Wednesday, August 3rd, 2016
মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী
August 3rd, 2016 at 7:40 pm
মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

ডেস্ক: সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহর ৩৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৮ সালের ৩ অগাস্ট দুপুরে তীব্র অসুস্থ অবস্থায় পি.জি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

ঘটনাবহুল জীবনের শুরু হয় সন্দ্বীপ থানার বাউরিয়া গ্রামে ১৯০৭ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণের মাধ্যমে। পিতার নাম রমিজ আলী সারেং এবং মা রকিমুন্নেছা। ওয়ালিউল্লাহ এন্ট্রান্স ও আই.এ পাশ করেন যথাক্রমে ১৯২৪ সালে (কার্গিল হাই স্কুল) এবং ১৯৩২ সালে (চট্টগ্রাম কলেজ)। চট্টগ্রাম কলেজ ও বি.এম কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়েও পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে। কর্মজীবনের প্রারম্ভ ১৯৪৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, সরকারী চাকুরীতে যোগ দেয়ার মাধ্যমে। ১৯৬৭ সালে তথ্য দফতরের সাব-এডিটরের পদ হতে অবসর নেন তিনি।

মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হচ্ছে: সংবাদ ও সাংবাদিক (১৯৪৩),  সেকালের কথা(৩ খণ্ড)(১৯৪৯), সেকালের কাহিনী (১৯৫০), ফাঁসীর মঞ্চে (১৯৫২), বিচিত্র জীবন (১৯৫২), সেকাল ও একাল (১৯৫২), আমাদের মুক্তি সংগ্রাম (১৯৫৩), যুগ-বিচিত্রা (১৯৬৭ সালে দাউদ পুরস্কার প্রাপ্ত), জীবন জাগার কাহিনী (১৯৮২)।

মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকা ও সংবাদ প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ও সহকারী সম্পাদক ছিলেন। এগুলোর মধ্যে ওরিয়েন্ট প্রেস অব ইণ্ডিয়া, রেঙ্গুন ডেইলী নিউজ, স্টার অব ইণ্ডিয়া, দৈনিক ইত্তেহাদ, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক মিল্লাত, দৈনিক আজাদ, দৈনিক পয়গাম ও পাক জমহুরিয়াতের নাম উল্লেখযোগ্য। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে ওয়ালিউল্লাহ বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছিলেন। একারণে সন্দ্বীপে তিনি ওলি-গান্ধী নামেও খ্যাত ছিলেন। পাকিস্তান আন্দোলন এবং পাকিস্তানের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও তিনি ছিলেন নিবেদিত প্রাণ। জীবনের শেষভাগে তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ভাসানী) সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সাথেও তিনি বিশেষভাবে যুক্ত ছিলেন।

মুখে সোনার চামচ নিয়ে জন্মালেও শেষ জীবন খুব সুখের হয়নি। ১৯৭৩ সালে ওয়ালিউল্লাহ অন্যায়, অবিচার, জুলুম, রাহাজানির বিরুদ্ধে সাতদিন ঢাকায় আমরণ অনশন ধর্মঘট করেন। তৎকালীন সরকার সব অনাচার দমনের ওয়াদা দিলে তিনি অনশন ভঙ্গ করেন। ১৯৭৩ সালে মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সন্দ্বীপ হতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হতে পারেননি। মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ কলিকাতাস্থ ও ঢাকাস্থ সন্দ্বীপ অ্যাসোসিয়েশনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। সন্দ্বীপকে চট্টগ্রামের সাথে সংযুক্তির আন্দোলনের পক্ষে তিনি একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেন এবং ঐ আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

মৃত্যুর পর শাহজাহানপুর গোরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

নিউজনেক্সটবিডিডটকম/এসকেএস


সর্বশেষ

আরও খবর

দ্য ডেইলি হিলারিয়াস বাস্টার্ডস

দ্য ডেইলি হিলারিয়াস বাস্টার্ডস


করোনা নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের কবিতা

করোনা নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের কবিতা


পাথর সময় ও অচেনা বৈশাখ

পাথর সময় ও অচেনা বৈশাখ


৭২-এর ঝর্ণাধারা

৭২-এর ঝর্ণাধারা


বইমেলায় আলতামিশ নাবিলের ‘লেট দেয়ার বি লাইট’

বইমেলায় আলতামিশ নাবিলের ‘লেট দেয়ার বি লাইট’


নাচ ধারাপাত নাচ!

নাচ ধারাপাত নাচ!


ক্রোকোডাইল ফার্ম

ক্রোকোডাইল ফার্ম


সামার অফ সানশাইন

সামার অফ সানশাইন


মুক্তিযুদ্ধে যোগদান

মুক্তিযুদ্ধে যোগদান


স্বাধীনতার ঘোষণা ও অস্থায়ী সরকার গঠন

স্বাধীনতার ঘোষণা ও অস্থায়ী সরকার গঠন