Thursday, July 7th, 2022
লাগামহীন ছোলার দাম
May 22nd, 2017 at 8:36 am
লাগামহীন ছোলার দাম

এম কে রায়হান: রমজান এলেই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া আমাদের দেশে সংস্কৃতিতে রুপ নিয়েছে। আর তারই ধারাবাহিকতায় বরাবরের মত এবারও রমজানের আগে বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ছোলার দাম।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ছোলার দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। সঙ্গে বেড়েছে অন্যান্য ডালের দামও। আর এই লাগামহীনভাবে রমজানের নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় প্রতিবারের মত এবারও বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।

রাজধানীর মিরপুর, মুগদা, শান্তিনগর, মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ছোলা মান ভেদে ১০০ থেকে ১১০ টাকা, খেসারি ৭৫ থেকে ৮০, টাকা এবং ডাবলি ৪৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রহমতগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, কারওয়ানবাজারসহ কয়েকটি পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি ছোলা ৭৮-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খেসারি ৬৫-৬৬ টাকা, ডাবলি ৩২ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহ থেকে ৫ থেকে ৮ টাকা বেশি। কিন্তু খুচরা দাম বাড়ানো হয়েছে অনেক বেশি।

পাইকারি বাজারে দাম কম বাড়লেও বেড়েছে খুচরা বাজারে বিক্রির দাম। এ বিষয়ে মিরপুরের ডাল ব্যবসায়ী সুমন নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন, ‘সম্প্রতি বৃষ্টিতে রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। পাইকারি বাজার থেকে মালামাল আনতে আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এতে খরচ বেশি পড়ছে। ফলে পাইকারি বাজারে না বাড়লেও ডালের দাম আমরা কিছুটা বাড়িয়ে বিক্রি করছি।’

এদিকে সাফিন আহমেদ নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তা নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে এক কেজি ছোলার দাম ছিল ৯০ টাকা। আজ কিনলাম ১১০ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ১৫ টাকা দাম বেড়েছে।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন মাতাব্বর নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন, ‘দেশে মসুর ডালের চাহিদা বেশি হলেও রমজানে বেশি চাহিদা থাকে ছোলার। এছাড়া ডাবলি ও খেসারি ডালের চাহিদাও বাড়ে এই সময়ে। ছোলার বেশিরভাগই আমদানি করতে হয়। তাই বিশ্ববাজারে ছোলার দাম বাড়লে আমাদেরও বেশি দামে আমদানি করতে হয়। এ বছর চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত ছোলা আমদানি হয়েছে। তাই দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং দাম আরও কমবে।’

এদিকে খুচরা বাজারে বেশি দাম নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খুচরা বাজারে কত টাকায় পণ্য বিক্রি হবে তা ওই বাজারের ব্যবসায়ীরা নির্ধারণ করেন। তারা যদি বেশি দামে বিক্রি করেন সেটি দেখার দায়িত্ব সরকারের।’

বাজার বিশেষজ্ঞ মনসুর আহমেদ নিউজনেক্সটবিডিকে বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে। সরকার যদি বাজার মনিটরিং না করে তাহলে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘রমজানে একসঙ্গে বেশি পণ্য না কিনে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু ক্রয় করুন। কারণ একসঙ্গে বেশি পণ্য কিনলে বাজারের ওপর চাপ পড়ে। এতে বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। পণ্যের দামও বেড়ে যায়।’

সম্পাদনা: জাবেদ চৌধুরী


সর্বশেষ

আরও খবর

সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব


আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন

আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন


চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ

চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ


ভোজ্যতেল ও খাদ্য নিয়ে যা ভাবছে সরকার

ভোজ্যতেল ও খাদ্য নিয়ে যা ভাবছে সরকার


তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন

তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন


অত আগুন, এত মৃত্যু, দায় কার?

অত আগুন, এত মৃত্যু, দায় কার?


যে গল্প এক অদম্য যোদ্ধার

যে গল্প এক অদম্য যোদ্ধার


আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০

আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০


সীমান্ত কাঁটাতারে বিদ্যুৎ: আলোচনায় বিজিবি-বিজিপি

সীমান্ত কাঁটাতারে বিদ্যুৎ: আলোচনায় বিজিবি-বিজিপি


চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার