Thursday, December 15th, 2016
সাম্প্রদায়িকতার বিনাশে জাতি ঐক্যবদ্ধ হবে
December 15th, 2016 at 10:34 am
সাম্প্রদায়িকতার বিনাশে জাতি ঐক্যবদ্ধ হবে

হাবীব ইমন: 

‘রাষ্ট্রের উৎপত্তি কী করে হয় কিংবা হয়েছে—এ দুটোই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কঠিন প্রশ্ন। মানুষ মানুষের জন্ম দেখেনি। সে অনুমান করে কেমন করে এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হল। সে সম্পর্কে নানা তত্ত্ব। নানা অনুমান। মানুষ রাষ্ট্রবদ্ধ রূপে বাস করে। মানুষই রাষ্ট্র সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সে তার আদি রাষ্ট্রীয় সংগঠনটি প্রত্যক্ষ করেনি। তাই রাষ্ট্রের উদ্ভবের প্রশ্নেও নানা তত্ত্ব। নানা অনুমান। কেউ বলেন: ঈশ্বর, আল্লা, গড—এঁরা মানুষের জন্য রাষ্ট্রকে তৈরি করে দিয়েছেন। কেউ বলেন: রাষ্ট্র মানুষেরই ন্যায় ক্রমবিবর্তনের ফল। কিন্তু এই আদির সৃষ্টির তত্ত্ব এবং অনুমানের কথা বাদ দিলে আধুনিক কালেও রাষ্ট্র কাকে বলে, রাষ্ট্র কিসের ভিত্তিতে তৈরি হয়, রাষ্ট্রের মূল উপাদান কী: ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র, না ভাষার ভিত্তিতে রাষ্ট্র—ইত্যকার প্রশ্ন আজো অমিমাংসিত, বিতর্কিত। এ বিতর্কের মিমংসায় বড় অবদান তাত্ত্বিকের নয়, জীবনের’ অনুমানের নয়, অভিজ্ঞতার। আর সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা। আদিকালের কথা বাদ দিয়ে আধুনিক কালের কথা ভাবলেও রাষ্ট্রের অভ্যুদয় নিলয় সাধারণ ঘটনা নয়। দিনাদিন রাষ্ট্রের উত্থান কিংবা পতন ঘটে না। নানা কার্যকারণে দীর্ঘ সময়ের পটভূমিতে তা সংঘটিত হয়।’—সরদার ফজলুল করিম, বাংলাদেশের অভ্যুদয় প্রসঙ্গে।

বাংলাদেশের আপামর মানুষের আর কোন গর্বের বিষয় যদি নাও থাকে, তবু তার মাথা-তুলে দাঁড়াবার শক্তি আছে, সে একটি রাষ্ট্রের পতন এবং আর একটি রাষ্ট্রের পত্তন ঘটিয়েছে; একটি রাষ্ট্রের পতন এবং আর একটি রাষ্ট্রের উত্থানকে সে দেখেছে। লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে তারা তা করেছে। চব্বিশ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামের ভিত্তিতে তারা তা করেছে। কিন্তু কালের ইতিহাসে চব্বিশ বছরের এ সংগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ যতটা, ইতিহাসের পরিভ্রমণে তার আরো অধিক তাৎপর্যময় ছিল উপনিবেশিককাল থেকে শোষণের দীর্ঘ ধারাবাহিকতা। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পেছনে অনেকের নাম এসে যায়, কিন্তু একজনের সংগ্রামের কথা চলে আসে শ্রেষ্ঠত্বে, কিন্তু তাঁকে আমি শ্রদ্ধা জানাই আরো একটি বিশেষত কারণে। স্বাধীনতাত্তোর-কালে শোষণের বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রের নীতি নিয়ে তার যে বক্তব্য, সে বক্তব্য আজো উদাত্ত মনে হয়। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ—ধারা ও তার ভিত্তিতে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের যে সব ঐতিহাসিক অর্জন, তিনি ছিলেন তার প্রতীক ও কেন্দ্রবিন্দু।

১৯৭৩ সালের ৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিতীয় কংগ্রেসের উন্মুক্ত উদ্বোধনী অধিবেশনে তাঁর বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমরা শাসনতন্ত্র দিয়েছি। এর মধ্যে কোনো ঘোরানো ফেরানো কথার সুযোগ নেই। শাসনতন্ত্রে আমরা চারটি নীতিকে মেনে নিয়েছি—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। …আমি যা মনে করি, আলজিয়ার্স কনফারেন্সে যেটা আমি বলেছিলাম, দুনিয়া আজ দু’ভাগে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। একটি শোষক, আরেকটি শোষিত। শোষিতের পক্ষে যারা থাকে, আর শোষকের পক্ষে যারা থাকে—তারা কে, তারা কারা, সে কথা দুনিয়ার মানুষ জানে। …সমাজতন্ত্র আমাদের প্রয়োজন। সমাজতন্ত্র না হলে এ দেশের দুঃখী মানুষের বাঁচবার উপায় নাই। আমরা শোষণহীন সমাজতন্ত্র চাই। …সমাজতন্ত্রের রাস্তা সোজা নয়। সমাজতন্ত্র করতে হলে যে ক্যাডারের দরকার, তা আমরা করতে পেরেছি কিনা এ নিয়ে আলোচনার দরকার আছে। …সমাজতন্ত্রের রাস্তায় আমরা যে পদক্ষেপ নিয়েছি, তা থেকে আমরা পিছু হটতে পারি না, পারবো না—যত বড় ষড়যন্ত্রই চলুক না কেন।’ তার এ বক্তব্যের ভেতর দিয়ে তিনি সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশে যেতে চেয়েছিলেন, নিজেই অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। কিন্তু সে আলোচনাটির ধারণ ও লালনে অন্তসারঃশূন্যই থাকলো। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে চলছিল একদিকে নানা দ্বন্দ্ব-বিরোধ এবং অন্যদিকে আদর্শগত বিভ্রান্তি। ধর্মনিরপেক্ষতা, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা, জোট নিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র অভিমুখিনতা ইত্যাদি নীতির বৈরি একটি শক্তি সব সময় আওয়ামী লীগের ভেতরে সক্রিয় ছিল। এখনও এ সক্রিয়তার ছায়া দেখা যায়।

প্রায় পাঁচ দশক আগে এই শ্যামল দেশের সবুজাঙ্গনে এক দুনিয়া কাঁপানো যুদ্ধ হয়েছিল। অন্যায়ের প্রতিবাদে লাখ লাখ যৌবন এক অখন্ড অঙ্গার থেকে জ্বলে উঠেছিল। সে আগুন ছড়িয়ে গিয়েছিল তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ। আর যেখানেই কুটো থেকে আগুন জ্বলেছিল, সেখানেই স্বাধীনতার উপ্ত বীজের সঙ্গে সঙ্গে জন্ম নিয়েছে, নতুন নতুন গল্পের, কাহিনির।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। পঁচিশে মার্চের কালোরাতে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ঢাকায় অজস্র সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশ হত্যা করে। মা-বোনদের পাশবিকভাবে ধর্ষণ করে নির্যাতন করে। পরিকল্পিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয়ে যায়, ‘প্রতিরোধযুদ্ধ’!

জীবন বাঁচাতে প্রায় ১ কোটি মানুষ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেন। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙালি সদস্য এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের মুক্তিকামী সাধারণ মানুষ দেশকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কব্জা থেকে মুক্ত করতে কয়েক মাসের মধ্যে গড়ে তোলে ‘মুক্তিবাহিনী’। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে মুক্তিবাহিনী সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে উদভ্রান্ত করে তোলে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য লাভ করে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন পরিস্থিতিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

অতঃপর, ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরিভাবে জড়িয়ে পড়ে। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনী ‘মিত্র বাহিনী’র সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে ইতোমধ্যে পর্যদুস্ত ও হতোদ্যম পাকিস্তানি সামরিকবাহিনী আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে রমনার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানের ৯৩,০০০ হাজার সৈন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এরই মাধ্যমে নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের অবসান হয়। প্রতিষ্ঠিত হয়, বাঙালি জাতির প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্র-বাংলাদেশ। কিন্তু গল্প, গল্প-কথকের পরিকল্পনানুযায়ী বাঁক নেয়। মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক গল্পগুলো তার নায়ক-নায়িকাদের মুখ থেকে শোনা। তারা বলে গেছেন, লিখে গেছেন খুব কম। সে সুযোগেই এ সত্যগল্পগুলোও কিছু বিভ্রান্তময় বাঁক নিয়েছে।

তারপর চলে গেছে বহুদিন। কিন্তু ‘প্রেমের মরা জলে ডোবে না!’ বাংলাদেশকে ভালোবেসে আগুন মুখে নিয়ে যুদ্ধের যে গল্পগুলো জন্ম নিয়েছিল, তৃতীয় প্রজন্মে এসে সে সব গল্পই নতুনদের কণ্ঠে আবার কবিতা, গান ও কথা হয়ে উঠছে।

দুই.
প্রায় গ্রামে যাই। সুযোগ পেলে যাই। ওখানকার মানুষ, ওখানকার মেঠোপথ, সবুজ গাছগাছালি, পাখিদের কুঞ্জন ভীষণ ভালো লাগে আমার! ওদের সহজ-সরলতা, আতিথেয়তা আমাকে খুব কাছে টানে। মুগ্ধ করে ভীষণ! মাঝে মাঝে গ্রামের ভেতর দিয়ে যাওয়া খালের স্রোত কিংবা নদীর মোহনায় জ্বলজ্বল করে ওঠা জলের সন্তরণ আমাকে অভিভূত করে।

রূপে-রসে-গন্ধে একেবারে আলদা রূপে সাজে প্রকৃতি। কয়েকদিন আগেও খাল-বিল, জলাশয়ে তারার মতো ফুটে ছিল নানা প্রজাতির শাপলা। কয়েক দিনের ব্যবধানে খালবিল, বিস্তৃর্ণ জলাশয় কচুরিপানায় ঢেকে গাঢ় সবুজ জলজ গালিচায় পরিণত হয়েছে। এখন থোঁকায় থোঁকায় ফুটতে শুরু করেছে কচুরি ফুল। ঠিক এ সময়টায় শুষ্ক জলাশয়ের পাশ দিয়ে গেলে ইচ্ছে করে হাত বাড়িয়ে দুটো কচুরি ফুল তুলতে। এই আমার সবুজ-শ্যামল গ্রামবাংলা! এটাই বোধ হয়, বাংলাদেশের চিত্রে বিশেষ একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য।

গ্রামে গেলে আমি হারিয়ে যাই। আমার অন্তদৃষ্টি খুলে যায়—কতই না সুন্দর আমার এ দেশ! গ্রামে ঘুরতে ঘুরতে সেখানকার স্কুল পড়ুয়া কিংবা স্কুল ঝরেপড়া শিশু-কিশোরদের সঙ্গে কথা হয়। তরুণদের সঙ্গে আলাপ হয়। এসব আড্ডার মাঝে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে ওদের কাছে জানতে চাই। ওরা ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারে না। কবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করে, ওরা বলতে পারে না। এ না পারার বিষয়টা যে গ্রামে শিশু-কিশোর কিংবা তরুণদের বেলায় প্রাসঙ্গিক, তা কিন্তু নয়; শহুরের বড় বড় নামি-দামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বেলাতেও ততটা প্রাসঙ্গিক। ওরাও ঠিকমতো বলতে পারে না। যে বাংলাদেশ এত রক্ত, এত ত্যাগ-তিতীক্ষায় স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তার সম্পর্কে এদের জানার অস্পষ্টতা খুবই পীড়াদায়ক। অথচ ইতিহাস চর্চার ভেতর দিয়ে এসব অর্জন অনেক দূর পৌঁছে যেতে পারতো।

ওদের দুর্ভাগ্য, আমাদের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কমে যাচ্ছে। যাদের কাছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস, তাদের রণাঙ্গণে যুদ্ধ করার কথা জানতে পারে, তাদের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই দিন দিন কমে যাচ্ছে। এছাড়া তাদের কাছে আমাদের শিশু-কিশোরদের নিয়ে যাওয়ার কোনো উদ্যোগ সত্যিকারার্থে গড়ে ওঠেনি এত বছরেও। একজন মুক্তিযোদ্ধার একটু স্পর্শ পেলেও মুক্তিযুদ্ধকে তারা ছুঁয়ে যেতে পারতো। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর চেষ্টা করছে সারাদেশের স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানোর উদ্যোগ নিয়ে যাওয়ার।

তিন.
মুক্তিযুদ্ধের সকল যোদ্ধা, যারা আমাদের প্রতিদিনের প্রেরণা, সেই মুক্তিযোদ্ধা, যে জীবনের পরোয়া করেনি, মাথার ভেতর চে গুয়েভারা, চলে গেছে যুদ্ধে। তাঁদের কৃতিত্ব আমাদের চেতনায় আমাদের অহংকারের দীপশিখা জ্বালিয়ে চলে। আমাদের আগামী প্রজন্মের কাছেও তাঁরা থাকবেন অম্লান হয়ে। জাতির প্রয়োজনে জীবনের মায়া ত্যাগ করে গেছেন মুক্তিযুদ্ধে। তাদের যুদ্ধের গল্প শুনি, এ গল্পগুলো আমাদের সতেজ চোখে ঝলঝল করা। অশ্রু নিঙড়ানোর। এই গল্পগুলোর উষ্ণতা জড়িয়ে রাখবে, সাম্প্রদায়িকতার বিনাশে জাতি ঐক্যবদ্ধ হবে, এবারকার বিজয়ের পঁয়তাল্লিশ বছরে প্রত্যাশা ও বিশ্বাস।

মাতৃভূমি যদি গরিয়সী হয়, তবে এ গরিয়সী প্রেমে আমাদের অসাম্প্রদায়িক মনকে দুর্বল করে তুলতে হবে।

লেখক: কবি, রাজনৈতিক কর্মী।


সর্বশেষ

আরও খবর

মাতৃভাষা বাংলা’র প্রথম লড়াই ১৮৩৫ সালে হলেও নেই ইতিহাসে!

মাতৃভাষা বাংলা’র প্রথম লড়াই ১৮৩৫ সালে হলেও নেই ইতিহাসে!


তারুণ্যের ইচ্ছার স্বাধীনতা কোথায়!

তারুণ্যের ইচ্ছার স্বাধীনতা কোথায়!


সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?

সমাজ ব্যর্থ হয়েছে; নাকি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে?


যুদ্ধ এবং প্রার্থনায় যে এসেছিলো সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই আমাদের স্বাধীনতা থাকবে

যুদ্ধ এবং প্রার্থনায় যে এসেছিলো সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই আমাদের স্বাধীনতা থাকবে


বঙ্গবন্ধু কেন টার্গেট ?

বঙ্গবন্ধু কেন টার্গেট ?


আমি বাংলার, বাংলা আমার, ওতপ্রোত মেশামেশি…

আমি বাংলার, বাংলা আমার, ওতপ্রোত মেশামেশি…


শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্মদিন: ‘পুতুল’ খেলার আঙিনায় বেজে উঠুক ‘জয়’র বাঁশি

শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্মদিন: ‘পুতুল’ খেলার আঙিনায় বেজে উঠুক ‘জয়’র বাঁশি


বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই পাকিস্তান ক্ষমা চাইবে ?

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই পাকিস্তান ক্ষমা চাইবে ?


শেখ হাসিনা কতোখানি চ্যালেঞ্জিং এখনো?

শেখ হাসিনা কতোখানি চ্যালেঞ্জিং এখনো?


প্রণব মুখোপাধ্যায় : বিশ্ব-রাজনীতির মহাপ্রাণ

প্রণব মুখোপাধ্যায় : বিশ্ব-রাজনীতির মহাপ্রাণ