Thursday, October 27th, 2016
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ৫টি বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন  
October 27th, 2016 at 11:06 pm
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ৫টি বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন  

ফারহানা করিম চোধুরী, ডেস্ক:

৮ নভেম্বর বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এদিন মার্কিনীরা তাদের ৪৫ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন। দেশটির সোয়া দুইশ বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে এবারে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনটিকে সবচেয়ে বিতর্কিত নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণায়, প্রেসিডেন্ট বিতর্কে রিপাবলিকান পার্টির মনোনীত প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন একে অপরের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে যেভাবে কাদা ছোড়াছুড়ি করেছেন এবং এখনো করে যাচ্ছেন তাতে এবারের নির্বাচনটি ইতিমধ্যেই জঘন্যতম নির্বাচনের খেতাব পেয়ে গেছে।

এছাড়া ভোটের আগেই এতে ব্যাপক কারচুপি হবে এধরনের অভিযোগ তুলে এবং ফলাফল যাই হোক তা মেনে নেয়া কিংবা না নেয়ার ব্যাপারে নিজের অবস্থান স্পষ্ট না করার কারণে সমালোচিত এবং নিন্দিত হচ্ছেন ট্রাম্প। অনেকেই হয়তো ধারণা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মত বিতর্কিত নির্বাচন আর কখনো হয়নি। কিন্তু বিষয়টি আসলে তা নয়। এবারের নির্বাচনের মত এতোটা না হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭টি বিতর্কিত নির্বাচনের ইতিহাস রয়েছে। ১৮০০, ১৮২৪, ১৮৬০, ১৮৭৬, ১৯১২, ১৯৪৮ এবং সর্বশেষ ২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বিতর্কিত নির্বাচনের খেতাব পেয়েছে। কি কারণে নির্বাচনগুলি এতো বিতর্কিত তা জেনে নেয়া যাক।


  • ১৮০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

যুক্তরাষ্ট্রে ১৮০০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনটি ছিল দেশটির ইতিহাসে চতুর্থ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। দেশটির ইতিহাসে এটিই সর্বপ্রথম বিতর্কিত নির্বাচন। এটিকে সংকটময়, বিতর্কিত এবং পরিবর্তনের নির্বাচন বলা হয়। এই নির্বাচনে কদর্যভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিন্দা করা হয়েছে। নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক-রিপাবলিকান প্রার্থী থমাস জেফারসন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

এটি নিয়ে এতো বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল যে, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক জোয়ান ফ্রিম্যান লিখেছিলেন, ১৮০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এতোটা অমঙ্গলজনক, জঘন্য এবং সংকটময় ছিল যে জাতির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে গিয়েছিল। এই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট পদের ভোট প্রক্রিয়ায় মৌলিক সাংবিধানিক ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়।

তিনি জানান, ১৮০০ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী থমাস জেফারসন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী অ্যারন বার সমান সংখ্যক ভোট পেয়েছিলেন। ফলে উভয় প্রার্থীই প্রেসিডেন্ট পদের দাবিদার ছিলেন। ডেমোক্রেটিক-রিপাবলিকান ভোটারদের যোগাযোগ ত্রুটির কারণে এটি ঘটেছিল। এই নির্বাচনে প্রত্যেক ভোটার প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট দুজন প্রার্থীকেই ভোট দিতে পারতেন। এক্ষেত্রে যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ভোট পেতেন তিনি প্রেসিডেন্ট হতেন। আর যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেতেন তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতেন। কিন্তু থমাস জেফারসন এবং অ্যারন বার সমান সমান ৭৩-৭৩টি করে ভোট পান।

অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী ফেডেরালিস্ট পার্টির প্রার্থী জন অ্যাডামস ৬৫ ভোট পান। ফলে বিষয়টির সমাধানের জন্য হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে যাওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ট্রেজারি সেক্রেটারি আলেকজান্ডার হ্যামিলটন ফেডেরালিস্টদের সমর্থনে থমাস জেফারসনকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। এই অচলাবস্থা কাটিয়ে জেফারসনকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা দিতে ৬ দিন সময় লেগেছিল।

পরবর্তীকালে ১৮০৬ সালে সংবিধানের ১২ তম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আলাদা ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়।

  • ১৮২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:

মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সি-স্প্যান ১৮২৪ সালের নির্বাচনকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের বিতর্কিত নির্বাচনগুলির অন্যতম হিসেবে বর্ণনা করে। এসময় ফেডেরালিস্ট পার্টির বিলুপ্তি ঘটে। ফলে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে যে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তারা সবাই ডেমোক্রেটিক-রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ছিলেন।

এই নির্বাচনে ১৮১২ সালের যুদ্ধের নায়ক অ্যান্ড্রু জ্যাকসন ৯৯টি ইলেকটোরাল ভোট পান। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কুইন্সি অ্যাডামস ৮৪ টি, ট্রেজারি সেক্রেটারি উইলিয়াম ক্রফোর্ড ৪১ টি এবং হাউস স্পিকার হেনরি ক্লে ৩৭ টি ইলেকটোরাল ভোট পান। ফলে কোন প্রার্থীই পর্যাপ্ত সংখ্যক ইলেকটোরাল ভোট পেতে সক্ষম হননি। আবারো ফলাফল নির্ধারণের জন্য হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের শরণাপন্ন হতে হয়।

একমাস ধরে দর কষাকষির পর ক্লের সমর্থকরা জন কুইন্সি অ্যাডামসের পক্ষে ভোট দেন। ফলে তাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এদিকে প্রেসিডেন্ট পদে অভিষেকের পর কুইন্সি যখন হেনরি ক্লে’কে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন তখন ক্রুদ্ধ অ্যান্ড্রু জ্যাকসন এটিকে দুর্নীতিগ্রস্ত দর কষাকষি হিসেবে আখ্যায়িত করে সিনেট থেকে পদত্যাগ করেন।

পরবর্তীকালে ১৮২৮ সালে তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান হিসেবে জন কুইন্সি অ্যাডামসকে(ন্যাশনাল রিপাবলিকান পার্টি) পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

  • ১৮৬০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:

এই বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেবল বিতর্কিতই বলা যাবে না  এটি মার্কিন জাতিকে দ্বিধা বিভক্তও করে ফেলে। এসময় রিপাবলিকান পার্টির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন আব্রাহাম লিংকন। তিনি দাসপ্রথার বিরোধী ছিলেন। ফলে দাসত্ব প্রথার পক্ষ অবলম্বন করা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ রাজ্যগুলির ভোটপত্রে তার নাম ছিল না। এদিকে ডেমোক্রেটিক পার্টি সিনেটর স্টিফেন ডগলাসকে তাদের প্রার্থী মনোনীত করে।  তবে ডেমোক্রেটিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্যগুলির শাখা, ভাইস প্রেসিডেন্ট জন ব্রেকেনরিজকে তাদের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়।

এই নির্বাচনে লিংকন শতকরা ৪০ ভাগ পপুলার ভোট পান। কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়া এবং অরেগন অঙ্গরাজ্যসহ উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ ইলেকটোরাল ভোট তিনি জয় করেন। নির্বাচনে লিংকন জয়ী হওয়ার সপ্তাহখানেক পরেই সাউথ ক্যারোলাইনা রাজ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য ভোট দেয়। দক্ষিণাঞ্চলের আরো ছয়টি রাজ্য সাউথ ক্যারোলাইনাকে অনুসরণ করে। ১৮৬১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা আলাদা ‘কনফেডারেট স্টেট অব আমেরিকা’ গঠন করে এবং জেফারসন ডেভিসকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে।

  • ১৮৭৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:

এই বছরের নির্বাচনে ওহাইও’র গভর্নর রাদারফোর্ড বি হেইস রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মনোনীত হন। এদিকে ডেমোক্রেটিক পার্টি নিউইয়র্কের গভর্নর স্যামুয়েল টিলডেনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়। নির্বাচনি প্রচারণার সময় উভয় পার্টিই পরস্পরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনে।

অ্যারি হুগেনবুম তার ‘রাদারফোর্ড বি হেইস: ওয়ারিয়র অ্যান্ড প্রেসিডেন্ট’ বইতে লিখেন, নির্বাচনের রাতে হেইস যখন ঘুমুতে যান, তখনো পর্যন্ত তিনি বিশ্বাস করেছিলেন ভোটে তার পরাজয় ঘটবে। যখন ভোট গণনা করা হয়, তখন টিলডেন পপুলার ভোটে বিজয়ী হন। এছাড়া তিনি ইলেকটোরাল ভোটেও ১৮৬-১৬৫ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু সাউথ ক্যারোলাইনা, অরেগন, ফ্লোরিডা এবং লুইসিয়ানার ইলেক্টরাল ভোট গণনা তখনো বাকী ছিল।

উভয় পার্টিই ভোট জালিয়াতিতে জড়িত ছিল বলে ধারণা করা হয়। এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কে বিজয়ী হচ্ছেন তা স্পষ্ট করা যায়নি। এদিকে ফ্লোরিডায় সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে কে বিজয়ী হয়েছে তা নির্ধারণ করা  কঠিন হয়ে পড়েছিল। ডেমোক্রেটিকদের ব্যালটে রিপাবলিকানদের প্রতীক দিয়ে ছাপানো হয়েছিল, যাতে অশিক্ষিত ভোটারদের প্রভাবিত করা যায়। যদিও হেইস পপুলার ভোটে টিলডেনের কাছে পরাজিত হন কিন্তু বিতর্কিত নির্বাচনে ইলেক্টোরাল ভোটের মাধ্যমে প্রেসিডেণ্ট নির্বাচিত হন তিনি।

  • ১৮৮৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:

ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট গ্রেভর ক্লিভল্যান্ড দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য লড়াই করেন। এক্ষেত্রে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন রিপাবলিকান পার্টির বেঞ্জামিন হ্যারিসন। নির্বাচনে ক্লিভল্যান্ড ৯৩ হাজারের বেশি পপুলার ভোট পেলেও ইলেকটোরাল ভোটে তিনি পরাজিত হন। হিস্টোরি টেলিভিশন চ্যানেল অনুযায়ী, ক্লিভল্যান্ড তার প্রথম মেয়াদের নির্বাচনে নিউইয়র্ক এবং ইন্ডিয়ানাতে জয় পেলেও দ্বিতীয় মেয়াদে এই অঞ্চলগুলি হ্যারিসনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

এছাড়া ১৯১২ এবং ১৯৪৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়েও বিতর্ক ছিল।

  • ২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:

 রাটগার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইগলেটন ইনস্টিটিউট অব পলিটিকস ২০০০ সালের নির্বাচনের ফলকে মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে উদ্ভট ভোট গণনা বলে উল্লেখ করেছে।

এই নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর পপুলার ভোটে এগিয়ে ছিলেন কিন্তু ইলেকটোরাল কলেজে পরাজিত হন।  নির্বাচনে বিভিন্ন রাজ্যে বুশ এবং গোরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল। অবশেষে ভোটের ফলাফল নির্ধারণের জন্য ফ্লোরিডা রাজ্যের উপর নির্ভর করতে হয়।

ফ্লোরিডার প্রাথমিক ভোট পুনর্গণনায় সর্বমোট ৬ মিলিয়ন ভোটের মধ্যে ৩০০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন জুনিয়র বুশ। এই রাজ্যের কিছু কিছু কাউন্টি ভোট পুনর্গণনা শুরু করলে তাদের থামাতে আদালতে যান বুশ। পরবর্তীকালে আদালতের সিদ্ধান্তে জুনিয়র বুশ প্রেসিডেণ্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রেসিডেন্টদের একজন ছিলেন জর্জ জুনিয়র বুশ। এছাড়া ২০০০ সালের নির্বাচনটিও দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত নির্বাচনের খেতাব লাভ করে।

সূত্র: ফাইন্ডিংডালসিনিয়া ডটকম, হিস্টোরি ডটকম, সম্পাদনা: তুহিন সাইফুল


সর্বশেষ

আরও খবর

আসামে বন্দী রোহিঙ্গা কিশোরীকে কক্সবাজারে চায় পরিবার

আসামে বন্দী রোহিঙ্গা কিশোরীকে কক্সবাজারে চায় পরিবার


ছয় দিনে নির্যাতিত অর্ধশত সাংবাদিক: মামলা নেই, কাটেনি আতঙ্ক

ছয় দিনে নির্যাতিত অর্ধশত সাংবাদিক: মামলা নেই, কাটেনি আতঙ্ক


করোনায় আক্রান্ত শচীন

করোনায় আক্রান্ত শচীন


করোনায় আক্রান্ত ইমরান খান

করোনায় আক্রান্ত ইমরান খান


জাপানে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

জাপানে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত


দক্ষ লেখক, রাজনীতিক; ক্ষমতার দাবা খেলোয়াড়ের মৃত্যু

দক্ষ লেখক, রাজনীতিক; ক্ষমতার দাবা খেলোয়াড়ের মৃত্যু


৭০ জনকে হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী : জাতিসংঘ

৭০ জনকে হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী : জাতিসংঘ


সিনেটে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি ডলারের করোনা সহায়তা বিল পাস

সিনেটে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি ডলারের করোনা সহায়তা বিল পাস


সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?

সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?


ভারতে বোমারু মিজানের ২৯ বছর জেল

ভারতে বোমারু মিজানের ২৯ বছর জেল