Monday, January 20th, 2020
শেখ হাসিনার সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের মামলায় ৫ পুলিশের ফাঁসি
January 20th, 2020 at 6:21 pm
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের তৎকালীন কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া, শাহ মো. আবদুল্লাহ, মমতাজ উদ্দিন এবং পেট্রোল ইনসপেক্টর জে সি মণ্ডল
শেখ হাসিনার সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের মামলায় ৫ পুলিশের ফাঁসি

বিশেষ প্রতিনিধি,

চট্টগ্রামঃ চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভার আগে গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৫ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ জানুয়ারি, ২০২০ইং)বিকালে চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) তৎকালীন কনস্টেবল মোস্তাফিজুর  রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া, শাহ মো. আবদুল্লাহ, মমতাজ উদ্দিন এবং পেট্রোল ইনসপেক্টর জে সি মণ্ডল। প্রসঙ্গত, জে সি মণ্ডল পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ প্রহরায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: ইউএনবি

গত ১৪ই জানুয়ারি ৫৩তম সাক্ষী আইনজীবী শম্ভুনাথ নন্দীর সাক্ষ্য দেয়ার মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওইদিন আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ১৯ জানুয়ারি দিন ঠিক করেন। রোববার (১৯ জানুয়ারি, ২০২০ইং) রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শেষে পাঁচ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। পরে আদালত আসামি পক্ষে যুক্তি উপস্থাপণের জন্য সোমবার দিন রেখেছিলেন।

কিন্তু আসামিপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন না করায় আদালত রায় ঘোষণার সময় ঠিক করেন।

উল্লেখ্য, এইচ এম এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি বন্দরনগরীর লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভা ছিলো। ওইদিন বেলা ১টার দিকে শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রাকটি আদালত ভবনের দিকে আসার সময় গুলিবর্ষণ শুরু হয়। বিভিন্ন সময় এই মামলার সাক্ষীরা আদালতে বলেছেন, ওইদিন পুলিশের গুলিতে মোট ২৪ জন মারা যান।

চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় ২৪ জনকে হত্যার ঘটনায় স্মৃতিস্তম্ভ
চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় ২৪ জনকে হত্যার ঘটনায় স্মৃতিস্তম্ভ

গুলিবর্ষণের পর আইনজীবীরা মানববেষ্টনি তৈরির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীকে রক্ষা করে তাকে আইনজীবী সমিতি ভবনে নিয়ে গিয়েছিলেন। গুলিতে নিহতদের কারও লাশ পরিবারকে নিতে দেয়নি তৎকালীন সরকার। হিন্দু-মুসলিম নির্বিচারে সবাইকে বলুয়ার দীঘি শ্মশানে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এরশাদের পতনের পর ১৯৯২ সালের ৫ই মার্চ আইনজীবী মো. শহীদুল হুদা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। কিন্তু বিএনপি সরকারের সময়ে মামলার কার্যক্রম এগোয়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়।

আদালতের আদেশে সিআইডি মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ১২ই জানুয়ারি প্রথম এবং অধিকতর তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালের ৩রা নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় অভিযোগপত্র দেয়, যাতে আসামি করা হয় আট পুলিশ সদস্যকে।

এএমএন/


সর্বশেষ

আরও খবর

করোনায় আরও ৪১ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৩৬০

করোনায় আরও ৪১ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৩৬০


দুর্নীতিবাজ যেই হোক ব্যবস্থা নেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতিবাজ যেই হোক ব্যবস্থা নেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী


৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইতালিতে বাংলাদেশিদের প্রবেশ নিষেধ

৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইতালিতে বাংলাদেশিদের প্রবেশ নিষেধ


করোনায় আরও ৪৬ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৪৮৯

করোনায় আরও ৪৬ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৪৮৯


রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানকে খুঁজছে র‌্যাব

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানকে খুঁজছে র‌্যাব


রিজেন্টের মিরপুর শাখাও সিলগালা, আটক সাতজনের ৫ দিনের রিমান্ড

রিজেন্টের মিরপুর শাখাও সিলগালা, আটক সাতজনের ৫ দিনের রিমান্ড


টেস্ট না করেই করোনার রিপোর্ট দিতো রিজেন্ট হাসপাতাল

টেস্ট না করেই করোনার রিপোর্ট দিতো রিজেন্ট হাসপাতাল


চলে গেলেন এন্ড্রু কিশোর, রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

চলে গেলেন এন্ড্রু কিশোর, রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক


এবারের হজে স্পর্শ করা যাবে না কাবা শরীফ

এবারের হজে স্পর্শ করা যাবে না কাবা শরীফ


সমুদ্রে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত

সমুদ্রে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত