Thursday, October 20th, 2016
শুরু হচ্ছে ‘গঙ্গা-যমুনা নাট্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব’
October 20th, 2016 at 9:46 am
শুরু হচ্ছে ‘গঙ্গা-যমুনা নাট্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব’

ঢাকা: বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মানুষে মানুষে মেলবন্ধন সৃষ্টির লক্ষে পঞ্চমবারের বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হতে যাচ্ছে ‘গঙ্গা-যমুনা নাট্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব-২০১৬’।

আগামী শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ১০ দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করবেন- সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

বিশেষ অতিথি থাকবেন- ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের সম্মানিত সভাপতি নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক, নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকী, ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের পরিচালক শ্রীমতি জয়শ্রী কুন্ডু, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সভাপতিম-লির সদস্য নাট্যজন ঝুনা চৌধুরী ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ।

এবারের উৎসবটি উৎসর্গ করা হয়েছে সদ্যপ্রয়াত সব্যসাচী লেখক ‘সৈয়দ শামসুল হক’-এর উদ্দেশ্যে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- উৎসবের আহ্বায়ক ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সাংস্কৃতিকব্যক্তিত্ব গোলাম কুদ্দুছ।

সংবাদ সম্মেলনে উৎসবের আহ্বায়ক গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানা অতিক্রম করে বহমান ‘গঙ্গা-যমুনা’। তেমনই বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক রূপবৈচিত্র বিদ্যমান। বলা যায় অনেকটা এক এবং অভিন্ন। আমাদের শেকড়ও এক জায়গায় প্রোথিত আছে। আমরা এই উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই জায়গায় সকলকে নিয়ে যেতে চাই। তিনি বলেন, উৎসবে আমরা প্রতিবারের মতো নাটকের পাশাপাশি শিল্পকলার অন্যান্য শাখাগুলোও যোগ করা হয়েছে। নাটকের পাশাপাশি থাকবে গান-কবিতা ও নাচ।

এবারের উৎসব প্রয়াত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শাসমুল হকের স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবারের এই উৎসবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো সদ্যপ্রয়াত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের রচিত ও অনুদিত পাঁচটি নাটক মঞ্চায়ন হবে। এ নাটকগুলো হলো- ‘ঈর্ষা’, ‘ডেড্ পিকক’, ‘ম্যাকবেথ’, ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ এবং ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।

১০ দিনব্যাপী শিল্পকলা একাডেমি’র জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন, পরীক্ষণ থিয়েটার হল, স্টুডিও থিয়েটার হল এবং নৃত্য ও সংগীত মিলনায়তনে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এ উৎসবে ভারতের ৩টি, ঢাকার ২৫টি ও ঢাকার বাইরের ২টি নাট্যদলসহ মোট ৩০টি নাট্যদলের মঞ্চনাটক মঞ্চায়ন এবং উৎসব প্রাঙ্গণের উন্মুক্ত মঞ্চে দেশের ৫৩টি সংগঠনের আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য ও পথ নাটক পরিবেশন করবে। এ উৎসবে আর্থিক সহায়তা করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ-ভারত ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় নাট্যশালার মূল হল ও একই সময়ে পরীক্ষণ থিয়েটার হল এবং স্টুডিও থিয়েটার হলে পৃথক পৃথক সংগঠন একটি করে দুটি নাটক মঞ্চায়ন করবে। উৎসবের উদ্বোধনী দিন জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে মঞ্চায়ন হবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নাট্যসংগঠন ‘হ-য-ব-র-ল’ নাটক ‘ঈপ্সা’। নাটকটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন কোলকাতার এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা দেবশংকর হালদার। একই সময়ে পরীক্ষণ হলে মঞ্চায়ন হবে বাংলাদেশের নাট্যসংগঠন ‘প্রাঙ্গণেমোর’ এর নাটক ‘ঈর্ষা’ এবং স্টুডিও থিয়েটার হলে মঞ্চায়ন হবে ‘কণ্ঠশীলন’-এর নাটক ‘যা নেই ভারতে’।

এছাড়াও, উৎসবের উদ্বোধনীর দ্বিতীয় দিন ২২ অক্টোবর থেকে নাটক মঞ্চায়নের পূর্বে প্রতিদিন ৪টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত উৎসব প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে থাকবে পথনাটক, আবৃত্তি, গণসংগীত ও নৃত্য। এতে অংশ নেবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। ১০ দিনব্যাপী এই উৎসব শেষ হবে আগামী ৩০ অক্টোবর।

প্রতিবেদক: প্রতিনিধি, সম্পাদনা: শিপন আলী


সর্বশেষ

আরও খবর

দ্য ডেইলি হিলারিয়াস বাস্টার্ডস

দ্য ডেইলি হিলারিয়াস বাস্টার্ডস


করোনা নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের কবিতা

করোনা নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের কবিতা


পাথর সময় ও অচেনা বৈশাখ

পাথর সময় ও অচেনা বৈশাখ


৭২-এর ঝর্ণাধারা

৭২-এর ঝর্ণাধারা


বইমেলায় আলতামিশ নাবিলের ‘লেট দেয়ার বি লাইট’

বইমেলায় আলতামিশ নাবিলের ‘লেট দেয়ার বি লাইট’


নাচ ধারাপাত নাচ!

নাচ ধারাপাত নাচ!


ক্রোকোডাইল ফার্ম

ক্রোকোডাইল ফার্ম


সামার অফ সানশাইন

সামার অফ সানশাইন


মুক্তিযুদ্ধে যোগদান

মুক্তিযুদ্ধে যোগদান


স্বাধীনতার ঘোষণা ও অস্থায়ী সরকার গঠন

স্বাধীনতার ঘোষণা ও অস্থায়ী সরকার গঠন