Sunday, September 25th, 2022
স্বাধীনতায় অবিশ্বাসকারীরা ক্ষমতায় এলে উন্নয়ন হয় না
March 7th, 2018 at 6:54 pm
স্বাধীনতায় অবিশ্বাসকারীরা ক্ষমতায় এলে উন্নয়ন হয় না

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে স্বাধীনতায় অবিশ্বাসকারীদের ব্যাপারে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, তাদের সময় দেশে কোনো উন্নয়নও হয় না। তারা ক্ষমতায় এলে দেশ আরো পিছিয়ে পড়ে। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়াও বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আরো অনেক দল ছিল। মোস্তাক-জিয়া-খালেদাসহ অনেকেই ছিলেন। কৈ তাদের সময় তো দেশ উন্নতি করতে পারেনি। কেন পারেনি? তার কারণ, তারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করতেন না।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিএনপি কখনোই মানুষের জন্য রাজনীতি করে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘বিএনপি মানুষ পুড়িয়ে উৎসব পালন করেছে! এটাই নাকি ছিল তার আন্দোলন! তারা কখনোই জনগণের জন্য রাজনীতি করেনি এবং করেও না। তারা সারাটা জীবন ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে গেছে।’

বিএনপি যখনই ক্ষমতায় গেছে, ষড়যন্ত্র করেই গেছে, উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতো। কিন্তু ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তাই ক্ষমতায় আসতে পারিনি। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম।’

২০০১ সালে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘গ্যাস আমাদের মূল্যবান সম্পদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্যাস উত্তোলন করতে চেয়েছিল; সেই গ্যাস কিনতে চেয়েছিল ভারত। আমি বক্তব্য ছিল, এ গ্যাসের মালিক জনগণ। বাংলাদেশের জন্য অন্তত ৫০ বছরের গ্যাস মজুদ থাকবে, সেটা নিশ্চিত না করে, মজুদ না রেখে বিক্রি করতে পারবো না। জনগণের স্বার্থ দেখেছি বলেই সেবার আসতে পারিনি। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হলো, পিছিয়ে পড়লাম।’

তবে আগামীতে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে আওয়ামী লীগকেই জনগণ বেছে নেবে বলেও আশাপ্রকাশ করেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার। যুব সমাজকেও এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে বলে মত দেন তিনি।

দেশে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মত দেন শেখ হাসিনা। বলেন, বাংলাদেশে এখন সব কিছুরই নিশ্চয়তা আছে। খাদ্য নিরাপত্তা সবার আগে জরুরি ছিল। আমরা সেটি অনেক আগেই নিশ্চিত করে এসেছি। কেবল নিজের দেশের ১৬ কোটি মানুষকে খাদ্য দেই না, মিয়ানমারের মানুষকেও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। মানবিকতার জন্য আমরা এ কাজটি করেছি।

বিকেল ৪টা ৩৯ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ শুরু করেন। প্রায় ৪০ মিনিটের ভাষণে বাংলার স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিবৃত্ত, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট থেকে শুরু করে জেলহত্যার ঘটনা, পরের বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন। তার বক্তব্যে আগে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত কবি নির্মলেন্দু গুণ সবাইকে কবিতা শোনান।

প্রতিবেদক: সৈয়দ ইফতেখার আলম , সম্পাদনা: এম কে রায়হান


সর্বশেষ

আরও খবর

বাংলাদেশের কষ্টার্জিত জয়


বোদায় নৌকাডুবি নারী-শিশুসহ ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার


কলকাতায় এশিয়ান যুব নেতৃত্ব সম্মাননায় ভূষিত আলতামিশ নাবিল

কলকাতায় এশিয়ান যুব নেতৃত্ব সম্মাননায় ভূষিত আলতামিশ নাবিল


জেসিআই ঢাকা ওয়েস্টের তৃতীয় জিএমএম অনুষ্ঠিত

জেসিআই ঢাকা ওয়েস্টের তৃতীয় জিএমএম অনুষ্ঠিত


সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

সংসদে ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব


আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন

আ’লীগ নেতা বিএম ডিপোর একক মালিক নন


চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ

চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ


ভোজ্যতেল ও খাদ্য নিয়ে যা ভাবছে সরকার

ভোজ্যতেল ও খাদ্য নিয়ে যা ভাবছে সরকার


তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন

তৎপর মন্ত্রীগণ, সীতাকুণ্ডে থামেনি দহন


অত আগুন, এত মৃত্যু, দায় কার?

অত আগুন, এত মৃত্যু, দায় কার?