়ে যান বিএনপির লোক, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সময় জাতীয় পার্টির; দল বদলের কৌশলে প্রতিমন্ত্রীও বনে যান।

পাঁচ বছর আগে ট্রাইব্যুনাল তার রায়ে বলেছিল, “কায়সার এতোটাই নগ্নভাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পক্ষ নিয়েছিলেন যে নিজের গ্রামের নারীদের ভোগের জন্য পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিতেও কুণ্ঠিত হননি।”

সেই রয়ে সাতটি অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল কায়সারকে মৃত্যুদণ্ড দেয়, যার মধ্যে দুই নারীকে ধর্ষণের ঘটনা রয়েছে। এই দুই বীরাঙ্গনার মধ্যে একজন এবং তার গর্ভে জন্ম নেওয়া এক যুদ্ধশিশু এ মামলায় সাক্ষ্যও দেন। আর একটি ঘটনায় ছিল নির্বিচারে হত্যার অভিযোগ।


সর্বশেষ

আরও খবর

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ব্যবসায়ীকে খুন, সাংবাদিকদের ঘটনাস্থলে যেতে বাধা

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ব্যবসায়ীকে খুন, সাংবাদিকদের ঘটনাস্থলে যেতে বাধা


কাশিমপুর কারাগার থেকে বন্দি উধাও, ৬ জন বরখাস্ত

কাশিমপুর কারাগার থেকে বন্দি উধাও, ৬ জন বরখাস্ত


স্বপ্ন বাঁচলেই বাংলাদেশ বাঁচবে

স্বপ্ন বাঁচলেই বাংলাদেশ বাঁচবে


ওসিসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে সিনহার বোনের মামলা

ওসিসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে সিনহার বোনের মামলা


যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড় আইসায়াসের আঘাত, নিহত ৫

যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড় আইসায়াসের আঘাত, নিহত ৫


শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী আজ

শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী আজ


বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত ৭৮, ১৯ বাংলাদেশিসহ আহত ৪০০০

বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত ৭৮, ১৯ বাংলাদেশিসহ আহত ৪০০০


এবার ৫ শতাংশ কম পশু কোরবানি

এবার ৫ শতাংশ কম পশু কোরবানি


জুলাইয়ে ২৬০ কোটি ডলারের রেকর্ড রেমিটেন্স

জুলাইয়ে ২৬০ কোটি ডলারের রেকর্ড রেমিটেন্স


৫৫ লাখ মানুষ পানিবন্দি, আশ্রয়কেন্দ্রে ৬৩ হাজার

৫৫ লাখ মানুষ পানিবন্দি, আশ্রয়কেন্দ্রে ৬৩ হাজার