Sunday, July 3rd, 2022
শাজনীন হত্যা: শহীদের মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জন খালাস
August 2nd, 2016 at 9:45 am
শাজনীন হত্যা: শহীদের মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জন খালাস

ঢাকা: প্রায় দেড় যুগ আগে গুলশানের নিজ বাড়িতে শাজনীন তাসনিম রহমানকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ৫ জনের মধ্যে গৃহকর্মী শহীদুল ইসলাম শহীদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আর বাকি ৪ জন বাদল, এস্তেমা খাতুন মিনু, পারভীন এবং কাঠমিস্ত্রি শনিরাম মণ্ডলকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। গত ১১ মে আপিল শুনানি শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

আসামিপক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এস এম শাহজাহান শুনানি করেন। বাদীপক্ষে ছিলেন সদ্য অবসরে যাওয়া বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, এ এম আমিনউদ্দিন, এ এস এম আবদুল মোবিন ও সরোয়ার আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম  ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে গুলশানে নিজ বাড়িতে খুন হন শাজনীন তাসনিম রহমান। এ ঘটনায় পরদিন শাজনীনের বাবা লতিফুর রহমান গুলশান থানায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় একটি হত্যা মামলা করেন। একই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর ওই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করে সিআইডি।

তদন্ত শেষে প্রথম মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এবং দ্বিতীয় মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। দুটি মামলাতেই আদালত অভিযোগ গঠন করেন। ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর পর ২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক কাজী রহমতউল্লাহ মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শাজনীনকে ধর্ষণ ও খুনের পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার দায়ে ছয় আসামিকেই ফাঁসির আদেশ দেন আদালত।

বিচারিক আদালতের রায়ের পর এই মামলার মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য হাইকোর্টে যায়। একই সঙ্গে আসামিরাও আপিল করেন। ২০০৬ সালের ১০ জুলাই হাইকোর্ট পাঁচ আসামি হাসান, শহীদ, বাদল, মিনু ও পারভীনের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন। তবে নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আরেক আসামি শনিরামকে খালাস দেন হাইকোর্ট।

এরপর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন চার আসামি হাসান, বাদল, মিনু ও পারভীন। ২০০৯ সালের ২৬ এপ্রিল সাজাপ্রাপ্ত চার আসামির লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। ফাঁসির আদেশ পাওয়া আরেক আসামি শহীদ জেল আপিল করেন। প্রায় সাত বছর পর এ বছরের ২৯ মার্চ ওই পাঁচ আসামির আপিলের শুনানি একসঙ্গে শুরু হয়।

নিউজনেক্সটবিডি ডটকম/এফএইচ/এমএস/এসআই


সর্বশেষ

আরও খবর

আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০

আফগান ও ভারতীয় অনুপ্রবেশ: মে মাসে আটক ১০


নতুন ডিআইজিদের যা বললেন আইজিপি

নতুন ডিআইজিদের যা বললেন আইজিপি


পার্বত্য চট্টগ্রামে সক্রিয় হচ্ছে আর্মড পুলিশ

পার্বত্য চট্টগ্রামে সক্রিয় হচ্ছে আর্মড পুলিশ


দুর্নীতির দায়ে শ্রীঘরে সরকার দলীয় এমপি

দুর্নীতির দায়ে শ্রীঘরে সরকার দলীয় এমপি


বিএনপি নেতা ইশরাক গ্রেফতার

বিএনপি নেতা ইশরাক গ্রেফতার


এনামুল বাছিরের ৮ আর ডিআইজি মিজানের ৩ বছর কারাদণ্ড

এনামুল বাছিরের ৮ আর ডিআইজি মিজানের ৩ বছর কারাদণ্ড


মেজর সিনহা হত্যায় প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড

মেজর সিনহা হত্যায় প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড


নির্বাচনী সহিংসতায় ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

নির্বাচনী সহিংসতায় ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু


নটরডেম ছাত্রের মৃত্যু: তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন ডিএসসিসির

নটরডেম ছাত্রের মৃত্যু: তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন ডিএসসিসির


ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ মাদকের কবলে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ মাদকের কবলে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী