Tuesday, July 16th, 2019
রংপুরের নিজ বাড়িতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন এরশাদ
July 16th, 2019 at 10:46 pm
রংপুরের নিজ বাড়িতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন এরশাদ

রংপুর: দলের নেতাকর্মীদের দাবি অনুযায়ী এবং তাদের খনন করা কবরেই সমাহিত করা হয়েছে সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে এরশাদকে তার নিজ বাড়ি পল্লী নিবাসের পাশেই লিচু বাগানে সমাহিত করা হয়।

পল্লী নিবাসে এরশাদের সমাহিত করার অনুমতি দিয়েছেন তার স্ত্রী ও জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ। এরশাদের কবরের পাশে নিজের জন্য কবরের জায়গা রাখার অনুরোধও করেছেন রওশন এরশাদ।

এর আগে এরশাদকে কোথায় দাফন করা হবে তা নিয়ে মতবিরোধ ছিল। পরিবার থেকে তাকে ঢাকায় সেনানিবাসের কবরস্থানে দাফন করার কথা বলা হলেও রংপুরের নেতাকর্মীরা তাকে রংপুরেই দাফনের দাবি তোলেন। অবশেষে আজ চতুর্থ জানাজার পর তাকে রংপুরে দাফনে সম্মত হন এরশাদের স্বজনরা।

এরশাদের ছোট ভাই ও জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, ‘আমরা প্রথম থেকেই চাচ্ছিলাম এরশাদকে রংপুরে সমাহিত করবো। তবে ভাবি (রওশন এরশাদ) বিভিন্ন কারণে চাচ্ছিলেন তাকে ঢাকায় দাফন করতে। তবে রংপুরের মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার কারণে সর্বসম্মতভাবে আমরা তাকে এখানেই সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নিই। ভাবিও এতে রাজি হন।’

নেতার মরদেহ কাঁধে নিয়ে কর্মীদের আহাজারিএর আগে মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে রংপুর কালেক্টরেট মাঠে এরশাদের চতুর্থ ও সর্বশেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তবে জানাজা শেষে লাশবাহী গাড়ি মাঠ ছেড়ে যেতে চাইলে নেতাকর্মীরা বাধা দেন। তারা এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবিতে সেখানেই অবস্থান নেন। তবে বাধা ঠেলেই লাশ এরশাদের বাসভবন পল্লী নিবাসে নিয়ে যাওয়া হয়। জানাজার আগে আজ বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার রংপুর সেনানিবাসে অবতরণ করে। ঢাকা থেকে তার লাশ রংপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গত ১৪ জুলাই রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

গ্রন্থনা ও সম্পাদনা: এম কে আর


সর্বশেষ

আরও খবর

রোহিঙ্গাদের স্থায়ী প্রত্যাবাসনে মার্কিন চাপ অব্যাহত রয়েছে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

রোহিঙ্গাদের স্থায়ী প্রত্যাবাসনে মার্কিন চাপ অব্যাহত রয়েছে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত


বিআরটিসির দুর্নীতি বন্ধে কঠিন হবে সরকার: কাদের

বিআরটিসির দুর্নীতি বন্ধে কঠিন হবে সরকার: কাদের


ফরিদপুরে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত

ফরিদপুরে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত


টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে

টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে


সাতক্ষীরায় দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত ১

সাতক্ষীরায় দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত ১


এএফসি কাপে দুরন্ত জয় পেল আবাহনী

এএফসি কাপে দুরন্ত জয় পেল আবাহনী


গ্রেনেড হামলার আপিল শুনানি এ বছরেই শুরু হবে: আইনমন্ত্রী

গ্রেনেড হামলার আপিল শুনানি এ বছরেই শুরু হবে: আইনমন্ত্রী


আমি মরলে খালেদা জিয়া শোক দেবে, সেটাও তৈরি ছিল: প্রধানমন্ত্রী

আমি মরলে খালেদা জিয়া শোক দেবে, সেটাও তৈরি ছিল: প্রধানমন্ত্রী


আবারও বিয়ে করলেন ‘দ্য রক’

আবারও বিয়ে করলেন ‘দ্য রক’


অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বাড়ছে: হাইকোর্ট

অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বাড়ছে: হাইকোর্ট