Monday, September 26th, 2016
‘যুদ্ধে যেও না, ক্রিকেটে ফেরো’
September 26th, 2016 at 8:29 pm
‘যুদ্ধে যেও না, ক্রিকেটে ফেরো’

ডেস্ক:

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যুদ্ধের ভয় না দেখিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ক্রিকেট খেলানোর পরামর্শ দিয়েছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জাভেদ মিয়াঁদাদ। কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই পরামর্শ দেন তিনি। গত শনিবার রাত দশটার দিকে করাচি থেকে ফোনের মাধ্যমে টানা চল্লিশ মিনিটের এই সাক্ষাৎকার দেন মিয়াঁদাদ।

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের উরি সেনাঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় ১৮ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানকে দায়ী করার পর, দেশ দুটিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উভয় দেশের রাজনীতিবিদ, সাধারণ জনগণসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ এই উত্তেজনায় পরিপ্রেক্ষিতে স্ব স্ব প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। উরি হামলার পরে নেয়া জাভেদ মিয়াঁদাদের সাক্ষাৎকারেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। ভারতীয় সাংবাদিকের সঙ্গে কথোপকথনে পাকিস্তানি এই ক্রিকেট তারকা পুরো ঘটনাটি কিভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তা জেনে নেয়া যাক।

প্রশ্ন: ভারতে রব উঠেছে উরির ঘটনার পর পাকিস্তানের সঙ্গে এখন আর ক্রিকেট না খেলার।

মিয়াঁদাদ: খেলবে না খেলবে না। ভারত কি মাথা কিনে নিয়েছে না কি? এতে আমরা চিন্তিত নই। বহু বছর ধরেই তো ভারত আমাদের সঙ্গে খেলছে না। আমরা টেস্ট ক্রিকেটে এখন বিশ্বের এক নম্বর টিম। ভারত র‍্যাংকিংয়ে দুই। এবার সত্যিকারের এক কে, সেটা নিষ্পত্তির জন্য ভারত যদি খেলতে না চায়, ভাল কথা। কেউ ওদের সাধতে যাবে না।

প্রশ্ন: উরিতে যে ভাবে জওয়ানদের হত্যা করা হয়েছে, তাতে পাকিস্তানবিরোধী প্রতিক্রিয়া কি স্বাভাবিক নয়?

মিয়াঁদাদ: (প্রচণ্ড গলা চড়িয়ে) কোনো গ্যারান্টি আছে ওটা পাকিস্তান মেরেছে? একটা প্রুফ দেখাতে পারবেন যে, সরকার ইনভলভ্‌ড ছিল? ও রকম একটা হাই সিকিওরিটি জোন। সেখানে সীমান্তের ওপার থেকে এসে মেরে দিয়ে চলে গেল, এটা হতে পারে? ইন্ডিয়ায় এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। মোদি গভর্মেন্টের রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্লেমের পর ব্লেম। যেখানে যা কিছু হবে, পাকিস্তান। সব খারাপ কাজের জন্য পাকিস্তান দায়ী। আচ্ছা ভাই আপনাকে দুটো প্রশ্ন করি। খালিস্তান মুভমেন্টে কি পাকিস্তান ছিল? গুজরাতে মোদির গণহত্যা কি পাকিস্তান করিয়েছিল?

প্রশ্ন: আপনি তো প্রচণ্ড উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন।    

মিয়াঁদাদ: উত্তেজিত তো হবই। গোটা পাকিস্তানি জনগণ রেগে গিয়েছে। ভেবেছেটা কি ভারত? যুদ্ধের হুমকিতে আমরা কেঁপে যাব? খুব ভুল করছে। আমরা অনেক ছোট দেশ হতে পারি। কিন্তু আমার দেশের মানুষ মরতে ভয় পায় না। বরং মনে করে, এ রকম বীরত্বের মৃত্যু হলে তারা বেহেস্তে যাবে। মনে রাখবেন, আপনাদের যেমন ক্ষেপণাস্ত্র আছে আমাদেরও তেমন ক্ষেপণাস্ত্র আছে। লড়াই হলে কারোরই কোনও সুবিধে হবে না।

javed-inzamam-imran

প্রশ্ন: দু’দেশের মহাতারকা ক্রিকেটাররা এমন উত্তেজক পরিস্থিতিতে কোনও ভূমিকা নিতে পারেন? যেমন আপনি, ইমরান, জহির। এ দিকে শচিন, কপিল, গাভাস্কার।  

মিয়াঁদাদ: ক্রিকেটাররা কি করবে? এগুলো তো হচ্ছে রাজনীতিবিদদের থেকে। বেচারি ক্রিকেটারের হাতের বিষয়ই নয়। সব করছে ওই একটা লোক। মোদি। আমি সত্যিকার অর্থে বাজপেয়ীকে খুব মিস করছি। মাঝখানে উনি আর আদভানি মিলে দু’দেশের মধ্যে একটা শান্তির পরিবেশ তৈরি করেছিলেন।

প্রশ্ন: আপনি মোদিকে দোষ দিচ্ছেন। অথচ তিনি বারবার পাকিস্তানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। এমনকি নওয়াজের জন্মদিনে পাকিস্তান গিয়েছেন। 

মিয়াঁদাদ: তাতে কিছুই বদলাচ্ছে না। ওর অতীতই যথেষ্ট। উনিতো নিজের মুখে বলেছেন, গোধরায় কি করেছেন। এ রকম একটা লোক যদি একটা দেশের নেতৃত্বে থাকে, যা হওয়ার তাই হচ্ছে।

প্রশ্ন: আপনি কি নওয়াজকে ধোয়া তুলসিপাতার সার্টিফিকেট দিচ্ছেন?     

মিয়াঁদাদ: আরে ভাই নওয়াজ তো এতটা নীচে নামেননি যে, সব কিছুর জন্য ভারতকে দায়ী করছেন! আজকে টিভিতে শুনলাম, পাকিস্তানি শিল্পী আর গায়কদের আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ছেড়ে যেতে বলা হচ্ছে। কি অপমানজনক ভাবুন! ওদের ডেকে আনা হয়েছে। ওরা আপনাদের কাছে মেহমানের মতো। হঠাৎ তাদেরই কি না বলা হচ্ছে, যাও বেরিয়ে যাও! ভারতীয় অনেক শিল্পীরা তো এখানে আসেন। আমরা একজনের সঙ্গেও এ রকম ব্যবহার করেছি?

প্রশ্ন: সে তো কয়েক মাস আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইডেন গ্যালারিও পাকিস্তান টিমকে অঢেল ভালবাসা দিয়েছে।

মিয়াঁদাদ: সেটা সম্ভব হয়েছিল কলকাতা বলে। ভারতের ওই একটা জায়গা যেখানে আমরা সব সময় সাপোর্ট আর নিরপেক্ষতা পেয়েছি। আমার কাছে ইডেন সর্বকালের সেরা নিরপেক্ষ মাঠ হয়ে থাকবে। যারা নিজের টিমের এক নম্বর খেলোয়াড় গাভাস্কারের বিরুদ্ধেও আওয়াজ তুলেছিল। কেবল এই ঘটনাটাই প্রমাণ করে যে, আমার নিজের সুপারস্টারকেও যদি কোনও কারণে অপছন্দ হয়, আমি আওয়াজ তুলতে দ্বিধা করব না। আমার আপত্তি হল, ম্যাচটা তো কলকাতায় ছিল না। ধর্মশালা করতে পারল না বলে এল। মোদির কাছে আমার প্রশ্ন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাই তুমি সুনিশ্চিত করতে পারো না, তুমি  পাকিস্তানের দিকে আঙুল তুলছ?

প্রশ্ন: অভ্যন্তরীণ বলতে?     

মিয়াঁদাদ: এই যে, পাকিস্তানবিরোধী স্লোগানে একটা শহর থেকে ম্যাচ চলে যাওয়া। কই আমাদের দেশে তো কখনও হয়নি। কাল যদি বিরাট কোহলি বলে, লাহোরে খেলতে চাই, লাহোরেই খেলবে। করাচি হলে করাচি। গুজরানওয়ালা হলে গুজরানওয়ালা। কোথাও কোনও সমস্যা হবে না। আজ অবধি হয়ওনি। ভারত থেকে যত মেহমান এসেছে, হাসি মুখ নিয়ে ফেরত গেছে।

প্রশ্ন: সে তো পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও সত্যি। পাকিস্তান যখন খেলতে এসেছে, পাক সমর্থকদের যথেষ্ট আতিথেয়তা দেখানো হয়েছে। 

মিয়াঁদাদ: আমার বক্তব্য শুধু সেটা নয়। আমি বলতে চাইছি, যে সরকার দেশে একটা বিক্ষোভ সামাল দিতে পারে না, যারা  বলে নিজের সেনা ছাউনির মধ্যে  অন্য দেশ মেরে দিয়ে যাচ্ছে, তাদের কি বিশ্বাসযোগ্যতা, বোঝাই যাচ্ছে। আরে ভাই, নিজের দেশকেই তুমি ম্যানেজ করতে পারছ না। তুমি অন্য দেশের দিকে আঙুল তোলো কি করে?  দু’দেশের সম্পর্ক খারাপ এই লোকগুলোই করে। নিজের স্বার্থে করে। দু’দেশের জনগণ করে না।

প্রশ্ন: আপনি নিজেই তো রাজনৈতিক নেতাদের মতো কথাবার্তা বলছেন।

মিয়াঁদাদ: একটুও না। বরং আমি সাধারণ মানুষের সেন্টিমেন্ট থেকে বলছি। ভারতকে মনে রাখতে হবে, পৃথিবী আগের মতো নেই। মিডিয়াও আর আগের সেই মিডিয়া নয়। এখন সবাই জানে কোথায় কি হচ্ছে। আমার প্রস্তাব হল, একটা গণভোট করা হোক ভারতে। দেখা হোক পাকিস্তান সম্পর্কে কি মনোভাব।

প্রশ্ন: আপনার মতে সেই ভোটে কি হবে?

মিয়াঁদাদ: শতকরা নব্বই শতাংশ বলবে পাকিস্তান নিয়ে তাদের কোনও অসূয়া নেই। বলবে না দশ শতাংশ। ঠিক সেই পার্সেন্টেজ যারা ঘোঁটটা পাকাচ্ছে।

javed-miandad-1

প্রশ্ন: সরাসরি বলুন, আপনার মতে উরির ঘটনায় পাকিস্তান জড়িত নয়?

মিয়াঁদাদ: অবশ্যই নয়। উগ্রপন্থী আক্রমণ তো এখন পৃথিবীর সর্বত্র হচ্ছে। আমাদের দেশে দৈনিক কত লোক মারা যাচ্ছে জানেন? আমাদের তো তা হলে বলতে হয়, প্রত্যেকটা উগ্রপন্থী আক্রমণের জন্য ভারত দায়ী।

প্রশ্ন: এই সময় নামী ফিল্মস্টার বা ক্রিকেটাররা কি গুডউইল অ্যাম্বাসেডরের কাজ করতে পারেন?

মিয়াঁদাদ: করতে পারলে ভাল হত। ক্রিকেটার বা ফিল্মস্টারদের ভালবাসার ব্যাপারে তো মধ্যিখানে কোনও কাঁটাতার নেই। বিরানব্বইয়ে আমরা যখন বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলছি, ভারত থেকে প্রচুর সাপোর্ট পেয়েছিলাম। সমস্যা হল আমাদের হাতে তো কিছু নেই। কে শুনছে আমাদের কথা? সব ঠিক করছে রাজনীতিবিদরা। আর নিজেদের ধান্দার জন্য বিরোধটা জিইয়ে রাখছে।

প্রশ্ন: উরির ঘটনার পর ভারতীয় জনগণও কিন্তু খুব ক্ষুব্ধ।

মিয়াঁদাদ: আমি বিশ্বাস করি না। বরং আমি মোদিকে বলতে চাই, দুবাইয়ে যখন প্রবাসী ভারতীয়রা বসে পাকিস্তানের ম্যাচ দেখেন, কই তাদের চোখে তো আমি কোনও বিদ্বেষ দেখি না। কানাডায়, আমেরিকায়, ইংল্যান্ডে, দুবাইয়ে, যখন পাকিস্তানি আর ভারতীয়রা পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ বসবাস করেন, তখন তাদের মধ্যে তো কোনও ক্ষোভ দেখি না। তা হলে এই দু’টো দেশের মধ্যে  ক্ষোভ তৈরি হয় কেন?

প্রশ্ন: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রধানও তো বলেছেন, এই মুহূর্তে পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট নয়।   

মিয়াঁদাদ: ভারতীয় বোর্ডের কথা ছাড়ুন। চিরকাল নিজেদের ধান্দায় পাকিস্তানকে ব্যবহার করেছে। পাকিস্তান এসেছে, এরা হোম সিরিজ করে মাল তুলে নিয়েছে। পাল্টা যখন যাওয়ার কথা ছিল, যায়নি। এই তো ক’বছর আগে জারদারির সময়ে পাকিস্তান পাঁচটা ম্যাচ খেলে গেল ভারতে। স্রেফ এই প্রতিশ্রুতি পেয়ে যে, এর পর ভারতও আসবে। কোথায় কি? পাকিস্তান আসা তো দূরের কথা,  দুবাইয়ে পর্যন্ত খেলতে যেতে রাজি হল না ভারত। আজ বলছে, খেলবে না। আমরা বলছি, এটা আর নতুন কথা কি? তুমি তো ভাই বহু বছরই খেলছ না। যখন নিজের দেশে ওয়ার্ল্ড কাপ করছ, তখন আমাকে ব্যবহার করছ। ওয়ার্ল্ড কাপ শেষ হয়ে গেলেই আমি আবার ছিবড়ে।

প্রশ্ন: আপনার মতে দু’দেশে উত্তেজনা তা হলে কমবে কি ভাবে?   

মিয়াঁদাদ: ক্রিকেট দিয়েই কমাতে হবে। যুদ্ধ করে কোনও লাভ নেই। যুদ্ধের পরিণতি ভয়ঙ্কর। আবার বলি, মুসলমানরা যুদ্ধে ভয় পায় না। প্রশ্ন হল, আমার মতো অর্থাৎ আমার বয়সিরা তো জীবন কাটিয়ে ফেলেছে। আমার পরের প্রজন্ম, যারা জীবন দেখেনি, তারা যুদ্ধে প্রাণ দেবে কেন?

প্রশ্ন: ক্রিকেটীয় সমাধান তা হলে কি ভাবে?   

মিয়াঁদাদ: আমার মতে দু’দেশের মধ্যে দুটো প্রতীকী ম্যাচ হোক। সেটা ওয়ানডে হতে পারে অথবা টি-টোয়েন্টি। একটা ম্যাচ হবে পাকিস্তানে, অপরটা ভারতে।

প্রশ্ন: পাকিস্তানে তো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট হয় না।   

মিয়াঁদাদ: এটা তেমন হলে প্রীতি ম্যাচ করা যেতে পারে। কিন্তু দু’দেশেই হতে হবে। নইলে জনগণের বিশ্বাস ফিরবে না। ভারতীয় বোর্ডের চিরাচরিত ব্যবহার চলবে না। এক বার আমরা যাব, এক বার তোমরা আসবে। আমার স্লোগান— যুদ্ধে যেও না, ক্রিকেটে ফেরো।

গ্রন্থনা: ফারহানা করিম,  সম্পাদনা: তুসা


সর্বশেষ

আরও খবর

৪২ ও ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

৪২ ও ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ


করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, ৭৮ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত

করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, ৭৮ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত


ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী


আনিসুল হত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার গ্রেপ্তার

আনিসুল হত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার গ্রেপ্তার


পাওয়ার গ্রিডের আগুনে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট, ব্যাপক ক্ষতি

পাওয়ার গ্রিডের আগুনে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট, ব্যাপক ক্ষতি


দুইদিনের বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

দুইদিনের বিক্ষোভের ডাক বিএনপির


বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ২৮ নেতাকর্মী রিমান্ডে

বাস পোড়ানোর মামলায় বিএনপির ২৮ নেতাকর্মী রিমান্ডে


অবশেষে পাঁচ বছর পর নেপালকে হারালো বাংলাদেশ

অবশেষে পাঁচ বছর পর নেপালকে হারালো বাংলাদেশ


মাইন্ড এইড হাসপাতালে তালা, মালিক গ্রেপ্তার

মাইন্ড এইড হাসপাতালে তালা, মালিক গ্রেপ্তার