Monday, July 4th, 2022
মুফতি হান্নানসহ ৩ জঙ্গির ফাঁসি বহালের চূড়ান্ত রায় আজ
November 15th, 2016 at 8:28 am
মুফতি হান্নানসহ ৩ জঙ্গির ফাঁসি বহালের চূড়ান্ত রায় আজ

ঢাকা : সিলেটে সাবেক বৃটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ তিন আসামির ফাঁসি এবং দুই আসামির যাবজ্জীবন দন্ড বহালের চূড়ান্ত রায় আজ মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।

মুত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি হলেন-শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপন এবং যাবজ্জীনপ্রাপ্তরা হলেন মুফতি হান্নানের ভাই মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ ওরফে অভি ও মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দাল।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্ব চার সদস্যর বেঞ্চে এ রায় ঘোষণা করবেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার ও বিচারপতি বজলুর রহমান।

আসামিদের করা আপিলের ওপর শুনানি শেষে গতকাল সোমবার রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মুফতি আবদুল হান্নানসহ তিন জঙ্গির ফাঁসির দণ্ডাদেশ এবং দুজনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ, মোহাম্মদ আলী ও রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাসনা বেগম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবীর।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সিলেটে হযরত শাহজালালের মাজার প্রাঙ্গণে ২০০৪ সালের ২১  মে বাংলাদেশে নিযুক্ত তৎকালীন বৃটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক কামাল উদ্দিন, পুলিশ কনস্টেবেল রুবেল আহমেদ ও হাবিল মিয়া নিহত হন। এ ছাড়াও আহত হন আনোয়ার চৌধুরী ও সিলেট জেলা প্রশাসকসহ ৪০/৪৫ জন।

পরে সিলেট কোতোয়ালী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। পরে এ মামলার তদন্ত শেষে ২০০৭ সালের ৭ জুন হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি আবদুল হান্নান ওরফে আবুল কালাম, হান্নানের ভাই মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ ওরফে অভি, শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এ ছাড়া ২০০৮ সালের ১১ মার্চ মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দালের নাম যুক্ত করে সম্পূরক একটি অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

এ মামলায় ৫৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সামীম মো. আফজাল রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে আসামিরা হাইকোর্টে জেল আপিল দায়ের করেন এবং রাষ্ট্রপক্ষ মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। প্রায় সাত বছর পর গত ৬ জানুয়ারি হাইকোর্টে এ বিষয়ে শুনানি শুরু হয়।

বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার আপিল শুনানিতে হাইকোর্টে কয়েকদফা বিচারপতিদের বিব্রত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে কয়েক বছর শুনানি বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের প্রথম দিকে প্রধান বিচারপতি এই আপিল নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চকে দায়িত্ব দেন। ওই বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি রায় দেন।

সম্পাদনা: জাবেদ চৌধুরী


সর্বশেষ

আরও খবর

সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব


আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন

আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন


চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ

চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ


ভোজ্যতেল ও খাদ্য নিয়ে যা ভাবছে সরকার

ভোজ্যতেল ও খাদ্য নিয়ে যা ভাবছে সরকার


তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন

তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন


অত আগুন, এত মৃত্যু, দায় কার?

অত আগুন, এত মৃত্যু, দায় কার?


যে গল্প এক অদম্য যোদ্ধার

যে গল্প এক অদম্য যোদ্ধার


আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০

আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০


সীমান্ত কাঁটাতারে বিদ্যুৎ: আলোচনায় বিজিবি-বিজিপি

সীমান্ত কাঁটাতারে বিদ্যুৎ: আলোচনায় বিজিবি-বিজিপি


চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার