Monday, September 19th, 2016
‘নিজেকে এন্টারটেইনার ভাবি’
September 19th, 2016 at 9:38 pm
‘নিজেকে এন্টারটেইনার ভাবি’

নীলিমা দোলা, ঢাকা:

‘যতটা স্বাধীন বলে ভাবাও, আমি তারচেয়েও বেশী স্বাধীন’— গানে গানে এমন কথা বলে প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থাকে যিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন নিয়মিত, তার নাম সিনা হাসান। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘লাস্টবেঞ্চ’ এ বসে ‘লেফট রাইট’ হতাশার বৃত্ত ভেঙেছেন বছর দুয়েক হলো। নৃবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করা এই যুবক এখন নির্মাণ করে যাচ্ছেন বিবিধ স্বপ্নের হাওয়াই মিঠাই। এর বাইরে ‘র‌্যাগে গড’ খ্যাত বব মার্লিকে সিনায় ধারণ করে তিনি মঞ্চ মাতাচ্ছেন অনেকদিন।

সিনা হাসানের ‘ন্যাংটো পাগল’ গানটি প্রকাশিত হয়েছে সম্প্রতি। গানটি প্রকাশের পর থেকেই তাকে ঘিরে শ্রোতাদের আগ্রহ ক্রমাগত বাড়ছে। এর মিউজিক ভিডিওটিও প্রশংসিত হয়েছে প্রায় সর্বমহলে। হঠাৎ পাওয়া এই জনপ্রিয়তা কিভাবে সামলাচ্ছেন এই লাস্ট বেঞ্চার? খ্যাতির কি কোন বিড়ম্বনা আছে? বর্ষার শেষ সপ্তাহের এক বৃষ্টিবন্দী বিকেলে তার বাসায় এইসব নিয়েই কথা হচ্ছিল আমাদের।

 

আপনার তো অ্যালবাম আসছে? 

হ্যাঁ। কাজ তো করতেছি একটা। চালাই, শোন গানগুলা।  

আপনার গানের শুরুটা কেমন ছিলো?

ছোট বেলায় তো গান শুনতাম আসলে। সবাই যা শোনে তাই শুনতাম। আমি তো থাকতাম বরিশাল, সেখানে খুব বেশী ভালো গান আমি শুনিনি। পথিক নবীর একটা অ্যালবাম ছিলো ‘অচেনা পথিক’। ওখানে একটা গান ছিলো ‘মানুষ আমায় প্রশ্ন করে কি পেলিরে পাগল?’ এটা আমার মাথায় ‘ক্লিক’ করে গেলো। তখন মনে হলো, গানের লিরিক এমন হতে পারে? মানে ওরকম সোজাসুজি বলে ফেলাটা। আর ওই গানের যে অ্যারেঞ্জমেন্ট, এই গ্রাফ উঠছে, এই গ্রাফ নামছে, এই অডিয়েন্সকে ধরে রাখছে, মানে পুরা অ্যালবামটা একটা ট্রিপের মতোন। তখন এমন মিউজিক করার খুব ইচ্ছা হলো। তখন বাংলা ব্যান্ডেরও একটা অ্যালবাম বের হয়েছিলো। বাংলা ব্যান্ডের মিউজিক আর লিরিক খুব ভালো ছিলো। তবে আমি যে ধরণের গান গাইতে চাইছি সেটা পথিক নবীর ওই অ্যালবামের সাথে মেলে। তাই ওটা দিয়েই শুরু করি। তারপর যেটা হলো, গিটার তো কিনে দেয় না। বাসা থেকে  বললো যে, এসএসসির পর গিটার পাবো। আমার বাসায় একটা গিটার আছে না, যেটা দেখলি? ওটা কে বলে সিগারবক্স গিটার। আফ্রিকানরা তো গরীব মানুষ ছিলো, তারা বিয়ারের বোতল কেটে আর সিগারেটের প্যাকেট দিয়ে গিটারের মতোন বানিয়ে পরে বাজাতো। সেইখান থেকেই তো মুলত আসছে গিটারটা। যাক আমিও ভাবছিলাম কি করবো? পরে খাটের স্ট্যান্ড ঘষে গিটার বানাই। কারণ আমিও গরিব ছিলাম, ছোটই ছিলাম, কালোও ছিলাম দেখতে। হাহাহা। কিন্তু আমি অবশ্য বাঙালি ছিলাম।  

sina-hasan-4

পরে ভাবলাম ‘গানতো যারা গায়, এরা তো কেউ বরিশাল থাকে না, এরা তো ঢাকায়। তাইলে আমি ঢাকায় যাই।’  

তারপর লঞ্চে উঠে ঢাকায় আসি, কলেজে ভর্তি হলাম কমার্স কলেজ। আমার কলেজে তেমন কেউ গান গাইতো না, আমি ছাড়া। তখন একটা আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড  নাম হচ্ছে ‘প্লেটোনিক’ তারাও আমাকে বলেছিলো তাদের ভোকাল হতে। তখন আমিও ভাবলাম করি, আমার নিজেরো কিছু গান আছে। আমি ওদের সাথে কাজ করতে শুরু করি, ২০০৪ সালের দিকে। এই ব্যান্ড করলাম তিন বছর। তখন আন্ডারগ্রাউন্ড, হেভি মেটাল, থ্রাস মেটালের একটা স্রোত ছিলো, আমিও তাতেই গা ভাসাইলাম। এরকম করে ২০০৬ সালের দিকে দেখলাম, আসলে ‘দিল্লি তো মেলা দূর দেখলাম গান করা খুবই এক্সপেন্সিভ ব্যাপার। যা যা করতে চাই, তার কিছুই আসলে হয় না। এর মধ্যে আবার ঝগড়া- ঝাটি লেগে ব্যান্ডও যায় ভেঙ্গে। পরে একটা ব্যান্ডে আমি বেইজিস্ট হিসাবে বাজালাম কিছুদিন। পরে সেখান থেকেও আমি পালাই। আমার বেইজ ছিলো একটা নিজের, সেটা বেচে দিলাম। পরে ভাবলাম নাটক বানাবো। তখন খুব সহজেই নাটক বানিয় ফেলার একটা ট্রেন্ড চালু হলো। ওটা করতে গিয়া মনে হল আমি নাটক বানাবো না, তখন মনে হলো ফিল্ম বানানো সহজ। তখন তো সরয়ার ফারুকিরা সহজেই সিনেমা বানাচ্ছিলো। শুরু করলাম ফিল্ম মেকিং। গানরে বিদায় দিলাম। আর কখনো যে গান গাবো ভাবিও নাই। পরে ইন্টার শেষ করে এক বছর কোথাও ভর্তি হই নাই। এক বছর পরে দেখলাম সার্টিফিকেট তো লাগবে আমার। পরে জাহাঙ্গীরনগরে কয়েকটা সাবজেক্টে পরীক্ষা দিলাম। দেখলাম সব থেকে কম কষ্টে পড়তে পারবো অ্যানথ্রপলজি। কারণ সিলেবাসে যা আছে, তাই আসলে আমি সারাদিন ভাবি। বানিয়ে লেখলেও অসুবিধা নেই। ভর্তির পরে শুরু করলাম রাজনীতি আর ফিল্ম সোসাইটি। তখন জহির রায়হান ফিল্ম সোসাইটির অবস্থা বেশী ভালো ছিলো না। হাতে করে শুরু করি। ছাত্র ইউনিয়নের সেক্রেটারি ছিলাম কয়দিন। পরে তাও ছেড়ে দিলাম। কারণ, দেখলাম মানুষ অনেক্ষণ বক্তব্য দিলেও শোনে না। কিন্তু গান গাইলে শোনে। গানের একটা রিকল ভ্যালু আছে।

আপনার রাজনৈতিক অবস্থান কি?

ওটাতো সবারই থাকে। আমারো একটা ছিলো। 

ছাত্র ইউনিয়নকে বেঁছে নিলেন কেন?

আমি করছি কারণ, আমি দেখলাম যে জাহাঙ্গীরনগরের সব থেকে ছোট সংগঠন হলো এটা। আর আমার ওই সময় ভালো লাগছে আমি করছি। আমি ছাত্র ইউনিয়ন সর্বস্ব হয়ে যাইনি, আর ছাত্র ইউনিয়নকেও আমার সর্বস্ব হতে দেইনি। পরে আমি বিদায়ও নিছি সেখান থেকে। আমার যা নেয়ার আমি নিছি, আমার যা দেয়ার আমি দিছি। পরে যাই হোক, আন্দোলন করতে গিয়ে দেখি ‘মব’ ধরে রাখা লাগে। তালাটালা দিয়ে বসে আছি লোকজন নাই। কিন্তু গান গেলে মানুষ থাকে। পরে আবার গান এইভাবে বানানোর শুরু। দরকার হলেই গান বানাতাম। পরে আবার একটা ব্যান্ড করলাম, সেটাও ভাঙ্গলো।

লেফট- রাইট গানটা কি তখনি করা?

একটা লাইন আছেনা? রাস্তা এখন দুই ভাগ হয়ে যায় ছুটে আসে অটোম্যাটিক মেশিন, এটা আমার বন্ধু জুবায়েরকে নিয়ে লিখছিলাম। তখন ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের দখল চলে। দখল না, আমি বলবো বেদখল। তো জুবায়ের ছাত্রদল করতো। তারপর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ঢুকল। তখন ছাত্রদল আর নাই-ই। সবাই জিয়ার সৈনিক থেকে রাতারাতি মুজিবের সৈনিক হয়ে গেলো। 

তো ছাত্রলীগের দুইটা গ্রুপ হলো তার ভিতরে জুবায়ের ছিলো। সেটা ভেঙ্গে আরো দুইভাগ হলো, জুবায়ের তখন আরেক ভাগে গেলো। এইভাবে গ্রুপিং এর ফলে তো শত্রু বাড়ে মানুষের। অমুক ভাই বনাম তমুক ভাইয়ের ফেরে পড়ে জুবায়ের মারা গেলো। 

নীৎসের একটা কথা আছে, ‘মানুষ তুমি নিজেরে যতোটা স্বাধীন ভাবো, তুমি আসলে তার চেয়েও বেশী স্বাধীন’ এই কথাটা পড়ছিলাম। পরে আবার আমার মনে হলো এটার সাথে যদি একটু ফুকোরে মিলাই, ফুকোরেও মিলানো লাগবে না। আমি ভাবলাম, আমি কি? আমি তো মানুষ। সবাই তো একভাবে ভাববে না। একেকটা মানুষের ক্যাপাসিটি একেক রকম। কিন্তু মানুষ অতটুকুই ভাবে যতোটুক তাকে ভাবানো হয়। কিভাবে ভাবতে হয়, এটাও তো আমাকে শেখানো হয়। কিছু শেখানো হইছে, কিছু আমি নিজে শিখছি। তো, জুবায়েরকেও শেখানো হইছিলো, এটাই পাওয়ারফুল। এটা করলেই তুমি ক্ষমতাবান হতে পারবা। অনেককিছুই ওরে ভাবানো হইছে। কিন্তু মানুষ আসলে এমন একটা প্রাণী যারা সব ক্ষমতা নিয়ে বসে আছে, কিন্তু ভুলে গেছে।

যেকোন প্রাণীই কিন্তু ভয় পায় মানুষকে। তেলাপোকা উল্টো হয়ে গেলে, কিচ্ছু করতে পারেনা। ও কিন্তু সব থেকে বেশীদিন টিকে আছে। এখন সভ্যতাটাই আসলে আত্মঘাতী। মানুষ আসলে কি করছে এসব ভেবেই গান গাই, লিখি। 

sina-hasan-1

লেফট-রাইট কি এসব ভেবেই লেখা?

আরে না। বললাম আরকি। তেলাপোকার কথা ভেবে লেফট-রাইট লেখা না। আমরা আমাদের ক্ষমতাটা ভুলে যাই। এই আরকি, এইভাবে গান গাই। কনসার্ট করি কিছু।

আপনার তো এখন ব্যান্ড নাই?

না, নাই। একটা টিম আছে। ওদের নিয়েই কাজ করি

অ্যালবাম বের করতে চাইলেন কেনো?

অন্য এক জায়গায়, খুবই নামকরা কোম্পানীর সাথে একবার রেকর্ডে গেছিলাম। কিন্তু আমার পছন্দ না হওয়ায় আমি ওটা ফেলে দেই। পরে ঘুরতে ঘুরতে পাভেলের সাথে আমার পরিচয় হয়। ও হচ্ছে সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার। ও খুব ভালো। ওকে পাওয়ার পরে আমার একটা ভুল ধারণা ভেঙ্গে গেছে। আমার ধারণা ছিলো মরিসন বা রজার ওয়াটার্সরা মনে হয় সেইম ফিলোসফির লোক খুজে ব্যান্ড করছে। 

কিন্তু পাভেলের সাথে কাজ করতে গিয়ে দেখি এটা ঠিক না। দেখলাম ওর ফিলোসফি আলাদা, বিশ্বাসের প্যাটার্ন আলাদা, রাজনৈতিক চিন্তা- ভাবনা দুইজনের আলাদা। তাও আমরা একসাথে এতো কাজ করছি এবং ও আমারে আমার কাজে সর্বোচ্চ হেল্প করছে। ওর উপরে ছেড়ে দিয়ে আমি নিশ্চিন্তে আছি। আমি যদি স্বপ্ন দেখি নয় তাহলে পাভেল দেখে চৌদ্দ। ওর সাথে আমার কাজ করে ভাল্লাগছে। আমি পাভেলের কারণে মোহীনি দে বা সঞ্জয়কে পাইছি। আরেকটা জিনিস হলো ওদের সাথে কাজ করে শিখছি যে, জেনে তারপর কাজ করতে হবে। আমাদের এখানকার মিউজিশিয়ানরা হলো দেখায় বেশী। কিন্তু ওদের ডেডিকেশন লেভেল অনেক কম। আমার গানকে পাভেল নিজের গান ভাবে।

নিজের অ্যালবাম বা রিলিজ হওয়া মিউজিক ভিডিওটা নিয়ে তাহলে বলতে চাচ্ছেন, আপনার সন্তুষ্টি আছে পুরোপুরি?

আসলে, বাংলাদেশে গানের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে বিভিন্ন কোম্পানী। যেমন মোবাইল ফোন। তাদের সকল উদ্দেশ্যের মূলে থাকে প্রোডাক্ট বিক্রি। তারা নতুনদের টাকা দেয় না, ঠিক মতো রেভিনিউ দেয় না, মিউজিক ভিডিও থেকে ছবি বা কভার আর্টকে তাদের বিজ্ঞাপন বানিয়ে ফেলে। আমি সবসময়েই চেয়ে আসছি, গানের ব্যবসা গানের লোকদের হাতে থাকুক, যারা গানকে প্রোমোট করবে।

বাংলাদেশে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম এগিয়ে গেছে কিন্তু ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিউজিক একটুও আগায়নি। সাহস করে কেউ বলেনি যে, ‘না, নিজে করি, নিজেরা করি।’ এমন সময়ে আমি সাহস করে নিজেই মিউজিক ভিডিও রিলিজ করেছি অনলাইনে। মানুষ সাহস দিয়েছে। মানুষ এভাবে আমার সাথে থাকলে আশা করি আমাকে অন্যদের মতো কোনো টেলকো বা টিস্যু পেপার কোম্পানীতে ধর্ণা দিতে হবে না। এবং ভিডিওটা কোন রকম বুস্ট বা বিজ্ঞাপন ছাড়া যে পরিমান ছড়িয়েছে তা কোন কোন টেলকো নিবেদিতে গানেও হয়নি। শ্রোতাকে সাথে চাই, ফোন বা টিস্যু কোম্পানীকে নয়।

নিজের লেখা গান গাইতে বেশী ভাল্লাগে, নাকি অন্যের লেখা?

ঠিক নেই। আমি অনেক বিখ্যাত গানকেও মাঝে মাঝে নিজের সুরে গাই। খেয়াল। ভাল্লাগলেই হয়।

নিজে সিনেমা বানাবেন?

হ্যাঁ, পুরো সিনেমা বানাবো।

আমাদের এখানে সাংস্কৃতিক সংকট তো প্রকট…

সংস্কৃতি থাকলে সংকটও থাকবে। ওটা সবসময়ই ছিলো। তবে আমি ভাবি যে, বাংলাদেশে রক এতো জনপ্রিয়তা পাইলো কিভাবে। 

জিমি হেনড্রিক্স, বিটলস, লেড জ্যাপলিন, এরা যা করে গেছে তাতো ৬০ এর দশকেই হয়ে গেছে। আমরা কলোনিয়াল না, খ্রিস্টান না, আমরা ওপেন সোসাইটিরও না। আমরা তাহলে এতো গান ভালোবাসি কেনো? উত্তর যেটা পেলাম, বাংলাদেশের মানুষ আসলে জাতিগত ভাবেই সুরেলা। আর এখানকার মানুষের জোরে কথা বলতে হয় নয়েজের কারণে। তো, এই জিনিস গুলাকেই আমরা বাংলা রক করে বলতে চাইছি। কিন্তু আমাদের চর্চাটা প্রপার না। আমার মনে হয়, এই শতাব্দীর গান কেমন হবে তা আরো ৫০ বছরের আগে বলা যাচ্ছে না। কারণ আমরা এখনো পুরানোটাই করছি। অপেক্ষা করে দেখতে হবে।

sina-hasan-3

নতুন হিসেবে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকে কিভাবে দেখছেন?

আমরা যারা নতুন যা করছি ইনক্লুলুডিং মি, সেটা হচ্ছে, আমাদের এমন কিছু করা দরকার যেটা একশো বছর পরে গিয়ে মানুষ শুনে লাফিয়ে উঠবে।

মানে মিউজিশিয়ানদের দূরদর্শিতা সম্পর্কে বলছেন?

হ্যাঁ। কিন্তু সবারই থাকা দরকার। দেশের কোনো সিনেমা কাপাচ্ছে। আবার ১০০ সিনেমা গারবেজ হচ্ছে। তাই সবগুলোকে সমান ভাবে দৌড়াতে হবে।

নিজেকে কি আর্টিস্ট ভাবেন?

না, এন্টারটেইনার ভাবি। আমি ভাবি না যে, আমার কাজ শিল্পকর্ম হয়ে উঠতে পারছে কিনা? ওইটা যাদের ভাবার তারা ভাবুক।  আমি এন্টারটেইন করতেই চাইছি। কারণ, গানকে মানুষ সামহাও পার্সোনালি রিলেট করে। তো আমি ভাবি যে, আমার কাজ সবার ভালো লাগলেই হলো।

সব আর্টিস্টই তো এন্টারটেইনার কিন্তু সব এন্টারটেইনার আর্টিস্ট না। আপনি এন্টারটেইন করবেন কিন্তু এজেন্ডা টা বুঝে নিতে হবে যে, কি দিতে চান। এন্টারটেইন তো স্টার জলসাও করে। তো তাদের এজেন্ডা এক রকমের আর আমার আরেক রকম।

আপনার গানে প্রতিষ্ঠান বিরোধী বক্তব্য থাকে, ব্যক্তিজীবনে আপনি নিজেও কি এরকম?

না। প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা পুরোণো প্রথা। নতুন কিছু দরকার।  

কাদের গান আপনাকে ভাবায়?

লালন, বব মার্লে, ডেভিড বোউই, তারপর নকুল কুমার বিশ্বাস। 

র‌্যাপ বেছে নেয়া কেনো?

আসলে অনেক কথা একসাথে আসে তো, সুরে বসাতে পারিনা। তখন সব কথা একসাথে বলতে গিয়ে, র‌্যাপ হয়ে পড়ে কখনো-সখনো। অনেক শব্দ কথার মতোন হয়ে যায়।

সিনা হাসানের ন্যাংটো পাগল গানটির লিংক: 

প্রকাশ: তুসা

সর্বশেষ

আরও খবর

নতুন মৌলিক গান “তুমি হারালে কোথায়?”

নতুন মৌলিক গান “তুমি হারালে কোথায়?”


করোনায় আক্রান্ত তাহসান

করোনায় আক্রান্ত তাহসান


মুজিববর্র্ষে লন্ডনে জয় বাংলা ব্যান্ডের রঙ্গিন ভালবাসা

মুজিববর্র্ষে লন্ডনে জয় বাংলা ব্যান্ডের রঙ্গিন ভালবাসা


গ্রেপ্তার হলেন বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী

গ্রেপ্তার হলেন বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী


সপরিবারে কোয়ারেন্টাইনে দেব

সপরিবারে কোয়ারেন্টাইনে দেব


বিটিভিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘বাংলার মুখ’

বিটিভিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘বাংলার মুখ’


হুট করেই বিয়ে পরীমনির, ৫ মাসেই ভাঙল সংসার!

হুট করেই বিয়ে পরীমনির, ৫ মাসেই ভাঙল সংসার!


এফডিসিতে ৫ গরু কোরবানি দিচ্ছেন পরীমনি

এফডিসিতে ৫ গরু কোরবানি দিচ্ছেন পরীমনি


করোনার মধ্যেই বিয়ে করলেন কর্নিয়া

করোনার মধ্যেই বিয়ে করলেন কর্নিয়া


ঐশ্বরিয়া-আরাধ্য করোনা নেগেটিভ, চিকিৎসাধীন অমিতাভ-অভিষেক

ঐশ্বরিয়া-আরাধ্য করোনা নেগেটিভ, চিকিৎসাধীন অমিতাভ-অভিষেক