Tuesday, November 8th, 2016
সুষমা স্বরাজের টুইট নিয়ে বিতর্ক
November 8th, 2016 at 1:25 pm
সুষমা স্বরাজের টুইট নিয়ে বিতর্ক

ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িঘর ও মন্দির ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের এক টুইটার বার্তায় ‘গভীর উদ্বেগ প্রকাশ’ এবং ‘ঢাকার হাইকমিশনারকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে বলার’ কথা জানানোর ঘটনা কূটনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

টেম্পলট্রি ১ হ্যান্ডল থেকে এক ব্যক্তি টুইটারে সুষমা স্বরাজের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, “বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে চলেছে সে ব্যাপারে ভারত সরকার কী করছে?”

প্রশ্নের জবাবে স্বরাজ বলেন, “বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলাকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার জন্য এবং বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে ভারত যে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, সেই বার্তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্যও রাষ্ট্রদূতকে বলেছেন।”

এর মাত্র তিন দিন আগেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে যে বিবৃতি দিয়েছিল, তার তুলনায় সুষমা স্বরাজের এই বক্তব্য ছিল অনেক বেশি কঠোর। কারণ তখন মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ যদিও বলেছিলেন যে হিন্দু নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় দূতাবাস বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে, কিন্তু “কনসার্নড” বা “উদ্বিগ্ন” শব্দটি সচেতনভাবেই ব্যবহার করেননি।

এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দু মহল্লায় আরও এক দফা হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

এরপর ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী টুইট করলেন, ভারত এই ঘটনায় ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’। শুধু তাই নয়, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের একেবারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে তারা প্রতিকার দাবি করছেন।

গত চব্বিশ ঘণ্টায় বাংলাদেশের একাধিক কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, তারা কার্যত স্বীকারও করেছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে তাদের রাষ্ট্রদূতকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার কথা বলেছেন, সেটাকে তারা কূটনৈতিক সৌজন্যের পরিপন্থী বলেই মনে করছেন।

একজন রাষ্ট্রদূত যে দেশে নিযুক্ত তিনি যখন সে দেশের সরকারের সঙ্গে কোনও বিষয়ে কথা বলতে চান, তখন তাকে সেটা করতে হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই। এর বাইরে কখনও কখনও দুটো দেশের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক থাকতেই পারে, এমনকি কোনও রাষ্ট্রদূতের হয়তো স্বাগতিক দেশের সরকার প্রধানের কাছে সরাসরি যোগাযোগও থাকতে পারে- কিন্তু সেটা প্রকাশ্যে জানানো চলে না- এমনটাই কূটনৈতিক রীতি বলে মনে করা হয়।

ঠিক এখানেই সুষমা স্বরাজের টুইট নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তি, কারণ তিনি ঠিক সেই কথাটাই প্রকাশ্যে টুইট করে বলেছেন – যদিও দুই দেশের সুসম্পর্কের স্বার্থে ঢাকা বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনও প্রতিবাদ জানায়নি বা বিবৃতিও দেয়নি।

আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবিত ভারত সফর নিয়ে আলোচনার জন্য মঙ্গলবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হকের দিল্লি যাওয়ার কথা, ফলে তার আগে কোন কূটনৈতিক মনোমালিন্যের সম্ভাবনা দুপক্ষ এড়িয়ে চলতে চাইছে।

বিবিসি বাংলা অবলম্বনে ময়ূখ ইসলাম


সর্বশেষ

আরও খবর

ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারিরা কেন আওয়ামী লীগ করতে পারেন না!

ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারিরা কেন আওয়ামী লীগ করতে পারেন না!


লন্ডন ফিরছেন আইএস বধু ব্রিটিশ-বাংলাদেশী শামীমা বেগম!

লন্ডন ফিরছেন আইএস বধু ব্রিটিশ-বাংলাদেশী শামীমা বেগম!


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্মেলন


করোনায় দৌলতপুর থানার ওসির মৃত্যু

করোনায় দৌলতপুর থানার ওসির মৃত্যু


সপরিবারে কোয়ারেন্টাইনে দেব

সপরিবারে কোয়ারেন্টাইনে দেব


বিশ্বে মৃত্যু ৮ লাখ ১৭ হাজার, আক্রান্ত ২ কোটি ৩৮ লাখ

বিশ্বে মৃত্যু ৮ লাখ ১৭ হাজার, আক্রান্ত ২ কোটি ৩৮ লাখ


চট্টগ্রামে নিজ ঘরে মা-ছেলের রক্তাক্ত লাশ !

চট্টগ্রামে নিজ ঘরে মা-ছেলের রক্তাক্ত লাশ !


আবহাওয়ার বিপর্যয়ঃ দুর্বিপাকে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের মানুষ!

আবহাওয়ার বিপর্যয়ঃ দুর্বিপাকে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের মানুষ!


পটুয়াখালীর এমপি শাহাজাদাসহ সপরিবার করোনা পজিটিভ

পটুয়াখালীর এমপি শাহাজাদাসহ সপরিবার করোনা পজিটিভ


বাড্ডায় একজনকে কুপিয়ে হত্যা

বাড্ডায় একজনকে কুপিয়ে হত্যা