Saturday, February 11th, 2017
সর্ব পর্যায়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
February 11th, 2017 at 1:30 pm
সর্ব পর্যায়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

কাজি ফৌজিয়া:

প্রিয় বন্ধু,
কেমন আছো তুমি? কত দিন লেখা হয়নি তোমাকে। কত কথা জমে আছে, একটা বই হয়ে যাবে লিখতে লিখতে। বুঝতে পারছি না কী করে শুরু করব। পেছনে যাব নাকি বর্তমান থেকে শুরু করব। পেছনে না গেলে ইতালি, প্যারিস-এর কথা বলা হবে না। বর্তমানে আমেরিকাতে যা ঘটে যাচ্ছে তা যদি না বলি তবে বর্তমান পিছনে পড়ে যাচ্ছে। বন্ধু, চিঠির শুরুতে আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোমার কাছে! আমি চিঠির নিচে সবসময় লিখি আমাকে তুমি কোনো নামেই ডাকো না, শুধু তাই নয় তুমি আমাকে আপনি আপনি করে কথা বল—এই, তোমার প্রবলেম কী বলতো? আমার সাথে তোমার বন্ধুত্ব তো এক যুগ ছুঁতে যাচ্ছে, তারপরও আপনি আপনি কর কেন? তার চে’ চল সম্পর্ক বদলাই, আজ থেকে খালাম্মা ডেকো—তাতে করে তোমার এই আপনি আপনি ভাল ফিট হবে। আর যদি তা না হয় তো বন্ধুত্বকে পূর্ণ মর্যাদা দাও।

বন্ধু, মন ঠিক করে ফেললাম ভ্রমণ নিয়ে একটা আলাদা লেখা লিখব, চিঠিতে শুধু আজকাল আমেরিকাতে যা ঘটছে তা লিখি। সেই কবে তোমাকে লিখেছি, তারপর আটলান্টিকের পানি যেমন থেমে থাকেনি, থেমে থাকেনি জীবন। ট্রাম্প ২.৯ মিলিয়ন মানুষের মিছিলকে ‘হু কেয়ার’ ভাব করে একটার পর একটা নির্বাহী আদেশ দিয়েই যাচ্ছে। এত বড় একটা মিছিলের পরের দিন মহিলাদের অ্যাবরশন সংক্রান্ত একটা অর্ডার ও টিপিপি বাতিল করে দেয়। ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দশ দিনে ১১টির মত নির্বাহী আদেশ সাইন করে, আর তার নামে ২৪ টি মামলা হয়। নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় সে যে সব কথা বলা হয়েছিল লোকজন মনে করেছিল তা কথার কথা! উহু, মোটেও তা নয়; সে তার প্লান মত এগিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতায় এসে যত নির্বাহী আদেশ দিয়েছে তা নিয়ে হল্লা জল্লা হলেও বড় কিছু হয় নাই। সেদিন সে মেক্সিকোর বর্ডারে দেয়াল দেওয়ার আদেশ দিল—সেই আদেশ মত দেয়াল আমেরিকার টাকায় নয়, টাকা মেক্সিকোকেই দিতে হবে। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট সাথে সাথে টুইট করল “মোটেও এই টাকা দেব না’। ট্রাম্পও পাল্টা টুইট করে জবাব দিল যে যদি টাকা না দেয় তবে মেক্সিকো থেকে আসা মাল থেকে ট্যাক্স বেশী নিয়ে টাকা উসুল করবে। দুইজনের পাল্টাপাল্টি মতামত দিতে দিতে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আমেরিকা সফর বাতিল করে দিল। এই দেয়াল তোলা আদেশ এর সাথে অভিবাসন আইন এর অনেক পরিবর্তন আসলো যা অভিবাসীদের জন্য খারাপ কিন্তু দেয়াল তর্কে সেইসব কিছু ঢাকা পড়ে গেল। কিন্তু সেই আদেশ কি ভয়াবহ খারাপ তা আজ দুইদিন থেকে বুঝতে পারছে। আমি পরে আসছি এই বিষয়ে কথা বলতে কী হচ্ছে অভিবাসন অবস্থা আমাদের শহর বা অন্য শহরে।

দেয়াল আর অভিবাসনের পর ট্রাম্প সাইন করে বসল ‘মুসলিম ট্রাভেল ব্যান’। মানে হল ৭ টি মুসলিম দেশের মানুষ এই দেশে আসতে পারবে না। দেশগুলো হল সুদান, ইরাক, ইরান, সিরিয়া, ইয়েমেন, সোমালিয়া ও লিবিয়া। সবচে উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল দিনটি ছিল শুক্রবার আর ইহুদীদের ‘হলোকাস্ট ডে’। রাগে দুঃখে মুসলিম আর জুইস সমাজ ফেটে পড়ছে, সামাজিক মাধ্যম আর সংবাদ মাধ্যমে তার লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছিল। যেদিন সে এই জঘন্য আদেশ সাইন করল, সেদিন রাতেই কাস্টম অ্যান্ড বর্ডার কন্ট্রোল পুলিশ দুইশর বেশি মানুষকে বিভিন্ন এয়ারপোর্টে আটকে দেয়। বিভিন্ন সূত্রে খবর আসে যে তাদের বহিষ্কার করার চেষ্টা করছে। আমাদের নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন সংগঠন দুপুর ১২.৩০ থেকে এ জে এফ কে এয়ারপোর্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করার পরিকল্পনা করে নিউ ইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশন, মেক দ্য রোড ও আমার সংগঠন ড্রাম উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসে। সেদিন সকালে মেয়র অফিসের একটা প্রোগ্রাম ছিল বাংলায় পারিবারিক সম্মেলন। আমি সকালে শাড়ি পরে বাসা থেকে বের হয়েছিলাম ঐ অনুষ্ঠানে যাব বলে। ওখানে পৌঁছেই বসের কল পাই। বস বলল, যেতে হবে জে এফ কে এয়ারপোর্টে। আমি নরম গলায় বললাম ফাহাদ আমি শাড়ি পরে এসেছি এখানে। সে বলল, ইটস ওকে, পরক্ষণেই মনে হল শাড়ি আমার জাতীয় পোশাক। কী আসে যায় কী পরে আছি। বসকে ফোন করে বললাম, চল যাই আমি রেডি ফাইটব্যাক-এর জন্য। বিশ্বাস কর বন্ধু, যদি সেদিন না যেতাম আমার জীবনের সবচে বড় আহা! মুহূর্ত আমি মিস করতাম। আমরা এয়ারপোর্টে পৌঁছে টার্মিনাল ৪ এর বাইরে পার্কিং এ চলে যাই, দুইশর মত মানুষ শ্লোগান দিচ্ছিল।

আমি ওখানে পৌঁছে পড়লাম মহা ঝামেলায়, শাড়ি পড়া হিজাবি মেয়ে প্রতিবাদ করছে দেখে সব সংবাদ মাধ্যম ঝাঁপিয়ে পড়ল ইন্টারভিউ নিতে। আমাকে প্রশ্ন করে, আমি ব্যানদেশগুলো থেকে কিনা? আমার আত্মীয় কেউ আছে কিনা ভেতরে? আমি বললাম, একটা মুসলিম আঘাত মানে সকলের ওপর আঘাত, একজন মুসলিমকে রাষ্ট্র যখন আতঙ্কবাদী বলে তখন পুরো মুসলিম উম্মাকেই আতঙ্কবাদী বলা হয়। আমি এখানে আমার অধিকার রক্ষা করতে এসেছি, কারণ আমি এই ব্যান থেকে খুব বেশি নিরাপদ দূরে না, তাই আমি আজ এখানে আমার নিজের ইনসাফের জন্য দাঁড়িয়েছি। আমাকে সাংবাদিকরা বলে, সরকার কে কী ম্যসেজ দিতে চাও? আমি বললাম, সকলের মুক্তি আজকেই দিতে হবে। একজন কংগ্রেস মেম্বার মহিলা নিদিয়া বালাস্কে ভিতরে আইনজীবীদের নিয়ে সকাল থেকে কাজ করছে আটকারিদের মুক্তির জন্য, সে বলল, তোমরা বাইরে লড়াই করছ বলেই ভিতরে মানুষ ছাড়া পাচ্ছে। সে অনুরোধ করল আমরা যেন না যাই যতক্ষণ মানুষ আটক থাকে। অনেক সংবাদ মাধ্যম লাইভ দেখাচ্ছিল ও আমরা সামজিক মাধ্যমে আবেদন জানাতে থাকলাম সন্ধ্যা হতেই প্রায় ৫ হাজার মানুষ বাইরে ‘নো ব্যান, নো ওয়াল, নো হেইট নো ফিয়ার, মুসলিম আর ওয়েল্কাম হেয়ার, ওয়েল্কাম হোম’—বলে শ্লোগান দিতে থাকল।

আমাদের আর লইয়ারা ভিতরে কাজ করতে লাগল। প্রায় ৫০০ উকিল বা ছাত্র উকিল চলে আসলো সাহায্য করতে, তাও বিনা পয়সায়। সারাদিন ট্যাক্সি ড্রাইভার ভাইরা গাড়ির ভিতর থেকে চিল্লায়া আমাদের সমর্থন করে আসছিল। সন্ধ্যার সময় খবর পেলাম তারা স্ট্রাইক এ যাবে। সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা তারা যাত্রী নেবে না। সেই মুহূর্তে বেরিক্যাড ভেঙ্গে হাজার হাজার মানুষ বাইরে রাস্তা দখল করে নিল আর টার্মিনালে ঢোকার চেষ্টা করল আর তখনি টার্মিনাল ৪ টার্মিনাল ১ ও টার্মিনাল বন্ধ করে দিল। সেই স্মরণীয় মুহূর্তে খবর আসল আমাদের আইনজীবী বন্ধুরা নিউ ইয়র্ক ফেডারেল কোর্ট থেকে এই অন্যায় ভাবে এয়ারপোর্টে থামিয়ে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে পুরা আমেরিকার জন্য স্টে অর্ডার নিয়ে এসেছে। আমরা তো মহাখুশী এই ভেবে যে আমাদের উকিল সাথীরা এমন কি রাজনীতিবিদরা কেউ বসে নেই। সারা দিনে ৩ জন সিনেটর ও কংগ্রেস সদস্য হাজির ছিল। আমাদের জন্য আরও চমক অপেক্ষা করছিল, আমাদের নিউ ইয়র্কের মত আরও রাজ্যে একই অবস্থা হয়েছিল আর সেই শহরের এয়ারপোর্ট ও জনগণের দখলে চলে গিয়েছিল। সব মিলিয়ে ১১ টি রাজ্যের বিভিন্ন এয়ারপোর্টে প্রতিবাদ ও আইনি কার্যক্রম চালিয়ে আমরা ছাড়িয়ে নিলাম ২০০ মানুষ। এদের কেউ গ্রিনকার্ডধারী, কেউ স্টুডেন্ট ভিসা, কেউ ফ্যামিলি ভিসা, কেউ রিফিউজি স্ট্যাটাস ছিল।

পরের দিন নিউ ইয়র্ক ব্যাটারি পার্কে ইমিগ্রেশন কোয়ালিশন প্রতিবাদ সমাবেশ ডাকল। রাজনীতিবিদ মেয়র জনগণ মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষ রাস্তায় নামল। আমরা খবর পেলাম বর্ডার কাস্টম পুলিশ তাদের প্রেসিডেন্ট এর অর্ডার মত কাজ করছে কোর্ট এর অর্ডার মানছে না। তাই আমরা চলে গেলাম এয়ারপোর্টে ৫ থেকে ৬০০ মানুষ নিয়ে আমাদের প্রতিবাদ করলাম বাইরে। আর উকিলদের সংগ্রাম ভেতরে চলতে থাকল। সেদিনও প্রায় ১০ ঘণ্টা আমাদের একশন চলল। সেদিন আমি দেখলাম কত মানুষ যারা কোনদিন মিছিল করে নাই তারাও এসেছে। এক মহিলা রান্না করে খাবার নিয়ে এসেছে আমি জানতে চাইলাম খাবার কেন বলল আমি তো উকিল না তাই যা পারি তাই নিয়ে এসেছি অংশগ্রহণ করতে। কেউ পিজা কেউ পানি কেউ বিস্কুট এমন কোনো খাবার নাই যা নিয়ে আসে নাই, মানবতার এত সুন্দর রূপ কখনো দেখি নাই।

তারপর গেলাম এয়ারপোর্টে প্রতিবাদ হিসাবে নামাজ পরতে। পরের দিন সব ডেমোক্রেট সিনেটর কংগ্রেস সদস্য দেখি সুপ্রিম কোর্ট এর সামনে ‘নো ব্যান নো ওয়াল’ বলে মিছিল করছে। বন্ধু, আমি ভাবলাম কী জমানা আসল হামবড়া রাজনীতিবিদও রাস্তায় মানুষের অধিকারের দাবীতে শ্লোগান দিচ্ছে। এখানেই শেষ না। আরও খবর আসল গুগল আর আপেল উবের এর মালিক ট্রাম্প এর উপদেষ্টা হিসাবে যোগ দিয়েছে, আর যায় কই গুগল কর্মচারীরা তাদের অফিসের দরজার সামনে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করল। যেখানে যা হয় সব লাইভ দেখায়। আমরা দেখছিলাম তক্ষনি খবর পেলাম তারা প্রতিবাদ শেষে আমাদের সংগঠনকে টাকা দিয়েছে আন্দোলন চালিয়ে যেতে। এবার উবের-এর পালা শুরু হল। অনলাইন প্রচারণা উবের ডিলিট কর, নিউ ইয়র্ক ট্যাক্সি ক্যব এলাইন্স আমাদের দাওয়াত দিল উবের এর অফিসের সামনে প্রতিবাদ করবে। যেমন কথা তেমন কাজ—আমরা প্রতিবাদ করতে গিয়ে জানলাম ২০ মিনিট পূর্বে সে উপদেষ্টা থেকে নেমে গেছে। উবের এও জানালো যদি ট্রাম্প অভিবাসনের কারণে তাদের কর্মচারীদের কিছু হয় তারা টাকা দিবে রক্ষা করতে। এই ঘটনার পরে অ্যপল, আমাজন গুগল সব একযোগ হয়ে নিজেদের ব্যাবসা বাঁচাতে ট্রাম্প বিরোধিতায় নেমে গেল। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ৯৭ টি কর্পোরেশন একসাথে মিলে প্লান করছে ট্রাম্পকে সো করবে। ক্ষমতা গ্রহণের ১০ দিনে ২৪তি মামলা হয়েছে ট্রাম্প এর বিরুদ্ধে, ওয়াশিংটন সিয়াটল রাজ্যের করা মামলায় বিচারক পুরা দেশে ট্রাভেল বেন স্টে করে দিয়েছে। ট্রাম্প সাহেব খুব ক্ষুব্ধ হয়ে বিচারককে তথাকথিত বিচারক বলেছে। আমি অন্ধকারে আলো খুঁজে পেলাম। এই শয়তানকে কি নামে জনগণের সামনে ডাকব বুজে উঠতে পারছিলাম না, আমিও এখন কথায় কথায় তাকে তথাকথিত প্রেসিডেন্ট বলি। গত কয়দিন পূর্বে অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্টকে ধমক দিয়ে ফোন রেখে দিয়েছে। গত কাল থেকে শুরু হয়েছে নতুন উপদ্রপ! সে পুলিশের ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে আর চারদিকে কাগজপত্রবিহীন অভিবাসী যাদের বহিষ্কার এর আদেশ হয়েছিল বা তাদের নাম অপরাধের তালিকায় আছে তাদের ধরপাকড় শুরু করছে। ক্যালিফোর্নিয়া, পনিক্স আরিজোনা, টেক্সাস এ জনগণ সামনাসামনি ইমিগ্রেশন পুলিশের গাড়ি থামিয়ে অবরোধ করার দৃশ্য আমরা খবরে দেখতে পাচ্ছি। নিউ ইয়র্কে হচ্ছে অল্প কিছু ঘটনা জানতে পারছি বাকিগুলি হয়তো জানিও না। ডেমোক্রেট সিনেটররা রাতভর শুনানি করেও শিক্ষামন্ত্রী আর এটর্নি জেনারেল এর পদ আটকাতে পারেনি, তাই স্কুলের বাচ্চারা স্কুল থেকে বের হয়ে মিছিল করেছে। আজ দেখলাম ওই শিক্ষামন্ত্রী দেভোস স্কুল পরিদর্শন করতে গিয়ে জনগণের প্রতিরোধে স্কুলে ঢুকতে পারেনি। আমাদের সর্ব পর্যায়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে তবে যদি মুক্তি আসে।

ভাল থাক বন্ধু। ভাল থাকুক দেশ ও দেশের মানুষেরা।

ইতি
তোমার বন্ধু—যাকে তুমি কোনো নামেই ডাক না

লেখক: মানবাধিকার কর্মী


সর্বশেষ

আরও খবর

আসছে শুভদিন!

আসছে শুভদিন!


আমাদের ঝালমুড়ি দাদা ও গরীবের শ্রেণী সংগ্রাম

আমাদের ঝালমুড়ি দাদা ও গরীবের শ্রেণী সংগ্রাম


জন্মভূমির টান মানসিক কষ্টে ফেলে দেয়

জন্মভূমির টান মানসিক কষ্টে ফেলে দেয়


‘মুসলিম সমাজের বিভাজন বন্ধ করুন’

‘মুসলিম সমাজের বিভাজন বন্ধ করুন’


আজ জুইস-মুসলিম এক কাতারে দাঁড়িয়েছে

আজ জুইস-মুসলিম এক কাতারে দাঁড়িয়েছে


ভাবতেই কষ্ট হয় আমিও বাঙালি

ভাবতেই কষ্ট হয় আমিও বাঙালি


‘তুরস্ক টিকবে তো?’

‘তুরস্ক টিকবে তো?’


মক্কা থেকে…

মক্কা থেকে…


সুবিধাবাদী নেতারা অবহেলিতর কথা বলে না

সুবিধাবাদী নেতারা অবহেলিতর কথা বলে না


‘এই পৃথিবী শিশুদের নিরাপত্তা দিতে অক্ষম’

‘এই পৃথিবী শিশুদের নিরাপত্তা দিতে অক্ষম’